ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্যক্তিজীবন ও অফিসের কাজে ভারসাম্য ফেরাবেন যেভাবে

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২০ পিএম
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

বর্তমান যুগে কর্মব্যস্ততা আর ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে সীমারেখা টানা ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে। একদিকে অফিসের পদোন্নতি ও ক্যারিয়ারের ইঁদুর দৌড়, অন্যদিকে পরিবার ও সামাজিকতার দায়বদ্ধতা—এই দুইয়ের চাপে চিড়েচ্যাপ্টা হচ্ছেন অনেকেই।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর সীমানা বজায় রাখতে পারেন, তারা কর্মক্ষেত্রে যেমন সফল হন, তেমনি মানসিকভাবেও স্থিতিশীল থাকেন। তবে এই ভারসাম্য রক্ষার কোনো নির্দিষ্ট ধরাবাঁধা নিয়ম নেই; বরং কিছু কৌশলী অভ্যাসের মাধ্যমে যে কেউ নিজের জীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারেন।

ডিজিটাল যুগে অফিস শেষ হলেও কাজ যেন পিছু ছাড়ে না। স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের কল্যাণে অফিস সময়ের পরেও ই-মেইল বা সোশ্যাল মিডিয়া নোটিফিকেশন আমাদের অবচেতন মনে কাজের দুশ্চিন্তা ঢুকিয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অফিসকে অফিসের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। কাজ শেষে বাসায় ফিরে অফিসের মোবাইল বা যোগাযোগের গ্রুপগুলো থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রয়োজনে বাড়িতে কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা রাখা যেতে পারে, যার বাইরে গিয়ে অফিসের কোনো ই-মেইল বা মেসেজ চেক করা হবে না। এতে মস্তিষ্ক ব্যক্তিগত ও কাজের সময়ের পার্থক্য বুঝতে পারে।

কাজের সময়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কঠোর না হয়ে কিছুটা নমনীয় থাকা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। একটানা দীর্ঘ সময় কাজ না করে মাঝখানে ১০ মিনিটের জন্য একটু হেঁটে আসা বা চুপচাপ বসে থাকা টনিকের মতো কাজ করে। দুপুরের খাবারের সময়টি নির্দিষ্ট রাখা এবং সেটি উপভোগ করাও ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন

যদি দিনের কোনো সময় মনে হয় একটু বিরতি প্রয়োজন, তবে সেই সময়টি নিজের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিত। বই পড়া, গান শোনা বা এক কাপ চা পান করা নিমিষেই আপনার মনকে ফুরফুরে করে তুলতে পারে।

ছুটির দিনকে প্রকৃত অর্থেই ‘ছুটি’ হিসেবে বিবেচনা করা জরুরি। অনেক সময় দেখা যায়, ছুটির দিনেও অনেকে অফিসের ই-মেইল বা ছোটখাটো কাজ সেরে রাখতে চান। এই অভ্যাসটি দীর্ঘমেয়াদে ব্যক্তিগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ছুটির দিনে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং অফিসের চিন্তা থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা আপনাকে পরের দিনের কাজের জন্য নতুন করে প্রাণশক্তি জোগাবে।

মনে রাখতে হবে, জীবন মানেই কেবল অফিস নয়; নিজের ভালো লাগা ও সময়ও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকের পছন্দ ও কাজের ধরণ আলাদা, তাই নিজের জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর, তা খুঁজে বের করতে হবে। ছোট ছোট এই পরিবর্তনগুলোই আপনার যান্ত্রিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে প্রশান্তির ছোঁয়া। সূত্র: হেলথ লাইন

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে এবং শরীর সতেজ রাখার উপায়
প্রচণ্ড রোদে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা এবং সুস্থ থাকা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, বিশেষ করে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে যেখানে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যায়।
রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে এবং শরীর সতেজ রাখার উপায়
অবিবাহিত বন্ধুদের যে ৬ কথা না বলাই ভালো
বয়স বিশের কোটা পেরোতেই বন্ধুমহলে একে একে বিয়ের আয়োজন শুরু হয়।
অবিবাহিত বন্ধুদের যে ৬ কথা না বলাই ভালো
আজকের দিনটি ব্যর্থদের জন্য
সব সময়তো শুনেছেন বা পত্রিকায় লেখা পড়েছেন ‘সফলতাকে উৎযাপন’ করার কথা।
আজকের দিনটি ব্যর্থদের জন্য
আজ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস
ব্যর্থতাকে আমরা সাধারণত হতাশা ও পরাজয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখি। কোনো কাজে সফল না হলে অনেকেই নতুন করে চেষ্টা করার সাহস হারিয়ে ফেলেন।
আজ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়