ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ব্যক্তিজীবন ও অফিসের কাজে ভারসাম্য ফেরাবেন যেভাবে

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২০ পিএম
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

বর্তমান যুগে কর্মব্যস্ততা আর ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে সীমারেখা টানা ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে। একদিকে অফিসের পদোন্নতি ও ক্যারিয়ারের ইঁদুর দৌড়, অন্যদিকে পরিবার ও সামাজিকতার দায়বদ্ধতা—এই দুইয়ের চাপে চিড়েচ্যাপ্টা হচ্ছেন অনেকেই।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর সীমানা বজায় রাখতে পারেন, তারা কর্মক্ষেত্রে যেমন সফল হন, তেমনি মানসিকভাবেও স্থিতিশীল থাকেন। তবে এই ভারসাম্য রক্ষার কোনো নির্দিষ্ট ধরাবাঁধা নিয়ম নেই; বরং কিছু কৌশলী অভ্যাসের মাধ্যমে যে কেউ নিজের জীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারেন।

ডিজিটাল যুগে অফিস শেষ হলেও কাজ যেন পিছু ছাড়ে না। স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের কল্যাণে অফিস সময়ের পরেও ই-মেইল বা সোশ্যাল মিডিয়া নোটিফিকেশন আমাদের অবচেতন মনে কাজের দুশ্চিন্তা ঢুকিয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অফিসকে অফিসের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। কাজ শেষে বাসায় ফিরে অফিসের মোবাইল বা যোগাযোগের গ্রুপগুলো থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রয়োজনে বাড়িতে কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা রাখা যেতে পারে, যার বাইরে গিয়ে অফিসের কোনো ই-মেইল বা মেসেজ চেক করা হবে না। এতে মস্তিষ্ক ব্যক্তিগত ও কাজের সময়ের পার্থক্য বুঝতে পারে।

কাজের সময়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কঠোর না হয়ে কিছুটা নমনীয় থাকা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। একটানা দীর্ঘ সময় কাজ না করে মাঝখানে ১০ মিনিটের জন্য একটু হেঁটে আসা বা চুপচাপ বসে থাকা টনিকের মতো কাজ করে। দুপুরের খাবারের সময়টি নির্দিষ্ট রাখা এবং সেটি উপভোগ করাও ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন

যদি দিনের কোনো সময় মনে হয় একটু বিরতি প্রয়োজন, তবে সেই সময়টি নিজের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিত। বই পড়া, গান শোনা বা এক কাপ চা পান করা নিমিষেই আপনার মনকে ফুরফুরে করে তুলতে পারে।

ছুটির দিনকে প্রকৃত অর্থেই ‘ছুটি’ হিসেবে বিবেচনা করা জরুরি। অনেক সময় দেখা যায়, ছুটির দিনেও অনেকে অফিসের ই-মেইল বা ছোটখাটো কাজ সেরে রাখতে চান। এই অভ্যাসটি দীর্ঘমেয়াদে ব্যক্তিগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ছুটির দিনে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং অফিসের চিন্তা থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা আপনাকে পরের দিনের কাজের জন্য নতুন করে প্রাণশক্তি জোগাবে।

মনে রাখতে হবে, জীবন মানেই কেবল অফিস নয়; নিজের ভালো লাগা ও সময়ও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকের পছন্দ ও কাজের ধরণ আলাদা, তাই নিজের জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর, তা খুঁজে বের করতে হবে। ছোট ছোট এই পরিবর্তনগুলোই আপনার যান্ত্রিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে প্রশান্তির ছোঁয়া। সূত্র: হেলথ লাইন

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আজ কালো বিড়াল দিবস 
কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে।
আজ কালো বিড়াল দিবস