ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্রকলির যত গুণ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:১১ এএম
ফাইল ছবি

ব্রকলি মানব দেহের স্বাস্থ্য গুণাগুণের জন্য খুবই বিখ্যাত। ব্রকলিতে উচ্চ মাত্রায় নিউট্রিয়েনট রয়েছে। তাছারা এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, আয়রন, পটাসিয়াম। পাশাপাশি এটি অন্যান্য সবজির তুলনায় বেশি প্রোটিন বহন করে।

এই সবুজ সবজিটি কাচাও খাওয়া যায়, আবার রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ব্রকলিতে ৯০% পানি, ৭% কারবস, ৩% প্রোটিন এবং ফ্যাট থাকে না বললেই চলে। ব্রকলিতে ক্যালোরি খুব কম পরিমাণে থাকে।

এছারা ব্রকলিতে ফাইবার এবং শর্করা রয়েছে। ফাইবার স্বাস্থ্যের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি স্বাস্থ্যকর ডায়টের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এছারাও ফাইবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ওজন হ্রাস করে সহায়তা করে।

প্রোটিন আমাদের স্বাস্থ্য উন্নত রাখতে কার্যকর ভুমিকা রাখে। প্রোটিন আমাদের দেহের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আমাদের দেহ বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় ভুমিকা রাখে।

ব্রকলিতে অনেক ধরনের ভিটামিন এবং মিনারেলস রয়েছে।

  • ভিটামিন সি, এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আমাদের ত্বক ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
  • ভিটামিন কে, ব্রকলিতে অনেক বেশি পরিমাণে ভিতামিন কে রয়েছে। এই ভিটামিনটি আমাদের রক্ত সঞ্চালন এবং আমাদের হাঁড় মজবুত করতে সহায়তা করে।
  • পটাসিয়াম, একটি প্রয়োজনীয় খনিজ, পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য উপকারী।
  • আয়রন, আমাদের দেহে অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যেমন লোহিত রক্তকণিকায় অক্সিজেন পরিবহন করে থাকে।

এছাড়াও ব্রকলি ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে থাকে, কলেস্টেরল নিচে রাখতে কাজ করে এবং আমাদের দৃষ্টি ঠিক রাখতে কাজ করে থাকে।

আরো পড়ুন

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রূপচর্চা ও রোগ নিরাময়ে নিমের তেল
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, চুল ও ত্বকের জন্য নিম তেলের বিকল্প হয় না। শুধু তাই নয়, সংক্রমণ কমানোর পাশাপাশি ত্বকের নানা রোগের প্রকোপ কমাতেও এটি দারুণ কাজে দেয়। তাই নিয়মিত ত্বক এবং চুলের পরিচর্যায় যদি নিম তেলকে কাজে লাগানো হয়, তাহলে সাধারণত যে উপকারগুলো পাওয়া যায়, তা দেখে নিন- ত্বক ফর্সা হয়ে ওঠে ত্বকের পরিচর্যায় নিমের তেল ব্যবহার করলে কোলাজনের উৎপাদন বেড়ে যেতে শুরু করে, এর ফলে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। ত্বকের আর্দ্রতা ফিরে আসে শুষ্ক ত্বক যাদের, তারা নিয়মিত এই তেল লাগালে সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। প্রতিদিন নারকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে নিমের তেল মিশিয়ে ভালো করে সারা শরীরে ম্যাসেজ করলে উপকার পাওয়া যাবে। ব্রণের প্রকোপ কমে নিমের তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপার্টিজ থাকায় এটি ব্রণের স্থানে লাগালে ব্রণের প্রকোপ কমতে থাকে। ভালো ফল পেতে কয়েক ফোঁটা নিমের তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল মিশিয়ে ব্রণের উপর লাগান। কখনোই নিমের তেল সরাসরি মুখে লাগাবেন না। ত্বকের বয়স কমে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বয়স বাড়লেও ত্বকের বয়স না বাড়ুক এমনটা যদি চান, তাহলে নিয়মিত নিম তেল দিয়ে ত্বকের ম্যাসেজ করতে ভুলবেন না যেন! এমনটা করলে বলিরেখা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্কিন টানটান হয়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না। খুশকির সমস্যা দূর হয় সাধারণত ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলেই এই ধরণের ত্বকের সমস্যা হয়ে থাকে, যা নিমের তেল ব্যবহারে একদম কমে যায়। স্কাল্পের যে কোনও ধরণের সংক্রমণ কমাতেও নিম তেলের বিকল্প নেই। যে শ্যাম্পু ব্যবহার করেন না কেন, তাতে কয়েক ড্রপ নিমের তেল মিশিয়ে রোজ মাথায় লাগান।  স্কিনের যত্নে কাজে আসে নিমে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপার্টিজ থাকার কারণে ত্বকের উন্মুক্ত ছিদ্র বন্ধ করতে এটি দারুণ কাজে আসে। স্কিনের যত্ন নিতে নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে মুখে লাগান। নিম গাছের ভয়ে এইডস কাঁপে' – হ্যাঁ কথাটি ঠিকই পড়ছেন, নিম পাতা এইডস এর ভাইরাসকে মেরে ফেলতে অনেক সাহায্য করে। যদি বাড়িতে একটি নিমগাছ থাকে একজন ডাক্তারের চেয়ে ও বেশি কাজ করে।  shijang-O2 bubble foam * এটা আমাদের স্কিনের কেরাটিন প্রোটিনকে উজ্জীবিত করে। কেরাটিন হলো স্কিনের এমন এক প্রোটিন যা আমাদের ত্বকের কোষগুলোকে একটি আরেকটির সাথে আটকে রাখে। কেরাটিন প্রোটিন যদি কোন কারণে সতেজ না থাকে তাহলে স্কিন ধীরে ধীরে ঝুলে পড়ে এবং রিংকেল হয়।  ** একল্যান্টের O2 বাবল ফোম স্কিনের এই কেরাটিন প্রোটিনকে সতেজ করে তোলে, যার ফলে স্কিন হয় টাইট এবং স্মুথ। উপাদান  ডালিম, লিলি, বেদানা, রোজমেরি, জিঙ্ক। কাজ ওটু ক্লিনজার স্কিনকে ঝকঝকে করে দেয় কিন্তু স্কিনের ন্যাটারায় অয়েল অটুট থাকে। এটি স্কিনকে একেবারে ভেতর থেকে পরিস্কার করে। এটি স্কিন কে করে উজ্জ্বল, সতেজ, টানটান ও বয়সের ছাপও দূর করে। এস/ এমকে
রূপচর্চা ও রোগ নিরাময়ে নিমের তেল
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বড় কোনো রোগের কারণ
মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া অনেকেই এই অসুখের সঙ্গে পরিচিত। এই সমস্যায় কমবেশি অনেকেই পড়েন। খুব সামান্য খোঁচা লাগলে অথবা অকারণেই মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে অনেকেরই। কিন্তু কেন হয় এই রোগ, জানেন না অনেকেই। কেবল একটা আবছা ধারণা আছে, দাঁতের জোর বা মাড়ির জোর আলাদা হয়ে গেলে বা সেখানকার পেশী আঘাতপ্রাপ্ত হলে বুঝি এমনটা হয়! কিন্তু জানেন কি, এই সাধারণ রোগটিও ডেকে আনতে পারে হৃদরোগ, ডায়বেটিস বা ফুসফুসের মতো বড় কোনো অসুখ। এমনটাই বলছেন আমেরিকার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ডেন্টাল অ্যান্ড ক্রানিওফেসিয়াল রিসার্চের গবেষকরা। এই অসুখের কারণ হিসেবে বেশ কয়েকটি বিষয়কে মাথায় রাখতে বলছেন তারা। জেনে নিন কেন রক্তপাত হয় মাড়ি থেকে প্লাক নামক এক ধরনের জীবাণুর প্রভাবে এই সমস্যা হতে পারে। মাড়ির টিস্যুর স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা নষ্ট করে ধূপমান। কাজেই ধূমপায়ীদের এই সমস্যা হয়। গর্ভবতী মায়েরা হরমোনের ওঠানামার কারণে এই রোগের শিকার হন। ভিটামিন ‘সি’ ও পানির অভাব মাড়ির সমস্যা তৈরি করে। অনেকে বংশগতভাবে এই রোগের শিকার হন। গ্রিন টি মাড়ির জীবাণু তাড়াতে সক্ষম। চিকিৎসকদের মতে, কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতিতেই রুখে দেয়া যায় এই রোগের হানা। তেমনই কিছু সমাধান দেয়া হলো— প্রতিদিন গরম পানি লবণ মিশিয়ে তিনবার কুলকুচি করলে সাময়িক উপশম পাওয়া যায়। ভিটামিন ‘সি’ ও ভিটামিন ‘কে’ সমৃদ্ধ খাবার রাখুন প্রতিদিনের ডায়েটে। সামান্য গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে থকথকে করে রাখুন। এটি মুখের ভেতরের অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করবে। গ্রিন টি মাড়ির জীবাণু তাড়ায় সহজেই। কাজেই গ্রিন টি ভেজানো জল দিয়ে কুলকুচি করলে ফল মিলবে। তবে এগুলো সবই প্রাথমিক পথ্য। ঠিক কোন কারণে সমস্যা হচ্ছে, কত দূর গড়াতে পারে রোগ; সেগুলো জানা যাবে চিকিৎসকের কাছে গেলেই। কাজেই প্রাথমিক চিকিৎসায় কাজ না হলে, রোগ পুষে না রেখে ডাক্তারের কাছে যাওয়াই উত্তম। এস/পি
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বড় কোনো রোগের কারণ
সবজি ও ফল থেকে রাসায়নিক দূর করবেন যেভাবে
বর্তমানে সবজি ও ফলে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ফল ও শাক-সবজি কলের চলমান পানিতে ভালোভাবে ধুতে হবে। খাবারে কীটনাশক থাকার কারণে ক্যানসার, ডায়াবেটিস, পারকিনসন্স, আলঝেইমারের মতো নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ, সন্তানের জন্মগত ত্রুটি, প্রজননে সমস্যা, অ্যাজমা এসব দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে কীটনাশক ও রাসায়নিক দূর করতে পানিতে ধুয়ে ফেলাই যথেষ্ট নয়। তাহলে ফল ও শাক সবজি থেকে কীটনাশক ও রাসায়নিক দূর করার উপায় জেনে নিন। ফল ও শাক-সবজি পানিতে ভালোভাবে ধুতে হবে। এতে অনেকটাই কীটনাশক ও  রাসায়নিক দূর হবে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ট্যাপ বা কলের চলমান পানিতে ধোয়া ফল ও সবজি বেশ কয়েক ধরনের রাসায়নিক এমনিতেই চলে যায়। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ভিনেগারে বা লবণ পানিতে সবজি ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখলে ক্লোরপাইরিফোস, ডিডিটি, সাইপারমেথরিন ও ক্লোরোথালোনিল এর মতো কীটনাশক দূর হয়। বেকিং সোডার দ্রবণে দুই মিনিট আপেল ডুবিয়ে রাখলে তা কলের চলমান পানির ধারা বা ব্লিচ দ্রবণের ডুবিয়ে রাখার চেয়ে বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখে। অবশ্য বেকিং সোডার দ্রবণে আপেল অন্তত ১৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখলে তবেই রাসায়নিক দূর হয়।  এক্ষেত্রে এক চামচ বেকিং সোডার সাথে দুই কাপ পানি মেশাতে হবে। অবশ্য এই কৌশল শুধু আপেলের ক্ষেত্রেই কাজে আসে। অন্য ফলের জন্য তেমন কার্যকর নাও হতে পারে। মাশরুম পানিতে ভালো করে ধুয়ে বা  ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে তারপর শুকনো কাপড়ে চেপে মুছে নিতে হবে।   এস/এসএস
সবজি ও ফল থেকে রাসায়নিক দূর করবেন যেভাবে
প্রতিদিন দই কেন খাবেন?
খুব সহজেই বানানো যায় এমন একটি খাবার হলো দই। এটা ঝামেলাহীনভাবে বেশ কয়েকদিন সংরক্ষণ করা যায়। ফলে এক বাটি দই আপনি বেশ কয়েকদিন খেতে পারবেন। যাদের চিনি খেতে সমস্যা, তারা চাইলে টক দইও খেতে পারেন। দই শরীরের জন্য খুবই উপকারী।  দই খেলে কী উপকার পাবেন দেখে নিন: হজমে সহায়তা দই এমন একটি খাবার, যাতে জীবিত ব্যাকটেরিয়া থাকে। এগুলো হজম প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বদহজমের ওষুধ হিসেবে দইয়ের পরিচিতি রয়েছে। সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান ত্বক দই ত্বককে সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান করে তোলে। পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের শুষ্কতাও দূর করে। অনেকেই ত্বকের সৌন্দর্যের জন্য নানা ধরনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন। সেগুলোর পরিবর্তে নিয়মিত দই খেলে সন্তোষজনক উপকার পাওয়া যাবে। উচ্চরক্তচাপ দূর করা আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের (এএইচএ) হাই ব্লাড প্রেসার রিসার্চ সায়েন্টিফিক সেশনে উপস্থাপিত একটি গবেষণা বলছে, যারা নিয়মিত ফ্যাটহীন দই খায়, তাদের উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে ৩১ শতাংশ কম। নারীদের যৌনাঙ্গের সংক্রমণ দূর নারীদের যৌনাঙ্গে সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে দই। এতে ল্যাকটোব্যাকিলাস অ্যাসিডোফিলাস নামের একধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে। হাড়ের জন্য উপকারী দই হাড়ের জন্যও খুব উপকারী। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার বলছে, প্রতি ২৫০ গ্রাম দইয়ে ২৭৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। প্রতিদিন এই পরিমাণ ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ার পাশাপাশি হাড়কে শক্ত করে।  দই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে  অকাল বার্ধক্য ও চুল পাকা বন্ধ করে। দই ত্বকে লাগালে ত্বক মসৃণ হয় ও দাগ দূর হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ - দই সবার জন্যেই পুষ্টিকর। দই মানুষের শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস গ্রহণে সাহায্য করে।  দই যে আয়ু বাড়ায় গবেষণায় প্রমাণিত দই নানা ধরনের রোগ ঠেকায়, এমনকি ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলে।  এস/এসএস
প্রতিদিন দই কেন খাবেন?
প্রতিনিয়তই ২০৬টি হাড়ের ব্যবহার করতে হবে
কর্মক্ষম হিসেবে প্রতিনিয়ত জীবনযাপন করার জন্য শরীরের হাড়, জোড়া বা জয়েন্টকে সুস্থ রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু অসচতেনতার কারণে কিংবা শারীরিক বিভিন্ন রোগের কারণে, এমনকি অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনার কারণে হাড়, জোড়া কিংবা জয়েন্ট আক্রান্ত হতে পারে।  এ বিষয়ে আরটিভির স্বাস্থ্য-বিষয়ক ‘সেভলন সুস্থ থাকুন’ অনুষ্ঠানে কথা বলেছেন প্রখ্যাত ট্রমা ও অর্থোপ্লাস্টি সার্জন ডা. মো. আমজাদ হোসেন। প্রশ্নঃ শীতকালে কুয়াশার মধ্যে অনেক ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে বলেই জানা যায়। এছাড়া শরীরেও শীতকালে নানা ধরনের ব্যথা বেড়ে যায়। শীতের শুরুতে বা শীতকালে শরীরকে ফিট রাখার জন্য কি করতে হবে? উত্তরঃ শরীরকে সুস্থ ও মনকে প্রফুল্ল রাখতে গেলে নিয়মিত ব্যায়াম করার কোনো বিকল্প নেই। আগের দিনের মানুষ যেভাবে হাটা চলা, কুয়া থেকে পানি তোলা ইত্যাদি কায়িক পরিশ্রম করত, সেগুলো এখন ধীরে ধীরে কমে গেছে। এর ফলে আমাদের শরীরের মুভমেন্ট চলে গেছে। ছয়শ পঞ্চাশটি মাংসপেশি এবং ২০৬টি হাড় এবং ৩৩০টির মতো জয়েন্ট শরীরে রয়েছে। প্রতিনিয়তই এসব হারের কায়িক ব্যবহার করতে হবে। আর এগুলোর ব্যবহার মানে এগুলো নাড়াতে হবে।   প্রশ্নঃ মেডিকেল সায়েন্সে মেকানিকেল প্রবলেম নামে একটি কথা আছে। বসা, চলা, হাটা, শোয়া এগুলো নিয়ম না মেনে করার কারণে আমাদের যে ব্যথা হচ্ছে নিয়মিত, এ বিষয়ে আপনি কিছু বলুন। উত্তরঃ এগুলো প্রতিকার করার ধরাবাঁধা কোনও নিয়ম নেই। মানুষের শরীরটাতো একটি ইঞ্জিনিয়ারিং এর সিস্টেমের মতো। এটাকে বায়ো ইঞ্জিনিয়ারিং বলা চলে। একে যদি অ্যাকটিভ রাখতে দেখা যায়, তাহলে অবশ্যই এটি ভালো থাকবে এবং সেও ভালো থাকবে। মনে রাখতে হবে, মাংসগুলো আসলে হাড়কে চালায়।  প্রশ্নঃ গ্রামে অনেক মানুষই হাতে পায়ে ব্যথা হলে বা জয়েন্টে পেইন হলে প্রায়ই খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুনের মধ্যে হাত-পা দেই এবং গরম পানি দিয়ে সেক দেয়, এবিষয়ে মেডিকেল কী বলে? উত্তরঃ আমাদের আগের দিনের মানুষ কিন্তু বাচ্চাদের শীতকাল হোক বা গরমকাল হোক রৌদ্রে রাখত, এর কিন্তু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। কারণ হল ভিটামিন ডি কিন্তু সে সূর্যের আলো থেকেই আসে। আর তাপ বা গরম এটা শরীরের জন্য সবসময়ই ভালো। এস/এসএস
প্রতিনিয়তই ২০৬টি হাড়ের ব্যবহার করতে হবে
আরও পড়ুন
শীতে আমলকি কেন খাবেন?
যে ৪টি ফলে প্রাকৃতিক প্রোটিন পাওয়া যাবে
দিন শুরু হোক ডিম ও ব্রকলি দিয়ে
বয়স লুকানো যায় যে খাবারে