ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্যান্টে থাকা ছোট্ট পকেট, কী কাজে ব্যবহার হয়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৫৩ পিএম
জিন্স প্যান্টের সামনের ডানদিকের বড় পকেটের ওপরের অংশে একটি ছোট্ট পকেট। সংগৃহীত ছবি

আমাদের নিত্যদিনের পোশাকের তালিকায় জিন্স প্যান্ট অন্যতম। ফ্যাশন সচেতন মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ শ্রমজীবী—সবার কাছেই এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। কেউ কেউ জিন্স ব্যবহার না করলেও প্যান্টের পকেট জিন্স স্টাইলে দিয়ে থাকেন।

যে বিষয়টি খেয়াল করার তা হচ্ছে, জিন্স প্যান্টের সামনের ডানদিকের বড় পকেটের ওপরের অংশে একটি ছোট্ট পকেট।

ব্যবহারের দিক থেকে এটি খুবই ছোট হওয়ায় অনেকে এতে খুচরা পয়সা বা ছোটখাটো জিনিস রাখেন। একে সাধারণত ‘কয়েন পকেট’ বলা হলেও এর আসল ইতিহাস কিন্তু অন্য কিছু।

এই পকেটের রহস্য লুকিয়ে আছে আঠারো শতকের পাশ্চাত্যের ইতিহাসের পাতায়। তখনকার সময়ে রাখাল বা ‘কাউ বয়’দের মধ্যে জিন্স প্যান্ট পরার ব্যাপক প্রচলন ছিল।
সেই সময়ে এখনকার মতো রিস্টওয়াচ বা হাতের ঘড়ির চল ছিল না, বরং চেইন দেওয়া পকেট ঘড়ির জয়জয়কার ছিল।

আরও পড়ুন

কাউ বয়রা সাধারণত এই পকেট ঘড়িগুলো তাদের ওয়েস্টকোটে রাখতেন। কিন্তু কাজ করার সময় বা ঘোড়ায় চড়ার সময় ওয়েস্টকোটের ঘড়িটি প্রায়ই ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকতো। ঘড়িকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভাঙন থেকে রক্ষা করতে এবং সুরক্ষিত রাখতে সে সময়ে জিন্সের প্যান্টে বিশেষ একটি পকেট যুক্ত করা হয়। কোমরের বেল্টের সঙ্গে চেইন ঝুলিয়ে ছোট্ট এই পকেটে ঘড়ি রাখলে তা বেশ আঁটসাঁট অবস্থায় থাকতো এবং দৌড়ঝাঁপ করলেও ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকতো না।

সময়ের বিবর্তনে পকেট ঘড়ির বদলে এখন মানুষের হাতে স্মার্টওয়াচ বা পকেটে স্মার্টফোন জায়গা করে নিয়েছে। ঘড়ির সেই পুরনো ঐতিহ্য প্রায় হারিয়ে গেলেও জিন্স প্যান্টের ডিজাইনে এখনো সেই ছোট্ট পকেটটি রয়ে গেছে।

মূলত ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবেই বর্তমান সময়ের আধুনিক জিন্সেও এই পকেটটি রাখা হয়, যা আমাদের শতবর্ষ পুরনো এক অভ্যাসের কথা মনে করিয়ে দেয়।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শখের চামড়ার জুতা ফেটে চৌচির
এটি খুবই পরিচিত একটি সমস্যা—অনেকদিন আলমারিতে বা তাকে তুলে রাখার পর প্রিয় চামড়ার জুতা জোড়া বের করে দেখা গেল, তার চামড়া শক্ত হয়ে গেছে বা অপ্রত্যাশিত ফাটল ধরেছে। মূলত চামড়া একটি প্রাকৃতিক উপাদান, যা নিয়মিত যত্ন না পেলে তার স্বাভাবিক তেল ও আর্দ্রতা হারাতে শুরু করে। এই কারণেই চামড়ার জুতা নিষ্প্রাণ ও শক্ত হয়ে ওঠে এবং ফাটল ধরার সমস্যা দেখা যায়। জুতার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক তেল তার নমনীয়তা বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। দীর্ঘদিন ব্যবহার না করলে এবং পর্যাপ্ত হাওয়া চলাচল না হলে এই তেল শুকিয়ে যেতে শুরু করে। আবার, অতিরিক্ত শুষ্ক বা খুব বেশি আর্দ্র পরিবেশে চামড়ার উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জমে থাকা ধুলাও চামড়ার ওপরের স্তরকে দুর্বল করে তোলে, ফলে চামড়ায় সহজেই ফাটল ধরার ঝুঁকি বাড়ে। চামড়ার জুতা ভালো রাখতে কিছু সহজ পরিচর্যার প্রয়োজন। প্রথমত, জুতা তুলে রাখার আগে অবশ্যই ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। নরম কাপড় ব্যবহার করে ধুলা মুছে নেওয়া বাঞ্ছনীয়। প্রয়োজনে হালকা ভেজা কাপড় ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে ভেজা অবস্থায় জুতা সংরক্ষণ করা একেবারেই উচিত নয়—অবশ্যই ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। চামড়ার নমনীয়তা ধরে রাখার জন্য মাসে অন্তত একবার লেদার কন্ডিশনার বা ভালো মানের সু-পলিশ ব্যবহার করা জরুরি। এই কন্ডিশনিং প্রক্রিয়ায় চামড়ার হারানো প্রাকৃতিক তেল ফিরে আসে এবং ফাটল ধরার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যায়। সংরক্ষণের ক্ষেত্রে জুতা কখনো প্লাস্টিকের ব্যাগে মুড়ে রাখবেন না, কারণ এতে বাতাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর বদলে তুলা বা কাপড়ের তৈরি সু-ব্যাগ ব্যবহার করুন। আরও পড়ুন বার্ধক্য থামাতে ন্যানোফ্লাওয়ার প্রযুক্তি আবিষ্কার জুতার স্বাভাবিক আকার ঠিক রাখতে সম্ভব হলে জুতার ভেতরে সু-ট্রি অথবা কাগজ ভরে রাখা ভালো। জুতা সংরক্ষণের জায়গাটির আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খুব স্যাঁতসেঁতে জায়গায় রাখলে চামড়ায় ছত্রাক ধরতে পারে, আবার অতিরিক্ত শুকনা জায়গায় রাখলে তা ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই আলমারি বা শেলফে জুতার পাশে মাঝে মাঝে সিলিকা জেল বা নিমপাতা রাখতে পারেন। সবশেষে, যদি দীর্ঘদিন জুতা না-ও পরা হয়, তবুও মাসে অন্তত একবার তা বের করে রোদ-হাওয়ায় রাখা দরকার। তবে খেয়াল রাখতে হবে—কড়া বা তীব্র রোদে সরাসরি জুতা না রাখাই ভালো, এতে চামড়া শক্ত হয়ে যেতে পারে। নিয়মিত বাতাস ও মৃদু রোদ লাগলে চামড়ার জুতা দীর্ঘদিন ভালো থাকে। (তথ্যসূত্র: এই সময়) আরটিভি/এএইচ
শখের চামড়ার জুতা ফেটে চৌচির
শুক্রবার ঢাকার যেসব এলাকায় বন্ধ থাকবে মার্কেট
নানা ব্যস্ততার মাঝে কেনাকাটার জন্য সবচেয়ে ভালো দিন হলো শুক্রবার। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গিয়ে যদি দেখেন মার্কেট বন্ধ, তাহলে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। তাই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জেনে নিন শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে। আরও পড়ুন শীতের সকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল থেকে দূরে থাকবেন যারা যেসব এলাকায় বন্ধ থাকবে দোকানপাট সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঁনখারপুল, বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, ও গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ। বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট নয়াবাজার, কাপ্তানবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাঁটারা, বড় কাঁটারা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট ও সান্দ্রা সুপার মার্কেট। আরটিভি/এসআর
শুক্রবার ঢাকার যেসব এলাকায় বন্ধ থাকবে মার্কেট
আয়নায় নিজেকে কেন বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়
আমরা দিনের একটা বড় সময় কাটিয়ে দিই আয়নার সামনে। পোশাক ঠিক করা থেকে শুরু করে সামান্য চুল ঠিক করা পর্যন্ত, আয়না আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অপরিহার্য অংশ। কিন্তু অনেকেই খেয়াল করেছেন যে, আয়নায় নিজেকে যতটা সুন্দর, ত্রুটিহীন ও আকর্ষণীয় মনে হয়। ছবি বা ভিডিওতে ঠিক ততটা লাগে না। এই তারতম্যের পেছনে রয়েছে বেশ কিছু মনস্তাত্ত্বিক ও বৈজ্ঞানিক কারণ। চলুন সেই রহস্যগুলো উদ্ঘাটন করা যাক:  ​১. পরিচয়ের ভ্রান্তি: ‘দ্য মিরর ইমেইজ’ বা উল্টো প্রতিচ্ছবি ​আয়নায় আমরা নিজেদের যে প্রতিচ্ছবি দেখি, তা আসলে আমাদের উল্টো বা পার্শ্ব-বিপরীত প্রতিবিম্ব। অর্থাৎ, আয়না আমাদের ডান দিককে বাঁ-দিক এবং বাঁ দিককে ডানদিক করে দেখায়। ​পরিচিতি ও স্বস্তি: ছোটবেলা থেকে শুরু করে সারাজীবন আমরা আয়নাতেই নিজেদের এই উল্টো প্রতিচ্ছবি দেখতে অভ্যস্ত। আমাদের মস্তিষ্ক এই ‘উল্টো’ চেহারাকেই আমাদের আসল চেহারা হিসেবে চেনে এবং গ্রহণ করে। ​অসামঞ্জস্যতার প্রভাব: মানুষের মুখমণ্ডল পুরোপুরি প্রতিসম হয় না। কিছু সূক্ষ্ম অসামঞ্জস্যতা (যেমন- চোখের আকারের সামান্য পার্থক্য, একদিকের ভ্রু সামান্য ওপরে থাকা ইত্যাদি) প্রায় সবার মধ্যেই থাকে। যেহেতু আমরা অভ্যস্তভাবে উল্টো চেহারাটা দেখি, তাই ছবিতে যখন অন্যদের দেখা আসল চেহারাটা (যা আমরা আয়নায় দেখি না) দেখি, তখন এই অসামঞ্জস্যতাগুলো হঠাৎ করেই বেশি প্রকট মনে হয়। মস্তিষ্ক এই অপরিচিত চেহারার কারণে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করে, যা আকর্ষণ কমিয়ে দেয়। ​২. এক্সপোজার এফেক্ট: যত দেখি, তত ভালো লাগে ​মনোবিজ্ঞানে একটি ধারণা আছে, যার নাম ‘Exposure Effect’ বা ‘Mere-Exposure Effect’। এর মূলকথা হলো, আমরা কোনো জিনিস বা ব্যক্তির সাথে যত বেশি পরিচিত হই বা যত বেশি দেখি, তাকে তত বেশি পছন্দ করতে শুরু করি। .​আয়নার প্রাধান্য: আমরা দিনের মধ্যে বারবার আয়নায় নিজেদের দেখি। এর ফলে আমাদের মস্তিষ্ক নিজেদের এই উল্টো রূপটির সাথে অত্যন্ত পরিচিত হয়ে ওঠে এবং এটিকে স্বাভাবিকভাবেই ইতিবাচকভাবে বিচার করে। ​ছবির স্বল্পতা: ছবি বা ভিডিওতে নিজেদের দেখার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম হয়, এবং সেখানে আমরা সেই 'উল্টো' প্রতিচ্ছবিটা পাই না। তাই এই অপরিচিত চেহারাটি মস্তিষ্ককে ততটা আকর্ষণ করতে পারে না। ​৩. নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা: সঠিক কোণ ও আলো সেরা কোণ: আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই কোণটি বেছে নিই, যেখান থেকে আমাদের সবচেয়ে সুন্দর দেখায়।আয়নায় দেখার সময় আমাদের হাতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে।​আলোর ব্যবহার: কোন আলোতে ভালো দেখাবে (যেমন- সরাসরি আলো নয়, বরং নরম ও সামনে থেকে আসা আলো) সেই বিষয়েও আমরা সচেতন থাকি। ​ভঙ্গি: নিজের ইচ্ছানুযায়ী মুখভঙ্গি বা পোজ (pose) তৈরি করে নিই। ​অন্যদিকে, ছবি বা ভিডিওতে অনেক সময় নিয়ন্ত্রণ ফটোগ্রাফারের হাতে থাকে বা পরিস্থিতি অনুযায়ী তৈরি হয়। হঠাৎ করে তোলা ছবি বা অপ্রীতিকর আলোতে তোলা ছবিতে তাই নিজেদের প্রত্যাশিত রূপে দেখতে না পাওয়াই স্বাভাবিক। ​৪. মনস্তাত্ত্বিক ফিল্টার ও আকাঙ্ক্ষা আয়নার সামনে দাঁড়ানোর সময় আমরা নিজেদেরকে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ফিল্টার দিয়ে দেখি। ​ ইতিবাচক পক্ষপাতিত্ব : গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ মানুষই নিজেদের আকর্ষণ ক্ষমতাকে গড়ে প্রায় ২০% বেশি করে দেখেন। আমরা আমাদের ত্রুটিগুলোর চেয়ে ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলোর উপর বেশি মনোযোগ দিই। আয়নায় আমরা যা দেখতে চাই, মূলত সেটাই দেখি। ​আত্মপ্রেম: নিজের প্রতি ভালোবাসা বা ‘Self-Love’ এর একটি উপাদান হিসেবে নিজেকে সুন্দর দেখার আকাঙ্ক্ষা কাজ করে। ​আয়নায় নিজেকে বেশি আকর্ষণীয় দেখার কারণটি কেবল শারীরিক নয়, এটি আমাদের মস্তিষ্কের পরিচিতি, নিয়ন্ত্রণ এবং মনস্তাত্ত্বিক পক্ষপাতিত্বের একটি জটিল মিথস্ক্রিয়া। আয়না সেই রূপটি দেখায়, যা আমরা সারাজীবন দেখতে অভ্যস্ত, অর্থাৎ আমাদের উল্টো প্রতিচ্ছবি। আর এই পরিচিতিই আমাদের মনে আত্মবিশ্বাস ও আকর্ষণবোধ তৈরি করে।  আরও পড়ুন নভেম্বর মাসে যেসব নতুন মোটরসাইকেল বাজারে এসেছে ​মনে রাখবেন, অন্যরা আপনাকে ছবিতে দেখা আপনার রূপের মতোই দেখেন না, কারণ আপনার আসল রূপ তাদের কাছেও প্রতিদিনের দেখা একটি পরিচিত রূপ। তাই আয়না এবং ছবির তারতম্য নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে, আপনার আসল আকর্ষণীয়তা - যা আপনার ব্যক্তিত্ব, হাসি এবং আত্মবিশ্বাসের মধ্যে রয়েছে সেটার ওপর মনোযোগ দিন! আরটিভি/এসকে
আয়নায় নিজেকে কেন বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে পারফিউমও কি বদলানো দরকার
ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ এখানে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় জীবনযাত্রার নানা দিক। পোশাক, খাবার, ত্বকের যত্ন সব কিছুতেই আসে পরিবর্তন। তবে আপনি কি জানেন, ঋতু বদলের সঙ্গে পারফিউম বা সুগন্ধিও বদলানো উচিত? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুমি আবহাওয়ার প্রভাবে শরীরের তাপমাত্রা ও ত্বকের রসায়নে পরিবর্তন ঘটে, যা সুগন্ধির স্থায়িত্ব ও ছড়ানোর ধরনে প্রভাব ফেলে। কেন বদলাতে হবে সুগন্ধি গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালে শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকায় সুগন্ধ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে হালকা বা সাইট্রাসধর্মী ফ্রেশ ঘ্রাণ বেশি মানানসই। অন্যদিকে শীতকালে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকে, তাই কড়া, গভীর ও কস্তুরীজাতীয় ঘ্রাণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়। এই কারণেই বড় পারফিউম ব্র্যান্ডগুলো এখন মৌসুমি সুগন্ধি সংগ্রহে রাখছে। কোন ঋতুতে কোন সুগন্ধি উপযুক্ত গ্রীষ্মকাল: হালকা, ফ্রেশ ও সাইট্রাসভিত্তিক সুগন্ধি যেমন, লেমন, ম্যান্ডারিন, মিন্ট বা গ্রিন টি ঘ্রাণের পারফিউম ব্যবহার করা ভালো। এগুলো ঘামের পরও সতেজতা বজায় রাখে। শীতকাল: গভীর ও উষ্ণ সুগন্ধি যেমন ভ্যানিলা, অ্যাম্বার, আউড, মস্ক বা স্পাইসি ওরিয়েন্টাল ঘ্রাণের পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় দারুণ মানিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পারফিউম শুধু ঘ্রাণ নয়, এটি ব্যক্তিত্বের প্রকাশও। তাই আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে সুগন্ধি ব্যবহার করলে নিজেকে যেমন আরামদায়ক রাখা যায়, তেমনি চারপাশেও তৈরি হয় মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। উল্লেখ্যঋতুর সঙ্গে যেমন পোশাক বদলানো হয়, তেমনি পারফিউমেও পরিবর্তন আনা উচিত। এতে সুগন্ধি থাকবে দীর্ঘস্থায়ী, আর আপনি থাকবেন আত্মবিশ্বাসী ও সতেজ। আরটিভি/এসকে
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে পারফিউমও কি বদলানো দরকার
খাঁটি সোনা চিনবেন যেভাবে
সোনার প্রতি মানুষের আকর্ষণ যুগ যুগের। দাম যতই বাড়ুক, সোনার গহনার চাহিদা কখনও কমে না। বিয়ে-শাদি, উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠান সবক্ষেত্রেই সোনার গহনা যেন অপরিহার্য। শুধু অলংকার নয়, সম্পদ হিসেবেও সোনার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই অনেকে দোকান ছাড়াও ব্যক্তির কাছ থেকে সোনা কিনে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো কীভাবে বুঝবেন সোনাটা খাঁটি কিনা? বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ পরীক্ষার মাধ্যমেই খাঁটি সোনা চেনা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক ৫টি কার্যকর কৌশল— ১. হলমার্ক দেখে কিনুন সোনার বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো হলমার্ক চিহ্ন দেখা। সাধারণত গহনার ভেতরের দিকে এই চিহ্ন থাকে, যেখানে ১৮, ২২ বা ২৪ ক্যারেট লেখা থাকে। সংখ্যা যত বেশি, সোনার মান তত ভালো। তাই কেনার আগে অবশ্যই হলমার্ক পরীক্ষা করুন। ২. নাইট্রিক অ্যাসিড পরীক্ষা নাইট্রিক অ্যাসিড খাঁটি সোনার সঙ্গে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না, কিন্তু মিশ্র ধাতুর সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে। এজন্য সোনার একটি ক্ষুদ্র অংশ ঘষে নিয়ে তাতে অ্যাসিডের এক ফোঁটা ফেলুন। যদি রঙ অপরিবর্তিত থাকে, বুঝবেন সোনা খাঁটি। কিন্তু রঙ পরিবর্তন হয়ে সবুজাভ হলে বুঝতে হবে তাতে তামা বা ব্রোঞ্জ মেশানো আছে।  ৩. পানিতে ফেলে পরীক্ষা একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে সোনার গহনা ফেলুন। যদি গহনা ভেসে থাকে, তবে এটি নকল। খাঁটি সোনা পানির তুলনায় ভারী হওয়ায় দ্রুত নিচে ডুবে যাবে।  ৪. চুম্বক পরীক্ষা সোনা চুম্বকে আকৃষ্ট হয় না। তাই একটি শক্তিশালী চুম্বক নিয়ে সোনার কাছে ধরুন। যদি গহনা চুম্বকে আটকে যায়, তাহলে সেটিতে মিশ্র ধাতু আছে মানে এটি খাঁটি নয়। ৫. স্ক্র্যাচ বা ঘষে দেখা অনেক স্বর্ণকার কষ্টিপাথরে সোনা ঘষে দেখে বিশুদ্ধতা যাচাই করেন। যদিও ঘরে এটি করা সম্ভব নয়, তবে সামান্য ঘষে রঙ পরিবর্তন হলে ধরে নিতে পারেন সোনাটি মিশ্র। বিশেষজ্ঞরা জানান, দোকান থেকেও অনেক সময় প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই কেনার সময় শুধু দাম নয়, বিশুদ্ধতাও যাচাই করা জরুরি। আরটিভি/এসকে
খাঁটি সোনা চিনবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
নিয়মিত আঁটসাঁট জিন্স পরা হতে পারে বিপজ্জনক