ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
কাল্পনিক ছবি

লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা। জন্ডিস, পেট ফুলে যাওয়া কিংবা হজমের সমস্যাকে লিভারের অসুখের পরিচিত লক্ষণ হিসেবে ধরা হলেও হাত-পায়ের কিছু অস্বাভাবিক পরিবর্তনও হতে পারে লিভারের সমস্যার ইঙ্গিত।

লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমা, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কিংবা সিরোসিসের মতো জটিলতায় ত্বক, নখ ও রক্তনালিতে বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই যে লিভারের রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য শারীরিক সমস্যার কারণেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

হাত-পায়ের যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন

১. হাতের তালু লাল হয়ে যাওয়া

হাতের তালু স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি লাল হয়ে যাওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘পালমার এরিথেমা’ বলা হয়। লিভারের দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এ ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। সাধারণত দুই হাতের তালুতেই লালচে ভাব দেখা দেয়। কখনো তালু গরমও অনুভূত হতে পারে।

তবে হরমোনের পরিবর্তনসহ অন্যান্য কারণেও হাতের তালু লাল হতে পারে। তাই শুধু এ লক্ষণ দেখে লিভারের রোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়।

২. নখের রং ও গঠনে পরিবর্তন

নখের রং ফ্যাকাশে বা সাদাটে হয়ে যাওয়া এবং গঠনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিছু ক্ষেত্রে লিভারের দীর্ঘস্থায়ী রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। বিশেষ করে নখের বড় অংশ সাদা দেখানো এবং প্রান্তে তুলনামূলক গাঢ় রং দেখা দেওয়ার মতো পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।

তবে রক্তস্বল্পতা, পুষ্টির ঘাটতি ও ছত্রাকের সংক্রমণসহ বিভিন্ন কারণেও নখের রং ও গঠন বদলে যেতে পারে। দীর্ঘদিন এমন পরিবর্তন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৩. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া

লিভারের গুরুতর রোগে শরীরে তরল জমে পা ও গোড়ালি ফুলে যেতে পারে। লিভারের কার্যক্ষমতা কমে গেলে রক্তে অ্যালবুমিন নামের প্রোটিনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে পেটেও তরল জমে পেট ফুলে যেতে পারে।

তবে পা ফোলার পেছনে হৃদ্‌যন্ত্র, কিডনি কিংবা শিরার সমস্যাও থাকতে পারে। বিশেষ করে হঠাৎ এক পা ফুলে গেলে এবং ব্যথা থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

৪. ত্বকে জালের মতো লাল রক্তনালি দেখা দেওয়া

ত্বকের ওপর ছোট লাল বিন্দু থেকে মাকড়সার জালের মতো সূক্ষ্ম রক্তনালি ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেলে তাকে ‘স্পাইডার অ্যাঞ্জিওমা’ বলা হয়। লিভারের দীর্ঘস্থায়ী রোগ, বিশেষ করে সিরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এ ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে।

হরমোনের পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে ত্বকের ওপরের রক্তনালিগুলো এভাবে দৃশ্যমান হয়। তবে ত্বকে দৃশ্যমান সব শিরা বা রক্তনালিই লিভারের রোগের লক্ষণ নয়।

৫. হাত-পায়ে ঝিনঝিনি, অসাড়তা বা ব্যথা

হাত-পায়ে বারবার ঝিনঝিনি অনুভব করা, অসাড় হয়ে যাওয়া কিংবা জ্বালাপোড়া ও ব্যথা স্নায়ুর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। কিছু লিভার রোগের সঙ্গে স্নায়ুর ক্ষতির সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণের কারণে লিভারের পাশাপাশি স্নায়ুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। হেপাটাইটিস সি-র মতো কিছু সংক্রমণের সঙ্গেও স্নায়ুজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে ডায়াবেটিস, ভিটামিনের ঘাটতি কিংবা স্নায়ুতে চাপ পড়ার কারণেও এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই সমস্যার প্রকৃত কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

লিভারের রোগ সন্দেহ হলে কী করবেন?

হাত-পায়ের এসব পরিবর্তন দেখা দিলেই লিভারের রোগ হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। তবে এসব লক্ষণের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্লান্তি, ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব, চোখ বা ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের রং গাঢ় হওয়া কিংবা পেট ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক লিভার ফাংশন টেস্ট, অন্যান্য রক্ত পরীক্ষা কিংবা আলট্রাসনোগ্রামের পরামর্শ দিতে পারেন। পরীক্ষার ফলাফল ও রোগের ধরন বিবেচনায় চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়।

লিভারের রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা কমানো সম্ভব। তাই শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নকল’ বা ‘প্লাস্টিকের ডিম’ নিয়ে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দেখে বোঝার উপায় নেই, অনেকেই এই ডিম বাজার থেকে কিনে এনে ঠকছেন। শরীরেরও বারোটা বাজছে। তবে ডিমের মান যাচাইয়ে প্রচলিত কিছু ঘরোয়া পরীক্ষার বদলে খোসার অবস্থা, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও ডিম ভাঙার পর এর গন্ধ-চেহারা পরীক্ষা করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নকল ডিম তৈরি হয় রাসায়নিক দিয়ে। সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে দেশের অনেক বাজারে। তবে আসল ডিমের সঙ্গে এই ডিমের তফাত বোঝা খুব একটা কঠিন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) তথ্য অনুযায়ী, ডিম কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে কিনা। খুচরা বিক্রির জন্য ডিম কেনার ক্ষেত্রে ঠান্ডা বা উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষিত ডিম বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেভাবে বুঝবেন ‘আসল ডিম’ নাকি ‘প্লাস্টিকের’ ১. প্রথমেই নজর রাখতে হবে ডিমের খোলসের দিকে। আসল ডিমের খোলস হয় একটু এবড়ো-খেবড়ো। কিন্তু প্লাস্টিক ডিমের খোলস হবে একদম মসৃণ। তবে কেবল উপরিভাগ দেখে ডিমকে নকল বলে নির্ধারণ করা যায় না। ২. ডিম পরীক্ষা করার জন্য একে কানের কাছে ধরে আলতো করে ঝাঁকান। তাজা ডিমে সাধারণত শব্দ হয় না বা ভেতরে নড়াচড়া অনুভূত হয় না। পুরোনো ডিমে ভেতরের পরিবর্তনের কারণে হালকা শব্দ হতে পারে বা তরল পদার্থ নড়তে পারে। ৩. আসল ডিম আর নকলের মধ্যে ওজনের তফাত হবে। আসল ডিম হবে তার আকারের থেকে একটু ভারী। কিন্তু প্লাস্টিক ডিম ওজনে হালকা। ৪. আসল আর নকল ডিমের মধ্যে সব থেকে সহজ তফাত বুঝিয়ে দেয় আরেকটি পরীক্ষা। একটি গ্লাসে পানি নিয়ে ডিম তাতে ফেলে দিন। আসল নকল হলে তা ডুবে যাবে। ৫. গন্ধ দ্বারা শনাক্ত করুন। একটি নষ্ট ডিমে অপ্রীতিকর বা তীব্র গন্ধ থাকতে পারে। কখনো কখনো, ডিম ভাঙার আগেও এর খারাপ হওয়ার লক্ষণ বোঝা যায়। যদি কোনও ডিমে অস্বাভাবিক গন্ধ থাকে, তবে সেটি না খাওয়াই ভালো। বিশেষজ্ঞ নির্দেশনা অনুযায়ী, ডিম ভালোভাবে রান্না করাও নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইউএসডিএ-এর পরামর্শ হলো ডিম এমনভাবে রান্না করা, যাতে কুসুম ও সাদা অংশ ভালোভাবে জমে যায়। ডিমযুক্ত খাবারের ক্ষেত্রেও নিরাপদ অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই বাজার থেকে ডিম কেনার সময় শুধু ‘আসল না নকল’ নিয়ে গুজবে কান না দিয়ে খোসা অক্ষত কি না, ডিম সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে কি না এবং ব্যবহারের আগে এর গন্ধ ও চেহারা স্বাভাবিক কি না- এসব বিষয়ই আগে দেখুন। আরটিভি/টিআর
বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে
খাবারেই কমাতে পারেন কোলেস্টেরল
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে খাবারের ধরন ও অভ্যাসে পরিবর্তন এনে কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব।
খাবারেই কমাতে পারেন কোলেস্টেরল
রোজ এক কাপ চায়ে কমতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি, বলছে গবেষণা
প্রতিদিন অন্তত এক কাপ চা পান করেন এমন মানুষের হৃদস্বাস্থ্যে কিছুটা ভালো প্রভাব দেখা যেতে পারে।
রোজ এক কাপ চায়ে কমতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি, বলছে গবেষণা