
রাজধানীর পূর্ব রামপুরার পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ির কাছে একটি ভবনের পাশ থেকে জাহিদুল ইসলাম (৪০) নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বাচিডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে চাকরি করছেন। তিনি পরিবারসহ রামপুরা পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ির পানির পাম্প সংলগ্ন ২০৮/সি নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় থাকতেন।
ভবনের কেয়ারটেকার এনামুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টার দিকে কেয়ারটেকার এনামুলের স্ত্রী ভবনের ছাদে পানির ট্যাংকি দেখতে যান। তখন ছাদে মোবাইল, সিগারেটের প্যাকেট পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। আর তৃতীয় তলায় জাহিদুলের রুমের টিভি, ফ্যান চালু দেখতে পান। তবে রুমে কাউকে দেখতে পাননি। এরপর ছাদের পাশ থেকে দেখেন, দুই ভবনের মাঝামাঝি একেবারে নিচে কেউ একজন পড়ে আছে। পরে আরও কয়েকজনকে নিয়ে ভবনের নিচে থেকে জাহিদুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভবনের মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, প্রায় ২ বছর যাবত ওই ভবনে ভাড়া থাকছেন কনস্টেবল জাহিদুল। দুইদিন আগে তার স্ত্রী ও মেয়ে গ্রামের বাড়ি যায় জাহিদুলের মাকে ঢাকায় নিয়ে আসতে। তারা এখনো ঢাকায় ফিরেনি। যে কারণে জাহিদুল বাসায় একাই ছিলেন।
এ বিষয়ে রামপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ. কুদ্দুস ফকির জানান, খবর পেয়ে সকালে কনেস্টেবল জাহিদুলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ভবনটির ছাদে রেলিং ছিল না। কীভাবে নিচে পড়েছে বা কী হয়েছে তা এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ওয়ালিদ হোসেন জানান, ওই পুলিশ কনস্টেবল যে বাসায় ভাড়া ছিলেন সেই বাসার ছাদের রেলিং ছিল না। সকালে হয়তোবা যেকোনো কারণে সে ছাদে গিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ছাদের রেলিং না থাকার কারণে অসাবধানতাবশত সেখান থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখিছি। এরপরই প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
কেএফ/পি




