
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাভুক্ত এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের দ্বিতীয় দিনে একযোগে পাঁচটি স্পটে ১ হাজার ৯০টি অননুমোদিত ও অবৈধ সাইনবোর্ড উচ্ছেদ ও অপসারণ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে এই অভিযান চালায় ডিএনসিসি। আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর উত্তরায় ৫টি স্পটে একযোগে এ অভিযান চালানো হয়।
পরবর্তীতে উচ্ছেদ করা এসব সাইনবোর্ড তাৎক্ষণিকভাবে ডাকা নিলামের মাধ্যমে ২৫ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি করে দেয় ডিএনসিসি। এছাড়াও ৫টি স্পটে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ২৭টি মামলা দায়ের এবং ২ লাখ ২৯ হাজার টাকা জরিমানা করেন ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল হামিদ মিয়ার নেতৃত্বে উত্তরা হাউজ বিল্ডিংয়ের মাসকাট প্লাজা থেকে সোনারগাঁও জনপথ সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
অভিযানের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল হামিদ মিয়া বলেন, এখানে বিভিন্ন আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে থাকা ৩শ’টি অবৈধ ছোট-বড় সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়েছে। সড়কে অবৈধভাবে থাকা একটি ফার্নিচারের দোকান মালিক মো. সোহাগকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও অভিযানে অন স্পট ৩টি প্রতিষ্ঠান তাদের সাইনবোর্ডের নির্ধারিত কর ডিএনসিসিকে পরিশোধ করেছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিয়ম অনুযায়ী ডিএনসিসির কর পরিশোধ করে ব্যবসা করুক, আমাদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু বার বার বলার পরও তারা মানছেন না। তাই বাধ্য হয়ে ফুটপাতের ওপরে থাকা সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ও সাইনবোর্ড অপসারণ করা হয়েছে।
এদিকে উত্তরা আজমপুর থেকে হাউজ বিল্ডিং এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডিএনসিসির অঞ্চল-৮ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবেদ আলী। অভিযানে ওই এলাকার ১৩০টি সাইনবোর্ড অপসারণ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩টি মামলায় ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উত্তরা গাউছুল আজম এভিনিউতে উচ্ছেদ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডিএনসিসির অঞ্চল-৬ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিন। অভিযানে ১১০টি অবৈধ সাইনবোর্ড অপসারণ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭টি মামলায় ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রাজধানীর কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে যমুনা ফিউচার পার্ক পর্যন্ত এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডিএনসিসির অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়ন। অভিযানে ২৫০টি অবৈধ সাইনবোর্ড অপসারণ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১১টি মামলায় ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উত্তরা জসিম উদ্দিন মোড় থেকে এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডিএনসিসির অঞ্চল-৭ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ। এ সময় ৩০০টি অবৈধ সাইনবোর্ড অপসারণ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫টি মামলায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কেএফ/এসএস




