ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ: তদন্ত কমিটিতেই সীমাবদ্ধ

রাবি প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩৭ পিএম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক বিষ্ণু কুমারের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীর আনীত যৌন হয়রানীর অভিযোগ তদন্ত কমিটিতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। অভিযোগের এক বছর তিনমাস পেরিয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে তদন্ত কমিটি ছাড়া আর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। অভিযোগের এতদিন পরেও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়ায় ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কার মধ্যে পড়েছেন অভিযোগকারী দুই শিক্ষার্থী।

অভিযোগকারী এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেখতে দেখতে ১ বছর ৩ মাস কেটে গেলো। কিন্তু কোনো সমাধান পেলাম না। কিন্তু কেনো? সত্যি কি তাহলে একটা জিনিসের সত্যতা প্রমাণে একবছরের বেশি সময় লাগে? আমি দ্রুত সুষ্ঠু বিচার চাই।

এর আগে গত বছরের ২৫ জুন রাবি শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রী এবং ২৭ জুন দ্বিতীয় বর্ষের আরেক ছাত্রী ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক বিষ্ণু কুমারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ ইনস্টিটিউটের পরিচালকের কাছে যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ দায় করেন। এরপর ইনস্টিটিউট পরিচালক আবুল হাসানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে ইনস্টিটিউট। অভিযোগকারী দুই শিক্ষার্থীকে তাদের অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য শিক্ষক নানাভাবে চাপ দেন উল্লেখ করে গত ২৮ জুন নগরীর মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন শিক্ষার্থীরা। পরে ৩ জুলাই ইনস্টিটিউটের স্নাতক পর্যায়ের চারটি বর্ষের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে তাকে অব্যাহতি দেয় অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল।

আইইআর সূত্রে জানা যায়, এর আগেও সান্ধ্যকোর্সের কয়েক ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর অভিযুক্ত শিক্ষককে ওই ব্যাচের কার্যক্রম থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, ২০১২ সালে ‘নারী ঘটিত’ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মীর আব্দুল কাইয়ুম ইন্টারন্যাশনাল ডরমেটরি থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়।

এছাড়াও বিষ্ণু কুমার অধিকারীর বিরুদ্ধে পছন্দের শিক্ষার্থীকে নম্বর বাড়িয়ে অপছন্দের শিক্ষার্থীদের নম্বর কমিয়ে দেয়া, চেম্বারে ডেকে হয়রানি, ফেসবুকে বিভিন্ন ব্যাচের গ্রুপের কথোপকথনের স্ক্রিনশট নিয়ে হয়রানিরও অভিযোগ রয়েছে বলে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের গঠিত তদন্ত কমিটি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পায়।

গত বছরের ২১ জুলাই আইইআর ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির আহ্বায়ক ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আবুল হাসান চৌধুরী। তিনি সভায় বলেছিলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অভিযোগের সত্যতার আলামত মিলেছে। যৌন হয়রানির বিষয়ে হাইকোর্ট যে ধরনের ব্যাখ্যা দিয়েছে তার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের মিল রয়েছে এবং কমিটি তার সত্যতা পেয়েছে। ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষকের কথা-বার্তা, অঙ্গভঙ্গি এবং আচরণ যৌন হয়রানির মতোই ছিল বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।’

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। সেই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তবে তদন্ত শেষ না করেই অদৃশ্য এক কারণে তিনি তদন্ত কমিটি থেকে অব্যাহতি নেন।
এরপর নতুন আরও একটি তদন্ত কমিটি করা হয় চলতি বছরের মার্চ মাসের ৩০ তারিখে। সেই কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর রেজিনা লাজকে এবং সদস্য সচিব করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রহমতুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক রোকসানা বেগমকে।
নতুন তদন্ত কমিটি হওয়ার ছয় মাস অতিক্রম হলেও সেই তদন্ত কমিটি তাদের তদন্তের কোন ধরনের অগ্রগতি করতে পারেনি বলে জানা গেছে। এদিকে নতুন তদন্ত কমিটি থেকে সদস্য সচিব রোকসানা বেগম অব্যাহতি নেবেন বলেও জানা গেছে।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, পারিবারিক বিভিন্ন ঝামেলার কারণে তদন্ত কাজে আমি সহায়তা করতে পারছি না। সে কারণে আমি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যকে জানিয়ে কমিটি থেকে অব্যাহতি নেব।

তবে তদন্ত প্রতিবেদন আর কিছু দিনের মধ্যেই জমা দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক রেজিনা লাজ।

তিনি বলেন, আমরা তদন্ত কাজ অনেকটা গুছিয়ে নিয়েছ করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ছিল। তাই আমরা মার্চ মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত তেমন কোন কাজ করতে পারেনি। তবে গত আগস্ট মাস থেকে আমরা কাজ শুরু করেছি। এর মধ্যে আমরা কয়েকটা মিটিং করেছি। আশা করছি দ্রুত আমরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারব।

জিএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনায় কেটে গেলো একটি বছর। অনেক উত্থান-পতন পেরিয়ে অতীতের খাতায় জমা হলো ২০২০ সাল। বিগত সময়ে সকল দুঃখ, কষ্ট, হতাশা, গ্লানি ও বেদনা ভুলে বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন আশা নিয়ে বরণ করে নিলো ২০২১ সালকে।  বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, পদ্মা সেতু চালু, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ নানা কারণে ২০২১ গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। উন্নয়নে নেয়া নানা উদ্যোগ পূর্ণ হবে, অগ্রগতির পথে সব জটিলতা দূর হবে- আজ এটাই সবার প্রত্যাশা। মহামারির ধাক্কা সামলে নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।  ইংরেজি নতুন বছর ২০২১-এ দেশের মানুষ নতুন করে জীবন সাজানোর স্বপ্ন দেখেন। ফেলে আসা দুঃখ-বেদনা ভুলে নতুন করে এগিয়ে যেতে চান সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাই আজ হৃদয়ে হৃদয়ে বেজে ওঠে একটাই প্রার্থনা- নতুন বছরটি যেন ভালো কাটে। নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা নিয়ে এগিয়ে চলা। পেছনে ফেলে আসা বছরের সকল গ্লানিকে দূরে ঠেলে নতুন উদ্যমে সাহস নিয়ে পথচলা। সভ্যতার ইতিহাস বলে, অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার এই স্পৃহাই মানুষকে নিয়ে এসেছে এতদূর। তাই নতুন বছরে নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে এগিয়ে যাবে বিশ্বের অন্যান্য জাতির মতো বাঙালিরাও। এফএ
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
ভারতের আসাম প্রদেশে ৭০০ মাদরাসাকে স্কুলে রূপান্তর করবে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিজেপি সরকার বলছে, মসজিদের ঈমামের চেয়ে ভারতে ডাক্তার, পুলিশ, আমলা ও শিক্ষক বেশি প্রয়োজন। তাই মাদরাসার সিলেবাসকে নিম্নমানের শিক্ষা আখ্যায়িত করে স্কুলে রূপান্তরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।  এই সংক্রান্ত একটি বিল বৃহস্পতিবার আসামের আইনসভায় পাস হয়েছে। আসামের শিক্ষামন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বাস শর্মা প্রাদেশিক আইনসভাকে জানিয়েছেন, নতুন বছরের এপ্রিলের মধ্যে ৭০০ এর অধিক মাদরাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর গার্ডিয়ান। হেমন্ত বিশ্বাসের দাবি মাদ্রাসায় পার্থিব বা বৈষয়িক কোনো বিষয় পড়ানো হয় না। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বিষয়টিকে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ট দেশে মোদি সরকারের মুসলিমবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ওয়াজেদ আলী চৌধুরী নামে কংগ্রেসের একজন আইনপ্রণেতা বলেন, ‘এটা মুসলিমদের শেকড় উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত।’ এফএ
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
আরও পড়ুন
‘দাফনের আগে জীবিত হয়ে ওঠা শিশুর ক্ষেত্রে ডাক্তারের ব্যর্থতা ছিল, অবহেলা ছিল না’
এমসি কলেজে গণধর্ষণ: তদন্ত কমিটি, ২ গার্ড সাসপেন্ড
মসজিদে বিস্ফোরণ: আরও পাঁচদিন সময় পেলো তদন্ত কমিটি (ভিডিও)
সিনহা হত্যার ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে (ভিডিও)