ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

‘দাফনের আগে জীবিত হয়ে ওঠা শিশুর ক্ষেত্রে ডাক্তারের ব্যর্থতা ছিল, অবহেলা ছিল না’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৫:১৯ পিএম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন

ইয়াসিন-শাহিনুর দম্পতির ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্ম নেওয়া কন্যা শিশু মরিয়মের দাফনের সময় জীবিত ফেরার ঘটনায় কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কিছুটা ব্যর্থতা ছিল। তবে তাদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল না বলে দাবি করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেলের সভা কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

ব্রিগেডিয়ার নাসির উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত নয়। এতে চিকিৎসকদের কিছুটা ব্যর্থতা থাকলেও তাদের গাফলতি ছিল না। শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য তাদের প্রচেষ্টা ছিল। ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় শিশুটি অপরিণত ছিল। প্রথমে শিশুটির মাকে বাঁচানো গেছে। তবে বাচ্চা বেঁচে ছিল এমন কোনো লক্ষণ তখন (লাইফ অফ সাইন) দেখা যায়নি। প্রটোকল অনুযায়ী ৪৫ মিনিট ধরে শিশুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। যখন চিকিৎসকরা শিশুটির কোনো স্পন্দন পায়নি তখন তারা মৃত ঘোষণা করেছে । আসলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নবজাতক, সাপে কাটা রোগীদের মধ্যে এমন ঘটনা দেখা যায়। অনেকক্ষণ ধরেই বেঁচে আছে এমন লক্ষণ দেখা যায় না কিন্তু পরবর্তীতে তারা বেঁচে যায়। তবে তা খুব রেয়ার।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে এজন্য কিছু সুপারিশও দেয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়গুলোতে চিকিৎসকরা কাজ করবেন। যারা এই সময়ে কাজ করেছে তারা হয়তো অভিজ্ঞ নয়। তবে তাদের দায়িত্বে কোনো অবহেলা ছিলো না।

ডিএমসি পরিচালক আরও বলেন, বর্তমানে শিশুটিকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করার প্রচেষ্টা আমরা অব্যাহত রেখেছি। সেই সঙ্গে শিশুটির মাকেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি এখন অনেকটাই সুস্থ আছে। আমরা চেষ্টা করছি বাচ্চাটিকে পুরোপুরি সুস্থ করে যাতে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া যায়। এটি এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং কমিটমেন্ট। আপনারা জানেন এর মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে আদালতে একটি রিটও হয়েছে পরবর্তীতে যদি আরও তদন্ত করার বিষয় আসে সেগুলো করে তারপরেই হয়তো কোনো একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় সেই দিনই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন ঘটনা কেন ঘটলো সে কারণে সেই দিনে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছিলাম। তদন্ত কমিটিতে ছিলো গাইনি বিভাগ থেকে প্রফেসর শিখা গাঙ্গুলী, নিউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মনীষা ব্যানার্জি, প্রফেসর সুব্রত অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরকে সংযুক্ত করে তদন্ত কমিটি করেছিলাম। পুরোপুরি বিষয়ে তারা নিবিড়ভাবে দেখেছে এবং জানার চেষ্টা করেছে।

শিশুটি দাফনের সময় নড়ে ওঠার পর তার পরিবার থেকে ডিএমসিতে আনলে ওয়ার্ড বয়রা অন্যত্রে ভর্তি করানোর কথা বলে এটি কেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি খুবই দুঃখজনক। তবে আপনারা জানেন আমাদের এন এস আই ইউ সবসময়ই রোগীতে পরিপূর্ণ থাকে। শিশুটিকে যখন এনেছে তখনও বেড খালি ছিল না। তবে আমরা যখন জেনেছি তখন দ্রুত শিশুটিকে নেওয়া হয়েছে। তবে যারাই এমন করেছে ওই সব ওয়ার্ড বয়দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসময় শিশু বিভাগের ডাক্তার অধ্যাপক মনিষা ব্যানার্জী বলেন, আমাদের দেশে ২৮ সপ্তাহের আগে একটি শিশু ভূমিষ্ঠ হয় না। তবে এই শিশুটি ২৬ সপ্তাহের ছিল। বাচ্চা জন্মের পর শ্বাস-প্রশ্বাস নড়াচড়া কিছুই ছিল না। তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ডাক্তার ডেথ সার্টিফিকেট দিয়েছে। তদন্তকারী বোর্ডে আমরা যারা ছিলাম আমাদের কাছে মনে হয়েছে ডাক্তাররা আরও কিছু স্টেপ নিলে বাচ্চাটি বেঁচে আছে আমরা ডায়াগনোসিস করতে পারতাম। আমাদের এখানে যেসব চিকিৎসা মেশিনারিজ নেই সেগুলো যাতে প্রোভাইড করা যায় সেগুলো আমরা সুপারিশ করেছি। আসলে অনিচ্ছাকৃত একটি ভুলের মধ্যে এই বাচ্চাটি পড়েছে। বাচ্চা বেঁচে ওঠার ঘটনা মিরাকেল।
শিশুটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, শিশুটি এই মুহূর্তে অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছে। স্যালাইন চলছে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। আমাদের প্ল্যান আছে বাচ্চাটি যদি এই অবস্থায় থাকে তবে আমরা আজ খুবই সামান্য পরিমাণ খাবার দিব। শিশুটির অবস্থা আগের চেয়ে অবনতি হয়নি। যদি শিশুটি সত্যি বেঁচে যায় তবে সেটি মিরাকেল হবে। আমরা অবশ্যই শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

কেএফ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনায় কেটে গেলো একটি বছর। অনেক উত্থান-পতন পেরিয়ে অতীতের খাতায় জমা হলো ২০২০ সাল। বিগত সময়ে সকল দুঃখ, কষ্ট, হতাশা, গ্লানি ও বেদনা ভুলে বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন আশা নিয়ে বরণ করে নিলো ২০২১ সালকে।  বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, পদ্মা সেতু চালু, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ নানা কারণে ২০২১ গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। উন্নয়নে নেয়া নানা উদ্যোগ পূর্ণ হবে, অগ্রগতির পথে সব জটিলতা দূর হবে- আজ এটাই সবার প্রত্যাশা। মহামারির ধাক্কা সামলে নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।  ইংরেজি নতুন বছর ২০২১-এ দেশের মানুষ নতুন করে জীবন সাজানোর স্বপ্ন দেখেন। ফেলে আসা দুঃখ-বেদনা ভুলে নতুন করে এগিয়ে যেতে চান সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাই আজ হৃদয়ে হৃদয়ে বেজে ওঠে একটাই প্রার্থনা- নতুন বছরটি যেন ভালো কাটে। নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা নিয়ে এগিয়ে চলা। পেছনে ফেলে আসা বছরের সকল গ্লানিকে দূরে ঠেলে নতুন উদ্যমে সাহস নিয়ে পথচলা। সভ্যতার ইতিহাস বলে, অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার এই স্পৃহাই মানুষকে নিয়ে এসেছে এতদূর। তাই নতুন বছরে নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে এগিয়ে যাবে বিশ্বের অন্যান্য জাতির মতো বাঙালিরাও। এফএ
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
ভারতের আসাম প্রদেশে ৭০০ মাদরাসাকে স্কুলে রূপান্তর করবে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিজেপি সরকার বলছে, মসজিদের ঈমামের চেয়ে ভারতে ডাক্তার, পুলিশ, আমলা ও শিক্ষক বেশি প্রয়োজন। তাই মাদরাসার সিলেবাসকে নিম্নমানের শিক্ষা আখ্যায়িত করে স্কুলে রূপান্তরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।  এই সংক্রান্ত একটি বিল বৃহস্পতিবার আসামের আইনসভায় পাস হয়েছে। আসামের শিক্ষামন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বাস শর্মা প্রাদেশিক আইনসভাকে জানিয়েছেন, নতুন বছরের এপ্রিলের মধ্যে ৭০০ এর অধিক মাদরাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর গার্ডিয়ান। হেমন্ত বিশ্বাসের দাবি মাদ্রাসায় পার্থিব বা বৈষয়িক কোনো বিষয় পড়ানো হয় না। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বিষয়টিকে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ট দেশে মোদি সরকারের মুসলিমবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ওয়াজেদ আলী চৌধুরী নামে কংগ্রেসের একজন আইনপ্রণেতা বলেন, ‘এটা মুসলিমদের শেকড় উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত।’ এফএ
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
আরও পড়ুন
নাম ধরে ডাকলেই হিংস্র শিয়াল চলে আসে মিলনের কাছে (ভিডিও)
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য এদেশে হবেই, পারলে ঠেকাইয়েন: নিক্সন চৌধুরী
শিল্পকলায় শ্রদ্ধা নিবেদন, বনানীতে হবে কাদেরের দাফন
ফরিদপুরে চোখের জলে বিদায় নিলেন চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ