
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শিক্ষাকে গণমুখী ও অবৈতনিক করেছিলেন। বিজ্ঞানমনস্ক ও সোনার বাংলা এবং সোনার মানুষ গড়ে তোলার জন্য তিনি শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’র স্থায়ী ক্যাম্পাসে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা নীতি প্রণয়নের দায়িত্ব দিয়েছিলেন একজন বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-এ-খুদাকে। বাংলাদেশের প্রতিটি সোনার সন্তান বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ হয় এবং তারা যেন সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারে। এ জন্যই তিনি এ কাজটি করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু পবিত্র সংবিধানে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা-এই পাঁচটি মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত করে রেখে গেছেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু পঞ্চাশ বছর আগে দূরদর্শিতা দিয়ে উপলব্ধি করেছিলেন যে, একটি রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি নাগরিকের জন্য পাঁচটা মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা যায়, তবে সেই রাষ্ট্র একটি আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে। পঞ্চাশ বছর পর জাতিসংঘ এসডিজি লক্ষ্য যারা নির্বাচন করেছেন তারা বঙ্গবন্ধুর সেই কোর ফিলোসফিকে অনুসরণ করেছেন। বর্তমানে বিশ্বের ২০০ রাষ্ট্র যে উদ্দেশ্য অর্জন নিয়ে কাজ করছে, বঙ্গবন্ধু পঞ্চাশ বছর আগেই পবিত্র সংবিধানে সেই দর্শন রেখে গেছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লিয়াকত সিকদার।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুখ।




