ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ : একটি টেবিল ও দুটি চেয়ারের গল্প

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:১৭ এএম
আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:০৩ এএম
ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের তৎকালীন পূর্বাঞ্চলের সামরিক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন।

সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে বিশ্বের প্রথম এই ধরনের আত্মসমর্পণ হিসেবে বিবেচিত অনুষ্ঠানটি একটি অস্থায়ী মঞ্চে মূলত একটি টেবিল এবং দুটি চেয়ার দিয়ে সাজানো হয়েছিল। যা এখন ১৯৭১ সালের যুদ্ধের একটি প্রধান নিদর্শন হিসেবে প্রদর্শনের জন্য জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত হয়েছে।

অনেকের কাছেই এখনও অজানা রয়েছে যে কিভাবে মঞ্চটি তাড়াহুড়ো করে তৈরি করা হয়েছিল। যার দায়িত্বে ছিলেন ভারতীয় বীর যোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সান্ত সিং।

সেদিনের সেই ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বাংলাদেশের এক গণমাধ্যমকে সান্ত সিং বলেন, আমাকে সেই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তানি কমান্ডার ঢাকা সেনানিবাসে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জেএফআর জ্যাকবের সঙ্গে আলোচনায় আত্মসমর্পণ করতে রাজি হওয়ায় তাকে রেসকোর্সে অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

সান্ত সিং আরও বলেন, তখন আমি ভেবে দেখলাম যে, ‘আত্মসমর্পণের দলিল’ স্বাক্ষর করার জন্য একটি টেবিল এবং দুটি চেয়ারের প্রয়োজন হবে। তাই আমি জেনারেল নিয়াজীর অফিসে একটি উপযুক্ত টেবিল এবং চেয়ারের জন্য চারপাশে তাকালাম।

তিনি বলেন, তারপর আমি টেবিলটি দেখলাম এবং দুটি চেয়ারসহ তা নিয়ে রেসকোর্স ময়দানে ছুটে গেলাম।

সিং আরও বলেন, ‘রেসকোর্সের ময়দানে সাধারণ অস্থায়ী মঞ্চ স্থাপন করতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উপযুক্ত স্থান বেছে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় পাইনি আমি। আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের পরপরই গোয়েন্দা প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নিয়াজীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়েছিল আমাকে।’

সিং বলেন, সামরিক প্রয়োজন বা নিরাপত্তার কারণে পাকিস্তানের সৈন্যদের অবস্থান, তাদের পূর্বের পরিকল্পনা ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে সেই সন্ধ্যায় আমাদের তাকে (নিয়াজী) দীর্ঘ সময়ের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করতে হয়েছিল।
নিয়াজীকে ভারতীয় সেনারা তার বাসভবনে নিয়ে আসে এবং আমিও তার বাড়িতে (ক্যান্টনমেন্টে) গিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, আমি ৩০ জন ভারতীয় সৈন্যকে বাড়িটি পাহারা দেওয়ার জন্য মোতায়েন করেছিলাম। আমরা উদ্বিগ্ন ছিলাম যে, তিনি পালিয়ে যেতে পারেন কারণ আগের রাতে বেশ কয়েকজন উচ্চ পদস্থ পাকিস্তানি সামরিক অফিসার বার্মার ভেতর দিয়ে হেলিকপ্টারে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

প্রবীণ এ জেনারেল জানান, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা তার পোশাক, সাধারণ শিখ পাগড়ি ও দাঁড়ি এবং স্নেহময় মনোভাবের কারণে ‘ব্রিগেডিয়ার বাবাজি’ বলে ডাকতেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৪৬তম বিসিএসে আবেদন ৩ লাখ ছুঁই ছুঁই
৪৬তম বিসিএসের আবেদন শেষ হয়েছে। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন করতে পেরেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। এতে আবেদন জমা পড়েছে দুই লাখ ৯৯ হাজার ৩৯২টি। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষা শাখার (ক্যাডার) এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২ লাখ ৯৯ হাজার ৩৯২ জন প্রার্থী আবেদন ফি জমা দিয়েছেন। তবে এ সংখ্যা তিন লাখের বেশি হবে। কারণ যারা আবেদন করে এখনও ফি জমা দেননি, তাদের সংখ্যা এখনো হিসাব করা হয়নি। ফি জমা দেওয়ার জন্য আবেদনকারীরা আরও ৭২ ঘণ্টা সময় পাচ্ছেন। এরপর হয়তো আবেদন সংখ্যা আরও বাড়বে। পিএসসি সূত্র জানায়, গত ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এবার আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কর্মকর্তারা।  তারা জানান, এবার কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়নি। ফলে ৪৬তম বিসিএসের আবেদনের সময় বাড়ানোর সম্ভাবনা কম। গত ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে ৩ হাজার ১৪০টি শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের হিসাবে গত ১০টি বিসিএসের মধ্যে এটি রেকর্ড। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এতে বিসিএস সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ জন, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন। এর পরপরই সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। বিভিন্ন বিষয়ে এ ক্যাডার থেকে বিসিএস শিক্ষায় ৫২০ জন নেওয়া হবে। বিসিএস প্রশাসনে ২৭৪, পররাষ্ট্রে ১০, পুলিশে ৮০, আনসারে ১৪, মৎস্যে ২৬ ও গণপূর্তে ৬৫ জন নেওয়া হবে। আবেদন শেষে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
৪৬তম বিসিএসে আবেদন ৩ লাখ ছুঁই ছুঁই
ভোটের দিন নাশকতার তথ্য নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন নাশকতার কোনো তথ্য না থাকলেও গোয়েন্দা বাহিনী সতর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ভোটের দিনকে কেন্দ্র করে গোয়েন্দা বাহিনীগুলোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আগাম সতর্কতা নেই। তারা যেসব তথ্য দিচ্ছে, সেগুলো নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।   তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় নাশকতা করে আসছে। নাশকতা দিয়েই তাদের জন্ম। কাজেই তারা এগুলো করবেই। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সজাগ রয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীও কাজ করছে।   তিনি আরও বলেন, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে বলেই নাশকতাকারীরা এসব কর্মকাণ্ডে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। আমি মনে করি নাশকতাকারীদের এ দেশের জনগণ প্রতিহত করবে। জনগণ তাদের কোনোরকম আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। জনগণ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চায় না। আসাদুজ্জামান খান বলেন, নির্বাচন যেন না হয়, নির্বাচনে যেন কেউ অংশগ্রহণ না করে- সে ধরনের প্রচারণা শুরু করেছে বিএনপি নামক একটি রাজনৈতিক দল। তারা ভাঙচুর করছে, মানুষ হত্যা করছে, সম্পত্তি বিনষ্ট করছে এবং হরতাল-অবরোধ কতকিছুই করে যাচ্ছে। কিন্তু মানুষ কোনো কিছুতেই অ্যাটেনশন দিচ্ছে না। মানুষ মনে করছে এগুলো অযৌক্তিক, সেজন্যই মানুষ এগুলোতে কর্ণপাত করছে না। তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে নাম না জানা আরও দু-একটি দল এ ধরনের লিফলেট ছড়াচ্ছে। সেগুলো খুবই সামান্য পরিসরে। মাঝে মাঝে দু-এক জায়গায় আমরা খবর পাচ্ছি। আমাদের পুলিশ, বিজিবি, গোয়েন্দা বাহিনী এগুলো ধৈর্য সহকারে দেখছে। এগুলো নিশ্চয় আমাদের নির্বাচন কমিশনও দেখছে। যদি এগুলো মাত্রা ছাড়িয়ে যায়, তবে নিশ্চয়ই নির্বাচন কমিশন থেকে একটি নির্দেশনা আসবে, তখনই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, এসব প্রচারণা অবশ্যই রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল, নির্বাচন কমিশন যে ঘোষণা দিয়েছে, তার বিপরীত কর্মকাণ্ড। এগুলো নির্বাচন বানচালের কর্মকাণ্ড এবং অবশ্যই গর্হিত অপরাধ। আমি মনে করি, এগুলো যদি সীমা অতিক্রম করে, নিশ্চয়ই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করবে। তিনি বলেন, সুন্দর নির্বাচন করার জন্য আমাদের কমিশন প্রস্তুত রয়েছে। সারাদেশে এখন নির্বাচনের আবহাওয়া বিরাজ করছে। সব জায়গায় নির্বাচনমুখী উৎসবের আমেজ। কাজেই একটি সুন্দর নির্বাচন হবে, এটিই আমরা আশা করি। কেউ বলল নির্বাচন করতে দেবে না, তাতেই দেশের জনগণ বসে থাকবে না। এ দেশের জনগণ আগামী ৭ তারিখে তাদের যে কাজ, তা অবশ্যই করবে।
ভোটের দিন নাশকতার তথ্য নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নববর্ষের আনন্দ যেন বিষাদের কারণ না হয় : রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৪ উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে রোববার (৩১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, সময়ের চিরায়ত আবর্তনে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ নতুন স্বপ্ন, নতুন অনুপ্রেরণা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত। নতুনকে বরণ করা মানুষের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি। তাইতো নববর্ষকে বরণ করতে বিশ্বব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, খ্রিষ্টীয় নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশও প্রস্তুত। বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকলেও ব্যবহারিক জীবনে খ্রিষ্টীয় বর্ষপঞ্জিকা বহুল ব্যবহৃত। খ্রিষ্টাব্দ তাই আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায় অবিচ্ছেদ্যভাবে মিশে আছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের সমাহার নিয়ে আমাদের জীবনে নববর্ষের আগমন ঘটে। তাই বিগত দিনের ভুল-ভ্রান্তি, ব্যর্থতা ও হতাশাকে দূরে ঠেলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন ও ইতিবাচক পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি বলেন, করোনা অতিমারি ও বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের ফলে বাংলাদেশেও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়েছে। আমাদের আশপাশের অনেক মানুষই কষ্টে দিনাতিপাত করছে। নববর্ষে আমরা একে অন্যের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই- এই হোক ইংরেজি ‘নববর্ষ- ২০২৪’ এর প্রত্যাশা। এ ছাড়া একজনের আনন্দ যেন অন্যদের বিষাদের কারণ না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। বিগত বছরের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা পেছনে ফেলে নতুন বছরে অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক খ্রিষ্টীয় নববর্ষে এই প্রত্যাশা করে সাহাবুদ্দিন বলেন, নববর্ষ সবার মাঝে জাগিয়ে তুলে নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ ও কল্যাণ। সূত্র : বাসস
নববর্ষের আনন্দ যেন বিষাদের কারণ না হয় : রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনে ২১ সদস্যের আইনশৃঙ্খলা মনিটরিং সেল গঠন
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে ২১ সদস্যের মনিটরিং সেল গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২১ সদস্যদের এই মনিটরিং সেলের নেতৃত্ব দেবেন আইডিএ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমানের সই করা চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় ও মনিটরিং সেল গঠন করা হয়।  যেসব দায়িত্ব পালন করবে মনিটরিং সেল • নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী মনিটরিং সেল আগামী ৬ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা পরিচালনা করা হবে। • দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মাঠপর্যায়ে যথাসম্ভব যাচাই-বাছাই করা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে অবহিতকরণ এবং জরুরি প্রয়োজনে বিশেষ প্রতিবেদন পাঠানো হবে। • সেলে অন্তর্ভুক্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধি কর্তৃক নির্বাচন উপলক্ষ্যে মোতায়েনকৃত আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জানানো; • ভোটকেন্দ্র বা নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় সাধন; • বিভিন্ন নির্বাচনী মালামাল পরিবহণ, বিতরণ এবং ভোটগ্রহণ কাজে নিরাপত্তা বিধানের জন্য মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের সহায়তা প্রদান এবং • সংস্থার নিজস্ব যোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত বাহিনীকে অবহিতকরণ। • রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে স্ব-স্ব নির্বাচনী এলাকাসমূহের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক ঘটনাবলী নির্বাচন কমিশন সচিবালয় কর্তৃক পরিচালিত ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌আইনশৃঙ্খলা মনিটরিং অ্যাপসে তাৎক্ষনিকভাবে এন্ট্রি করে নির্বাচন কমিশনে গঠিত কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে প্রেরণ করতে হবে।
নির্বাচনে ২১ সদস্যের আইনশৃঙ্খলা মনিটরিং সেল গঠন
বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সব আদালত বর্জনের শপথ
আগামী ১ থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সাতদিন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগসহ সারাদেশের  সব আদালত বর্জনের শপথ নিয়েছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ হলে বিএনপিপন্থীসহ সরকারবিরোধী আইনজীবীদের এক সভায় এ শপথ নেন তারা।  এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। দলটি সন্ত্রাসে বিশ্বাস করেন। আমরা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের জন্য আন্দোলন করছি। এই আন্দোলনে আমরা বিজয়ী হব, ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা আদালত সমিতির দক্ষিণ হলে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিচারের নামে অবিচার বন্ধের দাবিতে আদালত বর্জন কর্মসূচি পালন করব। আমরা কেউ আদালতে আসব না। তিনি আরও বলেন, আমরা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের আন্দোলনের মধ্যে আছি। ভোটের অধিকার ও আইনের শাসন ফিরে না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। কোনো অবস্থাতেই আমরা আদালতে কেউ যাব না। আজকের দিনে আমরা এই শপথ নিচ্ছি। ইউনাইটেড লইয়ারস ফ্রন্ট সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের কনভেনার আইনজীবী শাহ আহমেদ বাদলের সভাপতিত্বে ও কো-কনভেনার মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- সুপ্রিম কোর্ট বারের বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ইউনাইটেড লইয়ার ফ্রন্টের কো-কনভেনার সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ লইয়ারস কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল, আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সভাপতি আবদুল জব্বার ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল, আইনজীবী আইনজীবী জগলুল হায়দার আফ্রিক, ইউএলএফে সমন্বয় সৈয়দ মামুন মাহবুব, মো. কামাল হোসেন, গাজী তৌহিদুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান খান, নাসরিন আক্তার প্রমুখ। এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে সব আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয় বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।
বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সব আদালত বর্জনের শপথ
আরও পড়ুন
ভারত-পাকিস্তানের হারে সুখবর পেল বাংলাদেশ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে পাকিস্তানকে গম্ভীরের খোঁচা 
পাকিস্তানের কোচিং প্যানেলে ফের পরিবর্তন
আমিরকে নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা পাকিস্তানের