ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:২১ পিএম
ফাইল ফটো

বিভিন্ন প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে আওয়ামী লীগ সরকারের বিচক্ষণ অর্থনৈতিক নীতির কারণে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২০২৩ সালে ২,৭৯৩ ডলারে উন্নীত হয়েছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ৯১ ডলার।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাড়ে তিন বছরের কিছু বেশি সময়ের শাসনামলে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ১৯৭৩ সালে মাথাপিছু আয় ছিল ১১৪ ডলার যেখানে ১৯৭৪ সালে তা ছিল ১৭২ ডলার। ১৯৭৫ সালে মাথাপিছু আয় ২০৪ শতাংশ বা তিন গুণ বেড়ে ২৭৭ ডলারে উন্নীত হয়। ১৯৭২ সালে টাকা-ডলার বিনিময় হার ছিল ৭.৭ যা ১৯৭৫ সালে ১২.১৮ এ পৌঁছেছিল।

এরপর, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ১৬ বছরে মাথাপিছু আয় মাত্র ৬ ডলার বেড়েছিল। ওই অধিকাংশ সময় জুড়ে বাংলাদেশ সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ছিল। সরকারি তথ্যে দেখা গেছে, ১৯৭৬ থেকে ১৯৮১ সময়কালে মাথাপিছু আয় ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল যেখানে ১৯৯০ সালে মাথাপিছু আয় ২৭৭ ডলারে পৌঁছতে ১৫ বছর সময় লেগেছিল। যদিও ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের এই মাথাপিছু আয় ২৭৭ ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল।

সামরিক স্বৈরশাসকদের দ্বারা শাসিত সেই সময়কালে মাথাপিছু আয় অনেক উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিল। কারণ, এটি ছিল ১৯৭৬ সালে ১৩২ ডলার, ১৯৭৭ সালে ১২৩ ডলার, ১৯৭৮ সালে ১৬৬ ডলার, ১৯৭৯ সালে ১৯০ ডলার, ১৯৮০ সালে ২১৬ ডলার, ১৯৮১ সালে ২৩৫ ডলার, ২০৮১ সালে ২১৬ ডলার, ১৯৮৩ সালে ১৯৩ ডলার, ১৯৮৪ সালে ২০২ ডলার, ১৯৮৫ সালে ২৩২ ডলার, ১৯৮৬ সালে ২২১ ডলার, ১৯৮৭ সালে ২৪১ ডলার, ১৯৮৭ সালে ২৪১ ডলার, ১৯৮৮ সালে ২৫৮ ডলার, ১৯৮৯ সালে ২৭৪ ডলার, ১৯৯০ ২৯৪ ডলার ও ১৯৯১ সালে ২৮৩ ডলার।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধুই অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন এবং এভাবে অল্প সময়ের মধ্যে অর্থনীতি একটি স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে যায় যা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে খুবই ব্যতিক্রমী। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির মূল কারণ প্রবাসী বাংলাদেশি ও তৈরি পোশাক খাতসহ বিভিন্ন খাতে দেশের মেহনতি মানুষ।’

মান্নান আরও বলেন, ‘লক্ষ লক্ষ পুরুষ ও নারী শ্রমিক বছরের পর বছর ধরে তৈরি পোশাক ও অন্যান্য শিল্প খাতে কাজ করার মাধ্যমে অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। দেশের মাথাপিছু আয়বৃদ্ধি উল্লম্ফনের এটাও অন্যতম প্রধান কারণ।’

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন কল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অবকাঠামো খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে, যার সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছে। তাদের মাথাপিছু আয় ও জীবনমান বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএনপি সরকারের শাসনামলে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সময়কালে, মাথাপিছু আয় মাত্র ১০২ ডলার বৃদ্ধি পায়। কারণ ১৯৯২ সালে ২৮৫ ডলার থেকে ১৯৯৬ সালে এটি ৩৮৭ ডলারে পৌঁছেছিল। এরপর ১৯৯৭ সালে ৩৯৫ ডলার থেকে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২০০১ সালে বেড়ে ৪১০ ডলারে উন্নীত হয়। যদিও সেই সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে মন্দার চলছিল ২০০১ সালের মার্চ থেকে সেই বছরের নভেম্বর পর্যন্ত আমাদের দেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ে।

২০০১ থেকে বিএনপি-জামায়াত সরকারের শাসনামলে পাঁচ বছরে মাথাপিছু আয় মাত্র ৯৩ ডলার বৃদ্ধি পায়। কারণ, মাথাপিছু আয় ২০০২ সালে ৪০৭ ডলার থেকে ২০০৬ সালে মাত্র ৫০৩ ডলারে উন্নীত হয়। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে মাথাপিছু আয় প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধির পায়। ২০০৯ সালে ৬৮৬ ডলার থেকে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২০২৩ সালে ২৭৯৩ ডলারে পৌঁছেছে।

ক্রয় ক্ষমতার সমতা (পিপিপি) এর উপর মাথাপিছু আয় বিবেচনায়, আয়ও ২০২৩ সালে পাঁচ গুণ বেড়ে ২০২৩ সালে ৮৭৭৯ ডলার হয়েছে। যা ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে ১,৭২৪ ডলার ছিল।

বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি এবং বিভিন্ন প্রকল্প ও কৌশল বাস্তবায়নের ভিত্তিতে মাথাপিছু আয় ধীরে ধীরে ২০১০ সালে ৭৭৬ ডলার, ২০১১ সালে ৮৫৬ ডলার, ২০১২ সালে ৮৭৭ ডলার, ২০১৩ সালে ৯৭৪ ডলার, ২০১৩ সালে ১১০৯ ডলার, ২০১৪ সালে ১১০৯ ডলার, ২০১৫ সালে ১২৩৬ ডলার, ২০১৬ সালে ১৬৬০ ডলার ২০১৭ সালে ১৮১৬ ডলার, ২০১৮ সালে ১৯৬৩ ডলার, ২০১৯ সালে ২১২২ ডলার, ২০২০ সালে ২২৩৩ ডলার, ২০২১ সালে ২৪৫৮ ডলার, ২০২২ সালে ২৬৮৮ ডলার ও ২০২৩ সালে ২৭৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৪৬তম বিসিএসে আবেদন ৩ লাখ ছুঁই ছুঁই
৪৬তম বিসিএসের আবেদন শেষ হয়েছে। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন করতে পেরেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। এতে আবেদন জমা পড়েছে দুই লাখ ৯৯ হাজার ৩৯২টি। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষা শাখার (ক্যাডার) এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২ লাখ ৯৯ হাজার ৩৯২ জন প্রার্থী আবেদন ফি জমা দিয়েছেন। তবে এ সংখ্যা তিন লাখের বেশি হবে। কারণ যারা আবেদন করে এখনও ফি জমা দেননি, তাদের সংখ্যা এখনো হিসাব করা হয়নি। ফি জমা দেওয়ার জন্য আবেদনকারীরা আরও ৭২ ঘণ্টা সময় পাচ্ছেন। এরপর হয়তো আবেদন সংখ্যা আরও বাড়বে। পিএসসি সূত্র জানায়, গত ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এবার আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কর্মকর্তারা।  তারা জানান, এবার কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়নি। ফলে ৪৬তম বিসিএসের আবেদনের সময় বাড়ানোর সম্ভাবনা কম। গত ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে ৩ হাজার ১৪০টি শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের হিসাবে গত ১০টি বিসিএসের মধ্যে এটি রেকর্ড। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এতে বিসিএস সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ জন, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন। এর পরপরই সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। বিভিন্ন বিষয়ে এ ক্যাডার থেকে বিসিএস শিক্ষায় ৫২০ জন নেওয়া হবে। বিসিএস প্রশাসনে ২৭৪, পররাষ্ট্রে ১০, পুলিশে ৮০, আনসারে ১৪, মৎস্যে ২৬ ও গণপূর্তে ৬৫ জন নেওয়া হবে। আবেদন শেষে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
৪৬তম বিসিএসে আবেদন ৩ লাখ ছুঁই ছুঁই
ভোটের দিন নাশকতার তথ্য নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন নাশকতার কোনো তথ্য না থাকলেও গোয়েন্দা বাহিনী সতর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ভোটের দিনকে কেন্দ্র করে গোয়েন্দা বাহিনীগুলোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আগাম সতর্কতা নেই। তারা যেসব তথ্য দিচ্ছে, সেগুলো নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।   তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় নাশকতা করে আসছে। নাশকতা দিয়েই তাদের জন্ম। কাজেই তারা এগুলো করবেই। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সজাগ রয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীও কাজ করছে।   তিনি আরও বলেন, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে বলেই নাশকতাকারীরা এসব কর্মকাণ্ডে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। আমি মনে করি নাশকতাকারীদের এ দেশের জনগণ প্রতিহত করবে। জনগণ তাদের কোনোরকম আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। জনগণ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চায় না। আসাদুজ্জামান খান বলেন, নির্বাচন যেন না হয়, নির্বাচনে যেন কেউ অংশগ্রহণ না করে- সে ধরনের প্রচারণা শুরু করেছে বিএনপি নামক একটি রাজনৈতিক দল। তারা ভাঙচুর করছে, মানুষ হত্যা করছে, সম্পত্তি বিনষ্ট করছে এবং হরতাল-অবরোধ কতকিছুই করে যাচ্ছে। কিন্তু মানুষ কোনো কিছুতেই অ্যাটেনশন দিচ্ছে না। মানুষ মনে করছে এগুলো অযৌক্তিক, সেজন্যই মানুষ এগুলোতে কর্ণপাত করছে না। তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে নাম না জানা আরও দু-একটি দল এ ধরনের লিফলেট ছড়াচ্ছে। সেগুলো খুবই সামান্য পরিসরে। মাঝে মাঝে দু-এক জায়গায় আমরা খবর পাচ্ছি। আমাদের পুলিশ, বিজিবি, গোয়েন্দা বাহিনী এগুলো ধৈর্য সহকারে দেখছে। এগুলো নিশ্চয় আমাদের নির্বাচন কমিশনও দেখছে। যদি এগুলো মাত্রা ছাড়িয়ে যায়, তবে নিশ্চয়ই নির্বাচন কমিশন থেকে একটি নির্দেশনা আসবে, তখনই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, এসব প্রচারণা অবশ্যই রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল, নির্বাচন কমিশন যে ঘোষণা দিয়েছে, তার বিপরীত কর্মকাণ্ড। এগুলো নির্বাচন বানচালের কর্মকাণ্ড এবং অবশ্যই গর্হিত অপরাধ। আমি মনে করি, এগুলো যদি সীমা অতিক্রম করে, নিশ্চয়ই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করবে। তিনি বলেন, সুন্দর নির্বাচন করার জন্য আমাদের কমিশন প্রস্তুত রয়েছে। সারাদেশে এখন নির্বাচনের আবহাওয়া বিরাজ করছে। সব জায়গায় নির্বাচনমুখী উৎসবের আমেজ। কাজেই একটি সুন্দর নির্বাচন হবে, এটিই আমরা আশা করি। কেউ বলল নির্বাচন করতে দেবে না, তাতেই দেশের জনগণ বসে থাকবে না। এ দেশের জনগণ আগামী ৭ তারিখে তাদের যে কাজ, তা অবশ্যই করবে।
ভোটের দিন নাশকতার তথ্য নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নববর্ষের আনন্দ যেন বিষাদের কারণ না হয় : রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৪ উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে রোববার (৩১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, সময়ের চিরায়ত আবর্তনে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ নতুন স্বপ্ন, নতুন অনুপ্রেরণা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত। নতুনকে বরণ করা মানুষের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি। তাইতো নববর্ষকে বরণ করতে বিশ্বব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, খ্রিষ্টীয় নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশও প্রস্তুত। বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকলেও ব্যবহারিক জীবনে খ্রিষ্টীয় বর্ষপঞ্জিকা বহুল ব্যবহৃত। খ্রিষ্টাব্দ তাই আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায় অবিচ্ছেদ্যভাবে মিশে আছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের সমাহার নিয়ে আমাদের জীবনে নববর্ষের আগমন ঘটে। তাই বিগত দিনের ভুল-ভ্রান্তি, ব্যর্থতা ও হতাশাকে দূরে ঠেলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন ও ইতিবাচক পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি বলেন, করোনা অতিমারি ও বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের ফলে বাংলাদেশেও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়েছে। আমাদের আশপাশের অনেক মানুষই কষ্টে দিনাতিপাত করছে। নববর্ষে আমরা একে অন্যের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই- এই হোক ইংরেজি ‘নববর্ষ- ২০২৪’ এর প্রত্যাশা। এ ছাড়া একজনের আনন্দ যেন অন্যদের বিষাদের কারণ না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। বিগত বছরের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা পেছনে ফেলে নতুন বছরে অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক খ্রিষ্টীয় নববর্ষে এই প্রত্যাশা করে সাহাবুদ্দিন বলেন, নববর্ষ সবার মাঝে জাগিয়ে তুলে নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ ও কল্যাণ। সূত্র : বাসস
নববর্ষের আনন্দ যেন বিষাদের কারণ না হয় : রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনে ২১ সদস্যের আইনশৃঙ্খলা মনিটরিং সেল গঠন
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে ২১ সদস্যের মনিটরিং সেল গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২১ সদস্যদের এই মনিটরিং সেলের নেতৃত্ব দেবেন আইডিএ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমানের সই করা চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় ও মনিটরিং সেল গঠন করা হয়।  যেসব দায়িত্ব পালন করবে মনিটরিং সেল • নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী মনিটরিং সেল আগামী ৬ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা পরিচালনা করা হবে। • দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মাঠপর্যায়ে যথাসম্ভব যাচাই-বাছাই করা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে অবহিতকরণ এবং জরুরি প্রয়োজনে বিশেষ প্রতিবেদন পাঠানো হবে। • সেলে অন্তর্ভুক্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধি কর্তৃক নির্বাচন উপলক্ষ্যে মোতায়েনকৃত আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জানানো; • ভোটকেন্দ্র বা নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় সাধন; • বিভিন্ন নির্বাচনী মালামাল পরিবহণ, বিতরণ এবং ভোটগ্রহণ কাজে নিরাপত্তা বিধানের জন্য মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের সহায়তা প্রদান এবং • সংস্থার নিজস্ব যোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত বাহিনীকে অবহিতকরণ। • রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে স্ব-স্ব নির্বাচনী এলাকাসমূহের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক ঘটনাবলী নির্বাচন কমিশন সচিবালয় কর্তৃক পরিচালিত ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌আইনশৃঙ্খলা মনিটরিং অ্যাপসে তাৎক্ষনিকভাবে এন্ট্রি করে নির্বাচন কমিশনে গঠিত কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে প্রেরণ করতে হবে।
নির্বাচনে ২১ সদস্যের আইনশৃঙ্খলা মনিটরিং সেল গঠন
বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সব আদালত বর্জনের শপথ
আগামী ১ থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সাতদিন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগসহ সারাদেশের  সব আদালত বর্জনের শপথ নিয়েছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ হলে বিএনপিপন্থীসহ সরকারবিরোধী আইনজীবীদের এক সভায় এ শপথ নেন তারা।  এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। দলটি সন্ত্রাসে বিশ্বাস করেন। আমরা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের জন্য আন্দোলন করছি। এই আন্দোলনে আমরা বিজয়ী হব, ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা আদালত সমিতির দক্ষিণ হলে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিচারের নামে অবিচার বন্ধের দাবিতে আদালত বর্জন কর্মসূচি পালন করব। আমরা কেউ আদালতে আসব না। তিনি আরও বলেন, আমরা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের আন্দোলনের মধ্যে আছি। ভোটের অধিকার ও আইনের শাসন ফিরে না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। কোনো অবস্থাতেই আমরা আদালতে কেউ যাব না। আজকের দিনে আমরা এই শপথ নিচ্ছি। ইউনাইটেড লইয়ারস ফ্রন্ট সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের কনভেনার আইনজীবী শাহ আহমেদ বাদলের সভাপতিত্বে ও কো-কনভেনার মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- সুপ্রিম কোর্ট বারের বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ইউনাইটেড লইয়ার ফ্রন্টের কো-কনভেনার সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ লইয়ারস কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল, আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সভাপতি আবদুল জব্বার ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল, আইনজীবী আইনজীবী জগলুল হায়দার আফ্রিক, ইউএলএফে সমন্বয় সৈয়দ মামুন মাহবুব, মো. কামাল হোসেন, গাজী তৌহিদুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান খান, নাসরিন আক্তার প্রমুখ। এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে সব আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয় বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।
বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সব আদালত বর্জনের শপথ
আরও পড়ুন
নৌকার সাচ্চা কর্মীরা বাইরে ভোট দেয় না : শিল্পমন্ত্রী
‘হেভিওয়েট নেতাকে তারেক জিয়া লন্ডন থেকে মারার ষড়যন্ত্র করছে’
অসুস্থতা নিয়েই রাত-দিন নির্বাচনী প্রচারণায় মাশরাফী
‘বিগ বস’র ঘরেই জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে অভিনেত্রী