
দীর্ঘ ১৮ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে বৃহস্পতিবার(২৫ ডিসেম্বর) বীরের বেশে মাতৃভূমিতে পা রাখছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানী ঢাকায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এই জনস্রোত সামাল দিতে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমর্থকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ রুটে ‘স্পেশাল ট্রেন’ চালানোর ঘোষণা দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া নিয়মিত ট্রেনগুলোতেও বাড়ানো হচ্ছে অতিরিক্ত বগি।
তারেক রহমানের আগমণী বার্তায় কমলাপুরসহ ঢাকার রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে তৈরি হতে পারে তিল ধারণের ঠাঁই নেই অবস্থা। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা নিয়েছে রেলওয়ে। স্টেশন এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি জিআরপি এবং আরএনবি সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার সাজেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে ওয়েটিং রুমসহ স্টেশনের সব অংশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ঢাকা রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, লোকসমাগম বেশি হওয়ায় পুলিশের টহল কার্যক্রম বাড়ানো হবে। যেসব স্থানে ভিড় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে বাড়তি ফোর্স মোতায়েন করা হচ্ছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কালকের এই দিনটি কেবল রাজনৈতিকভাবে নয়, বরং রেলওয়ের ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
যেসব রুটে চলবে বিশেষ ট্রেন
সমর্থকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একযোগে ১০টি রুটে চলবে এই বিশেষ ট্রেন সেবা। রুটগুলো হলো- কক্সবাজার–ঢাকা, পঞ্চগড়–ঢাকা, খুলনা–ঢাকা, যশোর–ঢাকা, রাজশাহী–ঢাকা, চাটমোহর–ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, জামালপুর–ময়মনসিংহ–ঢাকা, টাঙ্গাইল–ঢাকা, ভৈরববাজার–নরসিংদী–ঢাকা ও জয়দেবপুর–ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট।
আরটিভি/এআর




