ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আইএমইআই ক্লোন হওয়া মোবাইল ফোন নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
ফাইল ছবি

এনইআইআর চালুর পর দেশে ক্লোন ও নকল মোবাইল ফোন ব্যবহারের ব্যাপকতা নজরে এসেছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের। তবে, এসব ডিভাইস এখনই বন্ধ করা হচ্ছে না।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নেটওয়ার্কে লাখ লাখ ভুয়া ও ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর সচল থাকলেও জনজীবনে হঠাৎ করে যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় তাৎক্ষণিকভাবে ব্লক না করে সেগুলোকে ‘গ্রে’ হিসেবে ট্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে মোবাইল নেটওয়ার্কে লক্ষ লক্ষ ভুয়া ও ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর সচল রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘১১১১১১১১১১১১১’, ‘০০০০০০০০০০০০০’, ‘৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯’ সহ একই ধরনের অস্বাভাবিক প্যাটার্নের আইএমইআই। তবে এসব আইএমইআই এখনই ব্লক করা হচ্ছে না। এসব ডিভাইসের কোনো রেডিয়েশন টেস্ট পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা যাচাই কখনোই হয়নি। তবে চারটি মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্কেই এসব ফোন ব্যাপকভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জনজীবনে হঠাৎ করে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে– এমন আশঙ্কায় এসব মোবাইল ফোন সরাসরি বন্ধ না করে ‘গ্রে’ ক্যাটাগরিতে ট্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার এই মুহূর্তে এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে চায় না, যাতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগ ব্যাহত হয়।

সংশ্লিষ্ট তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১০ বছরে শুধু একটি আইএমইআই নম্বর– ৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯-এর বিপরীতে পাওয়া গেছে মোট ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি সংযোগ (ডকুমেন্ট আইডি, এমএসআইএসডিএন ও আইএমইআইয়ের বিভিন্ন কম্বিনেশন)। এসব আইএমইআই স্মার্টফোন ছাড়াও বিভিন্ন আইওটি ডিভাইসের হতে পারে। তবে মোবাইল অপারেটররা বর্তমানে মোবাইল ফোন, সিম-সংযুক্ত ডিভাইস ও আইওটি ডিভাইসের আইএমইআই আলাদা করে শনাক্ত করতে পারছে না। উদাহরণ হিসেবে, সিসিটিভি বা অনুরূপ ডিভাইস একই আইএমইআই নম্বরে আনা হতে পারে। সরকার ইতোমধ্যে বৈধভাবে আমদানি করা আইওটি ডিভাইস আলাদাভাবে ট্যাগ করার উদ্যোগ নিয়েছে।

শীর্ষ কয়েকটি আইএমইআই নম্বর বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৪৪০০১৫২০২০০০ নম্বরের বিপরীতে রয়েছে প্রায় ১৯ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮টি ডিভাইস, যেগুলো ডুপ্লিকেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। একইভাবে, ৩৫২২৭৩০১৭৩৮৬৩৪ নম্বরে প্রায় ১৭ লাখ ৫৮ হাজার ৮৪৮টি, ৩৫২৭৫১০১৯৫২৩২৬ নম্বরে ১৫ লাখ ২৩ হাজার ৫৭১টি এবং শুধু ‘০’ আইএমইআই নম্বরে রয়েছে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩১টি ডিভাইস।

এছাড়া, ৩৫৪৬৪৮০২০০০০২৫ নম্বরে ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪৮টি, ৩৫৮৬৮৮০০০০০০১৫ নম্বরে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৮৬৭টি, ৮৬৭৪০০০২০৩১৬৬১ নম্বরে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ১৭টি এবং ৮৬৭৪০০০২০৩১৬৬২ নম্বরে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৮১৪টি ডিভাইস সক্রিয় রয়েছে। আরও রয়েছে ১৩৫৭৯০২৪৬৮১১২২ নম্বরে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৯০৭টি, ৩৫২১০৮০১০০০২৩০ নম্বরে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭৮৯টি এবং ১৫১৫১৫১৫১৫১৫১৫ নম্বরে ২ লাখ ১০ হাজার ৩৭টি ডিভাইস।

তালিকায় আরও দেখা যায়, ৩৫৯৭৫৯০০২৫১৪৯৩ নম্বরে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৮২টি, ৩৫৮৬৮৮০০০০৯৩৮৫ নম্বরে ১ লাখ ৯০ হাজার ৩৯৩টি, ৩৫৫০৫০০২০৯৮৪৫১ নম্বরে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬০টি, ৩৫৯৪৫৪৭৮৪৯৮১৮৮ নম্বরে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৫৬টি এবং ৩৫৪৬৪৮০২০০০০০০ নম্বরে ১ লাখ ৫০ হাজার ৫৪৬টি ডিভাইস সচল রয়েছে।

এছাড়া, ৩৫৩৯১৯০২৫৬৮০১৩ নম্বরে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫টি, ৩৫৯৭৩৮০০৯৫৫৩৪০ নম্বরে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৮৪টি, ৩৫৩২৫৯০৫৪৫৭৪৬৮ নম্বরে ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৯৬টি, ৩৫৯৬৮৮০০০০০০১৫ নম্বরে ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৪০টি, ৩৫৮২৭৩১১৭৩৮৬৩৪ নম্বরে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৮১টি এবং ৩৫৪৪৮৫০১৫৬৭২০৭ নম্বরে ১ লাখ ১৪ হাজার ৬৭১টি ডিভাইস সক্রিয় রয়েছে।

একইভাবে, ৮৬৩০১৪০২০০০০০৫ নম্বরে ১ লাখ ৬ হাজার ৩১৪টি এবং ৩৫৪১১২০৮০৬৪৪২৯ নম্বরে ১ লাখ ৩ হাজার ২৮১টি মোবাইল সেট নেটওয়ার্কে সচল রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদন মতে, ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি ঘটে অনিবন্ধিত ডিভাইসে। বিটিআরসি ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ই-কেওয়াইসি জালিয়াতির ৮৫ শতাংশ ঘটেছিল অবৈধ ফোন, কিংবা পুনঃপ্রোগ্রাম করা হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে। ২০২৩ সালে ১,৮ লাখ ফোন চুরির রিপোর্ট হয় (রিপোর্ট হয়নি এমন সংখ্যা আছে আরও কয়েক লক্ষ), এসব ফোনের অধিকাংশই উদ্ধার করা যায়নি।

বাংলাদেশের নাগরিকদের কাছে এভাবে আন-অফিশিয়াল নতুন ফোনের নামে নকল ফোন বিক্রি করা হয়েছে, এমন প্রতারণা অভাবনীয় এবং নজিরবিহীন। জনস্বার্থে এই চক্রের লাগাম টানা জরুরি বলেও জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট ব্যবহারে কার্যকর লাগাম টানতে সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে দ ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর যুক্ত হচ্ছে জাতীয় ডাটাবেইজে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাবা-দাদার নামে কোথায় কতটুক জমি আছে দেখুন মোবাইল দিয়ে
জমিজমা সংক্রান্ত তথ্য জানতে আগে ভূমি অফিস বা রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। তবে ভূমি সেবা ডিজিটাল হওয়ায় এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করেই ঘরে বসে জমির খতিয়ান ও দাগসংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা সম্ভব। প্রয়োজন হলে অনলাইনেই খতিয়ানের কপির জন্য আবেদনও করা যায়।
বাবা-দাদার নামে কোথায় কতটুক জমি আছে দেখুন মোবাইল দিয়ে
মঞ্চ একই, সময় আলাদা: জাতিসংঘে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন ঘিরে এবার আলোচনায় বাংলাদেশের জিয়া পরিবার।
মঞ্চ একই, সময় আলাদা: জাতিসংঘে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন আজ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেবেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন আজ
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে আরও ১১টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, “আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী বছরগুলোতে দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বিস্তৃত ও সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।” নতুন এই চুক্তি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, পরিচালনাগত নমনীয়তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি সহায়ক হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতেও তার বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
‘কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ইসফেন্দিয়ার জাহেদ হাসান মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
‘কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না’
আরও পড়ুন
‘কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না’
সরকারি সব কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ, সরানো হচ্ছে আওয়ামীপন্থীদের
নবীনদের পদচারণায় মুখর বদরুন্নেসা কলেজ
৭৭ কোটি টাকার মসুর ডাল কিনবে সরকার