ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব পথ খোলা আছে: ভারতের সেনাপ্রধান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।ছবি: সংগৃহীত

যে কোনো ধরনের ‘ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে’ ভারত ও বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে ‘একাধিক যোগাযোগের চ্যানেল’ খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

বুধবার(১৩ জানুয়ারি) বিকেলে নয়া দিল্লিতে সেনাবাহিনীর বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এদিন একজন সাংবাদিক জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীকে প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের যে নতুন সমীকরণ, সেটা ভারতের জন্য ‘হুমকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী বিষয়টি কীভাবে দেখছে।

আরও পড়ুন

জবাবে তিনি বলেন, প্রথমত, বাংলাদেশের ক্ষমতায় কী ধরনের সরকার রয়েছে, তা আমাদের জন্য বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। যদি এটি একটি অন্তর্বর্তী সরকার হয়, তাহলে দেখতে হবে— তারা যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে, সেগুলো আগামী ৪–৫ বছরের জন্য নাকি কেবল আগামী ৪–৫ মাসের জন্য।

‘আমাদের বিবেচনা করতে হবে— এখনই আমাদের কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রয়োজন আছে কি না। দ্বিতীয়ত, এই মুহূর্তে তিন বাহিনীই তাদের যোগাযোগের সব চ্যানেল পুরোপুরি খোলা রেখেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর একাধিক যোগাযোগের চ্যানেল সক্রিয় রয়েছে এবং আমি সেখানে তাদের সেনাপ্রধানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি ‘

ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, একইভাবে, অন্যান্য চ্যানেলের মাধ্যমেও আমরা যোগাযোগ বজায় রাখছি। আমরা সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিলাম, যারা মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। একইভাবে, নৌবাহিনীর প্রধান এবং বিমানবাহিনীর প্রধানও কথা বলেছেন।

জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, এর উদ্দেশ্য হল, কোনো ধরনের যোগাযোগের বিভ্রাট বা ভুল বোঝাবুঝি যেন না হয়। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই মুহূর্তে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হচ্ছে, তার কোনোটিই কোনোভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে নির্দেশিত নয়।

তিনি আরও বলেন, সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়টি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ভারতও তা করছে, অন্যান্য দেশও করছে। আর আমাদের প্রস্তুতির দিক থেকে বলতে গেলে, আমরা সেখানে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।

সূত্র: আনন্দবাজার

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময় বাড়ল
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।  নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। কারিগরি ত্রুটির কারণে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি (অনলাইন) ত্রুটির কারণে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদন প্রক্রিয়া শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিঘ্নিত হয়। এ কারণে অনেক পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে পারেননি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের শেষ সময় ৭ নভেম্বর রাত ১২টার পরিবর্তে ৮ নভেম্বর দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, গত ১ নভেম্বর থেকে এইচএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়। এ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ৮টায়।  নির্ধারিত সময়ে পুনর্নিরীক্ষণে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাদের একেকজন একাধিক বিষয় ও পত্রের পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদন জমা দিয়েছেন। এতে মোট আবেদনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি। আরটিভি/এসআর  
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময় বাড়ল
যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব: প্রধানমন্ত্রী
যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বিএনপির র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশ স্বাধীনের পর থেকে যে মহল বাংলাদেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করত...জনগণ তাদের পরাজিত করেছে। আবারও তারা ষড়যন্ত্র নিয়ে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, আসুন, আজ এই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব। এটাই হোক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রতিজ্ঞা। এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রিয় ভাই ও বোনেরা, যত দিন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন এই বিপ্লবের র‍্যালি চলমান থাকবে।’ দিবসটি উপলক্ষে বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র‌্যালি শুরু হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেন। র‌্যালিটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি অতিক্রম করে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। র‌্যালিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। আরটিভি/এসআর  
যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব: প্রধানমন্ত্রী
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে বাংলাদেশকে একটি বিপজ্জনক রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয় এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শহীদ জিয়াউর রহমান জাতির স্মৃতিতে অমর হয়ে থাকবেন।
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শেখ হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী / ‘প্রয়োজনে টিকেট দিবো, তবু দেশে আসেন’
ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রয়োজনে তাকে দেশে আসার টিকেট দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।  শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহের নান্দাইলে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল সমাবেশে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।  তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা মানুষ হত্যা করে পালিয়েছেন, এখন শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুংকার দিচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের সেই হুংকার বুঝে গেছে। কাজেই আপনাদেরকে এখন দেশে আসতেই হবে। গোপনে নয়, এখনই চলে আসেন, প্রয়োজনে আমরা টিকেট দিয়ে দেব। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে যারা দেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণ, দুর্নীতি, লুটপাট এবং গুম-খুন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ নারী-শিশুর রক্তে ঝড়িয়েছে তাদের বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। পলাতকদের হ্যান্ডকাফ পরিয়ে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রাকে যারা বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের যেকোনো ষড়যন্ত্র ও বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে হবে। সন্দেহজনক কাউকে দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করার আহ্বান জানান তিনি। নান্দাইলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে ইয়াসের খান চৌধুরী জানান, এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ইতিমধ্যে ১৮৬টি রাস্তা ইটের সোলিং করা হয়েছে এবং আরও ১০৪টি রাস্তা ইটের সোলিংয়ের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাড়ে এগারো কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন রাস্তা সংস্কারের অনুদান আনা হয়েছে, যা ময়মনসিংহের অন্য কোনো উপজেলায় আসেনি।  গৃহহীনদের পুনর্বাসনে ৩৬টি ঘর প্রদান করা হয়েছে এবং চলতি বছরে আরও ১০৪টি ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরপুর ও চরবেতাগৈর সেতু নির্মাণসহ ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামীতে জনগণের মতামতের ও জরিপের ভিত্তিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। আপনারা উন্নয়নের পক্ষে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে যোগ্য প্রার্থীদের বিজয়ী করবেন। সমাবেশে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে আসা নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি, ভবিষ্যতেও আপনাদের সেবা করে যেতে চাই। উন্নয়নের মাঠে, রাজপথে এবং সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব। নান্দাইলের স্থানীয় চন্ডিপাশা স্কুল মাঠে আয়োজিত এই সমাবেশ বিশাল জনসমদ্রে রূপ নেয়। সমাবেশে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মী ‍ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। আরটিভি/এসআর  
‘প্রয়োজনে টিকেট দিবো, তবু দেশে আসেন’
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় মিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।  আলোচনা সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক দর্শন, পররাষ্ট্রনীতি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ নিয়ে আলোকপাত করেন হাইকমিশনের মিনিস্টার (প্রেস) সাইদুর রহমান।   নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার প্রীতি রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী পড়ে শোনান কমার্স কাউন্সিলর ইফতেখারউদ্দিন শামীম, সহকারী ডিফেন্স এডভাইজার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুমন পারভেজ।  মিশনের এইচওসি মাহমুদুল হকের পরিচালনায় মিশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।  ‎ আরটিভি/এসআর  
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
আরও পড়ুন
বিয়ে নিয়ে বিরোধ, জলপ্রপাতে ঘুরতে গিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে যে কাণ্ড ঘটালেন যুবক
কত বুলডোজার আছে, আমার বুকের ওপর দিয়ে চালান: মমতা বন্দোপাধ্যায়
ভারতে ২৫ হাজার ইঁদুরের অদ্ভুত মন্দির, তাদের উচ্ছিষ্টই ভক্তদের পবিত্র প্রসাদ!
রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজ চালিয়ে ব্রিটেনে আটক ভারতীয় নাবিক