ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে আ. লীগ বড় বাধা: ড. মাহবুব উল্লাহ 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের মতো এত বড় আত্মত্যাগের সুফল আমরা আজও পাইনি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ছিল প্রতিবেশী রাষ্ট্রের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী গণতন্ত্র ছিল তাদেরই নির্দেশিত। যে কারণে পরবর্তীতে একদলীয় কলঙ্কিত শাসন ব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল। গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে এ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ বড় বাধা।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র অয়োজনে নির্বাচনী বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, তাদের প্রতিহিংসার কারণে নির্বাচনী পরিবেশ ও দেশের শান্তি বিনষ্টের ঝুঁকি রয়েছে। ক্ষমতার মোহে শেখ হাসিনা রাজনৈতিক দুবৃর্ত্তে পরিণত হয়েছিল। নির্বাচন নিয়ে যে সব সহিংস ঘটনা ঘটছে তার পিছনেও পতিত স্বৈরাচার ও পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের মদদ আছে। বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি হয়নি, যে কারণে কোন দেশের দূতাবাস তাদের কর্মীদের নিজ দেশে ফেরত নিতে হবে। ভারত আমাদের দেশের এই পরিবর্তন ও নির্বাচন মেনে নিতে পারছে না বলেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সুষ্ঠু গণতন্ত্রচর্চা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের যাত্রা শুরু হবে। তবে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করতে আরো বহুদূর যেতে হবে। কেবল নির্বাচন সুষ্ঠু হলেই প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ হবে না। এর জন্য রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশকে সম্পূর্ণ সন্তোষজনক বলা যাচ্ছে না, তবে সহিংস ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন



সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। এবারের নির্বাচন ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে নির্বাচন। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদের রক্তের প্রতিশোধের নির্বাচন। ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নির্বাচন। সমাজ বদলের নির্বাচন। অন্যায়—অত্যাচার, গুম—খুন, হত্যা, মামলা—হামলা, জেল—জুলুমের বিরুদ্ধে নির্বাচন। রাজনীতিতে মত পার্থক্য থাকবে, প্রতিযোগিতা থাকবে, তা যাতে প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়। আসন্ন নির্বাচনী প্রচার—প্রচারণায় অতিমাত্রায় বিদ্বেষ, কুৎসা, আক্রোশ রাজনৈতিক অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এ সুযোগে গণহত্যাকারী পালিয়ে যাওয়া গোষ্ঠী নির্বাচনকে বিতর্কিত ও ভন্ডুলের চেষ্টা করতে পারে। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা আমাদের রাজনীতির একটি কালো অধ্যায়।

তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যাতে সহিংস ঘটনা না ঘটে সে লক্ষে এখন থেকে প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সজাগ থাকতে হবে। প্রতিহিংসার আগুন খুবই ভয়াবহ। যা মানুষকে অত্যাচারী করে তোলে। আমরা আশাকরি আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান ঘটবে। যারাই জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসবে তারা বিরোধীমতকে সাথে নিয়ে হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসন ব্যবস্থার ক্ষতগুলো দূর করবে। সুশাসন ও জবাবদিহিতা কায়েম করবে।

প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং রানার আপ হয় ইডেন মহিলা কলেজ। তৃতীয় স্থান অর্জন করে তেজগাঁও কলেজ। শেষ্ঠ বক্তা হবার গৌরব অর্জন করেন ইডেন মহিলা কলেজের দলনেতা মাসনুন নাবিলাহ আলম। চ্যাম্পিয়ন দলকে দুই লক্ষ টাকা, রানার আপ দলকে দেড় লক্ষ টাকা ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলকে এক লক্ষ টাকাসহ ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়া শ্রেষ্ঠ বক্তাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্রেস্ট, ট্রফি ও সনদপত্র দেয়া হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক কাজী হাফিজ, সাংবাদিক মাইদুর রহমান রুবেল ও সাংবাদিক আফরিন জাহান।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল ‘আসন্ন গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলে প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান হবে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালু করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) হার্ট সার্জারি কার্যক্রম চালুর জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, মরহুম প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালে এ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তবে সরকার পরিবর্তনের কারণে তাঁর সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। মরহুম প্রধানমন্ত্রীর সেই অসমাপ্ত উদ্যোগ বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগসহ হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ হার্ট সার্জারি কার্যক্রম চালু করবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের অডিটোরিয়ামে কলেজটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজটির সাবেক অধ্যক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ  সুরাইয়া জেরিন রনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালটিতে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৩৭টি ডায়ালাইসিস মেশিন কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই ডায়ালাইসিস সেবার সক্ষমতা বাড়িয়ে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। এছাড়া নেফ্রোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুবিধার্থে একটি মাল্টি-হেড মাইক্রোস্কোপ সরবরাহ এবং হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা আরো ২০টি বাড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। সাখাওয়াত হোসেন  বলেন, বগুড়া পুরো উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল।  এ কারণে এখানে ক্যানসার ও লিভারসহ জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যাগুলো লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। হাসপাতালের চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি  বলেন, দেশের বড় বড় হাসপাতালগুলোতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৫টি হাসপাতালে এই সেবা চালু হয়েছে। বগুড়াসহ যেসব হাসপাতালে এ ব্যবস্থা নেই, সেগুলোকেও পরিকল্পনার আওতায় আনা হচ্ছে। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদের বিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন প্রমুখ।  আরটিভি/এসআর  
শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালু করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
জার্মানি যাওয়ার বড় সুযোগ! ফ্রিতে ভাষা শিক্ষা দিচ্ছে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
বর্তমান সময় অনেকেরই জার্মানি যাওয়ার আগ্রহ দেখা যায়। কিন্তু দেশটির ভাষা জানা না থাকার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ যেন অধরায় থেকে যায়। কেউ কেউ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জার্মান ভাষা শেখারও চেষ্টা করেন। কিন্তু ভাষা শেখা ব্যয়বহুল হওয়ায় সবার সম্ভব হয় না তা। এবার সেসব প্রার্থীদের জন্য এল বড় সুখবর।
জার্মানি যাওয়ার বড় সুযোগ! ফ্রিতে ভাষা শিক্ষা দিচ্ছে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে 
পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী বিকল্পের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ায় দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে 
গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়া, এ শিল্পের প্রতি বিএনপির দরদ বেশি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান। এ শিল্পের প্রতি তাই বিএনপির দরদ সবচেয়ে বেশি। দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এ শিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সবসময় আন্তরিক। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজেএ) নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার শুরুতে পোশাক শিল্পের সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকার পোশাক শ্রমিকদের দাবির প্রতি আন্তরিক। তাই দ্রুততম সময়ে কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করে দিয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ফটোসাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। এটি শুধু আর্থিক সহায়তার বিষয় নয়, বরং তাদের অবদানের স্বীকৃতি, সম্মান ও মর্যাদার বিষয়। বিপিজেএর নেতাদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। বিপিজেএর কার্যালয় সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংগঠনটির জন্য একটি স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। বর্তমানে যে ভবন বা জায়গা নিয়ে জটিলতা রয়েছে, সেটির প্রকৃত অবস্থা ও আইনি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি। সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ আইন নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পরামর্শ ও আলোচনা চলছে। সবার মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকার তাড়াহুড়ো করতে চায় না। তিনি বলেন, আইনটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আমরা চাই, আইনটি যেন প্রকৃত অর্থেই সবাইকে সুরক্ষা দিতে পারে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষ করেই চূড়ান্ত পর্যায়ে যেতে চাই। মতবিনিময় সভায় বিপিজেএর সভাপতি এ কে এম মহসিন ফটোসাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে ফটোসাংবাদিকদের একটি বড় অংশ নানা ধরনের প্রতিকূলতা, নির্যাতন ও পেশাগত বাধার মধ্যেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদচিত্র ধারণ করেছেন।    বিপিজেএ সভাপতি বলেন, ফটোসাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, দেশের ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংরক্ষণের মাধ্যম। আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষ্য বহন করে তাদের তোলা ছবি। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফটোসাংবাদিকরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করে দেশ-বিদেশে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বলেন, সংগঠনটির স্থায়ী কার্যালয় নিশ্চিত করা হলে ফটোসাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সভা-সেমিনার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হবে। বিপিজেএর সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার বলেন, ফটোসাংবাদিকরা গত দেড় দশকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নির্যাতন, হামলা, মামলা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা রাজপথে থেকে সংবাদচিত্র ধারণ করেছেন। তাদের তোলা ছবি দেশের মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও আন্দোলনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে নুরুদ্দিন আহমেদ, এবিএম রফিকুর রহমান, নাসিম সিকদার এবং দেলোয়ার হোসেন বাদল বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিপিজেএর নির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়া, এ শিল্পের প্রতি বিএনপির দরদ বেশি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ন্যানো ইউরিয়া বাঁচাবে ৯৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ ও হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
দেশে উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়া সারের পেটেন্ট প্রাপ্তি টেকসই কৃষি ও গ্রিন টেকনোলজির ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব ‘গেম-চেঞ্জার’ যুগের সূচনা বলে মনে করা হচ্ছে।
ন্যানো ইউরিয়া বাঁচাবে ৯৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ ও হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
আরও পড়ুন
ডিআর কঙ্গোতে ভয়াবহ নৌকাডুবি, নিহত ৪১ 
শরীয়তপুরে ৫০০ নেতাকর্মী নিয়ে আ. লীগের মিছিল
আ. লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি গুজব: তথ্যমন্ত্রী
গোপালগঞ্জে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় আ. লীগ নেতা