ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

৬১ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি গণতন্ত্রের বড় বার্তা: শফিকুল আলম

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐতিহাসিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ৬১ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের বার্তা বহন করছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি একথা বলেন।

ফেসবুক পোস্টে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে নেত্র নিউজ জানিয়েছে, গতকালের (বৃহস্পতিবার) ঐতিহাসিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৬০ দশমিক ৬৯ শতাংশ। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই হার তাৎপর্যপূর্ণ ও সুস্থ অংশগ্রহণের প্রতিফলন। বাংলাদেশে ৭০ শতাংশের বেশি ভোটার উপস্থিতির পরিসংখ্যান প্রায়ই সংশয় সৃষ্টি করে এমন প্রেক্ষাপটে ৬১ শতাংশ উপস্থিতিকে অনেকেই বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন।

তিনি আরও বলেন, ইতিহাসের তুলনায় দেখা যায় ১৯৯১ সালের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৫ শতাংশ। সেই মানদণ্ডে ২০০৮ সালের নির্বাচনে রেকর্ড করা ৮৭ শতাংশ উপস্থিতি, যা নিয়ে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সে (ডিজিএফআই) প্রভাব ও প্রকৌশলের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত পরিসংখ্যানগতভাবে অস্বাভাবিক ও প্রশ্নবিদ্ধ বলে সমালোচকদের অভিমত।

শফিকুল আলম বলেন, বিশ্লেষণে উঠে এসেছে আনুমানিক ১ কোটি ৩০ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে বসবাস ও কর্মরত। প্রায় সবাই জাতীয় পরিচয়পত্রধারী হওয়ায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। চলতি বছর প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের জন্য ডাকযোগে ভোটের ব্যবস্থা চালু হলেও প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ভোটার নিবন্ধন করেন। ফলে প্রায় ১০ শতাংশ প্রবাসী ভোটারের অধিকাংশ কার্যত ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, এছাড়া দেশের বড় একটি অংশ নিজ নিজ গ্রামীণ আসনে নিবন্ধিত থাকলেও শহরে বসবাস করেন। সাধারণ নির্বাচনে তাদের অল্প অংশই ভোট দিতে গ্রামে যান ঐতিহাসিকভাবে যা মোট ভোটারের আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। এর সঙ্গে ভাসমান জনগোষ্ঠী, প্রবীণ, অসুস্থ ও শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি নাগরিকদের অংশগ্রহণের সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় কারণে ভোটদানে বিরত থাকা এবং ভোটার তালিকায় মৃত ব্যক্তির নাম থেকে যাওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

প্রেস সচিব বলেন, এসব কাঠামোগত বাস্তবতার আলোকে ৬১ শতাংশ ভোটার উপস্থিতিকে অনেকেই বিশ্বাসযোগ্য ও শক্তিশালী বলে আখ্যা দিচ্ছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বিভিন্ন সামাজিক ও জনতাত্ত্বিক স্তরে বিস্তৃত অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থকদেরও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতির কথা বলা হচ্ছে, যদিও দলটির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জে তুলনামূলক কম উপস্থিতির খবর পাওয়া গেছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অংশগ্রহণ অর্থবহ ছিল বলেও ধারণা করা হচ্ছে। নারীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য ও উৎসাহব্যঞ্জক। সামগ্রিকভাবে, ৬১ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের বার্তা বহন করছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস / বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু, নেতৃত্বে তারেক রহমান
নয়াপল্টনে ঘোড়ার গাড়ি ও হাতির উপস্থিতি উৎসুক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। নেতাকর্মীদের ভিড়ের মধ্যে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন শোভাযাত্রায় বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে।
বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু, নেতৃত্বে তারেক রহমান
যেসব স্লোগানে উত্তাল হয়েছিল ৭ নভেম্বরের রাজপথ
‘সিপাহি-জনতা ভাই ভাই, জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘সিপাহি বিপ্লব জিন্দাবাদ, জেনারেল জিয়া জিন্দাবাদ’এমন নানা স্লোগানে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর উত্তাল হয়ে উঠেছিল ঢাকা সেনানিবাস ও রাজধানীর রাজপথ। ব্যারাক ছেড়ে রাজপথে নেমে আসেন সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিকেরা।
যেসব স্লোগানে উত্তাল হয়েছিল ৭ নভেম্বরের রাজপথ
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টার একটু আগে সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শোভাযাত্রা শুরুর কথা রয়েছে। সমাবেশ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। এর আগে সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের পাশাপাশি আশপাশের জেলাগুলো থেকে মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে আসছেন নেতাকর্মীরা। তাদের হাতে রয়েছে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড। নানা রঙের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তুলেছেন কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও আশপাশের এলাকা। শোভাযাত্রায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। কর্মসূচি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করছেন দলের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকরা। পাশাপাশি অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এদিকে ঢাকা ছাড়াও আজ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে শোভাযাত্রা করবে বিএনপি। ৮ নভেম্বর থানা ও উপজেলা পর্যায়ে একই কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে। আরটিভি/এসকে
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস  / শোভাযাত্রার জন্য নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
শোভাযাত্রার জন্য নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে  রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা