ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

হ্যাঁ ভোটের বিজয়ে দেশের চাবি হিসেবে যা যা পেতে যাচ্ছে জনগণ!

সুপ্তি রায়

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

বিশাল জনসমর্থন নিয়ে ঐতিহাসিক গণভোটে জয়লাভ করেছে নতুন ‘জুলাই সনদ’। এই বিজয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের চাবিকাঠি এখন সরাসরি জনগণের হাতে চলে এসেছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানে আসতে যাচ্ছে ৪৭টি বৈপ্লবিক পরিবর্তন। এই নতুন ব্যবস্থা কেবল কাগজের দলিল নয়, বরং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করার এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। নতুন সরকার এই প্রতিশ্রুতিগুলো পালনে বাধ্য থাকবে, কারণ সংশোধিত সংবিধানে নাগরিক অধিকার হরণের পথ চিরতরে বন্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

জুলাই সনদে ৪৭টি সাংবিধানিক সংশোধনের প্রস্তাব ছিলো। এর মধ্যে প্রথমটি হলো বাংলার পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রচলিত সব মাতৃভাষা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পাবে। এরপর সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি আসছে নাগরিকের পরিচয়ে। “বাঙালি” নয়, নাগরিকের জাতীয়তা হবে “বাংলাদেশী”।

সংবিধান বদলাতে হলে আর শুধু সাধারণ ভোটে হবে না। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, নিচের কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ আর ওপরের কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন লাগবে। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বদলাতে লাগবে গণভোট।

সংবিধানের মূলনীতিতেও আসবে বড় বদল। আগের চার নীতির জায়গায় আসবে সামাজিক সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। ধর্মনিরপেক্ষতার মানে ধরা হবে, সব ধর্মের মানুষ যেন মর্যাদার সঙ্গে একসঙ্গে থাকতে পারে।

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার অধিকারের পাশাপাশি কোনো সরকার বন্ধ করতে পারবে না ইন্টারনেট সেবা।

জরুরি অবস্থা জারি করতে শুধু প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নয়, মন্ত্রিসভা আর বিরোধী দলের নেতাদের সম্মতিও লাগবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে। গুরুত্বপূর্ণ কমিশনের প্রধানদের নিয়োগে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা স্বাধীন থাকবে। তাকে অপসারণে লাগবে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট। কোনো অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করতে হলে লাগবে ভুক্তভোগীর পরিবারের সম্মতি। এছাড়া এক ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার চালু হবে, তবে গঠিত হবে শাসক দল ও দুই বিরোধী দলের ঐকমত্যে।

সংসদ হবে দুই কক্ষের। উচ্চকক্ষে থাকবে ১০০ আসন, যা আনুপাতিক ভোটে বণ্টিত হবে। নিম্নকক্ষে নারীদের সংরক্ষিত আসন বাড়িয়ে ধাপে ধাপে ১০০ করা হবে। ডেপুটি স্পিকার আসবেন বিরোধী দল থেকে। সংসদে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদ সদস্যরা ভোট দেয়ার সুযোগ পাবেন।

বড় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চুক্তি করতে হলে দুই কক্ষের অনুমোদন লাগবে। নির্বাচনী সীমানা নির্ধারণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের বদলে সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটির হাতে যাবে। নির্বাচন কমিশন আর শুধু একপক্ষের সিদ্ধান্তে গঠিত হবে না। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে কমিশন গঠন হবে। প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করা হবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে। আপিল বিভাগে কতজন বিচারপতি লাগবে, সেটা ঠিক করবেন প্রধান বিচারপতি। আর হাইকোর্টে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতাও থাকবে তার হাতেই।

বিচার বিভাগকে পুরোপুরি স্বাধীন করার কথা বলা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী হাইকোর্ট বেঞ্চ বসবে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করা হবে। অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগের নিয়ন্ত্রণও থাকবে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে।

ন্যায়পাল নিয়োগেও একাধিক পক্ষের অংশগ্রহণ থাকবে—স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিরোধী দল ও দ্বিতীয় বিরোধী দলের নেতা এবং আপিল বিভাগের বিচারপতিরা মিলেই তদারকি করবেন। পাবলিক সার্ভিস কমিশন, মহা-হিসাব নিরীক্ষক, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও বিরোধী দলগুলোর সমন্বয়ে আলাদা কমিটি গঠন করা হবে। সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন একটি অনুচ্ছেদ যোগ করার প্রস্তাবও আছে।

জনপ্রশাসনে বড় রদবদল আনার জন্য গঠন করা হবে স্থায়ী ও স্বাধীন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। বর্তমান পিএসসিকে ভাগ করে সাধারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এই তিন ভাগে বিভক্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি নতুন করে কুমিল্লা ও ফরিদপুর বিভাগ গঠনের প্রস্তাবও

জুলাই সনদে ৪৭টি সাংবিধানিক সংশোধনের প্রস্তাব ছিলো। এর মধ্যে প্রথমটি হলো বাংলার পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রচলিত সব মাতৃভাষা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পাবে। এরপর সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি আসছে নাগরিকের পরিচয়ে। “বাঙালি” নয়, নাগরিকের জাতীয়তা হবে “বাংলাদেশী”।

সংবিধান বদলাতে হলে আর শুধু সাধারণ ভোটে হবে না। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, নিচের কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ আর ওপরের কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন লাগবে। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বদলাতে লাগবে গণভোট।

সংবিধানের মূলনীতিতেও আসবে বড় বদল। আগের চার নীতির জায়গায় আসবে সামাজিক সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। ধর্মনিরপেক্ষতার মানে ধরা হবে, সব ধর্মের মানুষ যেন মর্যাদার সঙ্গে একসঙ্গে থাকতে পারে।

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার অধিকারের পাশাপাশি কোনো সরকার বন্ধ করতে পারবে না ইন্টারনেট সেবা।

জরুরি অবস্থা জারি করতে শুধু প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নয়, মন্ত্রিসভা আর বিরোধী দলের নেতাদের সম্মতিও লাগবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে। গুরুত্বপূর্ণ কমিশনের প্রধানদের নিয়োগে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা স্বাধীন থাকবে। তাকে অপসারণে লাগবে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট। কোনো অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করতে হলে লাগবে ভুক্তভোগীর পরিবারের সম্মতি। এছাড়া এক ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার চালু হবে, তবে গঠিত হবে শাসক দল ও দুই বিরোধী দলের ঐকমত্যে।

সংসদ হবে দুই কক্ষের। উচ্চকক্ষে থাকবে ১০০ আসন, যা আনুপাতিক ভোটে বণ্টিত হবে। নিম্নকক্ষে নারীদের সংরক্ষিত আসন বাড়িয়ে ধাপে ধাপে ১০০ করা হবে। ডেপুটি স্পিকার আসবেন বিরোধী দল থেকে। সংসদে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদ সদস্যরা ভোট দেয়ার সুযোগ পাবেন।

বড় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চুক্তি করতে হলে দুই কক্ষের অনুমোদন লাগবে। নির্বাচনী সীমানা নির্ধারণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের বদলে সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটির হাতে যাবে। নির্বাচন কমিশন আর শুধু একপক্ষের সিদ্ধান্তে গঠিত হবে না। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে কমিশন গঠন হবে। প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করা হবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে। আপিল বিভাগে কতজন বিচারপতি লাগবে, সেটা ঠিক করবেন প্রধান বিচারপতি। আর হাইকোর্টে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতাও থাকবে তার হাতেই।

বিচার বিভাগকে পুরোপুরি স্বাধীন করার কথা বলা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী হাইকোর্ট বেঞ্চ বসবে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করা হবে। অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগের নিয়ন্ত্রণও থাকবে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে।

ন্যায়পাল নিয়োগেও একাধিক পক্ষের অংশগ্রহণ থাকবে—স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিরোধী দল ও দ্বিতীয় বিরোধী দলের নেতা এবং আপিল বিভাগের বিচারপতিরা মিলেই তদারকি করবেন। পাবলিক সার্ভিস কমিশন, মহা-হিসাব নিরীক্ষক, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও বিরোধী দলগুলোর সমন্বয়ে আলাদা কমিটি গঠন করা হবে। সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন একটি অনুচ্ছেদ যোগ করার প্রস্তাবও আছে।

জনপ্রশাসনে বড় রদবদল আনার জন্য গঠন করা হবে স্থায়ী ও স্বাধীন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। বর্তমান পিএসসিকে ভাগ করে সাধারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এই তিন ভাগে বিভক্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি নতুন করে কুমিল্লা ও ফরিদপুর বিভাগ গঠনের প্রস্তাবও রয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই আসছে নতুন আইন: আইজিপি
আইনটি পাস হলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ নিজে বাদী হয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে জানান আইজিপি।
চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই আসছে নতুন আইন: আইজিপি
বাংলাদেশি চক্ষু রোগীদের জন্য চীনে ‘বিশেষ চিকিৎসাসেবা’
এ ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশি রোগীরা চীন সফরের আগেই চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ ও নথি পর্যালোচনার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি হাসপাতালে অগ্রাধিকার ভিত্তিক অ্যাপয়েন্টমেন্ট, পৃথক আন্তর্জাতিক ডেস্ক, দোভাষী সহায়তা এবং দেশে ফেরার পরও ফলো-আপ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
বাংলাদেশি চক্ষু রোগীদের জন্য চীনে ‘বিশেষ চিকিৎসাসেবা’
ঢাকা-কক্সবাজার রোডে নতুন ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি
ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে যাত্রী পরিবহন শুরু করতে যাচ্ছে আন্তঃনগর ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস। সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে নতুন রুটে চলাচল করবে ট্রেনটি। একই সঙ্গে কার্যকর হবে এর নতুন সময়সূচি। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মধ্যবর্তী বিভিন্ন স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম যাত্রার উদ্বোধন করবেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ট্রেনটি রাত ৩টায় চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। এরপর রাত ৩টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন সময়সূচি নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। ফিরতি পথে ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। এরপর ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। যেসব স্টেশনের যাত্রীরা পাবেন সুবিধা মহানগর এক্সপ্রেসের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের ফলে ঢাকা বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। এতদিন ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় এসব স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুবিধা পেতেন না। মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন রুট চালু হলে মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর যাত্রীদের ভ্রমণ আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে কক্সবাজারগামী পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি রেলওয়ের আয়ও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কোচ ও আসনসংখ্যা ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেসে থাকবে ১৬টি কোচ। ট্রেনটিতে আসনসংখ্যা হবে ৭০৬ থেকে ৭৩৬টি। প্রতি সপ্তাহের রোববার ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে। নতুন রুটে ট্রেন চলাচল শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে সূত্র। গত ১৬ অক্টোবর থেকে এই রুটের টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে। নতুন এই পরিষেবা চালু হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী বিভিন্ন এলাকার যাত্রীদের জন্য কক্সবাজার যাতায়াত আরও সহজ ও সুবিধাজনক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসকে
ঢাকা-কক্সবাজার রোডে নতুন ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি
মাদরাসায় বলাৎকার, কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে, ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
মাদরাসায় বলাৎকার, কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা 
শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ বার্তা দেয় ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা 
আরও পড়ুন
সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্ত, পাস হলো ৬ বিল
বিএনপির মনোনয়ন পাননি বেবি নাজনিন
বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের ফরম নিলেন ফারাজানা সিঁথি
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু শুক্রবার