ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত কেবিনেটে নয়, বাইরে নেওয়া হতো: এম সাখাওয়াত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বড় বড় সিদ্ধান্ত কেবিনেটে না নিয়ে বাইরে নেওয়া হতো।

তিনি বলেন, যারা ভিন্নমত পোষণ করতেন, তাদের মতামত সাধারণত ছোটখাটো বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকত।

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ছাড়ার পর একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা যারা দ্বিমত করেছি, সেগুলো ছোটখাটো বিষয় ছিল। যেমন সূচি বাদ দেওয়া ইত্যাদি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বড় সিদ্ধান্তগুলো কেবিনেটে হতো না। এগুলো কেবিনেটের বাইরে আলোচনা হতো।

তিনি বলেন, সব সরকারেরই একটি ‘কিচেন কেবিনেট’ থাকে—এমন মন্তব্য শুনেছি। তবে সেখানে কারা ছিলেন, তা জানি না। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, আমি সেখানে ছিলাম না।
হয়তো ওই মনোভাবের লোক আমি ছিলাম না। তারা ধরে নিয়েছে, আমি তাদের সঙ্গে একমত হতে পারব না। যারা এসব করেছে, তারা পরিচিত। আমি শুধু নাম শুনেছি। তারা আমার সহকর্মী ছিলেন।

পুলিশ পুনর্গঠন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পুলিশের পুনর্গঠনই ছিল আমার প্রধান লক্ষ্য। সে সময় পরিস্থিতি এমন ছিল যে, পুলিশ মাঠে নামতে চাইছিল না। অনেক থানা লুট ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত নাজুক। পুলিশের কিছু দাবিদাওয়া ছিল। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। পরে অনেক বোঝাপড়ার মাধ্যমে পুলিশ মাঠে নামে। ট্রাফিক পুলিশও দাঁড়াতে চাইছিল না। তাদের উৎসাহ দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, সে সময় প্রায় চার হাজার রাইফেল লুট হয়েছিল। এর মধ্যে কিছু উদ্ধার করা গেলেও প্রায় এক হাজারের বেশি রাইফেল ও পিস্তল তখনো নিখোঁজ ছিল। এসব অস্ত্র বর্তমান সরকারের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি।

আরও পড়ুন

কেন তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো—এ বিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সে সময় কিছু বক্তব্য দিয়েছিলাম, যা তখনকার প্রেক্ষাপটে সঠিক মনে হয়নি। আমি যে কথাটা বলেছিলাম, তা খণ্ডিতভাবে গণমাধ্যমে এসেছে। এখন দেখা যাচ্ছে, পরিস্থিতি তার চেয়েও বেশি খারাপ হয়েছে।

নিজে দায়িত্ব ছাড়তে চাইলেও অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তখন তাকে অনুমতি দেননি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ৭-৮ দিনের মধ্যে চলে গেলে খারাপ বার্তা যাবে—এই কথা বলে আমাকে থাকতে বলা হয়েছিল।

৭.৬২ বুলেট ও চাইনিজ টাইপ-৩৯ রাইফেল প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টির এখনো সমাধান হয়নি। আনসার সদস্যদের ওপর হামলার ভিডিওতে দেখা গেছে, কিছু ব্যক্তি পুলিশের রাইফেল নিয়ে গুলি চালাচ্ছে। এগুলো খুব মারাত্মক অস্ত্র, যা সাধারণত সমরাস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পুলিশের কাছে এসব থাকার কথা নয়। কবে ও কেন এসব অস্ত্র পুলিশের কাছে দেওয়া হলো, তা তদন্ত করা প্রয়োজন ছিল। তবে দায়িত্বে না থাকায় তিনি সে উদ্যোগ নিতে পারেননি।

তিনি জানান, তার কাছে কিছু সন্দেহজনক ছবি রয়েছে, যেখানে দেখা যায় কয়েকজনের চেহারা ও গঠন স্থানীয়দের মতো নয়। কয়েকজনকে হেলিকপ্টারে ওঠাতেও দেখা গেছে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কোনো নির্বাচনই শতভাগ নিখুঁত হয় না। পৃথিবীর কোথাও একশ ভাগ খাঁটি নির্বাচন হয় না। আমাদের দেশেও হয় না। আমাদের দেশে টানা তিনটি নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ৭৭টি আসন পেয়েছে, যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ঘটনা।

বিভিন্ন চুক্তি নিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কোনো গোপন চুক্তি হয়নি। এসব চুক্তি সাধারণত বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও পিপিপি অথরিটি বাংলাদেশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এসব চুক্তিতে সাধারণত ‘নন-ডিসক্লোজার ক্লজ’ থাকে, যা প্রকাশ করা যায় না। আমেরিকান কম্পানির শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের ৫ শতাংশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ নিয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তার তর্ক-বিতর্ক হয়েছিল।

বিদেশি প্রভাব প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সব ক্ষেত্রে নয়, তবে কিছু বিষয়ে চাপ ছিল। বিশেষ করে বাণিজ্য আলোচনায় বড় ধরনের চাপ ছিল। আগের সময়ে নীতিনির্ধারণ ছিল অনেকটাই দিল্লিকেন্দ্রিক। রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পেছনেও এই প্রভাব স্পষ্ট।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শ্রমিক আন্দোলনের নামে ‘অস্থিরতার নেপথ্যে’ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
ঢাকার মিরপুর, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অন্যান্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর অনুপ্রবেশ ও নাশকতায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।
শ্রমিক আন্দোলনের নামে ‘অস্থিরতার নেপথ্যে’ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
সাভারে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মারধর
ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর পদ্মার মোড় এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছে ৩ সংবাদমাধ্যমকর্মী।  বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহকালে আন্দোলনকারীদের দ্বারা এই হামলার শিকার হন তারা।  হামলায় আহতরা হলেন— স্টার নিউজের সাভার প্রতিনিধি আহমাদ সোহান সিরাজী, একাত্তর টেলিভিশনের সাভার প্রতিনিধ রাইয়ান বিন আমিন এবং ক্যামেরাপারসন, মো. উজ্জ্বল হোসেন।  হামলার শিকার সংবাদমাধ্যমকর্মীরা জানান, সকালে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের খবর পেয়ে সংবাদ সংগ্রহে হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড়ে যান তারা। কয়েকজন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকের বক্তব্য গ্রহণের পর ওই স্থান থেকে কিছুটা এগিয়ে ঘটনাস্থলের ফুটেজ সংগ্রহ করছিলেন তারা। এসময় মাস্ক পরা কয়েকজন তাদের সাংবাদিক পরিচয় শুনে লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারতে শুরু করে। একপর্যায়ে আশপাশ থেকে কয়েকজন এগিয়ে এসে হামলাকারীদের বুঝিয়ে সাংবাদিকদের ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। আরটিভি/এসআর
সাভারে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মারধর
প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, পদ হারালেন সেই কর্মকর্তা
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক স্লোগান ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’কে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে মন্তব্য করেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মোহাম্মদ মসিউর রহমান। এই ঘটনায় তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব জেতী প্রু।  গত ১ নভেম্বর ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ উদ্যোগের আওতায় ঢাকার ছয়টি রুটে পরীক্ষামূলক বাস চলাচলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্যে মসিউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানটিকে হাদিস বললে অনেকে মনে করতে পারেন, তিনি পরবর্তী পদায়নের আশায় প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করার চেষ্টা করছেন। তবে তার মতে, স্লোগানটি একটি শাশ্বত বাণী। তিনি আরও বলেন, আমার আগে আমরা, সবার আগে দেশ—এ কথা কে অস্বীকার করতে পারবেন? স্বার্থপর, যার দেশপ্রেম নেই, সেই বলতে পারে, না, আমি মানি না। আমাকে বাদ দিয়ে আমরা সবাই মিলে থাকব, আর সবার আগে থাকবে দেশ। তারপরে “করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এটা হাদিস, হাদিস। এটা শাশ্বত বাণী। মসিউর রহমান তার বক্তব্যে আরও বলেন, ‘এটা হুজুররা বললে হাদিস হয়ে যেত। তো ওনার মুখে দাড়ি নেই, টুপি পরেন না, এজন্য হাদিস হয়নি! এটা হাদিস।’ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে দেওয়া তাঁর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে মসিউর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার প্রজ্ঞাপনে তাঁর বক্তব্য বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া প্রতিক্রিয়ার কোনো উল্লেখ করা হয়নি। আরটিভি/এসআর
প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, পদ হারালেন সেই কর্মকর্তা
মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিনের মাথায় ‘বড় পরিবর্তন’
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান পরিবর্তন করেছে সরকার। বোর্ড গঠনের মাত্র তিন দিনের মাথায় শেখ আশফাকুর রহমানের স্থলে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সৈয়দ আজাদ সুবহানী। বুধবার (৪ নভেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ (বিচার শাখা-৩) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। একই প্রজ্ঞাপনে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান (জেলা ও দায়রা জজ) শেখ আশফাকুর রহমানকে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, ঢাকার পরিচালক (প্রশিক্ষণ) পদে বদলি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের অবিলম্বে বর্তমান পদের দায়িত্বভার অর্পণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে, ১ নভেম্বর তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করে সরকার। ওই দিন জারি করা প্রজ্ঞাপনে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষের স্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। একইদিন আরেকটি প্রজ্ঞাপনে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন এবং শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের (বিজিআইডব্লিউএফ) সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতারকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ছয় সদস্যের এই মজুরি বোর্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা ছিল নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের। আশফাকুর রহমানকে সরানোর কোনো কারণ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি। তাকে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) পদে বদলি করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর
মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিনের মাথায় ‘বড় পরিবর্তন’
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 
নিজের চিকিৎসায় ৮২ লাখ টাকা খরচের ব্যাখ্যা দিলেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা
‘হামের টিকা নিয়ে গাফিলতি আছে, তদন্তের দরকার নেই’