ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকাসহ সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ফাইল ছবি

চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী দাগি আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি।

ঢাকা থেকে এই সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারাদেশেই চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী, দাগি আসামিদের তালিকা করা হচ্ছে। নির্মোহ তালিকা করে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এরপর জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি দেশের সব জনগণ সহযোগিতা করবেন। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। আশা করি আমরা খুব শিগগিরই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি আজকে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার পরিদর্শনে এসেছিলাম। ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এডিশনাল কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার, ডিসি, এডিসি এবং ৫০ থানার ওসিদের সবার সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সমস্যা শুনেছি এবং আমাদের যে ইনস্ট্রাকশন সেগুলো আমরা জানিয়েছি।

তিনি বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য ও বর্তমান সরকারের প্রধানতম অগ্রাধিকার হচ্ছে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করা এবং জনগণে স্বস্তি প্রদান করা এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। সেজন্য পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য। আমরা সবাই জানি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেহেতু বাংলাদেশ বিগত সময়ে একটা ফ্যাসিস্ট সরকার ব্যবস্থার মধ্যে ছিল। সেই সময় অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশের এই প্রতিষ্ঠানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই জায়গা থেকে আমরা ক্রমান্বয়ে আজকের এই পর্যায়ে এসেছি। জনমনে যাতে আস্থাটা আমরা সৃষ্টি করতে পারি।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, পুলিশের যে ঐতিহাসিক ভূমিকা ছিল, সেই ভূমিকায় আমরা আবার অবতীর্ণ হয়েছি এবং মানুষ যাতে মনে করে পুলিশ সত্যিকারভাবে জনগণের বন্ধু এবং সেই হিসেবে আমরা পুলিশ ফোর্সকে পরিচালিত করবো। আমি সবার মধ্যে তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখতে পেয়েছি তারা সবাই সংকল্পবদ্ধ। দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত এবং তাদের প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের কপালে যে অতীতে কালিমা লেপন করে দেওয়া হয়েছিল সেজন্য তারা নিজেরা দায়ী নয়। একটা ফ্যাসিবাদী রেজিমের কারণে কিছু সংখ্যক লোক সেই কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। যার দোষটা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানের উপরে এসে পড়েছে। সেজন্য প্রতিষ্ঠান দায়ী নয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই পুলিশ প্রতিষ্ঠানকে আমাদের এমনভাবে দাঁড় করাতে হবে যাতে প্রাতিষ্ঠানিক সিস্টেমে সবাই কাজ করে, এখানে যেন কোনো ব্যক্তি সিস্টেম গড়ে না ওঠে। রুল অব ল’ আমরা প্রতিষ্ঠা করবো এবং পুলিশ আইনানুগভাবেই চলবে। এখানে কোনো ব্যক্তির স্বৈরতান্ত্রিক কোনো নির্দেশ পালিত হবে না। আইন যেভাবে বলে সেভাবেই যাবে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেভাবে দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার সঙ্গে স্ব স্ব বিভাগ পরিচালিত করবে। তারা সেই সংকল্প আজকে প্রকাশ করেছে। আমি তাদের জনগণের পক্ষে বর্তমান সরকারের যে আইন শাসন প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি সেগুলো স্মরণ করে দিয়েছি। তাদের কাছে আমি আশা করি, তারা জনগণের পক্ষে দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে তাদের কাজ চালিয়ে যাবে।

মতবিনিময় সভায় পুলিশের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে দুইটা বিষয়েই আমি অনুশাসন দিয়েছি। আমরা খুব শিগগিরই দেশব্যাপী বিশেষ করে ঢাকা থেকে আমরা অভিযান শুরু করবো। আমরা চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের আইনে আওতায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা করবো, খুব শিগগিরই। দ্বিতীয়ত যারা অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী, দাগী আসামি। যারা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদের একটি তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সেটা নির্মোহভাবে তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। আনবায়াস্ট তালিকা স্ক্রুটিনি (খুঁটিনাটি বা বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা) করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা করবো। এই দুইটা বিষয় আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়েছি। আশা করি এদেশের সব জনগণ আপনারা সবাই সেটাতে আমরা সহযোগিতা দেবেন এবং সহযোগিতা পাবো। আমরা সেই দিকেই যাচ্ছি।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
একদিনে দেশের তিনটি বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের তিনটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানাবেন তিনি। এ সফর ঘিরে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।
একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যোগ দিতে দেশ ছাড়লেন ৫০ সেনা
হাইতিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ অনুমোদিত গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্সে (জিএসএফ) যোগ দিতে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অগ্রবর্তী দলের ৫০ সদস্য।
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যোগ দিতে দেশ ছাড়লেন ৫০ সেনা
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক এ কথা জানান। তিনি জানান, পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের মাঠ, বাগান ও বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিবেশ, অবকাঠামোগত অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। সহকারী প্রেস সচিব জানান, জাতীয় সংসদ প্লাজার সৌন্দর্য ও পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। মাঠ ও বাগান পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি বিদ্যমান গাছপালার সঠিক পরিচর্যা এবং সবুজায়ন কার্যক্রম জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও তিনি দেন। এছাড়া সংসদ প্লাজা ও এর আশপাশের এলাকায় যেসব স্থানে সংস্কার দরকার, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক আরও জানান, জাতীয় সংসদ ভবনের স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ও এর সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন তিনি। আরটিভি/টিআর
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল প্রকল্পের আওতায় আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতু নির্মাণ ও সংশ্লিষ্ট কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সেতুটির সর্বশেষ কংক্রিট ঢালাই সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে ডেক নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এর ফলে পায়রা বন্দরের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পথ আরও সুগম হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা সেতুটি চালু হলে রাবনাবাদ নদীর তীরবর্তী চরিপাড়ায় অবস্থিত পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে খালাস করা পণ্য সরাসরি সড়কপথে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিবহন করা সম্ভব হবে। এর ফলে পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীরাও সরাসরি সড়কপথে বন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে জানা যায় যে দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বন্দরের আওতাধীন শিল্পাঞ্চলে বিভিন্ন কলকারখানা স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এসব শিল্পকারখানায় বন্দরের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে  বিদ্যুৎ সরবারহ নিশ্চিত করা হবে।এর ফলে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের পাশাপাশি বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে। নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে টার্মিনাল এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনের মাত্র কয়েক দিন আগেই পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে আরেকটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিগত ৭ অক্টোবর সকালে চীনের পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ফান ঝৌ-৬ (Fan Zhou-6) সরাসরি প্রথম টার্মিনালে নোঙ্গর করেছে। জাহাজটিতে আধুনিক পণ্য ওঠানো-নামানোর পাঁচটি সরঞ্জাম আনা হয়েছে। দুই বছর পর এই প্রথম টার্মিনালে বড় ধরনের পরিচালন সরঞ্জাম পৌঁছাল।  নদীর উপযোগী বিশেষ নকশায় নির্মিত সেতু আন্ধারমানিক নদীর উপর নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ১৮০ মিটার। এক্সট্রাডোজড প্রযুক্তিতে নির্মিত সেতুটির টাওয়ারের উচ্চতা ৫৮ দশমিক ৫ মিটার। সেতুর মূল ডেকের প্রস্থ ২৩ দশমিক ২ মিটার এবং সংযোগ ডেকের প্রস্থ ২১ দশমিক ২ মিটার। সেতুতে প্রতিটি দিকে দুটি করে মোট চারটি লেন রয়েছে । আন্ধারমানিক নদীতে নৌযান চলাচল সব সময় সচল রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেতুটি মাত্র দুটি প্রধান পিলারের ওপর নির্মাণের নকশা করা হয়েছে। ফলে জাহাজ ও লঞ্চের নির্বিঘ্ন চলাচলের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহও ঠিক থাকবে। ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি প্রথম পাইল স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসিসি) এবং চায়না রেলওয়ে ব্রিজ কনস্ট্রাকশন গ্রুপ (সিআরবিজি) যৌথভাবে সেতুটি নির্মাণ করছে। নির্মাণকাজ তদারকি করছে একটি কোরিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। নতুন সম্ভাবনার প্রতীক  নির্মাণকাজ প্রায় শেষের দিকে পৌঁছানোয় সেতুটি স্থানীয় মানুষের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা নির্মাণস্থলের পাশের ছয় লেনের সড়কে জড়ো হচ্ছে নদীর ওপর সেতুটির নির্মাণ অগ্রগতি দেখতে। প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, রাতে সেতুটিতে এমনভাবে আলোকসজ্জা করা হবে, যাতে তা শাপলা ফুলের আকৃতি ফুটিয়ে তোলে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সেতুটি শুধু যান চলাচলের সুবিধা বাড়াবে না; পায়রা বন্দরের সড়ক যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্থানীয় পরিবহন নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ এবং বন্দরের কার্যক্রম ও সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, সেতুটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।  আরটিভি/টিআর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ২ হাজার ৩১৮টি কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে আগামী ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘অধ্যক্ষ সম্মেলন-২০২৬’। রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামের এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী