ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

স্বাধীনতা দিবসে রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ব্যাপক নিরাপত্তা ও বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঘোষণা করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) জাতীয় প্যারেড স্কয়ার, বঙ্গভবন ও মানিক মিয়া এভিনিউ—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে দিনভর ধাপে ধাপে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ডাইভারশন কার্যকর থাকবে।

ডিএমপি জানিয়েছে, জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে বিকেল ৪টা থেকে ৫ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মানিক মিয়া এভিনিউয়ে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সরকারের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিদেশী কূটনীতিক এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

১। জাতীয় প্যারেড স্কয়ার কেন্দ্রিক যান চলাচল ব্যবস্থাপনা:

> আমন্ত্রিত অতিথিদের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ছাড়া নিম্নোক্ত সড়কসমূহে অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করবে না।
> বেগম রোকেয়া সরণির আগারগাঁও লাইট ক্রসিং হতে উড়োজাহাজ ক্রসিং।
> প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংলগ্ন বীর উত্তম মেজর জেনারেল আজিজুর রহমান রোড (আগারগাঁও লিংক রোড)।
> সৈয়দ মাহাবুব মোরশেদ রোডের শিশুমেলা ক্রসিং হতে আগারগাঁও ক্রসিং।
> জুলাই স্মৃতি যাদুঘর ক্রসিং (পুরাতন গণভবন) হতে উড়োজাহাজ ক্রসিং।

২। বঙ্গভবন কেন্দ্রিক যান চলাচল ব্যবস্থাপনা

> বঙ্গভবনে আমন্ত্রিত অতিথিদের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ছাড়া নিচের সড়কগুলোতে অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করবে না।
> আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউয়ে (জিরোপয়েন্ট ক্রসিংয়ের পূর্ব প্রান্ত থেকে গুলিস্থান চত্বর ক্রসিং পর্যন্ত)।
> ডিআইটি রোডের গুলিস্থান চত্বর ক্রসিং থেকে রাজউক ক্রসিং।
> ডিআইটি রোডের দৈনিক বাংলা ক্রসিংয়ের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে রাজউক ক্রসিং।
> ফজলে রাব্বি রোডের শহীদ মতিউর রহমান পার্কের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত (আহাদ পুলিশ বক্স) থেকে জয়কালী মন্দির ক্রসিংয়ের পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত।
> দিলকুশা রোডের অ্যালিকো গ্যাপ, পূবালী ব্যাংক গ্যাপ, পূবালী পেট্রোল পাম্প গ্যাপ, সিটি সেন্টার গ্যাপ, ২৪ তলা গ্যাপ, রাজউক ক্রসিং গ্যাপ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

ডাইভারশন থাকবে যেসব সড়কে

> জিরো পয়েন্ট ক্রসিংয়ের পূর্ব প্রান্ত
> রাজউক ক্রসিংয়ের পূর্ব প্রান্ত
> অ্যালিকো গ্যাপের পূর্ব প্রান্ত
> হানিফ ফ্লাইওভারের আউটগোয়িংয়ের বামপাশ (পার্ক সংলগ্ন)
> জয়কালী মন্দির ক্রসিংয়ের পশ্চিম প্রান্ত
> দৈনিক বাংলা মোড়ের দক্ষিণ প্রান্ত
> রাজউক ক্রসিংয়ের উভয়পাশ
> মতিঝিল সিটি সেন্টারের দক্ষিণ প্রান্ত
> বক চত্বর হয়ে ২৪তলা বিল্ডিং পর্যন্ত

ডাইভারশন পয়েন্টে যান চলাচল ব্যবস্থাপনা

> আব্দুল গণি রোড থেকে আসা অতিথিদের গাড়ি ছাড়া অন্য যানবাহন বামে মোড় নিয়ে ইউবিএল ক্রসিং হয়ে দৈনিক বাংলা-শাপলা চত্বর অভিমুখে চলাচল করবে।
> ফুলবাড়িয়া-গোলাপশাহ মাজার থেকে আসা যানবাহন জিরো পয়েন্ট হয়ে ইউবিএল ক্রসিং-নাইটিংগেল-রাজমনি অভিমুখে চলাচল করবে।
> মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার থেকে আসা যানবাহন জিরো পয়েন্ট থেকে ইউবিএল/গোলাপশাহ/হাইকোর্ট হয়ে চলাচল করবে।
> ইউবিএল থেকে গুলিস্থানগামী যানবাহনসমূহ জিরো পয়েন্ট-গোলাপশাহ-ফুলবাড়িয়া-তাঁতীবাজার হয়ে চলাচল করবে।
> অ্যালিকো গ্যাপের পূর্ব প্রান্ত থেকে রাজউক ক্রসিংয়ের দিকে আসা যানবাহন শাপলাচত্ত্বর-দৈনিক বাংলা-ইউবিএল হয়ে চলাচল করবে।
> হানিফ ফ্লাইওভারের ইনকামিংয়ের কিছু যানবাহন ইউটার্ন করে হানিফ ফ্লাইওভারের আউটগোয়িং হয়ে চলাচল করবে এবং অন্যান্য যানবাহন শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ হয়ে জিরোপয়েন্ট ইউবিএল/গোলাপশাহ/হাইকোর্ট অভিমুখে চলাচল করবে।
> জয়কালী মন্দির ক্রসিং থেকে গুলিস্থানগামী যানবাহন এক লেনে ইত্তেফাক ক্রসিং পর্যন্ত বামে মোড় নিয়ে শাপলা চত্ত্বর-দৈনিক বাংলা হয়ে চলাচল করবে।
> ফকিরাপুল ও মতিঝিল সিটি সেন্টার থেকে আসা যানবাহন দৈনিক বাংলা-ইউবিএল/শাপলা চত্বর হয়ে চলাচল করবে।

৩। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে কনসার্ট কেন্দ্রিক যান চলাচল ব্যবস্থাপনা:

স্বাতীনতা দিবসের বিশেষ কনসার্ট ঘিরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নিচের নির্দেশনা অনুযায়ী যান চলাচল করবে (বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত)

> মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পশ্চিম প্রান্ত (আড়ং ক্রসিং)
> মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পূর্ব প্রান্ত (খেজুর বাগান ক্রসিং)

ডাইভারশন পয়েন্টে যান চলাচলে নির্দেশনা

> শ্যামলী-মোহাম্মদপুর থেকে আসা যেসব যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে ফার্মগেট-বিজয় সরণি অভিমুখে চলাচল করে, সেসব যানবাহন লেক রোড দিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং হয়ে চলাচল করবে।
> শাহবাগ-সোনারগাঁও থেকে আসা যেসব যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে মিরপুর রোড দিয়ে চলাচল করে, সেসব যানবাহন ফার্মগেট-বিজয় সরণি-উড়োজাহাজ ক্রসিং-লেক রোড-মিরপুর রোড হয়ে চলাচল করবে।
> এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পরিবর্তে খেজুরবাগান ক্রসিং হতে ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-লেক রোড-মিরপুর রোড হয়ে চলাচল করবে।
> ধানমন্ডি-নিউমার্কেট থেকে আসা যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পরিবর্তে গণভবন ক্রসিং দিয়ে লেকরোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং হয়ে চলাচল করবে।
> মিরপুর রোড হয়ে ধানমন্ডি-নিউমার্কেটগামী যানবাহনসমূহ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ইউটার্নের পরিবর্তে সরাসরি ধানমন্ডি-নিউমার্কেট অভিমুখে চলাচল করবে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে আগের মতো এখন আর ভোগান্তি নেই: বিমানমন্ত্রী 
বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহ ও ব্যাগ নিয়ে যাত্রীদের আগের মতো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মান নিয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে সম্প্রতি দেখা দেওয়া যান্ত্রিক ত্রুটি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা পড়েছে। তদন্তে কারও গাফিলতি বা অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, ঢাকা থেকে উড়োজাহাজটি সম্পূর্ণ সচল অবস্থায় যাত্রা শুরু করেছিল। তবে জাপান থেকে ফেরার পথে উড়োজাহাজের ডানার পেছনের অংশে থাকা ফ্ল্যাপে কিছুটা যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেয়। এ ধরনের ছোটখাটো ত্রুটি উড়োজাহাজ চলাচলে অস্বাভাবিক নয়। তবে এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পূর্ণাঙ্গভাবে টার্মিনালটি চালুর লক্ষ্যে জাপানের দেওয়া বিভিন্ন শর্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। থার্ড টার্মিনাল চালু হলে বর্তমান টার্মিনাল ১ ও ২ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করা হবে। তবে টার্মিনাল দুটি পরিত্যক্ত রাখা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট নতুন টার্মিনালে স্থানান্তরের পর পুরোনো দুটি টার্মিনাল থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি কার্গো, চার্টার্ড ও ভিভিআইপি ফ্লাইট পরিচালনার কাজেও এগুলো ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া সরকার নতুন একটি বাজেট এয়ারলাইন্স চালুর পরিকল্পনা করছে। এর কার্যক্রমও টার্মিনাল ১ ও ২-কে কেন্দ্র করে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। ঢাকার ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই বলেও জানান তিনি। মন্ত্রীর ভাষ্য, একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করতে অন্তত ১০ থেকে ১২ বছর সময় প্রয়োজন। আর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ বছর লেগে যায়। তাই আপাতত বিদ্যমান বিমানবন্দরগুলোর অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার উন্নতির এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী। আরটিভি/এসকে
বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে আগের মতো এখন আর ভোগান্তি নেই: বিমানমন্ত্রী 
শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণে সরকার আন্তরিক: শ্রমমন্ত্রী
শ্রমমন্ত্রী বলেছেন, যেসব মালিক কারখানা বন্ধ রেখেছেন, তারা যেন সেগুলো খুলে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। শ্রমিক নেতাদেরও নিজ নিজ কারখানায় গিয়ে শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণে সরকার আন্তরিক: শ্রমমন্ত্রী
হরমুজ পার হতে বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: রাষ্ট্রদূত
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে নিরাপদে যাতায়াত করতে হলে অবশ্যই ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের দেওয়া নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদী। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, ইরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া কোনো দেশই এই কৌশলগত নৌপথ দিয়ে নিরাপদে জ্বালানি পরিবহন করতে পারবে না। হরমুজ পার হতে অবশ্যই ইরানের বেঁধে দেওয়া নির্দেশনা মানতে হবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যেসব হামলার ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশসহ কোনো দেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে আগাম সমন্বয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। ইরানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জনগণকে ‘মুসলিম ভাই-বোন’ উল্লেখ করে বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে তাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে সহায়তার আশ্বাস দেন। তি‌নি ব‌লেন, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী। তবে এই সংকটকালীন বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ, আগাম সমন্বয়ের ভিত্তিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদ পারাপারে ইরান সব ধরনের সহযোগিতা করবে। এ সময় ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশের মানুষের অবস্থানে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি। তি‌নি ব‌লেন, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান যৌক্তিক। ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশের মানুষের ম‌নোভাব বা সমর্থ‌নে আমরা খু‌শি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স‌ঙ্গে সমঝোতার প্রশ্নে জালিল রাহিমি ব‌লেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স‌ঙ্গে সমঝোতার মা‌নে আত্মসমর্পণ। এটা কখ‌নো মে‌নে নে‌বে না ইরান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি কোনো ধরনের হামলা চালায়, তবে পূর্ণ শক্তিতে তাদের গুঁড়িয়ে দিতে ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তবে ইরান নিজে থেকে কোনো যুদ্ধ বা সংঘাত চায় না। মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর সাথে ইরানের কোনো বিরোধ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে যদি ইরানের ওপর হামলা না হয়, তবে ইরান কখনোই কোনো আরব দেশে আক্রমণ করবে না। পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে ইরানের ‘রেড লাইন’ হিসেবে ঘোষণা করে তিনি এ অঞ্চলে পশ্চিমা হস্তক্ষেপ ছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ‘মক্কা চুক্তি’ গঠনের প্রস্তাব দেন। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। তি‌নি বলেন, এই দ্বন্দ্ব ইরানের ইসলামি বিপ্লবের অনেক আগের। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ইয়েমেনের হুথি, ফিলিস্তিনের হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইরাকের হাশদ আল-শাবির প্রতি ইরানের শক্তিশালী রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক সমর্থন রয়েছে। আরটিভি/টিআর
হরমুজ পার হতে বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: রাষ্ট্রদূত
মালিক-শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে শ্রমমন্ত্রী
ন্যূনতম মজুরির দাবিতে পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সরকারের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তা, শ্রমিক সংগঠনের নেতা এবং মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন। এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কাঠামো চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তবে নতুন মজুরির পরিমাণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রথম বেতন দেওয়া হতে পারে আগামী জানুয়ারিতে।  ১ নভেম্বর ছয় সদস্যের ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানকে। পরে তাকে পরিবর্তন করে সৈয়দ আজাদ সুবহানীকে বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়। নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম-মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম শামসুদ্দিন। শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার। বর্তমানে পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। শ্রমিকেরা তা বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছেন। গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে এ দাবিতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও কর্মবিরতি চলছে। আন্দোলন কেন্দ্র করে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। কয়েক শ কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার খবর পাওয়া গেছে। এতে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, খাদ্য, বাসাভাড়া, যাতায়াত ও চিকিৎসাসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান মজুরিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে মালিকপক্ষ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার চাপের কথা তুলে ধরে আসছে। আরটিভি/টিআর
মালিক-শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে শ্রমমন্ত্রী
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে, যা জানা যাচ্ছে
তার সঙ্গে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে ডিবিসি নিউজের ক্রাইম চিফ রাজিব ঘোষকেও। বর্তমানে তারা ডিবি কার্যালয়ে রয়েছেন।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে, যা জানা যাচ্ছে
আরও পড়ুন
স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের রাজার শুভেচ্ছা