ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

খুব শিগগিরই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার: উপদেষ্টা মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
ছবি: আরটিভি

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর কার্যক্রম খুব শিগগিরই আবারও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মালয়েশিয়া সফর নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সয়ম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সফরের জন্য মালয়েশিয়া সরকার আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন।

উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, প্রবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কম খরচে এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠানো নিশ্চিত করতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের সিন্ডিকেট যেন না থাকে, সে জন্য মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, বিষয়টিতে দুই দেশের সরকারই ইতিবাচক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেমন আগ্রহী, তেমনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখিয়েছেন।

গত বুধবার মালয়েশিয়ায় সফরে যান শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখপাত্র তিনি। বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা করতে এটি ছিল প্রথম সফর।
এই সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি ।

এছাড়া মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতো শ্রী রমন রামকৃষ্ণনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। সফরের সময় মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেশটির উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জাম্ব্রি আবদুল কাদিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন।

মালয়েশিয়া সফর শেষে শনিবার (১১ এপ্রিল) দেশে ফেরেন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা। শ্রমিক পাঠানো কবে শুরু হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন। আমরা যত দ্রুত সম্ভব এটি উন্মোচনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

মামলা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, যৌথ বিবৃতিতে এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন যে গণতান্ত্রিক সরকার রয়েছে, আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাস করি। বিচার বিভাগ তার নিজস্ব গতিতে চলবে। যারা অপরাধী, যারা দুর্নীতি বা অপকর্মে যুক্ত, তারা আইনি প্রক্রিয়ায় শাস্তি পাবে। একইভাবে যারা নির্দোষ, তারাও সুবিচার পাবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

‘ক্রেডিবল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি’ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, এটি কোনো নতুন সিন্ডিকেট তৈরির উদ্যোগ নয়। এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, মালয়েশিয়ার সব সেন্ডিং কান্ট্রির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তাদের নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড রয়েছে, সেই অনুযায়ী তারা এজেন্সি নির্বাচন করে।

বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আমরা ক্রেডিবল বা কোয়ালিফাইড বলতে তাদেরই বোঝাবো, যারা দুর্নীতিমুক্ত থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রিক্রুটমেন্ট পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে আমরা ধীরে ধীরে অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনতে চাই। মালয়েশিয়ার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের শ্রমিকদের অসাধারণ ভূমিকা রয়েছে। সুতরাং আমরা অনুরোধ জানিয়েছি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেন বিশেষভাবে ওনারা বিবেচনা করেন। এবং সেই প্রতিশ্রুতি ওনারা দিয়েছেন যে সামগ্রিকভাবে আলাপ -আলোচনার মাধ্যমে আমাদেরকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন যে বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য আলাদাভাবে আলাদা নিয়মে কোনো কিছু করার সুযোগ থাকবে কি না।

‘আমরা মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। সেখানে বাংলাদেশের সাথে মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষায় কীভাবে ডিগ্রি এবং সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে সমন্বয় করার সুযোগ থাকে, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ থাকে, বিশেষভাবে টিচার এবং স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে আমাদের নতুন দ্বার উন্মুক্ত করা যায় কি না -তা নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও যথেষ্ট আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, সেই বার্তা আমরা পৌঁছে দিয়েছি।’

আরও পড়ুন

মাহদী আমিন বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আলোচনায় যেটি উঠে এসেছে দুটো দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে বহুমুখী সহযোগিতা এবং গবেষণার জন্য কীভাবে একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা যায় এবং দুই দেশের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের একসাথে কাজ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমরা আরও বেশি কোলাবোরেশন তৈরি করতে পারি।

‘আমরা আমাদের তিনদিনের এই স্বল্প সফরে মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছি। একটি বার্তা খুব সুষ্পষ্ট। আমরা জনগণের ক্ষমতায়নের দল হিসেবে একটি অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে প্রধান লক্ষ্য স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে কত দ্রুত কত বেশি সংখ্যক মানুষ বিদেশে কাজ করতে পারবেন, জনশক্তি রপ্তানি করতে পারব সেটিই ছিল আমাদের মূল প্রাধান্য। এবং মালয়েশিয়া সরকারও বলেছেন আমরা যেভাবে ওনাদের সাথে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছি এবং যেভাবে গুরুত্ব আরোপ করেছি ব্যয় কমানোর জন্য এর আগে তেমন কোনো সরকার এতটা চাপ প্রদান করেনি।’

মাহদী আমিন বলেন, জনশক্তি রপ্তানি শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়। এবং আজকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার অন্যতম বড় ভিত্তি আমাদের বিদেশে থাকা কষ্ট করা লাখো লাখো কোটি মানুষের যে শ্রম ঘাম সেটি। সুতরাং বিএনপি সবসময় জনশক্তি রপ্তানিকে আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার একটি প্রধান বাহন মনে করে। এটি আমাদের জন্য গৌরবের একটা বিষয়। প্রবাসী কল্যাণে যে মন্ত্রণালয় সেটিও শুরু হয়েছিল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়। যার কারণে প্রবাসীদের কল্যাণ আমাদের জন্য একটি বড় অগ্রাধিকার।

তিনি বলেন, এই বছর প্রথমবারের মতন আমাদের প্রবাসী ভাই -বোনেরা ভোট দিয়েছেন, যা আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল এবং তার আলোকে আমরা সামনে ইনশাআল্লাহ প্রবাসী কার্ড শুরু করব। আমাদের প্রবাসী প্রতিটি ভাই এবং বোনদের পাশে আমরা থাকব। আমাদের নেতা গণমানুষের নেতা তারেক রহমানের যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রয়েছে তার আলোকে আমাদের সর্বাঙ্গীন প্রচেষ্টা থাকবে যত দ্রুত সম্ভব বহির্বিশ্বের আমাদের জনশক্তি রপ্তানি আরও কীভাবে আমরা বৃদ্ধি করতে পারি আনস্কিল্ড, স্কিল্ড, সেমি স্কিল্ড প্রত্যেকটা ক্যাটাগরিতে। এবং পৃথিবীর যেই দেশে আমাদের প্রবাসী ভাই এবং বোনেরা রয়েছেন কীভাবে তাদের জীবনমান আরও উন্নত করতে পারি, কীভাবে ওনারা আরও একটু স্বাচ্ছন্দ্যে আরও নিরাপদে থাকতে পারেন সেটির জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় গিয়েছিলাম। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বরণ করে নিয়েছেন, তিনি যেভাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে শুভকামনা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং আমাদেরকে আন্তরিকতার সঙ্গে বলেছেন, সব সমস্যা ইনশাআল্লাহ আমরা একসাথে কাজ করে সামনে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করব, সেটি একটি অভূতপূর্ব উদ্যোগ।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকার ও মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও সাইডলাইন বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক এ কথা জানান। তিনি জানান, ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, দক্ষ জনশক্তি, শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে জাতিসংঘসহ বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশের সহযোগিতা এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বিষয়ে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়। জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে ২৪ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের পরই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য দেন। এ ছাড়া সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমের স্টেনারগার্ডের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের পক্ষ থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফারির ভূমিকা জোরদার এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সহযোগিতার বিষয়ে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকগুলোতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক ও বহুপাক্ষিক ফোরামে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের কর্মসূচিতে এসব দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করছে। আরটিভি/এসআর
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী
পুলিশে যুক্ত হচ্ছে নতুন ‘বিশেষ ইউনিট’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-৩ শাখা থেকে গত ২১ সেপ্টেম্বর পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
পুলিশে যুক্ত হচ্ছে নতুন ‘বিশেষ ইউনিট’
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভাষণের জন্য রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভাষণের জন্য রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
জনগণের ক্ষমতায়ন ছাড়া রাষ্ট্র কখনও শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 
জনগণের ক্ষমতায়ন ছাড়া রাষ্ট্র কখনও শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী
সামনে লম্বা ছুটির সুযোগ, পাবেন না যারা
আগামী অক্টোবরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টানা কয়েক দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে।
সামনে লম্বা ছুটির সুযোগ, পাবেন না যারা
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বড় পরাজয়ে আসিয়ান কাপ শুরু বাংলাদেশের
বিনিয়োগ সম্প্রসারণে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধি দল
ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে ধোঁয়াশা মালয়েশিয়া, কৃত্রিম বৃষ্টি নামাতে অপারেশন
জাকির নায়েককে ভারতের হাতে তুলে দিতে আলোচনা চলছে: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী