ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে ইরান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিজেদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে ইরান। পাশাপাশি আজারবাইজান হয়ে মাধ্যমে ইরান থেকে ১৮৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে নিরাপদে সরিয়ে নিতেও সহায়তা করেছে দেশটি।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ড বা বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সেই সঙ্গে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে পারস্পরিক শ্রদ্ধার চেতনা বজায় রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান।

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ বিশেষভাবে প্রচার করার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দূতাবাস। এই সাক্ষাৎকারগুলো নির্দিষ্ট কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে পুনঃপ্রকাশিত হয়েছে।

দূতাবাস বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

তারা আরও উল্লেখ করেছে, এ ধরনের ভুল ও খণ্ডিত বক্তব্য উপস্থাপন দুঃখজনক এবং দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের নীতির পরিপন্থী।

দূতাবাস বলেছে, ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন মূল্যবোধের ভিত্তিতে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক উপভোগ করছে। সেই সঙ্গে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির প্রতি তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।

আন্তালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের সাইডলাইনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খতিবজাদেহর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছে দূতাবাস।

তারা জানিয়েছে, দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যকার গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ উদ্যোগগুলো তারা আন্তরিকভাবে এগিয়ে নেবে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করবে।

সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের ভারসাম্যপূর্ণ ও গঠনমূলক অবস্থানের প্রশংসা করেছে ইরান। এ অঞ্চল এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য এই পথটি অপরিহার্য বলে মনে করে দেশটি।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ‘ইসলামি বিপ্লবের নেতা’ ও ‘মুসলিম উম্মাহর নেতা’ উল্লেখ করে তিনি নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো শোকবার্তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে দূতাবাস। বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে শোক প্রস্তাব গ্রহণের বিষয়টিকে একটি উল্লেখযোগ্য ও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশংসা করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকার ইরান দূতাবাসে রক্ষিত শোকবইয়ে স্বাক্ষর করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতির জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে ইরানে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে ইরান।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সমর্থনের প্রশংসা করে ইরান বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসকের অবৈধ আগ্রাসনের’ ফলে সৃষ্ট যুদ্ধে যে সব বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের জন্য তারা গভীর শোক প্রকাশ করছে। সেই সঙ্গে এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় যারা আহত হয়েছেন, তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে দেশটি।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় দুপুরে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন  প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
মানবিকতার তাগিদেই সীমান্ত খুলে দিয়েছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী 
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মানবিকতার তাগিদেই বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই সংকটের ভার একা বাংলাদেশের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। সংকটের উৎপত্তি যেহেতু মিয়ানমারে, এর টেকসই সমাধানও মিয়ানমারেই নিহিত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সংকটের স্থায়ী সমাধান, বিচার ও জবাবদিহি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা হয়। তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন। ২০১৭ সালে সহিংসতার পর সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশ ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু মিয়ানমারে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় নতুন করে মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ৬ হাজার লার্নিং সেন্টারের মাধ্যমে শিশুদের মিয়ানমারের পাঠ্যক্রমভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে তারা রাখাইন রাজ্যে পুনঃএকীভূত হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি এই পরিস্থিতির কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা মানবপাচার, মাদকপাচার, অবৈধ অভিবাসন ও অন্যান্য আন্তঃদেশীয় অপরাধের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তারেক রহমান বলেন, মানবিক সহায়তার প্রয়োজন বাড়লেও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কমছে। ২০২৫ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় ৯৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তা চাওয়া হলেও ২০২৬ সালের জন্য সেই আবেদন কমে প্রায় ৭১০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তার মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকা উচিত নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার বিকল্প হতে পারে না। অনির্দিষ্টকাল ধরে শুধু বাংলাদেশকেই এ দায়িত্ব বহন করতে বলা যায় না। তিনি জানান, রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি এখনো গভীরভাবে উদ্বেগজনক। রোহিঙ্গারা জোরপূর্বক নিয়োগ, নির্বিচারে আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, জোরপূর্বক শ্রমসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাহীনতার মুখে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মি- উভয়ের বিরুদ্ধেই গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগের তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং মানবপাচার, মাদকপাচার ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ চায় না রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক। নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হলে তাদের নিজভূমিতে প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আরটিভি/এআর 
মানবিকতার তাগিদেই সীমান্ত খুলে দিয়েছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী 
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে। সংকটের মূল কারণ ও তার সমাধানে জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইন বৈঠকে পাঁচটি প্রস্তাব রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ প্রস্তাবনা তুলেন তিনি। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রতিশ্রুতি থেকে কার্যকর পদক্ষেপে যাওয়ার সময় এসেছে। দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির ব্যয় প্রতিদিনই বাড়ছে-শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য নয়, কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও। বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ এখন বিপুল। দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে। এর মধ্যে রয়েছে মানবপাচার, অবৈধভাবে অভিবাসী পাচার, মাদকপাচার এবং অন্যান্য আন্তঃদেশীয় অপরাধ। কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছেন। একটি দেশে অমীমাংসিত থেকে যাওয়া সংকট পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে। এসময় রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা থেকে এই বাস্তুচ্যুতির অবসান ঘটাতে পাঁচটি ক্ষেত্রে কিছু জরুরি পদক্ষেপের প্রস্তাব রাখেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।  তার প্রস্তাবনাগুলো হলো:— প্রথমত, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও অন্যান্য রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সহায়তা করতে হবে এবং তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে, যা প্রত্যাবাসনের অনুকূল। দ্বিতীয়ত, রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে তাদের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা ফিরে যাওয়ার বিষয়ে আস্থা ফিরে পান। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। একইভাবে, আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সহায়তা করতে হবে। তাদের উদার আতিথেয়তার কারণে তাদের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়। চতুর্থত, টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে জবাবদিহি নিশ্চিতের প্রচেষ্টায় গাম্বিয়ার নেতৃত্বের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে আমরা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও স্বীকার করি, যেখানে ব্যক্তিগত অপরাধের দায় নির্ধারণের পাশাপাশি অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিচার ও তদন্তব্যবস্থাও কাজ করছে। আন্তর্জাতিক বিচারিক ও তদন্তব্যবস্থাগুলোকে অব্যাহত সহায়তা দিতে হবে। গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। পঞ্চমত, এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়া মাদকভিত্তিক অর্থনীতি, মানবপাচার, ডিজিটাল প্রতারণা, অবৈধ অস্ত্র এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। আরটিভি/এসআর  
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রতিযোগী নয়, বরং হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) প্রতিযোগী হিসেবে না দেখে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-প্রধান এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান। 
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রতিযোগী নয়, বরং হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বখ্যাত দানশীল সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক সুজম্যান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক
আরও পড়ুন
ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান
জাতিসংঘে ইরানকে দুটি প্রস্তাব দিলেন ট্রাম্প
পঞ্চাশ বছর পর আবারও ইরানের আকাশে অজ্ঞাত উড়ন্তযান, গভীর রহস্য
ইরান নিয়ে বড় কিছু ঘটতে চলেছে: ট্রাম্প