ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

ফুয়েল পাসে মিলছে বেশি তেল, কমেছে ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর জ্বালানি তেল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। ‘ফুয়েল পাস’ চালুর ফলে গ্রাহকরা একবারে তুলনামূলক বেশি তেল নিতে পারছেন, যা কয়েক দিন ব্যবহার করা যাচ্ছে।

এতে বারবার পাম্পে আসার প্রয়োজন কমে গিয়ে ভিড় ও লাইনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আগে যেখানে ৪-৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন তা কমে ১-২ ঘণ্টার মধ্যে নেমে এসেছে, যা গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে সরজমিনে দেখা যায়, বেশকিছু তেলের পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে তেল না থাকার কারণে। তবে আগের দিনের মজুদ থেকে তারা কেউ কেউ বেলা ১টা পর্যন্ত, আবার কোনো পাম্প বেলা ৩টা পর্যন্ত জ্বালানি সরবরাহ করে গেছেন। তবে পাম্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের তুলনায় লাইনের দৈর্ঘ্য কম এবং যানবাহনের চাপও নিয়ন্ত্রিত। ছুটির দিন হওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি থাকলেও পাম্পগুলোতে লাইনে দাঁড়ানোর সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগে যেখানে গ্রাহকদের ৪-৫ ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হতো, এখন ১-২ ঘণ্টার মধ্যেই জ্বালানি সংগ্রহ করা যাচ্ছে।

যদিও শুক্রবার সরকারি ছুটির কারণে ডিপো বন্ধ থাকায় তেলের নতুন সরবরাহ আসেনি, তবুও ফুয়েল পাসের প্রবর্তন এবং নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল বিক্রির সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার কারণে পাম্পগুলোতে মানুষের ভোগান্তি আগের চেয়ে অনেক কমেছে।

রমনা পেট্রল পাম্পের স্বত্বাধিকারী সোহাগ বলেন, আজ (শুক্রবার) হওয়ায় আমাদের এখানে কোনো তেলের গাড়ি আসেনি। গতকালের (বৃহস্পতিবার) মজুদ থেকেই দুপুর পর্যন্ত তেল সরবরাহ করতে পেরেছেন। আগামীকাল থেকে আবার গাড়ি এলে তেল সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে শুরু করতে পারব।

শাহবাগ এলাকার মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার পাম্পে গিয়ে সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকালের দিকে ভিড় তুলনামূলক কম ছিল, দুপুরের পর থেকে কিছুটা চাপ বেড়েছে। তবে লাইনের গতি আগের চেয়ে দ্রুত।

তেল নিতে আসা বুয়েটের একজন শিক্ষার্থী শামীম বলেন, আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হলেও এখন অপেক্ষার সময় অনেক কমেছে। শেষবার যখন তেল নিতে আসি সে সময় ৪ ঘণ্টা পরে তেল নিতে হয়েছে। আজ মাত্র ১ ঘণ্টাতেই তেল পেয়ে গেছি।

পাম্পের কর্মীরাও জানান, চাহিদা আগের মতোই থাকলেও ব্যবস্থাপনার কারণে লাইনে দাঁড়ানোর সময় কমে এসেছে।

আসাদগেট এলাকার সোনার বাংলা পাম্পে সরজমিনে দেখা গেছে, তেল না থাকায় বন্ধ করে রাখা হয়েছে পাম্প। সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগের মতো বিশৃঙ্খলা নেই। মজুদ থাকা তেল দিয়ে বেলা ৩টা পর্যন্ত সরবরাহ চালু রাখা সম্ভব হয়েছে। তবে নতুন তেল সরবরাহ না আসায় পরে বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছে।

রাজধানীর বেশ কয়েকটি পাম্পের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফুয়েল পাস ব্যবস্থার কারণে পাম্পে আসা যানবাহনের সংখ্যা কমে গেছে এবং লাইনের চাপ নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

তালুকদার ফিলিং স্টেশনের হিসাবরক্ষক বিমল কৃষ্ণ মৃধা বলেন, ফুয়েল পাসের কারণে তেলের লাইনের দীর্ঘ সময়টা কমে এসেছে। গ্রাহকরা এখন একবারে ১০০০-১২০০ টাকার তেল নিতে পারছেন, যা দিয়ে তাদের দুই-তিনদিন চলে যাচ্ছে। ফলে বারবার পাম্পে আসার প্রয়োজন পড়ছে না এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হচ্ছে।

তবে এ ব্যবস্থায় কিছু ক্ষেত্রে অসন্তোষও রয়েছে। কয়েকজন গ্রাহক অভিযোগ করেছেন, ফুয়েল পাস না থাকলে নির্দিষ্ট সীমার বেশি তেল পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে জরুরি প্রয়োজনেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে পাসধারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন।

আরও পড়ুন

এদিকে শুক্রবার সরকারি ছুটির কারণে ডিপো থেকে নতুন তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক পাম্পে মজুদ তেল দিয়েই বিক্রি চালাতে হয়েছে। কিছু পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়েছে। পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, ব্যাংক ও ডিপো খোলার পর নতুন করে সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতি আরো স্থিতিশীল হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের একগুচ্ছ কর্মসূচি
আগামী ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপনের লক্ষ্যে সরকার দেশব্যাপী ব্যাপক ও বিস্তৃত জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। গত ২৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ কর্মসূচিগুলো সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে পৃথক বাণী দেবেন। দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি পালিত হবে এবং দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে দেশের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপে জাতীয় পতাকা দিয়ে সুসজ্জিত করা হবে। জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে সুবিধাজনক সময়ে দেশের সব মসজিদে মিলাদ-মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুসদন, কিশোর সংশোধনী কেন্দ্র, শান্তি নিবাস এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর ব্যবস্থাপনায় দেশের সব শিশুপার্ক শিশুদের জন্য দিনব্যাপী বিনা টিকিটে উন্মুক্ত থাকবে। নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ আলোচনা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিওতে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার এবং সিনেমা হল ও ভ্যানযোগে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করা হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশাত্মবোধক গানের আসর, সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা এবং জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ে প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হবে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে বিশেষ স্মারক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে এবং বাংলাদেশ ক্যাডেট কোরের তত্ত্বাবধানে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে প্রদর্শিত হবে। এছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, এনটিএমসি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদর দপ্তরে মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবারের আয়োজন করা হবে। আরটিভি/এসআর
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের একগুচ্ছ কর্মসূচি
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে উত্তরায় সতর্ক পুলিশ
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর উত্তরায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উত্তরার রাজলক্ষ্মী থেকে বিমানবন্দর এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।   বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।  তবে উত্তরখান-দক্ষিণখান আঞ্চলিক সড়ক হয়ে জসিমউদ্দীন এলাকায় পোশাক শ্রমিকদের অবস্থান নেওয়ার কথা থাকলেও সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কাউকে সড়কে নামতে দেখা যায়নি। এছাড়া সকাল থেকে যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চলাচল স্বাভাবিক হয়। বুধবার উত্তরায় সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সব মার্কেট বন্ধ থাকায় লোকসমাগমও তুলনামূলক কম রয়েছে। সড়কে দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, এখানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তবে এখন পর্যন্ত পোশাক শ্রমিকদের কাউকে সড়কে নামতে দেখা যায়নি।   তিনি আরও জানান, দুই থেকে আড়াই হাজার লোক জড়ো হবেন- এমন একটি বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ ধরনের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। বার্তাটি সঠিক নয় বলেও জানান তিনি। আরটিভি/এসআর
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে উত্তরায় সতর্ক পুলিশ
এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতি, কঠোর অবস্থানে ইসি 
এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, কোনো কোনো কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং ফৌজদারি মামলা ও গ্রেফতারের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা।
এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতি, কঠোর অবস্থানে ইসি 
পোশাক শিল্পের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা চলছে
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ও অসন্তোষের মধ্যে পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের নতুন নিম্নতম মজুরি নির্ধারণে গঠিত মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শুরু হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা জজ শেখ আশফাকুর রহমান। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়।  বোর্ডের শিল্প শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শ্রম আইন অনুযায়ী তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক ও কর্মচারীদের নিম্নতম মজুরি হারের সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে গত ১ নভেম্বর নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনের পাশাপাশি পোশাক শিল্পের জন্য পৃথক মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। নতুন বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক এবিএম সামছুদ্দিন। অন্যদিকে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার। ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিল্পের মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা বোর্ডের সঙ্গে কাজ করেন। শ্রম আইনের ১৩৯ ধারা অনুযায়ী, মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ অথবা উভয় পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কোনো শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের উদ্যোগ নিতে পারে। সম্প্রতি শ্রম আইন সংশোধন করে শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময়সীমা পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে। এদিকে, ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে কয়েক দিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। বুধবারও ঢাকা ও গাজিপুরের কয়েকটি এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আরটিভি/এসআর  
পোশাক শিল্পের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা চলছে
আরও পড়ুন
সবজির বাজারে অস্বস্তি থামছেই না, হাঁসফাঁস ক্রেতাদের
ত্বকে চুলকানি? ঘরেই মিলতে পারে স্বস্তির ১২ উপায়
গরমে স্বস্তি দেয় যেসব খাবার
৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ফুয়েল পাসের রেজিস্ট্রেশন