ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ই-ফাইলিং ও স্মার্ট অফিস ব্যবস্থাপনায় বদলে যাচ্ছে সরকারি সেবা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি দপ্তরে কাগজনির্ভর কার্যক্রম কমিয়ে দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তুলতে দেশে ই-ফাইলিং ও স্মার্ট অফিস ব্যবস্থাপনার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার ফলে সরকারি সেবায় সময় ও ব্যয় কমছে।

পাশাপাশি নাগরিক সেবা আগের তুলনায় অনেক সহজ ও কার্যকর হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এটুআই কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের অধিকাংশ মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ই-নথি বা ই-ফাইলিং চালু রয়েছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তারা অফিসে উপস্থিত না থাকলেও অনলাইনের মাধ্যমে নথি নিষ্পত্তি, অনুমোদন ও দাপ্তরিক যোগাযোগ সম্পন্ন করতে পারছেন।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি বলেন, মন্ত্রণালয়ের ৮০ শতাংশ ফাইলের কাজ এখন ডিজিটালভাবে করা হচ্ছে। এতে সরকারি ফাইল নিষ্পত্তিতে সময় কমে আসছে। পাশাপাশি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নও দ্রুত কার্যকর হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির জানান, একসময় সরকারি ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যেতে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যেত।

বর্তমানে ই-ফাইলিং চালুর ফলে অনেক নথি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে। এতে যেমন প্রশাসনিক গতি বেড়েছে; তেমনি দুর্নীতি ও অপ্রয়োজনীয় দেরিও কমেছে।

অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, আগে ফাইলে নোটশিট পরিবর্তনের সুযোগ থাকত। আবার অনেকে নিজেদের হীন স্বার্থে অনেক সময় ফাইলের নোটশিট পরিবর্তন করে ফেলত। এখন ডিজিটাল নথি হওয়ার কারণে আগের মতো নোটশিট পরিবর্তনের সুযোগ নেই। ফলে দুর্নীতিও অনেকাংশে কমে আসছে বলা যায়।

তিনি বলেন, কোনো কর্মকর্তা ঢাকা বা দেশের বাইরে থাকলেও তিনি ফাইলে তার সম্মতি দিয়ে সই করতে পারছেন। সময় অপচয়ের সুযোগ থাকছে না। এতে সরকারি কাজের গতি, ট্রান্সপারেন্সি ও স্বচ্ছতা বেড়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকারি অফিসগুলোকে ধাপে ধাপে ‘স্মার্ট অফিসে’ রূপান্তর করা হচ্ছে। এর আওতায় ই-ফাইলিং, ডিজিটাল নথি সংরক্ষণ, অনলাইন মিটিং, ভার্চুয়াল দাপ্তরিক যোগাযোগ, অনলাইন ছুটি ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল হাজিরা এবং সেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মতো কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিদিন হাজার হাজার ই-নথি বিভিন্ন দপ্তরে নিষ্পত্তি হচ্ছে।

এতে কাগজ, প্রিন্টিং ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

কর্মকর্তাদের মতে, ই-ফাইলিং চালুর ফলে বছরে বিপুল পরিমাণ কাগজের ব্যবহার কমেছে, যা পরিবেশবান্ধব প্রশাসন গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ই-ফাইলিং শুধু প্রশাসনিক আধুনিকায়ন নয়, এটি সরকারি সেবার সংস্কৃতিতেও পরিবর্তন আনছে।

ফাইল কোথায় আটকে আছে তা জানতে অতীতে নাগরিকদের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হতো। এখন ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই নথির অগ্রগতি সহজে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনগুলোতে ভূমি সেবা, নামজারি, বিভিন্ন সনদ প্রদান, লাইসেন্স নবায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যক্রমেও স্মার্ট অফিস ব্যবস্থার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, অনলাইনভিত্তিক সেবা বৃদ্ধির ফলে নাগরিকদের অফিসে উপস্থিতির প্রয়োজন কমছে এবং ভোগান্তিও হ্রাস পাচ্ছে।

ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোমিন উদ্দিন বলেন, ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনার কারণে জরুরি সরকারি নির্দেশনা দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং উন্নয়ন প্রকল্প তদারকিতেও এই প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমেও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তাদের ই-নথি ব্যবস্থাপনা, সাইবার নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল অফিস পরিচালনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ই-ফাইলিং ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা, নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ এবং দক্ষ মানবসম্পদ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে সব সরকারি দপ্তরে সমন্বিত ডেটা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিব জানান, ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্য বিশ্লেষণ প্রযুক্তি এবং সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করে সরকারি অফিস ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে সেবাপ্রাপ্তির সময় আরও কমবে এবং প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ই-ফাইলিং ও স্মার্ট অফিস ব্যবস্থার সম্প্রসারণ দেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে আধুনিক ও গতিশীল করে তুলছে। প্রযুক্তিনির্ভর এই পরিবর্তন নাগরিক সেবাকে সহজ করার পাশাপাশি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনের পথেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ই-ফাইলিং চালুর ফলে সেবাপ্রার্থীরা সরকারি সেবা গ্রহণে আগের তুলনায় অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। একসময় একটি আবেদন জমা দেওয়া, ফাইলের অগ্রগতি জানা কিংবা অনুমোদন পেতে দিনের পর দিন অফিসে ঘুরতে হত। এখন ডিজিটাল ব্যবস্থার কারণে অনেক সেবা ঘরে বসেই পাওয়া যাচ্ছে।

সময় সাশ্রয়ের মাধ্যমে সেবাপ্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হচ্ছেন। অনলাইনে আবেদন জমা, নথি আপলোড এবং আবেদন অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকায় বারবার সরকারি অফিসে যেতে হচ্ছে না। ফলে যাতায়াত খরচ ও কর্মঘণ্টার অপচয়ও কমেছে।

রাজশাহীর সেবাপ্রার্থী শারমিন আক্তার বলেন, ‘ই-ফাইলিংয়ের কারণে কাজের গতি বেড়েছে। আগে একটি ফাইল কোথায় আছে তা জানতে অনেক সময় লাগত, এখন কর্মকর্তারাও দ্রুত সাড়া দেন।’

দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর প্রতি নির্ভরতাও অনেকাংশে কমেছে। বিশেষ করে ভূমিসেবা, বিভিন্ন সনদ, লাইসেন্স নবায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আবেদন প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল ব্যবস্থা সাধারণ মানুষকে সরাসরি সেবা পাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। এতে অতিরিক্ত খরচের প্রবণতাও কমছে।

গ্রামীণ এলাকার সেবাপ্রার্থীরাও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা সহজে গ্রহণ করতে পারছেন। এতে শহর-গ্রামের সেবাবৈষম্য কিছুটা হলেও কমেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আরও পড়ুন

নারী, প্রবীণ ব্যক্তি ও কর্মজীবীদের জন্যও ই-ফাইলিং বড় সুবিধা তৈরি করেছে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো বা দিনের পর দিন অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন কমে যাওয়ায় তারা সহজে ও দ্রুত সেবা নিতে পারছেন।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, ই-ফাইলিং শুধু প্রশাসনিক গতি বাড়াচ্ছে না, এটি নাগরিকবান্ধব সেবা নিশ্চিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সমন্বিত ডিজিটাল ডেটাব্যবস্থা যুক্ত হলে সরকারি সেবা আরও দ্রুত, সহজ ও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বেসামরিক স্থাপনা, বিশেষ করে বিমানবন্দরে হুথি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা
৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
আগামী ৭ নভেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে গ্রাম পুলিশ সমাবেশ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে আগামী মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রস্তুতিমূলক সভা ডেকেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এদিন বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক নোটিশে এ তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। নোটিশ অনুযায়ী, প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দেবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সভায় সভাপতিত্ব করবেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান। গ্রাম পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দফাদার ও মহল্লাদার পদে দায়িত্ব পালনকারী এ বাহিনীর সদস্যরা গ্রামীণ এলাকায় পাহারা ও টহল দেওয়া, অপরাধ দমনে থানা পুলিশকে সহায়তা করা, অপরাধসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি কাজে সহযোগিতা করেন। তবে দায়িত্বের তুলনায় বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা কম থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সংগঠন জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তি, বেতন গ্রেড পুনর্নির্ধারণ, রেশন, চিকিৎসা ও ঝুঁকি ভাতা এবং অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছে।  এ ছাড়া বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং চাকরির সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবিও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। আরটিভি/এসআর ‎  
৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা বনানীতে, দাফন মিরপুরে
শনিবার (৯ অক্টোবর) সকালে লন্ডন থেকে তার মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা বনানীতে, দাফন মিরপুরে
ঢাকায় প্রতি রুটে চলবে নির্দিষ্ট এক কোম্পানির বাস: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকার গণপরিবহণে শৃঙ্খলা ফেরানোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্রুত ঢাকার বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশন (সুনির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় আনা) বাস্তবায়নেরও নির্দেশ নিয়েছেন তিনি। এ পদ্ধতিতে একটি রুটে একাধিক নয়; মাত্র একটি কোম্পানির ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বাস চলবে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সংশ্লিষ্টদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  এ নির্দেশ দেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাস রুট রেশনালাইজেশনের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও বাস মালিক সমিতিকে। নতুন এই ব্যবস্থায় প্রত্যেক রুটে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির বাস চলবে। গাড়ির ফিটনেস, শৃঙ্খলা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি তারাই নিশ্চিত করবে। এ ছাড়া কাউন্টারভিত্তিক যাত্রীসেবা, ই-টিকিটিং ও জিপিএস ট্র্যাকিংয়েরও পরিকল্পনা রয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) সমীক্ষায় বর্তমানে সচল ৯৮টি রুট ও ৬৬টি কোম্পানিকে পুনর্গঠন করে ৩২টি ক্লাস্টার রুটে একীভূত করা হবে। বিআরটিএ এবং মালিক সমিতির সমন্বয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রথম দুটি অগ্রাধিকার রুট চূড়ান্ত করা হবে। একই দিনে পৃথক আরেকটি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো জোরদারে প্রতিটি ইউনিয়নে মিনি স্টেডিয়াম ও খেলার মাঠ গড়ে তোলার কঠোর নির্দেশ দেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশে অন্তত এক হাজার খেলার মাঠ প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতি ২-৩টি ওয়ার্ডের বিপরীতে ন্যূনতম একটি খেলার মাঠ নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় একযোগে ক্রীড়া কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বুয়েটের নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পিতা বরকত উল্লাহসহ তার পরিবারের সদস্যরা। সাক্ষাতকালে আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হলে তিনি বলেন, উচ্চ আদালতে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সরকারের পক্ষ থেকে আবরারের পরিবারকে সব ধরনের আইনগত ও নৈতিক সহায়তা দেওয়া অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
ঢাকায় প্রতি রুটে চলবে নির্দিষ্ট এক কোম্পানির বাস: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন গিয়াস উদ্দিন রিমন
ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমনকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিব মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন গিয়াস উদ্দিন রিমন
আরও পড়ুন
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন নবাব হোসেন
‘বৃক্ষ হত্যাকারীদের’ ধরতে প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময় দিলেন ডেপুটি স্পিকার
বিপিসির শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল
ঈদের ছুটিতে মাঠ প্রশাসনের অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে কন্ট্রোল রুম চালু