ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

আদ্–দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যু

কক্ষে শ্বাসরুদ্ধকরের মতো পরিস্থিতি পাওয়া গেছে: স্বাস্থ্য ডিজি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মগবাজারে আদ্–দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন দেবে বলেও তিনি জানান।

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে হাসপাতালের পোস্টডেলিভারি ওয়ার্ড পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা সাংবাদিকদের জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. জাহিদ রায়হান এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে ভোরবেলায় এই কক্ষে এসি–সংক্রান্ত জটিলতা অথবা অন্য যেকোনো কারণে এখানে একটি শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের মতো পরিস্থিতি পাওয়া গেছে। আমরা দেখেছি, এসিটি এমনভাবে ছিল যে এটি বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে আর কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে এখানে চিকিৎসাধীন ছয়টি শিশুকে আমরা হারিয়েছি।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, এখানে ১১ জন মা ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন মা তাঁদের নবজাতক নিয়ে ছিলেন। নবজাতকদের বয়স এক থেকে তিন দিনের মধ্যে। বাকি পাঁচজন নবজাতক এনআইসিইউতে (বিশেষ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) চিকিৎসাধীন ছিল। জন্মগত জটিলতার কারণে তারা সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছিল।’

তদন্ত কমিটি গঠনের তথ্য জানিয়ে অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘শিশু মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এর মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল উইংয়ের উপপরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরেকজন কর্মকর্তাকে রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনার কোনো ত্রুটি ছিল কিনা তদন্ত কমিটি তা খতিয়ে দেখবে বলেও জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। পাশাপাশি শিশুদের চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না এবং যে কক্ষে তারা ছিল, সেই পরিবেশে কোনো সমস্যা ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখা হবে বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে এসি–সংক্রান্ত বা অন্য কোনো কারিগরি ত্রুটি থাকলে সেগুলোও নির্ণয় করা হবে। প্রয়োজনে কারিগরি বিশেষজ্ঞও কমিটিতে যুক্ত করা হবে। যদি কোনো প্রযুক্তিগত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামতের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাদের কো-অপ্ট করা হবে।’

প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে জানান মহাপরিচালক। সেবায় কোনো গাফিলতি, দায়িত্বে অবহেলা কিংবা অবকাঠামোগত বা কারিগরি ত্রুটি পাওয়া গেলে স্তরভেদে যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সকালে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় পোস্টঅপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এসির গ্যাসলাইনে লিকেজ বা অন্য কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। রমনা থানার পুলিশ বলছে, তারা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ
শ্রমিক অসন্তোষ, মজুরি বৃদ্ধির দাবি এবং একের পর এক কারখানা বন্ধের ঘটনায় চাপে রয়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। দীর্ঘদিনের মজুরি নিয়ে অসন্তোষ নিরসনে বোর্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ায় নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে শ্রমিকদের মধ্যে। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে আজ গঠিত মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) শুধু সভা আয়োজন নয়, দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত এবং তার বাস্তবায়নই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বিজিএমইএ, ট্রেড ইউনিয়ন নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রথম সভার মধ্য দিয়ে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি, মালিকপক্ষের সক্ষমতা এবং শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। গত রোববার (১ নভেম্বর) শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ছয় সদস্যের এ মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন। একই দিন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে।বাংলা সংবাদ বোর্ড গঠনের পেছনে রয়েছে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের মজুরি বৃদ্ধির দাবি। বর্তমানে পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যদিকে, শ্রমিকদের দাবি, এ মজুরি বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করতে হবে।  দ্রব্যমূল্য, বাসাভাড়া, পরিবহন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে বর্তমান মজুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করছেন শ্রমিকরা। ফলে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ব্যয় কতটা গুরুত্ব পায়, সেটিও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এদিকে মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা এলেও শ্রমিকদের আন্দোলন থেমে থাকেনি। গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা, মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।  ১ নভেম্বর বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিক অসন্তোষে দেশের পাঁচটি শিল্পাঞ্চলের ৫২৯টি কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়। ওই দিন প্রায় ৯ লাখ ৮৭ হাজার শ্রমিক কর্মস্থল ছেড়ে বেরিয়ে যান। এ পরিস্থিতিতে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে মালিকপক্ষের মধ্যে। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যত দ্রুত সম্ভব মজুরি বোর্ডের সভা আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছি। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। তিনি বলেন, আমরা কারখানাগুলো চালু রাখার চেষ্টা করছি। শিল্প ও শ্রমিকদের স্বার্থে শ্রমিকদের ভাঙচুর ও বিক্ষোভ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যদিকে, শ্রমিকদের পক্ষ থেকে দ্রুত নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার পাশাপাশি তা কার্যকরের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা জানানোর দাবি রয়েছে। সংশোধিত শ্রম আইন অনুযায়ী, নতুন মজুরি কাঠামো ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। সব মিলিয়ে মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা পোশাকশিল্পের চলমান সংকট নিরসনের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। তবে শ্রমিকদের প্রত্যাশা ও মালিকপক্ষের সামর্থ্যের মধ্যে সমন্বয় করা সহজ হবে না। একদিকে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নিশ্চিত করা, অন্যদিকে শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা-দুই দিক সামলাতে হবে বোর্ডকে।  তাই আজকের সভায় শুধু আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু নয়, নতুন মজুরি নির্ধারণের সময়সীমা ও পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে কী দিকনির্দেশনা আসে, সেদিকেই নজর থাকবে শ্রমিক, মালিক ও সংশ্লিষ্ট সবার। আরটিভি/এসআর
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ
শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের পরিপ্রেক্ষিতে কারখানার উৎপাদন সচল রাখতে এবং বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রেখে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকরা।
শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের
গাজীপুরে আন্দোলনের সময় আহত সেই পোশাক শ্রমিক মারা গেছেন
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনের সময় গাজীপুরে আহত পোশাক শ্রমিক তৌফিক শেখ (২২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবিবর রহমান তবির ছেলে তিনি। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহফুজ। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তৌফিকের মরদেহ গ্রামের বাড়ি এসে পৌঁছেছে। আগামীকাল বুধবার তার দাফন হবে। কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৌফিক মারা যান। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ছয়ঘরিয়ে গ্রামে তার জানাজা হবে। এরপর গ্রামের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। স্বজনরা জানান, তৌফিক ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। বাবার মৃত্যুর পর জীবন-জীবিকার তাগিদে তৌফিক এক বন্ধুর মাধ্যমে গাজীপুরের পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। তিনি বাংলাবাজার এলাকায় বাসা ভাড়ায় বসবাস করতেন। তৌফিক শেখের বড় ভাই হারুন মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, কয়েক দিন ধরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলছে। সোমবার আন্দোলন চলাকালে তৌফিক হামলার ঘটনার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার চেষ্টা করছিলেন। তিনি বলেন, এ সময় হামলাকারীরা তার ওপর চড়াও হয় এবং তাকে বেধড়ক মারপিট করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে আন্দোলনরত শ্রমিকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা গেছে আমার ভাই। আরটিভি/এসআর
গাজীপুরে আন্দোলনের সময় আহত সেই পোশাক শ্রমিক মারা গেছেন
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দখল করার আগেই পোশাক শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত কয়েক দিনের মতো আজও উত্তপ্ত রয়েছে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা। পদ্মার মোড়ে জড়ো হয়ে একসঙ্গে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ দুই দফায় কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এতে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে এই ঘটনা ঘটে। তবে ছত্রভঙ্গ হওয়ার পরও শ্রমিকরা বিচ্ছিন্নভাবে আশপাশের বিভিন্ন গলি ও সড়কে অবস্থান নেন। এতে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই ঘটনার পর সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে পদ্মার মোড় ও হেমায়েতপুর এলাকার আটটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।  কারখানাগুলো হলো— দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স ওভেন লিমিটেড, দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স ওয়াশ লিমিটেড, সামশ স্টাইলিং ওয়্যার লিমিটেড, রূপকথা অ্যাপারেলস লিমিটেড, পদ্মা ক্যান্স লিমিটেড, ব্যাবিলন ক্যাজুয়াল ওয়্যার লিমিটেড, অবনী নিট ওয়্যার লিমিটেড এবং জিন্স ম্যানুফ্যাকচার লিমিটেড। এ ছাড়া ম্যাক্সকম ইন্টারন্যাশনাল বিডি লিমিটেড ও পাইওনিয়ার অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানা দুটিতে কর্মবিরতি চলছে। আরটিভি/এসআর
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দখল করার আগেই পোশাক শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ
তিন দিনের সফরে ঢাকায় চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী লিউ হাইশিং
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং তিন দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন। সফরকালে তিনি রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া তিনি রাজনৈতিক সংলাপ, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কিত অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
তিন দিনের সফরে ঢাকায় চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী লিউ হাইশিং
আরও পড়ুন
মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন
শিল্পাঞ্চলের ৩ কারখানায় আচমকা হামলা
মন কাড়ছে টাটকা-নতুন শীতের সবজি, হাত দেওয়া বারণ!
রাজধানীতে গাড়িচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু, সেই কিশোরের জামিন মঞ্জুর