ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বেনজীরকে বাংলাদেশে ফেরত নেওয়ার আহ্বান আমিরাতের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
বেনজীর আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘এনসিবি আবুধাবি’ থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ‘এনসিবি ঢাকা’ শাখায় এ আহ্বান জানিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন (এক্সট্রাডিশন রিকোয়েস্ট) পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিচারিক কর্তৃপক্ষের সামনে হাজির করা হয়। এ সময় আদালত দেশটির ‘ফেডারেল আইন নং ৩৯/২০০৬’-এর ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

চিঠিতে লেখা হয়েছে, বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার ভিত্তিতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ (নং- A-5174/4-2025) অনুযায়ী বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, এই গ্রেপ্তারের পর ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক মাধ্যমের সাহায্যে লিখিতভাবে বাংলাদেশ সরকারকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ জমা দিতে হবে। অন্যথায় আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

আরব আমিরাতের ফেডারেল আইন অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের জন্য মূল অনুরোধপত্রের সঙ্গে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সম্পূর্ণ আরবি ভাষায় অনুবাদ করে, উপযুক্ত স্বাক্ষর ও সিলমোহরসহ জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় নথিসমূহ নিম্নরূপ:

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম, বিস্তারিত বিবরণ, ছবি এবং তার জাতীয়তা ও আবাসন সংক্রান্ত তথ্য।

২. যে অপরাধের জন্য তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, বাংলাদেশের আইনে তার সুনির্দিষ্ট ধারা, সর্বোচ্চ শাস্তি এবং সীমাবদ্ধতার সংবিধির কপি।

৩. বাংলাদেশের বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারিকৃত আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা।

৪. মামলার ঘটনার বিবরণ, অপরাধের ধরন, সময় ও স্থান উল্লেখপূর্বক তদন্ত প্রতিবেদনের অনুলিপি।

৫. যদি ব্যক্তিটি ইতোমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন, তবে আদালতের রায় এবং সাজা কার্যকরের আনুষ্ঠানিক অনুলিপি।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ অনুযায়ী সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হন বেনজীর আহমেদ। লন্ডন থেকে এশিয়ার একটি দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে দুবাই ট্রানজিটে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ছিলেন। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ‘নতুন মাত্রা’
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা জোরদার করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। প্রচলিত টহল ও জনবলনির্ভর ব্যবস্থার পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা, থার্মাল ইমেজিং, নাইট ভিশন ডিভাইস, ড্রোন, রাডার ও আধুনিক যোগাযোগপ্রযুক্তির ব্যবহার সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ‘নতুন মাত্রা’
প্রবাসী‌দের জন্য বি‌শেষ ট্রাইব্যুনাল কর‌ছে সরকার: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রবাসী‌দের জন‌্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বা বিশেষ আদালত গঠন করার প‌রিকল্পনা হা‌তে নি‌য়ে‌ছে সরকার। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর এক‌টি হো‌টে‌লে রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) ৩০ বছর উদযাপন অনুষ্ঠা‌নে এ তথ‌্য জানান তি‌নি। আইনমন্ত্রী ব‌লেন, আমা‌দের শ্রম আদালত রয়েছে। বাংলা‌দে‌শের অভ‌্যন্ত‌রে শ্রমিক‌দের জন‌্য বি‌শেষ শ্রম আদালত গঠন করা হ‌য়ে‌ছে, শ্রমিক আইন করা হ‌য়ে‌ছে। কিন্তু আমা‌দের প্রবাসীরা বি‌দেশ থে‌কে বাংলা‌দে‌শে টাকা পাঠা‌নোর প‌র যখন প‌রিবা‌রের সদস‌্যদের কা‌ছে টাকা ফেরত চাই‌তে যান, কিংবা তা‌দের সম্প‌ত্তি নি‌য়ে বি‌রোধ তৈ‌রি হয়, তখন বছ‌রের পর বছ‌র তারা (প্রবাসীরা) আমা‌দের আইনজীবী‌দের প‌কে‌টে টাকা দেন, মামলা কর‌তে থা‌কেন, তা‌দের জীবন শেষ হ‌য়ে যায় মামলা টেকঅ‌্যাপ (বিচারক কর্তৃক শুনানির জন্য কোনো নির্দিষ্ট মামলার কার্যক্রম) কর‌তে গি‌য়ে। তিনি ব‌লেন, প্রবাসী‌দের জন‌্য আমরা বি‌শেষ আদালত গঠন করব বি‌শেষ ক‌রে ডি‌ভিশনাল হেড‌কোয়ার্টা‌রে। যে আদালত শুধুমাত্র প্রবাসী‌দের যেকো‌নো ধর‌নের সম্পদ সহায়তা দি‌তে পার‌বে, যে‌কো‌নো ধর‌নের প্রবাসী মামলা এই আদালত দেখ‌তে পার‌বে, বিশেষায়িত আদালত। তিনি আরও বলেন, এই প‌রিকল্পনা আমরা হা‌তে নি‌য়েছি এবং আশা ক‌রি এটা আমরা অচিরেই শুরু কর‌তে পারব। আরটিভি/এমএ
প্রবাসী‌দের জন্য বি‌শেষ ট্রাইব্যুনাল কর‌ছে সরকার: আইনমন্ত্রী
দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপদ যাতায়াতে ১৬ নির্দেশনা
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এ সময় নৌদুর্ঘটনা মোকাবিলায় উদ্ধারকারী জাহাজ প্রস্তুত রাখা, ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল বন্ধ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধ এবং রাতে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখাসহ ১৬টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপদ যাতায়াতে ১৬ নির্দেশনা
দেশজুড়ে নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান, ৪২ জেলায় ১২০ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ফল, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য কারসাজি, অতিরিক্ত দাম আদায় ও সরবরাহে অনিয়ম ঠেকাতে দেশজুড়ে বিশেষ তদারকি অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
দেশজুড়ে নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান, ৪২ জেলায় ১২০ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
দুর্গাপূজায় যাত্রীদের নিরাপত্তায় থাকছে ৩৫ মোবাইল কোর্ট: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
দুর্গাপূজায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঈদের ছুটির আদলে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে নৌপথের টার্মিনাল ও ফেরিঘাটে বাড়তি নজরদারি, অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন এবং ৩৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূজার ছুটিতে মানুষ যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বস্তিতে গ্রামের বাড়ি কিংবা পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে ভোগান্তি কমানো এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, এবার পূজার ছুটি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দীর্ঘ হওয়ায় যাত্রী চলাচল বাড়তে পারে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পূজা উদযাপনে বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি অন্য ধর্মের মানুষও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামে কিংবা বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে যেতে পারেন। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই ঈদের ছুটির মতো বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং পরিবহনসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথ সভা হয়েছে। সভায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, সদরঘাটসহ দেশের বিভিন্ন নৌবন্দর ও টার্মিনাল ছুটি শুরুর আগেই প্রস্তুত রাখা হবে। পাটুরিয়াসহ দেশের ১২ থেকে ১৩টি চালু ফেরিঘাটে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীচাপ বাড়লে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হবে, যাতে নিয়মিত পরিবহনের বাইরে বাড়তি যাত্রী ও যানবহন পারাপার করা যায়। ছুটির সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন নৌবন্দর ও ফেরিঘাটে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে মোতায়েন করা হবে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং মন্ত্রণালয় থেকে তা সার্বক্ষণিক তদারকি করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। যানজট ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের কথা জানিয়ে রাজীব আহসান বলেন, ঈদের মতো এবারও প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিজিবি ও আনসার সদস্যদেরও কাজে লাগানো হবে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং ঘাট বা সড়কে কোনো জটিলতা তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ২৫ থেকে ৩০ জন অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৩৫টি মোবাইল কোর্ট প্রস্তুত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফেরিঘাটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘাটগুলোতে নজরদারি বাড়াতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং অনুমতি ছাড়া বাস প্রবেশ রোধে স্থায়ী ব্যারিকেড নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ফেরিতে ওঠানামার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাস থেকে যাত্রী নামানো এবং ফেরি থেকে বাস ওঠানামার নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে হঠাৎ ঝড় বা বৈরী আবহাওয়া তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে নৌযান চলাচল ও যাত্রী নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সদরঘাটের ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ পথে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হলে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলগামী সড়কপথের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা কাটিয়ে সদরঘাটকে আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার কাজ চলছে। নৌপথের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বড় লঞ্চে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক যাত্রী পরিবহন সম্ভব। ঈদের সময় প্রতিদিন শতাধিক বড় লঞ্চ চলাচল করলেও স্বাভাবিক ছুটিতে এ সংখ্যা কম থাকে। তবে নৌপথের সক্ষমতা যথাযথভাবে কাজে লাগালে সড়কপথের ওপর থেকে যাত্রীচাপ কমানো সম্ভব হবে। সবশেষে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকারের নেওয়া সমন্বিত প্রস্তুতির ফলে পূজার ছুটিতে মানুষ নিরাপদে ও স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারবেন। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন, পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। আরটিভি/এসআর
দুর্গাপূজায় যাত্রীদের নিরাপত্তায় থাকছে ৩৫ মোবাইল কোর্ট: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
আরও পড়ুন
অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
২০৩০ সালে একই বছরে দুইবার রমজান, কেন ঘটবে এমন বিরল ঘটনা?
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো আলজেরিয়া