ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, কৃষি, বাণিজ্য, শ্রম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে নজরুল ইসলাম খান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। এ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ করতে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আয়তনে ছোট হলেও এখানে বিপুল জনগোষ্ঠীর বসবাস। দেশের মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষির আধুনিকায়ন, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষিপণ্যের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি জরুরি। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নজরুল ইসলাম খান জানান, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার কাজ করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কৃষি কার্ড কর্মসূচি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সম্ভাবনা অনুযায়ী বিশেষ পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি চরাঞ্চলসহ দুর্গম এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সুবিধা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এসব এলাকায় সৌরবিদ্যুৎসহ পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো গেলে কৃষি উৎপাদন, সেচ, পণ্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় কর্মসংস্থানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে আমসহ বাংলাদেশের কৃষিপণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, কৃষিপণ্য উৎপাদনের পর মানসম্মতভাবে সংরক্ষণ, পরিবহন ও রপ্তানির জন্য কার্যকর কোল্ড চেইন এবং রেফ্রিজারেটেড পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এসব অবকাঠামো ও প্রযুক্তি উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে আমদানি হওয়া মার্কিন পণ্য বন্দরে খালাসের ক্ষেত্রে বিদ্যমান দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকার বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্দরের কার্যক্রমে গতি আনা এবং আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা দূর করতে কাজ করছে। শিগগিরই এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে শ্রমিকদের অধিকার, কর্মপরিবেশ, ট্রেড ইউনিয়ন এবং শ্রম আইন সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সংশোধিত শ্রম আইনে শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষা জোরদার, আন্তর্জাতিক শ্রমমানের সঙ্গে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠা এবং ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ ইতিবাচক।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সরকার এমন একটি শ্রমব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষিত থাকবে, একই সঙ্গে শিল্পের উৎপাদন ও বিনিয়োগের পরিবেশও বজায় থাকবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পসহ অন্যান্য শিল্প খাতে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও শ্রমমান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তবে এখানেই থেমে থাকার সুযোগ নেই। ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রম শক্তিশালী করা, শ্রমিকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি, মালিক-শ্রমিকের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি এবং আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। নজরুল ইসলাম খান বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের একটি নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধান জরুরি। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা এবং মিয়ানমারের ওপর প্রয়োজনীয় চাপ অব্যাহত রাখা দরকার। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি একটি জটিল সংকট এবং এর সমাধানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

শিক্ষা খাতের আলোচনায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, যোগ্যতা যাচাই এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নের বিষয় উঠে আসে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কয়েকটি অঞ্চলে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্র নতুন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। রোগ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা উন্নয়নে এ সহযোগিতা পরিচালিত হবে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি কৃষি, বাণিজ্য, শ্রম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট (Erin Covert), পলিটিক্যাল অফিসার জেমস এ. স্টুয়ার্ট (James A. Stewart) এবং লেবার অ্যাটাশে লিনা খান (Leena Khan)। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এবং সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের বৈঠক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ৩৪তম তলায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।  এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে গঠনমূলক মতবিনিময় হয়। দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।  বৈঠকে উভয় পক্ষ অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে। আরটিভি/এসআর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের বৈঠক
নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকাকে ন্যায্য স্থান দেওয়ার আহ্বান খলিলুর রহমানের 
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার দীর্ঘদিনের প্রতিনিধিত্বের ঘাটতি দূর করা অত্যন্ত জরুরি। এটি কেবল কোনো শর্তাধীন বিষয় নয়, বরং এটি সরাসরি ন্যায়বিচার এবং খোদ জাতিসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকাকে ন্যায্য স্থান দেওয়ার আহ্বান খলিলুর রহমানের 
শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সততা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শুধু শিক্ষিত হয়ে চাকরি বা একটি ভালো পদে অধিষ্ঠিত হলেই হবে না; দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ‘নবীন বরণ-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আপনারা মেধাবীদের মধ্যে সেরা মেধাবী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মই হয়েছিল প্রতিভাবানদের জন্য। বিশ্বের যে প্রান্তেই যান, আপনারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবেন।’ এ সময় স্পিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমিও আপনাদের মতো ১৯৮৯-৯০ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের একজন ছাত্র ছিলাম। ছাত্রজীবনের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। আজ এই মিলনায়তনে এসে মনে হচ্ছে, যেন আবার সেই দিনগুলোতে ফিরে গেছি।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়; বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও জাতীয় মুক্তির ইতিহাসের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। তিনি আরও বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আন্দোলনে এ বিশ্ববিদ্যালয় পথ প্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। দেশ যখনই কোনো সংকট, দুর্যোগ বা জাতীয় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, তখনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ডেপুটি স্পিকার। তিনি বলেন, কঠিন সময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় জাতির জন্য আশা, প্রেরণা ও সম্ভাবনার প্রতীক। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস, অধ্যবসায় ও শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘মেধা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মেধার সঠিক বিকাশ ঘটে অধ্যবসায়, সততা, শৃঙ্খলা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে।’ তিনি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মুক্তচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার আহ্বান জানান। দেশের প্রতি দায়িত্ববান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কায়সার কামাল বলেন, ‘শুধু বিসিএস দিয়ে একটি সুন্দর চেয়ারে বসলে হবে না, দেশের প্রতি দায়িত্ববান হতে হবে। নিজেকে স্বনামধন্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আর কখনও রাজপথে গিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে চাই না। আমরা মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চাই। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করতে হবে, যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।’ অনুষ্ঠানে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক, নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থী, আমন্ত্রিত অতিথি, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় জাতিসংঘে চার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
জাতিসংঘ সভাপতির দপ্তরে দায়িত্ব পেলেন জাইমা রহমান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।  জাতিসংঘের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে বিভিন্ন নির্বাহী পদে মোট ৪০ জন দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি। বাকিরা হলেন— আব্দুল আলিম, মোয়াজ্জেম হোসেন, মাফিজুল ইসলাম, জাকির আহমেদ ও মো. রফিকুল আলম মোল্লা। জাইমা রহমান কার্যালয়ের লিগ্যাল অফিসার হিসেবে আইনি বিষয়গুলো দেখাশোনা করবেন। আব্দুল আলিম ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি দীর্ঘদিন কূটনৈতিক পেশায় রয়েছেন এবং এর আগে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের মিশনে কাজ করেছেন। মোয়াজ্জেম হোসেন উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মাফিজুল ইসলাম তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলগত পূর্বাভাসবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন।  জাকির আহমেদ টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দেশগুলোবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। উল্লেখ্য, জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনি। জাইমা লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। পরে যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হন। খলিলুর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ২ জুন ২০২৬ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের সভাপতি সরাসরি জাতিসংঘের কর্মী নন এবং সংস্থাটি থেকে নিয়মিত বেতন পান না। সভাপতির বেতন-ভাতা, আবাসন বা বাড়িভাড়াসহ বিভিন্ন খরচ সাধারণত সংশ্লিষ্ট দেশ বা সরকার বহন করে। তবে কিছু ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিয়মিত বাজেট ও ট্রাস্ট ফান্ড থেকেও ব্যয় নির্বাহ করা হয়। খলিলুর রহমানের ৮১তম অধিবেশনের কার্যালয়ের কার্যক্রমে সহায়তার জন্য সদস্যদেশগুলোর স্বেচ্ছা অনুদানে একটি ট্রাস্ট ফান্ডও রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই তহবিলে ১০টি দেশ মোট ১২ লাখ ৮৮ হাজার ২৩৭ মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আরটিভি/এসআর
জাতিসংঘ সভাপতির দপ্তরে দায়িত্ব পেলেন জাইমা রহমান
আরও পড়ুন
আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বাংলাদেশের সিদ্ধান্তকে স্বাগত যুক্তরাষ্ট্রের
কাচ্চি বিরিয়ানি, সেই স্বাদ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর তারিখ জানালেন বিমানমন্ত্রী
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের: তথ্যমন্ত্রী