ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

খুনি হাসিনার ফাঁসির দড়ি আমরা হাতে নিয়ে বসে আছি: ইশরাক হোসেন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। ছবি: সৌজন্য

খুনি হাসিনার ফাঁসির দড়ি আমরা হাতে নিয়ে বসে আছি বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাঘগুজারা এলাকায় জুলাই আন্দোলনের শহিদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে ওয়াসিম আকরামের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গণহত্যা এবং বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত গুম, খুন ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় এনে সেই বিচার কার্যকর করতে হবে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে তিনি সরকারপ্রধানের সঙ্গে বিষয়টি উত্থাপন করবেন এবং দ্রুততম সময়ে বিচার কার্যকরের জন্য কাজ করবেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, তিনি নিজে জুলাইয়ের স্বপক্ষের একজন মানুষ, একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের রাজপথের কর্মী হিসেবে চান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, যারা নির্দেশদাতা ছিল এবং যারা মাঠপর্যায়ে সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করেছে, তাদের সবার বিচার হোক। একই সঙ্গে বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত গুম, খুন, হত্যাকাণ্ড এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদেরও বিচার চান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু কাগজে-কলমে বিচার হলেই হবে না, সেই বিচার কার্যকরও করতে হবে। বিচার কার্যকর করার জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন এবং জনগণের দাবির প্রতিফলন হিসেবেই তা বাস্তবায়ন করতে চান।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা এখনও দেশের বাইরে থেকে দেশে ফিরে আসার হুমকি দিচ্ছেন—এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খুনি হাসিনার ফাঁসির দড়ি আমরা হাতে নিয়ে বসে আছি। দূর থেকে বাংলাদেশে ফিরে এসে আবারও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার যে বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, তা বিলুপ্তপ্রায় রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার একটি চেষ্টা মাত্র।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা সংগ্রাম করেছেন এবং যাদের ভাইদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের দৃষ্টিতে এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরা যদি কোনোদিন বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে আসে, তবে রাজনীতি করা তো দূরের কথা, বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখা মাত্রই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য যা যা করণীয়, সবকিছু করা হবে।

ইশরাক হোসেন বলেন, এই আন্দোলনে অংশ নেওয়া কোটি কোটি মানুষ, বিশেষ করে লাখো যুবক এখনও জীবিত রয়েছেন। তার মতে, বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। বর্তমানে যে ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, তা কেবল রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ক্ষুদ্র প্রয়াস। সেটিকে কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, আমরা তাদের ফাঁসির দড়ি হাতে নিয়ে বসে আছি। তারা বাংলাদেশে আসুক, আমরাও দেখিয়ে দেব যে বাংলাদেশের জনগণ কীভাবে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জানে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমরা সেটিই দেখিয়েছি, ইনশাআল্লাহ।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ২০২৪ সালের আজকের এই দিনে ছয়জন শহিদ হয়েছিলেন। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি মাইলফলক। আবু সাঈদ, ওয়াসিমরা আমাদের পথ দেখিয়েছিলেন—জুলাই থেকে আর ফেরার পথ নেই।

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের পরিসমাপ্তি হয়েছিল জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। শহিদ ওয়াসিমসহ প্রায় দুই হাজার মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে সেই আন্দোলন সফল হয়েছে।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দীন আহমেদ (এনডিসি), পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), ওয়াসিম আকরামের বাবা, কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ জেলা ও উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ‘কোটা নয়, মেধা’ স্লোগানে ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে গড়ে ওঠা জুলাই আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ছিলেন ওয়াসিম আকরাম। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি পেকুয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে পুরো নিশ্চিহ্ন দেশের ৩০০ পরিবার
রোববার (৮ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এমনই তথ্য প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। 
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে পুরো নিশ্চিহ্ন দেশের ৩০০ পরিবার
বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য সরকারের: ববি হাজ্জাজ
শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শিখন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলামে একটি শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সরকারের এ পরিকল্পনার কথা জানান।  সাক্ষাৎকারে তিনি প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, দেশব্যাপী মিড-ডে মিল কর্মসূচি সম্প্রসারণ, ক্লাসরুমে প্রযুক্তির ব্যবহারসহ প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়ন ও সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।  ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম ও শিখনপদ্ধতি প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শিখন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি পরিমার্জিত ও উন্নত কারিকুলাম প্রণয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-কে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন কারিকুলামে বিদ্যালয়ভেদে শিখন ঘণ্টার বৈষম্য দূর করা, প্রতিটি বিষয়ের পাঠদান ও শিখন উপকরণকে আরও বিজ্ঞানসম্মত, সহজবোধ্য ও বয়সোপযোগী করে আকর্ষণীয় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন শ্রেণিকক্ষে খেলতে খেলতে পড়াশোনা করতে পারে, সে ধরনের আনন্দময় পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি খেলাধুলার উপযোগী বিভিন্ন শিক্ষণীয় খেলনার মাধ্যমে শিক্ষকদের দিয়ে আরও সহজ উপায়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা সম্ভব হবে। এছাড়া বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং ব্যবহারিক শিখন কার্যক্রমে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৭ সালে সারা দেশে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি ধরে রাখা এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় এই কর্মসূচি সফলভাবে চালু রয়েছে। বাকি উপজেলাগুলোতে এর আওতা বাড়ানোর জন্য একটি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরির কাজ চলছে। আগামী ২০২৭ সালের মধ্যেই দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিশুর জন্য দুপুরের পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। খাবারের মান ও বিতরণের স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, মায়েদের সমন্বয়ে গঠিত ‘মাদার্স কমিটি’র মাধ্যমে খাবার গ্রহণ ও বিতরণ কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে। এছাড়া জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের উদ্যোগ শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ এবং ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ উদ্যোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি কেবল একটি ডিভাইস বিতরণের প্রকল্প নয়। গুগলসহ বৈশ্বিক বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় আমরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছি। যার মূল কানেক্টর হিসেবে শিক্ষকদের হাতে ট্যাব পৌঁছানো হবে। তিনি বলেন, এটি একটি সুসংহত কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কোনো শ্রেণিকক্ষে সিলেবাস শেষ হতে সমস্যা হচ্ছে কি না কিংবা শিক্ষার্থীরা কোথায় বুঝতে পারছে না, তা তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরিং করা সম্ভব হবে। এছাড়া দেশের যেসব দুর্গম অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, সেখানে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যৌথ সমঝোতার ভিত্তিতে সোলার প্যানেল স্থাপন ও ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানান প্রতিমন্ত্রী। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে জোর শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন কেবল বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে এসে প্রকৃত অর্থে শিখছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিতভাবে আমাদের কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। নির্দিষ্ট একটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটিয়ে অন্য ক্ষেত্রগুলোকে উপেক্ষা করলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। তাই মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সমন্বিত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো শুধু ভবননির্ভর হলে চলবে না; শ্রেণিকক্ষ, আসবাবপত্র, শৌচাগার ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা শিশুদের উপযোগী করতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও শিশুবান্ধব শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীভাঙনপ্রবণ ও পাহাড়ি অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় উপযোগী অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। আরটিভি/এসআর
২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য সরকারের: ববি হাজ্জাজ
সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে কাজে ফিরেছেন পোশাক শ্রমিকরা
কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ কাটিয়ে সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের পোশাক কারখানাগুলোতে কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা। 
সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে কাজে ফিরেছেন পোশাক শ্রমিকরা
শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে ভারত, আশা আইনমন্ত্রীর
আইনমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা বিরোধিতা করেছে এবং গণহত্যায় জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে যেমন কথা বলতে হবে, তেমনি বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিহত ব্যক্তিদের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধেও সোচ্চার থাকতে হবে।
শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে ভারত, আশা আইনমন্ত্রীর
আরও পড়ুন
বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ইশরাক হোসেনের
ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে বিরোধী দল: ইশরাক
মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ইশরাক
পদত্যাগ করার নির্দেশ ছিল আমার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সেরা পরামর্শ: ইশরাক