ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

অপরাধ দমনে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় নজরদারি

বাসস

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

অপরাধ ও মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ককে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরা ও সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ বলেন, পুরো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কটির ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি জানান, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কও একই ধরনের নজরদারি ব্যবস্থার আওতায় এসেছে। সিসিটিভি ও এআই ক্যামেরা স্থাপনের ফলে হাইওয়ে পুলিশ এখন কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

ফারুক আহমেদ বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

তিনি জানান, এসব এআই ক্যামেরা পরিচালনার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের জন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এরই মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে হাইওয়ে পুলিশ এ নজরদারি ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, উন্নত এই নজরদারি ব্যবস্থা হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ করবে এবং ডাকাতি, মাদক পরিবহনসহ মহাসড়ককেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। খুব শিগগিরই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

দেশের বাকি মহাসড়কগুলোও পর্যায়ক্রমে একই ধরনের নজরদারির আওতায় আনা হবে, যাতে মহাসড়কের অপরাধ দ্রুত দমন এবং দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা মোকাবিলা করা যায়।

ফারুক আহমেদ বলেন, হাইওয়ে পুলিশের প্রধান দুটি দায়িত্ব হলো ডাকাতি ও মাদক পাচারের মতো মহাসড়ককেন্দ্রিক অপরাধ দমন এবং যানজট কমিয়ে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা।আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল মহাসড়ক গড়ে তোলার উদ্যোগ আরও জোরদার করা হচ্ছে।

ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যক্রমের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং সেবাগ্রহীতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কমিউনিটিভিত্তিক পুলিশিং জোরদার করা হচ্ছে।

কর্মকর্তাদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার, তথ্যভিত্তিক জবাবদিহি এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে মহাসড়ক আরও নিরাপদ হবে এবং জনসেবার মানও উন্নত হবে।

গত ৭ জুলাই হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ বলেন, তিনি দেশের মহাসড়ককে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, ‘আগামী দুই মাসের মধ্যে মহাসড়ককে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করতে সক্ষম হব বলে আমি আত্মবিশ্বাসী।’

তিনি আরও আশ্বাস দেন, আগামী দুই মাস পর হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে যানবাহন থেকে অর্থ আদায়ের কোনো অভিযোগ থাকবে না।

ফারুক আহমেদ জানান, বর্তমানে সারা দেশে হাইওয়ে পুলিশের ৭৩টি থানা রয়েছে। আরও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করতে থানার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

২০০৫ সালের ১১ জুন প্রতিষ্ঠিত হাইওয়ে পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট, যার প্রধান দায়িত্ব দেশের মহাসড়কে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিত করা।

১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ১২ ধারার আওতায় পরিচালিত এ ইউনিট মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ অনুযায়ী বিভিন্ন অপরাধের তদন্তও করে থাকে।

হাইওয়ে পুলিশের প্রধান দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মহাসড়কের অপরাধ প্রতিরোধ, সড়ক দুর্ঘটনার তদন্ত, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, মহাসড়কে টহল, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যান চলাচল ব্যবস্থাপনা।

বর্তমানে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নেতৃত্বে চারটি বিভাগ, আটটি অঞ্চল, সাতটি ক্যাম্প, ৭৩টি হাইওয়ে থানা ও ১০টি সার্কেলের মাধ্যমে সারা দেশে সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনুমোদিত জনবল ২ হাজার ৮১৪ জন।

হাইওয়ে পুলিশের আটটি আঞ্চলিক কার্যালয় গাজীপুর, কুমিল্লা, বগুড়া, মাদারীপুর, সিলেট, খুলনা, রংপুর ও ময়মনসিংহে অবস্থিত।

জনবল ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও হাইওয়ে পুলিশ বর্তমানে দেশের প্রায় ১১ হাজার ৮০৬ কিলোমিটার মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী
ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং ও জুমার নামাজের খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: ডা. জাহেদ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, গণহত্যা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া দলটি এখনো কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। উল্টো বিদেশের মাটিতে ড. ইউনূস ও সরকারের অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও অভিনেত্রীকে হেনস্তা এবং দেশে সহিংসতা উসকে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। বিমানবন্দরে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে তার নিরাপত্তা বিধানে স্থানীয় বাংলাদেশ দূতাবাসের কোনো ধরনের ঘাটতি ছিল কিনা— তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে।  তিনি বলেন, অভিনেত্রী বাঁধনকে যারা হেনস্তা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল প্রসেস শুরু হয়েছে। ড. ইউনূসের ক্ষেত্রেও এটা হবে।  প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় থাকা আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বলতে চাই, তারা যদি পুনরায় এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে এটা আন-চ্যালেঞ্জ যাবে না। প্রশ্নই আসে না। ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কেউ কেউ ক্ষমা চাইলে রিকনসিলেশন হতে পারে কি-না, তা একেবারেই কাল্পনিক একটি প্রশ্ন। কারণ গণহত্যার মতো ভয়াবহ অপরাধের পরও গত দুই বছরে তাদের নানা অপকর্ম, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অডিও বার্তা দিয়ে দেশজুড়ে আগুন জ্বালানোর চেষ্টার আমলনামা সরকারের কাছে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তাদের সাথে আলোচনা বা সমঝোতার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’ ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, সরকার প্রতিশ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত আনার আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এর মধ্যে তিনি নিজে থেকেই দেশে চলে আসলে সরকারের কোনো আপত্তি নেই, বরং দেশে ফিরে তিনি যে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন, তার জন্য আদালত কর্তৃক ঘোষিত দণ্ড ও ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন। ব্রিফিংয়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি অপসাংবাদিকতা রোধে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আইন সংস্কার ও আধুনিকায়নের চলমান অগ্রগতির চিত্রও তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. আলম মোস্তফা ও তথ্য অধিদফতরের সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোছা. মোবাস্বেরা কাদেরী উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: ডা. জাহেদ
এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
সাধারণ শিক্ষায় বারবার অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার বা প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অবাধ-সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর ভোট করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ করতে চায় সরকার। আগামী জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান মীর শাহে আলম। প্রসঙ্গত, আগামী বছরে পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ইসি। রোজার আগে প্রথম ধাপে ২১ জানুয়ারি, দ্বিতীয় ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি এবং রোজার পরে তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ধাপে ২৭ মে হবে ভোট।  আরটিভি/এসআর
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম
আরও পড়ুন
শতশত মরদেহের ভেতর থেকে পোশাক দেখেই ছেলেকে চিনেছিলেন মা
‘ভয় পাইছে, ভয় পাইছে’ বলতেই পলককে থামালেন ট্রাইব্যুনাল
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা
কিশোর অপরাধ দমন: লক্ষ্মীপুরে ৩ দিনে আটক ৫৪৯