ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ডিসি লেককে মিনি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইল ডিসি লেককে একটি মিনি পর্যটনকেন্দ্র এবং চর এলাকাকে একটি বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল ডিসি লেকের সার্বিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ও সৌন্দর্যের প্রতীক ডিসি লেক শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়, এটি টাঙ্গাইল শহরের সৌন্দর্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ডিসি লেককে ঘিরে আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এটিকে কীভাবে একটি উন্নতমানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।

সম্প্রতি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে নিয়ে আমি এখানে এসেছিলাম। তিনি চর এলাকার পাশাপাশি ডিসি লেক এলাকাও পরিদর্শন করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের আগেই আমি টাঙ্গাইলে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলাম। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। আল্লাহর রহমত ও সবার দোয়া থাকলে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। লেকটিকে যদি সুন্দর ও ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারি, তাহলে টাঙ্গাইলবাসী একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র পাবে।

পাশাপাশি এখানে মাছ চাষ করা হবে এবং সেই মাছও এই শহরের মানুষই খাবে।

আরও পড়ুন

এর আগে প্রতিমন্ত্রী লেকের পানির অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা ঘুরে দেখেন। দীর্ঘদিন ধরে লেকে জমে থাকা কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা অপসারণে তিনি নিজ হাতে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন।

বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ কচুরিপানা অপসারণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লেকের বিভিন্ন অংশ থেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসক শরীফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহিল কাফিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পোশাকশ্রমিকদের দাবির প্রতি সরকার সহানুভূতিশীল: ডা. জাহেদ
বর্তমানে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পোশাকশ্রমিকদের জীবন কঠিন হয়ে উঠছে। সে কারণে পোশাকশ্রমিকদের দাবির প্রতি সরকার সহানুভূতিশীল হয়ে আগেই মজুরি বোর্ড গঠন করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, ফলে সমস্যা শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। তারপরও চলমান আন্দোলনে কয়েকজনের মধ্যে যে ধরনের সংহিস আচরণ দেখা গেছে, সেটা কোনোভাবেই পোশাকশ্রমিকদের আচরণ হতে পারে না।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ কিছু করতে পারবে বলে মনে করি না। তবে যেহেতু তাদের কাছে লুটের অনেক টাকা আছে, কোথাও কোথাও নাশকতা করতে পারে। এর সঙ্গে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফেরার পথ তৈরি হবে বলে মনে করি না। তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের পরও কোনো না কোনো সময় অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা হতে পারে। ১৯৯১ সালে হেরে যাওয়ার পর শেখ হাসিনা বলেছিলেন, সরকারকে একদিনও শান্তিতে থাকতে দেবেন না। এখনও তিনি শান্তিতে থাকতে না দেওয়ার চেষ্টা করবেন। যত দিন উনি বেঁচে আছেন, তত দিন এ চেষ্টা করবেন বলে মনে করি এবং সেটাকে প্রতিহত করবো। স্বৈরাচারী সরকার ও গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের মধ্যে পার্থক্য আছে উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যেকোনো আন্দোলনে বিরোধীপক্ষকে দায়ী করার যে প্রবণতা, তা বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সরকার যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ নিয়েই বিরোধীপক্ষকে দায়ী করছে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে আন্দোলন মোকাবেলা করতো তার চেয়ে অনেক ভালোভাবে মোকাবেলো করা হচ্ছে। তারপরও দু-একটি জায়গায় ভুলভ্রান্তি হতে পারে। কোথায় গুলি করলে সবচেয়ে কম ক্যাজুয়ালটিতে নিবৃত্ত করা যাবে, সে চর্চাগুলো সরকারের অধীনে পুলিশ করবে। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আইনে লেখা আছে, পুলিশ কোন পরিস্থিতিতে হত্যার জন্য গুলি করতে পারবে। পরিস্থিতি হলে পুলিশ লিথ্যাল উইপন ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু সেটা আইনি প্রক্রিয়ায়, আইনি নিয়মে অবধারিত ছিল কিনা, সে প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে। আরটিভি/এসআর  
পোশাকশ্রমিকদের দাবির প্রতি সরকার সহানুভূতিশীল: ডা. জাহেদ
দেশের সব প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশনা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি ভবনেও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই নির্দেশনা কার্যকর হবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব দূতাবাসেও।
দেশের সব প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশনা
হাসিনার সম্পত্তি বিক্রির অর্ধেক অর্থ পাবেন অভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনেরা, মন্ত্রণালয়ে চিঠি
২৪-এর জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে...
হাসিনার সম্পত্তি বিক্রির অর্ধেক অর্থ পাবেন অভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনেরা, মন্ত্রণালয়ে চিঠি
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চাইল বাংলাদেশ
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত সমর্থন চেয়েছেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চাইল বাংলাদেশ
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে তাদের মধ্যে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
শ্রমিকদের অবরোধ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
শিশুকে ধর্ষণের পর নাক-মুখ থেঁতলে দেওয়া বিপ্লব গ্রেপ্তার
৬ ঘণ্টা পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল শুরু