ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: কাদের জন্য, কী কী সুবিধা মিলবে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগের কথা ভাবলে অনেকেরই প্রথম পছন্দ থাকে বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত সঞ্চয়পত্র। এর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় বিনিয়োগ মাধ্যম হলো ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্থ বিনিয়োগ করে মেয়াদ শেষে মূলধনের সঙ্গে মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকায় এটি দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়।

কী এই ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র?

৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র হলো সরকারের পরিচালিত একটি সঞ্চয় স্কিম। নাম অনুযায়ী এর মেয়াদ পাঁচ বছর। বিনিয়োগকারী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিনিয়োগ ধরে রাখলে মেয়াদ শেষে মূল অর্থের পাশাপাশি প্রাপ্য মুনাফা পান।

এই সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে-

জেলা সঞ্চয় অফিস

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা

তফসিলি ব্যাংক

ডাকঘর

কারা কিনতে পারবেন?

বাংলাদেশি নাগরিকরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন। এজন্য সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি ব্যাংক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

কী কী সুবিধা মিলবে?
সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় তুলনামূলক নিরাপদ।

পাঁচ বছর পর নির্ধারিত হারে মুনাফা পাওয়া যায়।

দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তুলতে সহায়ক।

বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রয়েছে।

সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই নগদায়ন করলে নির্ধারিত পূর্ণ মুনাফা পাওয়া নাও যেতে পারে। এছাড়া সময়ে সময়েই মুনাফার হার, বিনিয়োগসীমা এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় পরিবর্তন আসতে পারে। তাই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা ও প্রচলিত বিধিমালা যাচাই করে নেওয়া উচিত।

নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের পরিকল্পনা থাকলে ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র একটি কার্যকর বিনিয়োগ মাধ্যম হতে পারে। তবে বিনিয়োগের আগে বর্তমান মুনাফার হার, কর সংক্রান্ত বিধান এবং প্রযোজ্য শর্তাবলি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াই হবে সবচেয়ে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।

সূত্র: জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ নিয়ে বড় সুখবর
এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে বড় আইনি জটিলতা কেটেছে। অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষসহ ১৩ হাজার ৫৫৯ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।  ফলে ওই শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না। মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) শিক্ষা সচিবের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।  তবে হাইকোর্টে রিটকারী ৪৬ শিক্ষকের জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ফলে এসব পদ বাদে বাকি পদগুলোর নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার পথ খুলেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, চলতি বছরের ২৫ মার্চ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে প্রয়োজনীয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ১৮ বছর করা হয়। এর আগে ২০২১ সালের জনবল কাঠামোয় সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার বিধান ছিল। পাশাপাশি সরাসরি নিয়োগের ব্যবস্থাও ছিল। নতুন এই শর্তকে চ্যালেঞ্জ করে ৪৬ শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বিধান বাতিল করে রুল অ্যাবসোলিউট ঘোষণা করেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পক্ষ থেকে আপিল করা হলে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। এদিকে ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আদালতের স্থগিতাদেশের ফলে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়েই ভাইভায় অংশ নিতে পারবেন। অর্থাৎ দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটিলতায় ঝুলে থাকা নিয়োগপ্রক্রিয়া ফের গতি পাচ্ছে। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ভাইভা শুরুর কথা রয়েছে। ফলে রিটকারী ৪৬ শিক্ষকের জন্য সংরক্ষিত পদ বাদে অন্য পদগুলোতে নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সরকারের সামনে আপাতত কোনো আইনগত বাধা থাকছে না। আরটিভি/এসআর
সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ নিয়ে বড় সুখবর
‘নীতিনির্ধারকদের সাংবাদিক নিয়ে হাসপাতালে হুড়মুড় করে ঢোকা মেনে নেওয়া যায় না’
নীতিনির্ধারকরা হাসপাতালে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে হুড়মুড় করে ঢুকে পড়া পৃথিবীর কোথাও দেখেননি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। চিকিৎসক হিসেবে এ ধরনের কাজ মেনে নিতে পারেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। 
‘নীতিনির্ধারকদের সাংবাদিক নিয়ে হাসপাতালে হুড়মুড় করে ঢোকা মেনে নেওয়া যায় না’
দেশের সব হাসপাতালে জরুরি নির্দেশনা
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সব হাসপাতালকে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এ ক্ষেত্রে রাজধানী ঢাকার হাসপাতালগুলোকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্ত্বরে স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতালটি চালুর জন্য বিশেষ বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সেবা পেতে যাতে কোন ধরনের সমস্য না হয় সে জন্য ঢাকা মেডিকেল থেকে জাতীয় বার্ন ইউনিটে কিছু রোগীকে স্থানান্তরের চিন্তা করা হচ্ছে। গত রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। সভা শেষে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।  এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম জানান, সভায় হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য শয্যা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে বার্ন ইউনিটে কিছু রোগীকে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।  এ ছাড়াও ঢাকা মেডিকেল স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতালটি চালুর চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।  নুরুল ইসলাম আরও বলেন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ডেঙ্গু রোগীর জন্য শয্যা আরও বাড়াতে বলা হয়েছে। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিবর্তে কুর্মিটোলা মাল্টিডিসিপ্লিনারি হাসপাতালকে রাজধানীর বাইরে থেকে আসা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দিতে বলা হয়েছে। আসলে রোগীতো ঢাকাতেই বেশি তাই আমরা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকদের বেড বাড়াতে বলেছি। পরিচালক জানান, সংকটের সময়েও সরকারি হাসপাতাল রোগী ফিরিয়ে দেয় না। তবে রোগীর সংখ্যা শয্যা সক্ষমতা ছাড়িয়ে গেলে রোগীদের নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেই ভোগান্তি কমাতেই ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোকেও প্রস্তুত রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯০ হাজার ৩৫৬ জন এবং মারা গেছেন ২৮১ জন। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৩২ জন এবং নারী ১৪৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ৬২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং নারী ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ঢাকা বিভাগেই ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও বরিশাল বিভাগে ২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫ জন, খুলনা বিভাগে ৫৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯ জন, রংপুর বিভাগে ৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ২ জন ডেঙ্গুতে মারা গেছেন।  আরটিভি/এসআর
দেশের সব হাসপাতালে জরুরি নির্দেশনা
নোট অব ডিসেন্ট ও জুলাই সনদ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই বাস্তবায়ন করা হবে। একথা বলেছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
নোট অব ডিসেন্ট ও জুলাই সনদ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নিয়ম
বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভারতীয় ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক)।
ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নিয়ম
আরও পড়ুন
সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল
সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ে চালু হচ্ছে এভিএস
সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকদের জন্য সরকারের সুখবর
প্রাইজবন্ডের ১২২তম ‘ড্র’ আজ, যেভাবে দেখবেন ফলাফল