ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: কাদের জন্য, কী কী সুবিধা মিলবে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগের কথা ভাবলে অনেকেরই প্রথম পছন্দ থাকে বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত সঞ্চয়পত্র। এর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় বিনিয়োগ মাধ্যম হলো ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্থ বিনিয়োগ করে মেয়াদ শেষে মূলধনের সঙ্গে মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকায় এটি দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়।

কী এই ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র?

৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র হলো সরকারের পরিচালিত একটি সঞ্চয় স্কিম। নাম অনুযায়ী এর মেয়াদ পাঁচ বছর। বিনিয়োগকারী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিনিয়োগ ধরে রাখলে মেয়াদ শেষে মূল অর্থের পাশাপাশি প্রাপ্য মুনাফা পান।

এই সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে-

জেলা সঞ্চয় অফিস

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা

তফসিলি ব্যাংক

ডাকঘর

কারা কিনতে পারবেন?

বাংলাদেশি নাগরিকরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন। এজন্য সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি ব্যাংক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

কী কী সুবিধা মিলবে?
সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় তুলনামূলক নিরাপদ।

পাঁচ বছর পর নির্ধারিত হারে মুনাফা পাওয়া যায়।

দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তুলতে সহায়ক।

বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রয়েছে।

সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই নগদায়ন করলে নির্ধারিত পূর্ণ মুনাফা পাওয়া নাও যেতে পারে। এছাড়া সময়ে সময়েই মুনাফার হার, বিনিয়োগসীমা এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় পরিবর্তন আসতে পারে। তাই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা ও প্রচলিত বিধিমালা যাচাই করে নেওয়া উচিত।

নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের পরিকল্পনা থাকলে ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র একটি কার্যকর বিনিয়োগ মাধ্যম হতে পারে। তবে বিনিয়োগের আগে বর্তমান মুনাফার হার, কর সংক্রান্ত বিধান এবং প্রযোজ্য শর্তাবলি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াই হবে সবচেয়ে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।

সূত্র: জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের: তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন। বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় আন্দালিভ রহমানকে অভিনন্দন জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।  সাক্ষাৎকালে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার, ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। আন্দালিভ রহমান বলেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের বিষয়টি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। তবে বর্তমান সরকার সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।  সাইবার সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এ ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয়। নাগরিকরা যাতে এসব মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপদ বোধ করেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তার কথাও তুলে ধরেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সহায়তায় স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। আরটিভি/এসএস
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের: তথ্যমন্ত্রী
একনেকে অনুমোদন পেল ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্প 
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) একনেকের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
একনেকে অনুমোদন পেল ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্প 
‘এখন কোথায় যায়া ঠাঁই নিমু! শেষ সম্বলটুকুও কাড়ি নিল রাক্ষসী’
উত্তরের পাঁচ জেলায় আগ্রাসী হয়ে উঠেছে তিস্তার ভাঙন, জিও ব্যাগ ও বালুর বস্তা ফেলেও প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না ভাঙন। গত সাত দিনে রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিহাট, নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম জেলায় তিস্তার ভাঙনে ৩৮৬টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব। 
‘এখন কোথায় যায়া ঠাঁই নিমু! শেষ সম্বলটুকুও কাড়ি নিল রাক্ষসী’
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে: মাহদী আমিন
ব্যবসায়ী ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পর গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।  তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য ছিল শিল্প-কারখানা যেন আবার সচল হয় এবং বাংলাদেশের অগ্রগতি যেন ধাবমান থাকে, সেটা নিশ্চিত করা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে আয়োজিত সরকারের এক মাসের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি দেশের প্রধান ব্যবসা ও শিল্প সংগঠনের শীর্ষ ২১ জন নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমের একাংশের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সেখানে তিনি গ্যাস সরবরাহের সংকট কাটিয়ে পরিস্থিতি দ্রুততম সময়ে বাস্তবতার নিরিখে ফিরিয়ে আনা সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি, অত্যন্ত স্বল্প সময়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস বাস্তবতায় মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে, গ্যাসের সরবরাহ অনেকটাই বেড়েছে। গ্যাসের যে দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখেছি সামনের দিনে সে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।’ প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা বলেন, ‘এক মাস ধরে সরকারের যে বহুমুখী কল্যাণকর কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার সাফল্য নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার।’ তিনি বলেন, ‘প্রথাগত শাসনপদ্ধতির ভেড়াজাল ভেঙে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া, আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী যে দায়বদ্ধতা ও পরিকল্পনার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন, তা দেশের গণ্ডি ফেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশংসিত হচ্ছে।’ মাহদী আমিন বলেন, ‘বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন বিশ্বের একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতিও ইতিবাচক ধারায় যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমেছে এবং বিশ্বের অনেক দেশ, এমনকি আশপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডিজেলের দামও কম।’ সরকারের বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কক্সবাজারে ব্লু ইকোনমি নিয়ে গবেষণার জন্য একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসএস
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে: মাহদী আমিন
স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ।  বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। সবশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জার্মানির পর্যবেক্ষক দলের উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যে প্রচলিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়েছে।  তিনি আরও বলেন, জার্মানি ও বাংলাদেশ উভয়েই গণতান্ত্রিক ক্ষেত্রে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘসময় ধরে শোষণের শিকার হয়েছে। পাকিস্তান আমলে আমাদের গণতান্ত্রিক বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছিল। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণ বারংবার ক্ষুণ্ন হয়েছে।  তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের অপশাসনে এদেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গুম, খুন, বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সেই প্রেক্ষিতে দেশে পুনরায় গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। স্পিকার বলেন, এদেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য নিজেদের বারংবার উৎসর্গ করেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে তারা কখনো বিচ্যুত হয় নাই। জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ পনেরো বছরের স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়ে একনায়কতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের পথযাত্রা সুগম করেছে। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি এদেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎকালে জার্মানি-বাংলাদেশের সংসদীয় কমিটি গঠন, মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির প্রসার, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস কূপ অনুসন্ধান এবং সার কারখানা স্থাপনে গুরুত্বারোপ করেন। স্পিকারএসময় বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় এলাকার গ্যাস ও তেল সম্পদ অনুসন্ধানে জার্মানির বিশেষজ্ঞ দলকে আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশ ভবিষ্যৎ অর্থনীতি জ্বালানির উপর নির্ভরশীল মর্মে তিনি রাষ্ট্রদূতকে অভিহিত করেন। অনুষ্ঠানে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসএস
স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল
সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ে চালু হচ্ছে এভিএস
সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকদের জন্য সরকারের সুখবর
প্রাইজবন্ডের ১২২তম ‘ড্র’ আজ, যেভাবে দেখবেন ফলাফল