ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

অবৈধ ২৫০ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে সরকার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:১১ পিএম
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লোগো। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাসপাতাল, ব্লাড ব্যাংক, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে বিগত পাঁচ মাসে সারা দেশে ২৫০ টির বেশি অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চলতি বছরের ২৯ মার্চ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো শুরু করে স্বাস্থ্য বিভাগ। বেশ কিছু অভিযানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজেও উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে জানান, ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রায় ৫ হাজার অবৈধ ও মানহীন হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্লাড ব্যাংক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অভিযান চালানো হয়েছে। ২৫০ টির বেশি অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করা হয়েছে। ২০০টি ক্লিনিককে সংশোধনের সময় দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

যেসব ক্লিনিকের লাইসেন্সের মেয়াদ নেই, তাদের সময় দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৬ হাজার ক্লিনিক তাদের লাইসেন্স নবায়ন করেছে। আরও ২ থেকে ৩ হাজার আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলো যাচাই বাছাই করে অনুমোদন করা হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, মানুষের আস্থা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশজুড়ে অবৈধ ও মানহীন হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম, লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম এবং নিম্নমানের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা দেশে ১ হাজার ২৮৫টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অবৈধভাবে চলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪১৫টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিভাগে।

এরপর রংপুরে ১১১, ময়মনসিংহে ২৫২, রাজশাহীতে ৫৫, চট্টগ্রামে ২৪০, বরিশালে ৪৮, খুলনায় ১৫৬ এবং সিলেটে রয়েছে ৮টি।

জানা গেছে, গত কয়েক মাস অভিযান চালিয়ে রাজধানীর প্রায় ২৫টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও তদন্তকারী দল এসব প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়ম শনাক্ত করেন এবং তাদের মধ্য অনেক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, আবার অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং কিছু প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও ফরিদপুরে চারটি বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন ৬টি ক্লিনিক, শরীয়তপুরে ২টি ক্লিনিক, নরসিংদীতে ২টি, পাবনায় ২টি ক্লিনিক, মানিকগঞ্জে ২টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডে ১টি, রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১টি ক্লিনিকস দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা মিলিয়ে প্রায় ২ শতাধিক অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক ও ব্লড ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যেকোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিক ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবার মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে কোনো আপস করা হবে না।

তিনি বলেন, রাজধানী থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান ধাপে ধাপে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে। একই সঙ্গে যারা অবৈধভাবে হাসপাতাল বা ক্লিনিক পরিচালনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বাসস’কে বলেন, সারা দেশে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন হাসপাতালের অনিয়ম দূরীকরণ এবং স্বাস্থ্যখাতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা হবে।

অভিযানের অংশ হিসেবে লাইসেন্স যাচাই, চিকিৎসা সরঞ্জামের মান পরীক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং চিকিৎসকদের বৈধ সনদপত্র যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যেখানে অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা, সিলগালা বা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার মতো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভুয়া ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল টেকনিশিয়ানদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘লংমার্চ-রোডমার্চ করে সমাজে অশান্তি করতে দেওয়া হবে না’
সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছে। এরপরও সরকারকে সহযোগিতা না করে রোড মার্চ-লংমার্চ করে সমাজে অশান্তির সৃষ্টি করা হচ্ছে।
‘লংমার্চ-রোডমার্চ করে সমাজে অশান্তি করতে দেওয়া হবে না’
সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। 
সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
২৭৬ দক্ষ ও পেশাদার গাড়িচালককে সম্মাননা দেবে সড়ক বিভাগ
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সারাদেশের ২৭৬ জন দক্ষ ও পেশাদার গাড়িচালককে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীতে কেন্দ্রীয়ভাবে ২০ জন এবং জেলা পর্যায়ে প্রতিটি জেলায় চারজন করে মোট ২৭৬ চালককে এ সম্মাননা দেওয়া হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক নথি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দক্ষ চালকদের উৎসাহিত করা, দায়িত্বশীল গাড়ি চালনায় উদ্বুদ্ধ করা এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে গত ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এক সভায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় চালকদের সম্মাননা দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সড়কের সাইন-সিগন্যাল ও রোড মার্কিং সংস্কার এবং দেশব্যাপী প্রচারাভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানতে চাইলে ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বাসসকে বলেন, ‘দক্ষ ও দায়িত্বশীল চালকেরা নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের পেশাগত দক্ষতা ও ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে এ সম্মাননার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন,  আমরা চাই, চালকেরা ট্রাফিক আইন মেনে চলবেন এবং যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্মাননাপ্রাপ্ত চালকদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও সড়ক নিরাপত্তায় অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে পরিবহন খাতে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে চালক নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান বাসসকে বলেন, ‘পেশাদার চালকদের দক্ষতা, ট্রাফিক আইন মেনে চলার প্রবণতা এবং নিরাপদ ড্রাইভিং অভ্যাস সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ। চালকদের প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা আরও জোরদার করা সম্ভব। দিবসটি উপলক্ষে আগামী ২৮ অক্টোবর সকাল ১০টায় রাজধানীর সড়ক ভবনের সামনে থেকে রোডশো আয়োজন করা হবে। এতে সড়ক পরিবহন খাতের বিভিন্ন অংশীজন অংশ নেবেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি), ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা, মালিক-শ্রমিক সংগঠন এবং সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সংগঠনগুলো এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে। একই দিন সকাল ১১টায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, চালকদের দায়িত্বশীলতা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে,  দক্ষ চালকদের সম্মাননা দেওয়া ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে দীর্ঘমেয়াদে দুর্ঘটনা কমাতে চালকদের প্রশিক্ষণ, কর্মঘণ্টা নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, যানবাহনের ফিটনেস এবং সড়কের নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। সম্মাননার পাশাপাশি এসব ক্ষেত্রে ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনা জরুরি। পেশাদার চালকদের শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনায় অক্টোবর মাসে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় চক্ষু পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে চশমা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা  বলেন, চালকদের কাছ থেকে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করার পাশাপাশি তাদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। চালক ও পরিবহন মালিকদের সম্মিলিত উদ্যোগে সড়ক নিরাপত্তা আরও উন্নত করা সম্ভব। সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে অবকাঠামোগত নিরাপত্তার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সড়কগুলোতে সাইন, সিগন্যাল ও রোড মার্কিং সংস্কার এবং সচল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ কাজে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জনসচেতনতা বাড়াতে পোস্টার, লিফলেট, স্টিকার, টি-শার্ট, ক্যাপ, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন বিতরণ এবং প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ ও টেলিভিশনে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রচার চালানো হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সড়ক নিরাপত্তার বার্তা প্রচারের বিষয়েও সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপদ সড়ক ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে অক্টোবর মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরের ১০টি এবং জেলা পর্যায়ে অন্তত চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হবে। এসব কর্মসূচিতে সড়ক পারাপার, ট্রাফিক সংকেত মেনে চলা, ফুটপাত ব্যবহার এবং পথচারী ও চালকদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে প্রচারাভিযান, সভা ও কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ রয়েছে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হবে। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালকদের দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি সড়কের অবকাঠামো, যানবাহনের উপযুক্ততা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আরটিভি/টিআর
২৭৬ দক্ষ ও পেশাদার গাড়িচালককে সম্মাননা দেবে সড়ক বিভাগ
দক্ষিণ কোরিয়ায় আরও বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ
দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো, নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে দেশটির সরকারি সংস্থা, স্থানীয় প্রশাসন ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। তিনি বুধ ও বৃহস্পতিবার (২১ ও ২২ অক্টোবর) এসব বৈঠকের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। প্রতিমন্ত্রী সফরের অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার মানবসম্পদ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি লি বিয়ং-হুনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। বৈঠকে এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেমের (ইপিএস) আওতায় সহযোগিতা জোরদার, নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীলকরণ এবং অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশি কর্মীদের কোটা পূরণ করে সময়মতো কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের পরিধি সম্প্রসারণ, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং বাংলাদেশে কোরীয় বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে এইচআরডি কোরিয়ার সভাপতি কোরিয়ার অর্থনীতিতে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা, নিষ্ঠা ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং স্বীকৃতি প্রদান করেন। পাশাপাশি সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) নিয়োগ কাঠামোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খল নিয়োগ প্রক্রিয়া বজায় রাখার ওপর জোর গুরুত্ব দেন তিনি। একই দিনে প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে মিলিত হন। ডেভিডের নেতৃত্বাধীন এই কোরীয় বিনিয়োগকারী দলের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশে বিভিন্ন বিকাশমান খাতে কোরীয় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ ও সম্ভাবনার বিষয়টি বিশদভাবে উপস্থাপন করা হয়। কোরীয় বিনিয়োগকারী দলটি বাংলাদেশে বিনিয়োগের চমৎকার সুযোগ ও সুবিধা গ্রহণে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে। আরটিভি/টিআর
দক্ষিণ কোরিয়ায় আরও বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ
সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সাইবার সুরক্ষা আইনসহ গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান।
সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী
আরও পড়ুন
মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক
সরকারি ছুটিতেও কবি নজরুল কলেজের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার
‘আ.লীগের সঙ্গে ৯৬'র মতো আবারও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে জোট করেছে জামায়াত’