ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

মেট্রোরেলের নতুন রুট তৈরিতে খরচ বেড়ে হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
মেট্রোরেল। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার মেট্রোরেলের নতুন লাইন-১ ও ৫-এর নির্মাণ ব্যয় প্রাথমিক প্রাক্কলনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হবে। সরকারের সাত সদস্যের স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এমন চিত্র উঠে এসেছে। কারণ হিসেবে কমিটি ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, করের হার বৃদ্ধিসহ নকশায় পরিবর্তনের কথা তুলে ধরেছে। মেট্রোরেলের এই নতুন রুটটি বিমানবন্দর-নতুন বাজার ও হেমায়েতপুর হয়ে ভাটারায় শেষ হয়েছে। এদিকে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় আরও বেশি ধরা হয়েছে।

মে মাসে গঠিত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়া জানান, পাঁচ থেকে সাত বছর আগে প্রকল্পের মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির সময়ের তুলনায় বর্তমানে নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কমিটি অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির হার বিবেচনায় নিয়েছে। একই সঙ্গে টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে এবং করের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক বসুনিয়া বলেন, বর্তমান ও প্রস্তাবিত নকশার ভিত্তিতে কমিটি অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে। এটি কোনো প্রকৌশলগত সমীক্ষা ছিল না। সেই বিশ্লেষণে প্রকল্পের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। এ ছাড়া কয়েকটি স্টেশনের নকশাতেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

কমিটির প্রাক্কলন অনুযায়ী, ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণ ব্যয় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। আর এমআরটি লাইন-৫-এর ব্যয় ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৮৮ হাজার থেকে ৯০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে।

বসুনিয়ার দাবি, তাদের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ যথাযথ। বাংলাদেশে মেট্রোরেল নির্মাণের ব্যয় ভারতসহ অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ভারতীয় প্রকল্পগুলোতে ডিজেল, লোহা, সিমেন্ট ও পাথরের মতো অনেক নির্মাণসামগ্রী দেশীয়ভাবে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এসব পণ্যের বড় অংশই আমদানি করতে হয়। ফলে ভারতের সঙ্গে সরাসরি ব্যয়ের তুলনা করা যৌক্তিক নয়।

চলতি মাসের শুরুতে স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটি সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

ডিএমটিসিএলের সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় আরও বেশি

স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির হিসাবের চেয়েও বেশি ব্যয় ধরে মেট্রোরেল লাইন-১ ও ৫-এর জন্য সংশোধিত প্রস্তাব তৈরি করেছে ডিএমটিসিএল। প্রতিষ্ঠানটি প্রস্তাবটি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠানোর পর গত সপ্তাহে তা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

সংশোধিত প্রস্তাবে এমআরটি লাইন-১-এর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপানের অর্থায়ন থাকবে ৮৫ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। মূল প্রস্তাবে এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা এবং জাপানের ঋণের পরিমাণ ছিল ৩৯ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা।

প্রকল্পটির মূল বাস্তবায়নকাল ছিল সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। সংশোধিত প্রস্তাবে তা বাড়িয়ে ২০৩৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করার কথা বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫-এর সংশোধিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপানি অর্থায়নের পরিমাণ ৬৮ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা। মূল প্রস্তাবে প্রকল্পটির ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা এবং জাপানের ঋণ ছিল ২৯ হাজার ১১৭ কোটি টাকা।

লাইন-৫ প্রকল্পের মূল মেয়াদ ছিল জুলাই ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত। সংশোধিত প্রস্তাবে বাস্তবায়নকাল বাড়িয়ে ২০৩৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সভায় ব্যয়ের বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের পর ডিএমটিসিএলের সংশোধিত প্রস্তাবের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

আরও পড়ুন

ব্যয় নিয়ে জাপানের সঙ্গে আলোচনা

দরপত্র জমা দেওয়ার পর বিভিন্ন প্যাকেজের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মেট্রোরেল লাইন-১ ও ৫-এর বাস্তবায়ন কার্যত থমকে যায়। ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে সে সময় অর্থ উপদেষ্টা, পরিকল্পনা উপদেষ্টাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জাপান সরকারের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন।

তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ব্যয় কমানোর বিষয়ে আলোচনার জন্য জাপান সফরও করেন। তবে জাপানের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় প্রকল্প দুটির কাজ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রকল্প দুটির কাজ পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে যতটা সম্ভব ব্যয় কমিয়ে জাপানের সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দেন তিনি।

স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়া বলেন, ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে চাইলে সরকারকে দ্রুত প্রকল্প দুটির কাজ শুরু করা উচিত। কারণ বর্তমানে জাপান যে সুদের হার দিচ্ছে, ভবিষ্যতে তা নাও পাওয়া যেতে পারে।

জাপান এই প্রকল্পগুলোর জন্য শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ সুদের হার প্রস্তাব করেছে। বসুনিয়া জানান, গত কয়েক বছরে জাপান বিশ্বজুড়ে সুদের হার বাড়ালেও মেট্রোরেল প্রকল্প দুটির জন্য এই হার অপরিবর্তিত রেখেছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পগুলো বাতিল করে নতুন কোনো উন্নয়ন সহযোগীর অর্থায়নে নতুন করে শুরু করা হলে এত কম সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ নাও থাকতে পারে।

ইতিমধ্যে ব্যয় হয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি

গত বছরের জুন পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পে ৩ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পে ৫ হাজার ১১ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। অর্থাৎ, দুই প্রকল্পে ইতিমধ্যে মোট ৮ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশি চক্ষু রোগীদের জন্য চীনে ‘বিশেষ চিকিৎসাসেবা’
এ ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশি রোগীরা চীন সফরের আগেই চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ ও নথি পর্যালোচনার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি হাসপাতালে অগ্রাধিকার ভিত্তিক অ্যাপয়েন্টমেন্ট, পৃথক আন্তর্জাতিক ডেস্ক, দোভাষী সহায়তা এবং দেশে ফেরার পরও ফলো-আপ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
বাংলাদেশি চক্ষু রোগীদের জন্য চীনে ‘বিশেষ চিকিৎসাসেবা’
ঢাকা-কক্সবাজার রোডে নতুন ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি
ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে যাত্রী পরিবহন শুরু করতে যাচ্ছে আন্তঃনগর ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস। সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে নতুন রুটে চলাচল করবে ট্রেনটি। একই সঙ্গে কার্যকর হবে এর নতুন সময়সূচি। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মধ্যবর্তী বিভিন্ন স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম যাত্রার উদ্বোধন করবেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ট্রেনটি রাত ৩টায় চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। এরপর রাত ৩টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন সময়সূচি নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। ফিরতি পথে ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। এরপর ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। যেসব স্টেশনের যাত্রীরা পাবেন সুবিধা মহানগর এক্সপ্রেসের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের ফলে ঢাকা বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। এতদিন ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় এসব স্টেশনের যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুবিধা পেতেন না। মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন রুট চালু হলে মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর যাত্রীদের ভ্রমণ আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে কক্সবাজারগামী পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি রেলওয়ের আয়ও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কোচ ও আসনসংখ্যা ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেসে থাকবে ১৬টি কোচ। ট্রেনটিতে আসনসংখ্যা হবে ৭০৬ থেকে ৭৩৬টি। প্রতি সপ্তাহের রোববার ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে। নতুন রুটে ট্রেন চলাচল শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে সূত্র। গত ১৬ অক্টোবর থেকে এই রুটের টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে। নতুন এই পরিষেবা চালু হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী বিভিন্ন এলাকার যাত্রীদের জন্য কক্সবাজার যাতায়াত আরও সহজ ও সুবিধাজনক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসকে
ঢাকা-কক্সবাজার রোডে নতুন ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি
মাদরাসায় বলাৎকার, কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে, ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
মাদরাসায় বলাৎকার, কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা 
শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ বার্তা দেয় ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা 
এনআইডি সংশোধনে ‘বড় অগ্রগতি’
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য সংশোধনে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন পর্যন্ত জমা পড়া ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি সংশোধন আবেদনের মধ্যে ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি করেছে সংস্থাটি। 
এনআইডি সংশোধনে ‘বড় অগ্রগতি’
আরও পড়ুন
মেট্রোরেল নিয়ে হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত!
পূজার ছুটিতে মেট্রোরেলের সূচিতে পরিবর্তন
অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে হেনস্তার প্রতিবাদে হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে তরুণরা 
মেট্রোরেলে ইন্টার্নশিপের সুযোগ; মিলবে মাসিক ভাতা ও সনদ, যেভাবে আবেদন