ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থার আওতায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গঠিত বিদ্যমান সব কমিটি পুনর্গঠন ও হালনাগাদের নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সেই সঙ্গে পুনর্গঠিত কমিটির তথ্য আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-২ মো. আশরাফুল ইসলাম।

চিঠিতে বলা হয়, সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়নের জন্য বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব কমিটির অধিকাংশ কয়েক বছর আগে গঠিত হওয়ায় বর্তমানে সেগুলো হালনাগাদ নেই। এ ছাড়া কিছু কমিটির প্রজ্ঞাপন ও কার্যক্রম সংক্রান্ত তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিদ্যমান সব কমিটি পুনর্গঠন করে হালনাগাদ করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার বিদ্যমান কমিটিগুলো পুনর্গঠনের সময় সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। এতে স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব আরও কার্যকর হবে।

পুনর্গঠিত প্রতিটি কমিটিতে স্থানীয় পর্যায়ের তিনজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ তিনজনের মধ্যে অন্তত একজন নারী প্রতিনিধি থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি বা আহ্বায়ক ওই তিনজনকে মনোনয়ন দেবেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংযুক্ত তালিকায় থাকা ৯৮টি কমিটিসহ মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার আওতাধীন বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য বিদ্যমান সব কমিটি হালনাগাদ করতে হবে।

পুনর্গঠন ও হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পন্ন করে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিগুলো দীর্ঘদিন পর পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি কার্যক্রমে অংশীজনের প্রতিনিধিত্ব, সমন্বয় ও জবাবদিহিতা আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে দাবি তুলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনলেন তাহসিফের বাবা
সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি সাঁতার জানতেন বলে দাবি করেছেন তার বাবা এ কে এম এনায়েতুল করিম। তার দাবি, মূল ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) পিবিআইকে দীপের দেওয়া তথ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সংবাদমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তাহসিফের বাবা।  তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কিছু হতে পারে না। কেন তাকে ধাওয়া দিতে যাবে? এগুলো বাজে কথা, প্রশ্নই আসে না। আমার ছেলে সাঁতার জানত। ও তো পাইলট। ওদের সুইমিংয়ের কোর্স করা এবং তার ওপর সার্টিফিকেট আছে। সাঁতারের ওপর বড় ধরনের কোর্স করা আছে আমার ছেলের।’ ঘটনা আড়াল করা কিংবা কোনো ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা করছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে তো এটাই মনে হয়। তো আর ওকে ধাওয়া দেবে কেন লোকজন, কেন তাকে কেউ ধাওয়া দেবে? ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে বলে আমার মনে হচ্ছে। তাহসিফ নিখোঁজ হওয়ার আগে ছোট ভাই দীপের ডাকে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। সেই দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার রাতে হেফাজতে নেয় পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর। এরপর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ সুপার জানান, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ বলেছেন, ‘আমরা সেখানে (ঘটনাস্থলে) কথা বলছিলাম। এ সময় কিছু লোক ধাওয়া করে। তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন। আর আমি পালিয়ে আসি।’ জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মোস্তফা কামাল বলেন, দীপকে হেফাজতে নেওয়ার পর বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই সেসব তথ্য প্রকাশ করতে চাননি তিনি। আরটিভি/এসআর  
ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে দাবি তুলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনলেন তাহসিফের বাবা
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার এবং অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিকল্প অর্থায়নের মাধ্যমে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে জাপানের অর্থমন্ত্রী সাতসুকি কাতায়ামা এবং সহকারী অর্থমন্ত্রী আতসুসি মিমুরার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব আরও গভীর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) পাশাপাশি বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। উভয় পক্ষ বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করা এবং নতুন নতুন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি এবং দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। দেশটির অর্থায়নে বাংলাদেশে অতীতে বেশ কয়েকটি বড় অবকাঠামো ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। বর্তমানে দেশটির সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং নতুন চুক্তি সম্পাদনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আরটিভি/এসআর  
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ
বক্তব্যের সময় ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে বোঝাতে গিয়ে একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।  শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় এই ব্যাখ্যা দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া আমার বক্তব্যে ব্যবহৃত একটি শব্দের সংশোধন ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করতে চাই। সেদিনের অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তার এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে আমি কথা বলেছিলাম।’ সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর নানা প্রতিকূলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সমাজে তারা অনেকেই অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন। এসব বাধা পেরিয়ে তাদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল আমার বক্তব্যের মূল কথা।’ শব্দচয়নজনিত ভুলের ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেন, ‘বক্তব্যের সময় ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছি। এখানে আমার অভিপ্রেত শব্দ ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’।’ দেশের মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল কেবলই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ ও তাদের শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।’ উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন শিক্ষামন্ত্রী। আরটিভি/এসআর  
বক্তব্যের সময় ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
বেতন ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থানাসহ বিভিন্ন ইউনিটের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ২৮ জনকে একযোগে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে। এরমধ্যে পুলিশের বাবুর্চি থেকে এসআই পর্যন্ত রয়েছেন।    শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।  সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম এবং বেতন-ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ২৮ জনের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তালিকায় খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন থানা, ট্রাফিক বিভাগ এবং গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত সদস্যদের নাম রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম দায়িত্ব। তবে দায়িত্ব পালনের সময় কোনো সদস্য ব্যক্তিগত স্বার্থে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করলে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে মামলা গ্রহণ, তদন্ত, অপরাধ দমন কিংবা অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থের বিনিময়ে পক্ষপাতের অভিযোগ জনসাধারণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশ সদস্যদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর অন্যতম লক্ষ্য তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করা। এরপরও কেউ অনৈতিক উপায়ে বাড়তি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে তা বাহিনীর শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে শুধু প্রত্যাহার বা বদলি নয়, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াও প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ধরে রাখতে অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলছেন তারা। এ বিষয়ে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম বলেন, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রথমে পুলিশ বাহিনীর ভেতরেই শুদ্ধি অভিযান চালানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের প্রবণতা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশের প্রতি জনআস্থা তৈরির ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইজিপিরও নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকাল সাড়ে চারটার পরে এ উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন দেয়। এই ধাপে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হবে। অর্থাৎ, চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। আগের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থা (আইএইএ)র গাইডলাইন অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের স্টেজ ‘বি ওয়ান’ মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সবশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কেটে গেছে। এর পরের ধাপ ‘বি টু’। এই ধাপে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য পারমাণবিক চুল্লিকে প্রস্তুত করা হয়। এরপরই শুরু হয় ক্রিটিক্যালিটি। এটি এমন একটি পর্যায়, যেখানে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। এখানে ধাপে ধাপে সফলভাবে এগিয়ে ৩০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত এলে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। এদিকে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টরের প্রারম্ভিক লোডিংয়ের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম। আরটিভি/এসআর  
রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
আরও পড়ুন
সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটিয়া অপসারণের জন্য সময় বেঁধে দিলো সরকার
সরকারি চুক্তিভিত্তিক চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ ‘কৃষক কার্ড’ দেবে সরকার
মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ৪৯০ কোটি ডলারের প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেপ্তার নারী