ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

তেজগাঁও থানা আকস্মিক পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ বিকেলে রাজধানীর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর আওতাধীন তেজগাঁও থানা আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী থানার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অবকাঠামোগত অবস্থা এবং সাধারণ মানুষের পুলিশি সেবা পাওয়ার মান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে৷

এ সময় মন্ত্রী থানায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি থানা ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরে অবস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক কক্ষ, ডিউটি অফিসারের কক্ষ, তদন্ত কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষ, হাজতখানা এবং পুলিশ সদস্যদের আবাসন ব্যারাক ও ডাইনিং স্পেস (মেস) ঘুরে দেখেন।

আরও পড়ুন

ব্যারাক পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেখানে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যদের আবাসন ব্যবস্থা, মেসের সার্বিক খাদ্যের মান এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের নাইট ডিউটি ও শিফটিং ডিউটির সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ও কাজের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী তেজগাঁও থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গেও সরাসরি কথা বলেন। জিডি (সাধারণ ডায়েরি) বা অভিযোগ জমা দিতে আসা ভুক্তভোগীদের সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং তাদের অভিযোগগুলো দ্রুততম সময়ে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে নিষ্পত্তির জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-সহ সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের মূল কাজই হলো : জনগণের সুরক্ষা ও সেবা দেওয়া। থানাকে প্রতিটি মানুষের আস্থা ও ভরসাস্থল হতে হবে। নাগরিকরা যেন নির্ভয়ে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে থানায় আসতে পারেন এবং কোনো মাধ্যম ছাড়া নিজের সমস্যা সরাসরি জানাতে পারেন— আমরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পে-স্কেলে বেতন পাবেন না যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
পে-স্কেলে বেতন পাবেন না যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী
পে স্কেল / বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে মাসে ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এ প্রথমবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতি সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীরা। একজন সরকারি চাকরিজীবী সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য এই সুবিধা পাবেন। এর বেশি থাকলে পাবেন না। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তানের মা কিংবা বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই টাকা যাবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণসংক্রান্ত পে স্কেলের গেজেটে এই সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে।  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গেজেট প্রকাশ করা হয়। গেজেটে বলা হয়েছে, অনধিক দুই সন্তানের জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান ভাতা পাবেন। তবে দুইয়ের বেশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলেও সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্যই এ ভাতা দেওয়া হবে। এই ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভাতা গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়নি। অর্থাৎ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য একাধিক সরকারি ভাতা একসঙ্গে নেওয়া যাবে না। নতুন বেতনকাঠামো বা নবম পে স্কেলের আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ পেনশনভোগী সুবিধা পাবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের কতজনের সন্তান প্রতিবন্ধী সে ধরনের তথ্য নেই। তবে এখন তা অর্থ বিভাগের সমন্বিত বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার বা আইবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রতিবন্ধী কীভাবে যাচাই হবে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারী যে মন্ত্রণালয়ে কর্মরত এটা তারা যাচাই–বাছাই করবেন। সরকারি চাকরিজীবীর মা বা বাবা যত দিন চাকরিতে থাকবেন, তত দিন এই ভাতা পাওয়া যাবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এ সুবিধা নির্ধারণের ফলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকা পরিবারগুলো তাদের সন্তানের চিকিৎসা, শিক্ষা, থেরাপি ও পরিচর্যায় এই টাকা ব্যয় করতে পারবে। এতে তারা কিছুটা স্বস্তি পাবে। এ ভাতা সেই ব্যয়ের একটি অংশ পূরণে সহায়তা করবে। আরটিভি/এমএ
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে মাসে ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
‘অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ কথা বলেন।
‘অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে’
নতুন পে-স্কেলে বকেয়া পাবেন সরকারি কর্মচারীরা
সরকারি কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন এই বেতনস্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে। ফলে ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পাবেন সরকারি কর্মচারীরা।
নতুন পে-স্কেলে বকেয়া পাবেন সরকারি কর্মচারীরা
কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়িভাড়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ বিভাগ ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের ভিত্তিতে এলাকা ও গ্রেডভেদে বাড়িভাতার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ, গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকায় বাড়িভাতার হার ঢাকার তুলনায় কম নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব এলাকায় গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৪০ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৩০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। দেশের অন্যান্য এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। বর্তমান বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৬৫ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৫ হাজার ৬০০ টাকা বাড়িভাড়া দেওয়া হয়। মূল বেতন ৯ হাজার ৭০১ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে ৬০ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৬ হাজার ৪০০ টাকা বাড়িভাড়া পাওয়া যায়। ১৬ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে বাড়িভাতার হার ৫৫ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ৯ হাজার ৬০০ টাকা। আর মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০১ টাকার বেশি হলে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। নতুন প্রজ্ঞাপনে বাড়িভাতার হার মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য এলাকার বর্তমান বাড়িভাতার হার ও ন্যূনতম অঙ্কও নতুন কাঠামোর সঙ্গে পরিবর্তিত হবে। আরটিভি/এসকে
কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়িভাড়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
আরও পড়ুন
এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ফজরের পর মিছিল করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কক্সবাজারে হচ্ছে ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়