ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে সারাদেশে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৬ পিএম
আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে সারাদেশে যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এ উপলক্ষে নিয়মিত টহল জোরদারের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপ-পরিচালক ও পরিচালকের পক্ষে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী ইবাদত-বন্দেগী, সালাত ও জিকিরসহ নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হবে। সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি পালনের লক্ষ্যে র‍্যাব অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বক্ষণিক কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল জোরদার এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, প্রতিটি ব্যাটালিয়ন পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে পর্যাপ্ত সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন করা হবে। নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় আগে থেকেই স্কেলিটন ফোর্স মোতায়েন করা হবে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় মসজিদের ইমাম, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক নেতারা এবং নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির ব্যক্তিদের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বার্থান্বেষী মহল, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং কোনো গোষ্ঠীর মাধ্যমে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠানে হামলা, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধিসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যেন না হয়, সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় মসজিদের ইমাম, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক নেতারা এবং নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির ব্যক্তিদের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বার্থান্বেষী মহল, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং কোনো গোষ্ঠীর মাধ্যমে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠানে হামলা, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধিসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যেন না হয়, সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সর্বজনীন পেনশন স্কিমে স্বামী বা স্ত্রীকে নতুন সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের
সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে একাধিক নতুন সুবিধা যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে পেনশনভোগীর মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রীকে আজীবন পেনশন দেওয়া, স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আনা এবং নির্দিষ্ট শর্তে পেনশনের বয়স কমানোর প্রস্তাব রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।  ওই সভায় এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। অর্থমন্ত্রী পদাধিকারবলে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সুরাতুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, জনসাধারণের আগ্রহ বাড়াতে বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব পর্ষদ সভায় উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে পেনশনারের মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রীকে আজীবন পেনশন দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে। পর্ষদের অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় বিধিমালা সংশোধন করা গেলে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে এসব সুবিধা চালু করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, সর্বজনীন পেনশন স্কিমের একজন গ্রাহক ৬০ বছর বয়সে মাসিক পেনশন পাওয়া শুরু করেন। পেনশন চলাকালে তার মৃত্যু হলে নমিনি ওই গ্রাহকের ৭৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত সমহারে মাসিক পেনশন পান। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে পেনশনভোগীর মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রী আজীবন পেনশন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সর্বজনীন পেনশন স্কিমেও নমিনির পরিবর্তে পেনশনারের স্বামী বা স্ত্রীকে আজীবন পেনশন দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া পেনশন পাওয়ার বয়স ৬০ বছর থেকে কমিয়ে ৫৫ বছর করার প্রস্তাবও পরিচালনা পর্ষদের সভায় উঠতে পারে। এদিকে চালুর তিন বছর পেরিয়ে গেলেও সর্বজনীন পেনশনের চারটি স্কিমে প্রত্যাশিত সাড়া মেলেনি। এখন পর্যন্ত এসব স্কিমে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯২০ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। তাদের জমা করা অর্থের পরিমাণ ২৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারীদের জন্য চালু করা ‘সমতা’ স্কিমে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৮৭ হাজার ২২৪ জন যুক্ত হয়েছেন। এই স্কিমে তাদের জমা করা অর্থের পরিমাণ ৫৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। প্রবাসীদের জন্য চালু করা ‘প্রবাস’ স্কিমে অংশগ্রহণের হার সবচেয়ে কম। এ পর্যন্ত ১ হাজার ১৭১ জন প্রবাসী এই স্কিমে নিবন্ধিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নারী ৯৭ জন। এই স্কিমে মোট জমা হয়েছে ১১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। বিশেষ প্রয়োজনে সর্বজনীন পেনশনের গ্রাহকের জমা অর্থের একটি অংশ ঋণ হিসেবে নেওয়ার সুযোগ আইনে রাখা হয়েছে। ওই ঋণের সুদও গ্রাহকের হিসাবেই জমা হওয়ার কথা। তবে এখনো এই সুবিধা চালু হয়নি। নতুন সংস্কারের অংশ হিসেবে ঋণ সুবিধা কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে অন্তত পাঁচ বছর চাঁদা দেওয়ার পর শারীরিক বা আর্থিক অক্ষমতার কারণে কেউ পেনশন ব্যবস্থা থেকে বের হতে চাইলে বিশেষ বিবেচনায় তার পুরো জমা অর্থ তুলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। বর্তমানে এ ধরনের এক্সিট সুবিধা নেই। সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় বিমা সুবিধা যুক্ত করার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। পেনশনারদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা চালুর বিষয়ে একটি খসড়া পরিকল্পনা অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সুরাতুজ্জামান জানান, স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা দিতে গ্রাহকদের কাছ থেকে মাসে প্রায় ১০ থেকে ২০ টাকা নামমাত্র প্রিমিয়াম নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে আরও গ্রহণযোগ্য করতে শরিয়াহভিত্তিক একটি সংস্করণ চালুর বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। পর্ষদ সভায় এসব প্রস্তাব অনুমোদন পেলে প্রয়োজনীয় বিধিমালা সংশোধন ও অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত নতুন সুবিধাগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। আরটিভি/এসআর  
সর্বজনীন পেনশন স্কিমে স্বামী বা স্ত্রীকে নতুন সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের
মেট্রোরেলে নতুন ৩ রুট একনেকে অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় বড় সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো-এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর), এমআরটি লাইন-৫ নর্দান (হেমায়েতপুর-ভাটারা) এবং এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন (গাবতলী-দাশেরকান্দি)। 
মেট্রোরেলে নতুন ৩ রুট একনেকে অনুমোদন
২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি, পাবেন না যারা
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দেশের সব স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় এক দিনের ছুটি থাকবে। তবে এ ছুটি সরকারি ছুটি নয়। ফলে সরকারি-বেসরকারি অফিসসহ অন্যান্য কর্মস্থলে ওই দিন স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে।
২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি, পাবেন না যারা
সরকারি চাকরিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন
সরকারি চাকরিজীবীদের উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী, পদোন্নতি ছাড়া একই বা সমতুল্য পদে নির্দিষ্ট সময় চাকরি পূর্ণ করলে বর্তমানের তুলনায় কম সময়েই প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সরকারি চাকরিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের: তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন। বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় আন্দালিভ রহমানকে অভিনন্দন জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।  সাক্ষাৎকালে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার, ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। আন্দালিভ রহমান বলেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের বিষয়টি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। তবে বর্তমান সরকার সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।  সাইবার সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এ ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয়। নাগরিকরা যাতে এসব মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপদ বোধ করেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তার কথাও তুলে ধরেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সহায়তায় স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। আরটিভি/এসএস
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের: তথ্যমন্ত্রী
আরও পড়ুন
নতুন নামে যাত্রা শুরু করল র‍্যাব
র‌্যাবের বদলে এসআরবি, নতুন বোতলে পুরোনো মদ: নাজিবুর রহমান
বিলুপ্ত র‍্যাব, সংসদে পাস এসআরবি বিল
র‍্যাব থেকে এসআরবি, নতুন মোড়কে একই বাহিনী: টিআইবি