ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিএনপি সরকারের ৬ মাসে জাতীয় গ্রিডে ২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ এএম
সৌরবিদ্যুতের পুরনো ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রথম ছয় মাস অর্থাৎ ১৮০ দিনেই নেট মিটারিং সংযোগের মাধ্যমে ২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ নতুনভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ ও বিদ্যুৎ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অগ্রগতি সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মপরিকল্পনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নেট মিটারিং, এনার্জি স্টোরেজ, জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি দক্ষতাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মপরিকল্পনায় দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাশ্রয়ী ও স্বচ্ছ ট্যারিফ ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের নেওয়া অধিকাংশ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মপরিকল্পনা শতভাগ বাস্তবায়িত হয়েছে। আর জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অগ্রগতি হয়েছে ৯০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। দুই বিভাগ মিলিয়ে সরকারের সামগ্রিক বাস্তবায়ন অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ২৮ শতাংশে।

বিদ্যুৎ বিভাগের বাস্তবায়ন অগ্রগতি
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১৮০ দিনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ প্রণয়ন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্রেডার উদ্যোগে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি রোডম্যাপ ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চেন্ট পলিসির আওতায় চারটি মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টের মধ্যে ১০ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রতিবেদনে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রে সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ, বায়োমাস ও বায়োগ্যাস, ক্লিন কুকিং, জ্বালানি সংরক্ষণ প্রযুক্তি, মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিনিয়োগের ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি ব্যবসায়িক মডেল প্রণয়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে অফশোর উইন্ড পাওয়ার প্রকল্প উন্নয়ন গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে।

অগ্রগতি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ঈশ্বরদী ও ভুলতা গ্রিড উপকেন্দ্রে যথাক্রমে ১২০ মেগাওয়াট ও ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ভোলায় বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এর বাইরে জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণে ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। পাশাপাশি ৩০টি ডেজিগনেটেড কনজুমারের স্থাপনায় জ্বালানি নিরীক্ষা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের বাস্তবায়ন অগ্রগতি
প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিকল্পনা অনুযায়ী সাতটি গ্যাসকূপ খনন ও চারটি কূপের ওয়ার্কওভার কার্যক্রমের ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি কূপের (সিলেট-১০ ও ১১, শ্রীকাইল-৫, রশিদপুর-১১, তিতাস-২৮ এবং সুন্দলপুর-৪) খনন সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপ থেকে দৈনিক মোট ২১ দশমিক ৪২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে।

অন্যদিকে, ওয়ার্কওভার সম্পন্ন শেষে চারটি কূপ থেকে দৈনিক আরও ১০ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। ফলে নতুন করে মোট ৩২ দশমিক ২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদন বলছে, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে সারা দেশে ৫০টি কূপ খননের বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় ২৮টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে ২ হাজার হর্স পাওয়ারের একটি রিগ কেনার দরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলছে। একইসঙ্গে ১ হাজার ৫০০ হর্স পাওয়ার রিগ ক্রয়ের ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানোর কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমুদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বাংলাদেশ অফশোর মডেল পিএসসির-২০২৬ আওতায় বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থলভাগে অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসির -২০২৬ খসড়া অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির নীতিগত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে ২ডি সাইসমিক সার্ভের ৫০০ লাইন কিলোমিটারের কাজ শেষ হয়েছে। তবে বর্ষাকালের কারণে ৩ডি সাইসমিক সার্ভের ১০০ বর্গকিলোমিটার কাজ কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়নে উদ্যোগ
মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশীয় জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নে কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোম এলাকায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব পর্যালোচনা করে বাস্তবায়ন মডেল নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২৮ জুলাই জি-টু-জি পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

এ ছাড়া ল্যান্ডবেজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে পিপিপি পদ্ধতিতে ট্রানজ্যাকশন এডভাইজার নিয়োগের জন্য ইওআই আহ্বান করা হয়েছে। ক্রুড অয়েল রিফাইনারি নির্মাণের লক্ষ্যে মডার্নাইজেশন অ্যান্ড এক্সপানশন অব ইআরএল প্রকল্পের কনসালট্যান্ট নিয়োগের জন্যও ইওআই আহ্বান করা হয়েছে।

কমেছে সিস্টেম লস
প্রতিবেদনে বলা হয়, জ্বালানি খাতে এ বছরের ফেব্রুয়ারি-জুন এই পাঁচ মাসে সিস্টেম লস ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমিয়ে ৭ দশমিক ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। যা জানুয়ারিতে ছিল ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।

অগ্রগতি প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ অনুযায়ী কমিশনের গণশুনানির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস, এলপিজি, ফার্নেস অয়েল ও জেট ফুয়েলের ট্যারিফ নির্ধারণের কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে। শিল্প খাতে গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থায় গ্যাস বরাদ্দ সংক্রান্ত খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্যে নেওয়া কাজের প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যা, ডায়াগনস্টিক কিট, ওষুধ এবং স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করেছে সরকার। ফলে বিগত তিন বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কাছে ডেঙ্গু চিকিৎসা সহজলভ্য করা, ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানসহ সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের কারণে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার ০.৩১ শতাংশে রাখা সম্ভব হয়েছে। এ বছর ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ২৮১ জনের মৃত্যুর হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালে ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যুতে এই হার ছিল ০.৫৩ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৪৮২ জনের মৃত্যুতে ০.৪৯ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৩২৩ জনের মৃত্যুতে এই হার ছিল ০.৩৪ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে মৃত্যুর হার ছিল ০.৪২ শতাংশ। সরকারি নির্দেশনার আলোকে, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, ওয়ান স্টপ সার্ভিস ও ডেডিকেটেড ডেঙ্গু ওয়ার্ড চালু, পর্যাপ্ত ডায়াগনস্টিক কিট ও স্যালাইনের মজুত এবং বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে ডেঙ্গু এনএস১ পরীক্ষা নিশ্চিতকরণসহ দেশব্যাপী ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।  রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ২২৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলেন। সেখানে দুটি ফ্লোরকে ডেডিকেটেড ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রূপান্তর করে হাসপাতালটি তাদের মোট শয্যা সংখ্যা ৬০টি (শিশুদের জন্য ২০টি এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৪০টি) থেকে বাড়িয়ে ২০০টিতে উন্নীত করেছে। হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে, যাতে তারা ওয়ার্ড থেকে বের না হয়েই পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন। তিনি জানান, ডেঙ্গু চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকরা সম্প্রতি একটি ইন-হাউস সেমিনারে অংশ নিয়েছেন। তাছাড়াও মেডিসিন ও শিশু বিভাগের চিকিৎসকরা নিয়মিত সকালে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেশন পরিচালনা করছেন, যা মৃত্যুর হার কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ২৩১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে ৪০২, ৫০২ এবং ৭০২ নম্বর ডেডিকেটেড ওয়ার্ডের মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৭০২ নম্বর ওয়ার্ডটি নারী রোগীদের জন্য নির্ধারিত। ঢামেক ডেঙ্গু ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক শাহনুর শারমিন মুন্নি জানান, প্রতিটি ওয়ার্ডের নির্ধারিত ক্ষমতা প্রায় ৫০টি শয্যা হলেও রোগীর সংখ্যার ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কারণ ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কম বেশি হয়। তিনি জানান, ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় জরুরি পণ্যসামগ্রী, যেমন- আইভি ফ্লুইড (স্যালাইন), আইভি সেট, প্যারাসিটামল, বমি ও গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ এবং বিশেষ তরল হিসেবে ব্যবহৃত প্লাজমা সলিউশনের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে হাসপাতালে। কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালেও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসা সক্ষমতা আরও ১০০ শয্যা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা হাসপাতালের অষ্টম তলায় আরও ১০০টি শয্যা চালু করেছি, যার মধ্যে ৫০টি পুরুষ এবং ৫০টি নারী রোগীদের জন্য।  ইতোমধ্যেই সেখানে রোগী ভর্তি শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তা করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য আলাদাভাবে ৬ জন চিকিৎসক ও ১০ জন নার্স নিয়োগ দিয়েছে। সাইদুর রহমান জানান, ১ হাজার ২০০ শয্যার এই হাসপাতালে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ১০৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে জরুরি বিভাগে ৫০টি শয্যা ছাড়াও প্রায় ২০০টি শয্যা বিশেষভাবে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য রাখা হয়েছে। সব ডেঙ্গু রোগীর হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল ১০ থেকে ১৫ শতাংশ রোগী—যাদের রক্তপাত, তীব্র ডায়রিয়া বা অনিয়ন্ত্রিত বমির মতো গুরুতর লক্ষণ রয়েছে, তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। বাসসের খুলনা প্রতিনিধি জানান: ডেঙ্গু সংক্রমণের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হটস্পট হিসেবে খুলনা আবির্ভূত হওয়ায় সেখানকার বিভিন্ন সরকারি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংক্রমণের তীব্রতা বিবেচনায় খুলনা শহরের বিভিন্ন স্থানে ৯টি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে সপ্তাহজুড়ে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা সেবা প্রদান করা হয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চারটি ওয়ার্ড ও সংলগ্ন বারান্দায় ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কেসিসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক দিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে হাসপাতালে ৩০টি শয্যা সরবরাহ করেছে, যার ফলে হাসপাতালের মোট ডেঙ্গু শয্যা সক্ষমতা ১৫০টিতে পৌঁছেছে। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানেও ডেঙ্গু রোগীদের ভর্তি ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দল বিএনপি শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা সেবা ও অস্থায়ী হাসপাতাল চালু করেছে এবং খুলনা ডায়াবেটিক সমিতি মাত্র ১০০ টাকা খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষার সুযোগ সুবিধা চালু করেছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, দেশজুড়ে বিশেষ করে রাজধানীতে ডেঙ্গুর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেওয়ায় ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ সামলাতে ঢামেক প্রাঙ্গণে ফিল্ড হাসপাতালটি পুনরায় চালু করার কথা বিবেচনা করছে সরকার। একই সাথে, ডেঙ্গু চিকিৎসা সহজতর করতে পর্যাপ্ত জায়গা সাপেক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের কিছু রোগীকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরের কথাও বিবেচনা করছেন কর্তৃপক্ষ। ডা. নুরুল ইসলাম বলেন, সরকার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে স্যালাইনের মজুতের তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, আগামী মাসগুলোতে প্রত্যাশিত চাহিদার কথা মাথায় রেখে সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপো (সিএমএসডি) এবং এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)-কে পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখতে বলা হয়েছে। পরিচালক জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র স্ট্রাইডস কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৫ লাখ ডেঙ্গু এনএস১ র‌্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট কিট প্রদান করেছে। এর ফলে দেশের যেকোনো অংশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এছাড়া, চিকিৎসকরা যাতে ডেঙ্গু রোগীদের শনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করেন এবং ব্যবস্থাপনার ভুলে মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়—সে লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ডেঙ্গু চিকিৎসা নির্দেশিকা অনুযায়ী ১ হাজার ৬০০ চিকিৎসককে ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনার ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ডা. নুরুল ইসলাম। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও জানান, হাসপাতালে যেন ডেঙ্গু থেকে নতুন করে সংক্রমণ না ছড়ায়, সেজন্য রোগীরা যাতে মশারি ব্যবহার করেন তা নিশ্চিত করছেন কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/এসআর
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের
একনেকে উঠছে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাব
দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানো, জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং কার্বন নির্গমন কমাতে বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সক্ষমতার এক বিশাল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। 
একনেকে উঠছে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা সংকট এখন বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে জড়িত: ঢাকা
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকট এখন আর শুধু মানবিক উদ্বেগের বিষয় নয়, এর সঙ্গে বৃহত্তর নিরাপত্তা ও অনিয়মিত অভিবাসনের বিষয়ও জড়িত। সেই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আরও জোরালো আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশবিষয়ক যুক্তরাজ্যের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) চেয়ার ও এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে সফররত একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক জোরদারে এপিপিজির অব্যাহত আগ্রহের প্রশংসা করেন। প্রতিনিধিদলে হাউস অব লর্ডসের সদস্য শওকত আদম এমপি ও লর্ড কুরবান হুসেইনও ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংহতি ও সংস্কার উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরেন হুমায়ুন কবির। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে এপিপিজির ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের অগ্রগতি ও বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সঙ্গে আরও বেশি সম্পৃক্ততা তৈরিতে এপিপিজির সহযোগিতা চান। প্রতিনিধিদলটি বুধবার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবে উল্লেখ করে এপিপিজির প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের দুর্দশা মোকাবিলায় তাদের সমর্থনের কথা জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সোচ্চার থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রতিনিধিদলটি। আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা ও বিনিময় জোরদার গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংহতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষ জনশক্তি কাজে লাগানো এবং মানবাধিকারের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করে এবং সংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় চ্যানেলের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে। আরটিভি/এসআর
রোহিঙ্গা সংকট এখন বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে জড়িত: ঢাকা
দেশে শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত
দেশে উচ্চশব্দের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সরকারি প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪০ জন সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ পেয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের (ঢাকা মহানগর) পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ বাসস-কে জানান, প্রকল্পের শুরু থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী, ৭২ হাজার ২০০ জন পরিবহনচালক ও শ্রমিক, ৮ হাজার ১৪০ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১ হাজার ৯২০ জন কারখানা ও নির্মাণশ্রমিক, ১ হাজার ৮০০ জন সাংবাদিক এবং ৫ হাজার ৫৮০ জন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, ইমাম, শিক্ষক ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন। ফরিদ আহমেদ জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা এখন শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতন এবং তারা তাদের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদেরও সচেতন করছেন। তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন এবং ইমামরা মুসল্লিদেরকে এ বিষয়ে সচেতন করছেন। শহরাঞ্চলে শব্দের মাত্রা কমাতে পরিবেশ অধিদপ্তর ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে। অতিরিক্ত যানবাহনের হর্ন ও পরিবেশগত শব্দ নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক প্রচার, অংশীজনদের প্রশিক্ষণ, নীরব এলাকা ঘোষণা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। শব্দদূষণ প্রতিরোধ ও কমাতে তাদের ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে এসব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি প্রকল্পের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফরিদ আহমেদ জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আরো ৩৬ হাজার ১২০ জনকে শব্দদূষণের ব্যাপারে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে অবহিতকরণ ও দায়িত্বশীল আচরণে উৎসাহিত করতে প্রকল্পের আওতায় ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের পাশাপাশি রেডিওতে নিয়মিত শব্দদূষণবিষয়ক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।  ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, মোবাইল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শব্দদূষণবিষয়ক টেলিভিশন বিজ্ঞাপন (টিভিসি), খুদে বার্তা ও বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। শারীরিক সচেতনতামূলক উপকরণের মাধ্যমেও প্রকল্পটির জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদার করেছে। শব্দদূষণ বিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের জন্য মোট ১২৮টি বিলবোর্ড ও ২১০টি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।  এছাড়া ৭ লাখ লিফলেট, ৭ লাখ অন্যান্য উপকরণ ও ১ হাজার প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ছাপিয়ে বিতরণ করা হয়েছে। সচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। ৭ হাজার ২৯৭টি মামলার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ ১ কোটি ৮ লাখ ১৩ হাজার ১৫৭ টাকা জরিমানা আদায় করেছে এবং ৬ হাজার ৯৮৬টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করেছে। প্রকল্পের আওতায় জনসচেতনতামূলক বেশকিছু উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে। শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০২৩ সালের ১৫ অক্টোবর ঢাকায় ‘এক মিনিট নীরবতা’ পালন করা হয়। নির্ধারিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিত করতে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে ডিওই ‘যুব উৎসব’ উদযাপনের অংশ হিসেবেও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। ফরিদ আহমেদ বলেন, প্রশিক্ষণ, গণমাধ্যমে প্রচারণা, জনসম্পৃক্ততা ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পটি জনসচেতনতা আরো বাড়াতে এবং বাংলাদেশের সর্বত্র শব্দদূষণ কমাতে সহায়ক আচরণ গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করতে কাজ করছে। আরটিভি/এসআর
দেশে শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত
সেবামূলক সরকারি প্রতিষ্ঠানে চালু হবে ‘মিট দ্য প্রেস’: জহির উদ্দিন স্বপন
সরকারের আওতাধীন সব জনসেবা বিভাগ ও দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ‘মিট দ্য প্রেস’ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন এমপি।
সেবামূলক সরকারি প্রতিষ্ঠানে চালু হবে ‘মিট দ্য প্রেস’: জহির উদ্দিন স্বপন
আরও পড়ুন
একনেকে উঠছে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাব
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’
সৌরবিদ্যুৎ কেনার দাম নির্ধারণ করল বিইআরসি
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ