ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কলেরা টিকা পেয়ে খুশি জনসাধারণ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০১:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর আওতায় উচ্চঝুঁকি পূর্ণ এলাকার ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে দুই দফায় মুখে খাওয়ার কলেরা প্রতিরোধক টিকা দেওয়া হচ্ছে। পানিবাহিত রোগ কলেরা প্রতিরোধে গর্ভবতী নারী ছাড়া এক বা তার চেয়ে বেশি বয়সের সব নাগরিককে বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে ইউরিকল প্লাস নামের টিকা।

আইসিডিডিআর,বি; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা; ইউনিসেফ ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ সহযোগিতায় ২২ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে প্রথম ধাপের টিকাদান কর্মসূচি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২২ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ডোজের এবং ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হবে।

কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি উপজেলা ও থানায় টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর থানার ১৭টি ওয়ার্ডের ১৯২টি কেন্দ্রে প্রায় ১১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে কলেরার টিকা দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের শেরেবাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও এবং মুন্সিগঞ্জ সদর, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, হোসেনপুর ও তাড়াইল, নারায়ণগঞ্জ সদর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও নবীনগরেও এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

২০ আগস্ট টিকা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সেখানে তিনি বলেন, কলেরা টিকা খাওয়ানোর এলাকা নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

চারবছর বয়সি শিশু নওরিন আক্তার জুঁইকে কলেরা প্রতিরোধক টিকা খাওয়াতে রাজধানীর লালবাগ দোতলা মসজিদ এলাকা থেকে আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে নিয়ে এসেছেন মা ফাতেমা আক্তার। আলাপকালে তিনি বলেন, মাঝে মাঝে মেয়েটার পেটের সমস্যা হতো। সবাই বলতো হাত ধুয়ে খাবার খাওয়াতে। ভালো পানি দিয়ে খাবার রান্না করতে এবং পানি ফুটিয়ে মেয়েকে খাওয়াতে। আসলে এ সবই করতাম, কিন্তু লাভ তেমন একটা হতো না। পেটের সমস্যা লেগেই থাকতো। সরকার বিনা মূল্যে কলেরা টিকা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছে এ জন্য তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

আজিমপুর সরকারি কলোনি থেকে দুই বছরের ছেলে অর্ণব সরকারকে কলেরা টিকা খাইয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন শিশুটির মা পলি সরকার। তিনি বলেন, ছেলেটার সারা বছর শরীর খারাপ থাকে। সঙ্গে পেটের সমস্যা তো আছেই। ছেলেকে কলেরা টিকার প্রথম ডোজ খাওয়ানো হয়েছে। আগামী মাসের ২৬ তারিখ দ্বিতীয় ডোজ খাওয়াবো। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই এমন উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট টিকাকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সকল বয়সি মানুষকে যত্নসহকারে কলেরা টিকা খাইয়ে দিচ্ছেন তাহমিনা আক্তার।

তিনি বলেন, আমরা সকাল থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু করেছি। এলাকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসছেন, নাম এন্ট্রি করে টিকা খেয়ে যাচ্ছেন। এক মাস পরে আবার সবাইকে এসে দ্বিতীয় ডোজ খেয়ে যেতে বলা হচ্ছে এবং টিকা কার্ডে লিখে দিচ্ছি।

সরেজমিনে বিভিন্ন টিকাকেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, টিকাদানের নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের একজন নাম নথিভুক্ত করছেন। একজন অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করছেন এবং অপর একজন রেজিস্ট্রেশন শেষ হলে টিকা খাইয়ে দিচ্ছেন। আর বাকি কর্মীরা অস্থায়ী কেন্দ্রের আশ-পাশের মানুষের কাছে গিয়ে প্রচার-পত্র দিচ্ছেন এবং কলেরা টিকা খেতে বলছেন। টিকা খেলে কি কি সুবিধা হবে তা বোঝানোর চেষ্টা করছেন।

আরও পড়ুন

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত তেজগাঁও এলাকার ২৪ নং ওয়ার্ডের টিকা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, আজিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি তার দুই সন্তানকে কলেরা টিকা খাওয়াতে নিয়ে এসেছেন। একজনের বয়স ৭ বছর, অপরজনের সাড়ে ৩ বছর।

টিকা খাওয়ানো শেষ করে আজিজুর রহমান বলেন, কিছুদিন থেকে ডেঙ্গু ও হাম নিয়ে খুব ভয়ে আছি। এর মধ্যে যদি আবার ডায়রিয়া শুরু হয় তাহলে তো সমস্যা। দুই ছেলেকে কলেরা টিকার প্রথম ডোজ খাওয়াতে পেরে ভালো লাগছে। ভয় অনেকটাই কেটে গেছে। আগামী মাসের ২৬ তারিখে আবার দ্বিতীয় ডোজ খাওয়াতে হবে।

অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশিদ বলেন, বর্তমানে প্রথম ধাপে ১৪টি উপজেলায় টিকাদান চলছে। পরে ধাপে ধাপে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা মোট ১৪৪টি উপজেলায় এই টিকা দেওয়ার কথা রয়েছে। দুই ধাপে দেওয়া এই টিকা কার্যকর থাকবে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ২৯ লাখ মানুষ কলেরায় আক্রান্ত হন। মারা যায় প্রায় ৯৫ হাজার মানুষ। এখনও বিশ্বের প্রায় ১৩০ কোটি মানুষ এই রোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন, যার অধিকাংশই আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়া কেন্দ্রিক।

আইসিডিডিআর,বি এবং কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এক গবেষণাপত্রে দেখা গেছে, ২০০৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ঢাকায় নথিবদ্ধ কলেরা রোগীর মোট সংখ্যা ছিল ছয় হাজার ১৪১ জন। এতে দেখা গেছে, ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়। পরে তা কমে এলেও ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা আবারও বাড়তে থাকে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মালিক-শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে শ্রমমন্ত্রী
ন্যূনতম মজুরির দাবিতে পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সরকারের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তা, শ্রমিক সংগঠনের নেতা এবং মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন। এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কাঠামো চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তবে নতুন মজুরির পরিমাণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রথম বেতন দেওয়া হতে পারে আগামী জানুয়ারিতে।  ১ নভেম্বর ছয় সদস্যের ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানকে। পরে তাকে পরিবর্তন করে সৈয়দ আজাদ সুবহানীকে বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়। নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম-মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম শামসুদ্দিন। শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার। বর্তমানে পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। শ্রমিকেরা তা বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছেন। গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে এ দাবিতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও কর্মবিরতি চলছে। আন্দোলন কেন্দ্র করে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। কয়েক শ কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার খবর পাওয়া গেছে। এতে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, খাদ্য, বাসাভাড়া, যাতায়াত ও চিকিৎসাসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান মজুরিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে মালিকপক্ষ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার চাপের কথা তুলে ধরে আসছে। আরটিভি/টিআর
মালিক-শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে শ্রমমন্ত্রী
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে, যা জানা যাচ্ছে
তার সঙ্গে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে ডিবিসি নিউজের ক্রাইম চিফ রাজিব ঘোষকেও। বর্তমানে তারা ডিবি কার্যালয়ে রয়েছেন।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে, যা জানা যাচ্ছে
ফ্যাসিস্টরা গার্মেন্টসে অসন্তোষ ছড়িয়ে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
ফ্যাসিস্টরা গার্মেন্টসে অসন্তোষ ছড়িয়ে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলার আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বপ্রাপ্ত, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
ফ্যাসিস্টরা গার্মেন্টসে অসন্তোষ ছড়িয়ে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
রাগ-ক্ষোভ নয়, রাষ্ট্র চলে যৌক্তিকতার ভিত্তিতে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
রাষ্ট্র কখনো রাগ বা ক্ষোভের ভিত্তিতে পরিচালিত হতে পারে না, রাষ্ট্র চলে যৌক্তিকতার ওপর ভিত্তি করে বলে মন্তব্য করেছেন নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে গণফোরাম আয়োজিত ‘বাংলাদেশের সংবিধান দিবস’ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্র কখনো রাগ বা ক্ষোভের ভিত্তিতে পরিচালিত হতে পারে না, রাষ্ট্র চলে যৌক্তিকতার ওপর ভিত্তি করে। সময়ের প্রয়োজনে মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়েই সংবিধানে পরিবর্তন আসে, তবে তা সংবিধানের মৌলিক ভিত্তিগুলোকে বিনষ্ট করে নয়। তিনি আরও বলেন, এ দেশের জনগণ কখনোই বাড়াবাড়িকে পছন্দ করে না, যারাই বাড়াবাড়ি করেছে, জনগণ তাদেরকেই প্রত্যাখ্যান করেছে। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এদেশের মানুষ কখনোই ভুল করে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা সংবিধান সংশোধনের পক্ষে ছিল, জনগণ তাদেরকেই সমর্থন দিয়েছে এবং নির্বাচিত করেছে। ​মন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, তারপরেও  শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে আমরা যে সম্প্রীতি নিয়ে মিলেমিশে বসবাস করছি, তা গোটা বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত। তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে সমুন্নত রেখে একটি ন্যায়ভিত্তিক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলারও আহ্বান জানান। আরটিভি/টিআর
রাগ-ক্ষোভ নয়, রাষ্ট্র চলে যৌক্তিকতার ভিত্তিতে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
এই আন্দোলন শ্রমিকদের নয়, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক নয়, এমন কিছু ব্যক্তি আন্দোলনের নামে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যানবাহনে হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং কোথাও কোথাও সহিংসতা সৃষ্টি করছে।
এই আন্দোলন শ্রমিকদের নয়, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী