ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

‘মালয়েশিয়া মডেলে দেশে রাস্তা হবে, নষ্ট হবে না বর্ষায়’  

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, মালয়েশিয়ার রাস্তায় এক ধরনের রাবারাইজ বিটুমিন ব্যবহার করা হয়। তাতে করে বৃষ্টিতে রাস্তা নষ্ট হয় না। সরকার এ কারণে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পর্যায়ক্রমে। এতে মালয়েশিয়া কারিগরি সহায়তা দেবে।

রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমানের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পলিমার মডিফাইড বিটুমিন যেটি মানে রাবারাইজ বিটুমিন, এটার বিষয়ে কারিগরি সহযোগিতা তারা (মালয়েশিয়া) আমাদের দেবে। এটা সাধারণত রোড কার্পেটিংয়ের কাজে ব্যবহার হয়। আপনারা জানেন, মালয়েশিয়ার রাস্তাগুলো, ওখানে কিন্তু প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। কিন্তু তাদের কার্পেটিংয়ের রাস্তা কিন্তু সহজে নষ্ট হয় না। কারণ তারা কার্পেটিংয়ের সঙ্গে রাবারটা ইউজ করে। এই প্রযুক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০৫ সালে যখন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন তখন বগুড়া সদরে তার নির্বাচনি এলাকায় আমাদের বর্তমান সচিব শহিদুল হাসান তখন এলজিডি চিফ ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন, সেই সময় এটা কিন্তু আমরা মালয়েশিয়া থেকে এই যে পলিমার মডিফাইড বিটুমিন আমরা ওই সময় নিয়ে এসে কিন্তু দুই কিলোমিটার রাস্তা পাইলটিং করেছিলাম।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, সেই রাস্তা কিন্তু এখনও ঠিক আছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে পর্যাক্রমে বৃষ্টির মৌসুমে যাতে রাস্তাগুলি নষ্ট হয়ে না যায় আমরা পর্যাক্রমে শুরু করবো। যেহেতু প্রযুক্তিটা আমাদের কাছে এভেলেবল না ২০ শতাংশ রাস্তা এখন থেকে আমরা যেন আমরা রাবারইজ বিটুমিন দিয়ে করতে পারি। তাহলে হবে কি বিটুমিনের সঙ্গে রাবারটা থাকলে মালয়েশিয়ার মডেলে বর্ষাকালে আমাদের রাস্তাগুলো সহজে নষ্ট হবে না। এই কারণে এ বিষয়ে মালয়েশিয়া আমাদের কারিগরি সহায়তা দেবে এবং এই সহযোগিতা নিয়ে আমরা ভবিষ্যতের যে গ্রামীণ রাস্তাগুলি যেটা রিপেয়ার করবো মেন্টেনেন্স করবো বা নতুন রাস্তা হবে এটা আমরা রাবার বেইজ কার্পেটিং বিটুমিন দ্বারা কার্পেন্টিংয়ের জন্য আমরা এগিয়ে যাবো।

image

তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয়ত মালয়েশিয়া আমাদের জানিয়েছে, আমাদের এখানে তারা ইভি ইলেকট্রিক ভেহিকেলে তারা এখানে ইনভেস্ট করবে। এরপরে আমাদের সোলার প্যানেলে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ যেটা রেননিয়েবল এনার্জি বলছি সেখানে তারা ইনভেস্ট করবে। হালাল ফুডে তারা এখানে ইনভেস্ট করবে এবং সব মিলিয়ে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের মতো ইনভেস্টমেন্ট করার বিষয়ে একটা প্রস্তুতি চলছে এবং আমরা তার বক্তব্যে আমরা যেটুকু বুঝেছি যে খুব দ্রুতই এ সমস্ত প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং বাংলাদেশ থেকে যে জনশক্তি রফতানি হবে সেটি সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ শুরু হবে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান, জবাবদিহির আওতায় সংসদ সদস্যরাও
দলের ভেতরে যে কোনো মূল্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘চাঁদাবাজ ও দখলদারদের জায়গা বিএনপিতে নেই।’ 
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান, জবাবদিহির আওতায় সংসদ সদস্যরাও
সিনিয়র সহকারী সচিব হলেন ২০ নন-ক্যাডার কর্মকর্তা
ক্যাডার বহির্ভূত (নন-ক্যাডার) ২০ সহকারী সচিবকে সিনিয়র সহকারী সচিব (নন ক্যাডার) পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।
সিনিয়র সহকারী সচিব হলেন ২০ নন-ক্যাডার কর্মকর্তা
সরানো হচ্ছে সচিবালয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ঢাকার আবদুল গনি রোডে অবস্থিত সচিবালয় সরিয়ে নেওয়া হবে শেরেবাংলা নগরে। পাশাপাশি বর্তমান সচিবালয় চত্বরে পুরান ঢাকার নিম্ন আদালত স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক সভায় সচিবালয় স্থানান্তরের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। তবে এখনো প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন মেলেনি। সব প্রস্তুতি শেষ করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করতে চায় সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তৎপরতা বেড়েছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজ চলছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর ইতিমধ্যে প্রস্তাবিত ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি নকশাও প্রস্তুত করেছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। তা অনুসরণ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যের প্রকল্পের নঁকশাও প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন। তার ওপর বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। সেসব আমলে নিয়ে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এ প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি লে-আউট প্রস্তুত করেছে। প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় তথ্য গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে নির্মাণকাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে। নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সের নকশা নিয়ে কাজ করছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সামনে তিনটি বিকল্প নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদনের পর গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রথম ধাপে তিন বছরের মধ্যে কয়েকটি মন্ত্রণালয় নতুন স্থানে স্থানান্তরের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তবে সব ভবন নির্মাণ, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগতে পারে। নতুন সচিবালয় নির্মিত হলে রাজধানীর প্রশাসনিক অবকাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তবে প্রকল্পের ব্যয়, নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আরটিভি/টিআর
সরানো হচ্ছে সচিবালয়
দেশের ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের বিনোদনের চাহিদা পূরণে দেশের ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।
দেশের ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
জুলাই জাদুঘরের নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ: নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের নথিপত্র এখন নিছক ঐতিহাসিক দলিল নয়, বরং এসব নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ বহন করছে বলে উল্লেখ করেছেন নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। এসময় গণভবনে পাওয়া নথিপত্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিবরণ পর্যালোচনা করে তিনি বলেন, জাদুঘরটি শুধু বাংলাদেশের মানুষের জন্য নয়, বিশ্বের প্রত্যেক নাগরিকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। স্টিভেন কোলেট বলেন, জুলাই জাদুঘর আমার দেখা সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী জাদুঘর। জুলাই জাদুঘরে দেখানো নথিগুলো এখন নিছক নথিপত্রই নয়; বরং তা ওই সময়ের হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ উপস্থাপন করছে। পরিদর্শনকালে নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের স্মারক ঘুরে দেখেন। এসময় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ভিডিওচিত্র দেখেন তিনি। অভ্যুত্থানে নিহত শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের আত্মত্যাগের কথা তার সামনে তুলে ধরেন সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তি। জাদুঘর পরিদর্শন শেষে স্টিভেন কোলেট বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আমি এই জাদুঘরের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিবাদন জানাই। এই জাদুঘর আমাদের সবাইকে এমন এক ইতিহাসের কথা বলে, যা কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়। তিনি আরো বলেন, জুলাই জাদুঘর আমাদের মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে ভবিষ্যৎ গঠনের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধ করে তোলে। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইউরিস ভ্যান বোমেল, দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ইয়ানা ভান দের লিন্দেন, ফার্স্ট সেক্রেটারি জাওয়াদ আজওয়ি এবং রাজনীতি ও জনকূটনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা লুবাইন মাসুম উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
জুলাই জাদুঘরের নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ: নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী
আরও পড়ুন
সাড়ে ৬ লাখ টাকায় মালয়েশিয়ার স্বপ্ন, বিমানবন্দরে গিয়ে ইকবাল জানলেন ভিসা-বিমানের টিকিট ভুয়া
আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম ’আরটিভি আলোকিত কোরআন ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন ইহতেশামুল
আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের হিরা
মালয়েশিয়ান কুকুর মাটি খুঁড়ে বের করল নিখোঁজ বাংলাদেশির মরদেহ