ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

শেখ হাসিনা ও রেহানার নামে নতুন মামলা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম
শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা। ছবি: সংগৃহীত

এবার ট্রাস্টের নামে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ ও আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার বিরুদ্ধে নতুন আরও এক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা ফান্ড (সিএসআর) থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে এই টাকা সংগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। মামলায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারকেও আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা করেন। দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর অনুকূলে সংগ্রহ করেন। এতে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দুদক।

এজাহার অনুযায়ী, ‘দ্য ট্রাস্টস অ্যাক্ট, ১৮৮২’-এর আওতায় শেখ হাসিনা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি এবং শেখ রেহানা ছিলেন সহ-সভাপতি। ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এজহারে দুদক আরও জানায়, বাংলাদেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে তারা দেখেছে, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার তার প্রভাব খাটিয়ে বিএবির নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচ্যসূচিতে না থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন। পরে নির্বাহী কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ট্রাস্টের অনুকূলে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।

দুদকের অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী ‘পলিসি গাইডলাইন অন করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি ফর ব্যাংকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস’-এ সিএসআর অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে নির্দেশনা থাকলেও ট্রাস্টে এ ধরনের অনুদান দেওয়ার কোনো বিধান নেই।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, দুদকের সরেজমিন পরিদর্শনে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর ঠিকানায় দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ট্রাস্টটি সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাস্টের প্রতিশ্রুত কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রমাণও অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ব্যক্তিগত লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলে বিএবির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রভাব খাটিয়ে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখেন। এই ফান্ডের অর্থ ট্রাস্টে অনুদান দেওয়ার বিধান না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকগুলোকে অর্থ প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতি করে রাজউকের আবাসন প্রকল্পে ১০ কাঠা করে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা করেছে দুদক।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
একনেকে অনুমোদন পেল নতুন ১১ প্রকল্প
নতুন ১১ প্রকল্পসহ মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা। 
একনেকে অনুমোদন পেল নতুন ১১ প্রকল্প
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। তিনি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন এবং চীন-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানান। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষর এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের বিষযটি উল্লেখ করে বলেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। কুনমিং ও চট্টগ্রামকে সংযুক্ত করার প্রস্তাবিত করিডোর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরসহ বহুমাত্রিক যোগাযোগব্যবস্থা সম্প্রসারণে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান তিনি। এ সময় রাষ্ট্রপতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং’কে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ করে প্রযুক্তি হস্তান্তর, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে সহায়ক খাতগুলোতে বিনিয়োগের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। চীনের মন্ত্রী এ সময় সবুজ জ্বালানি, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ইত্যাদি বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতালের অর্থায়ন ও নির্মাণে সহযোগিতা করায় চীনকে ধন্যবাদ জানান এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে চীনের অব্যাহত সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন। চীনের মন্ত্রী এ বিষয়ে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন। পাশাপাশি চলমান জ্বালানি সংকটে চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রপতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। রাষ্ট্রপতি ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে বলেন, ঐতিহাসিক সফরগুলো দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। লিউ লিউ হাইশিং বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় চীনের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময় এই সম্পর্ক আরো জোরদার হয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় এবং বিস্তৃত হবে বলে চীনা মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রপতি চীনে তার সর্বশেষ সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সফররত মন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠকগুলো ফলপ্রসূ হয়েছে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদারে সহায়ক ভুমিকা রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গত জুনে চীন সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সফরটি দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংসহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় এবং সফরকালে সমঝোতা স্মারকসহ বিভিন্ন সহযোগিতা-সংক্রান্ত দলিল স্বাক্ষরকে রাষ্ট্রপতি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি লিউ হাইশিংয়ের অব্যাহত সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। এর আগে মন্ত্রী লিউ হাইশিং বঙ্গভবনে এসে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে অভ্যর্থনা জানান এবং ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি তার সচিবদেরকে চীনের আন্তর্জাতিক মন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স লিউ ইউইন, সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক পেং শিউবিন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব (সমন্বয়) সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতি চীনের আন্তর্জাতিক মন্ত্রীসহ প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যকে বঙ্গভবন পরিদর্শন করান। এ সময় চীনা মন্ত্রীর পিতা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত লিউ শুকিং ১৯৮০ সালে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে পরিচয়পত্র পেশের ভিডিওচিত্র এবং এল জি আর ডি মন্ত্রী থাকাকালে রাষ্ট্রপতির চীন সফরের আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, জন বিভাগের সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান
বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্ন স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন রয়েছে: স্পিকার
বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্ন স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বুধবার (৪ নভেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা। এ সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকালে স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্ন স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন রয়েছে। কসোভোর জনগণ দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সংস্কৃতির নিবিড় সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে নির্বাচনের নামে প্রহসনের মাধ্যমে এদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টে বিগত সরকারের নৃশংস এবং বর্বরোচিত শাসনামলের চিত্র ফুটে উঠেছে। তিনি বলেন, ২৪-এর জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারের অবসান হয় এবং বাংলাদেশের পুনরায় গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সূচিত হয়। স্পিকার আরো বলেন, এদেশের জনগণ গণতন্ত্র প্রিয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এদেশের ইতিহাসে অন্যতম অবাধ, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের আকাঙ্খা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা বলেন, বাংলাদেশে নতুন এক গণতান্ত্রিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। বর্তমান সংসদের সংসদ-সদস্যদের সংসদীয় বিতর্কে সক্রিয় অংশগ্রহণ খুবই প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী। তারা মানসম্মত শিক্ষা ও তথ্য-প্রযুক্তির জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে। রাষ্ট্রদূত এসময় কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দানের জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং স্পিকারকে কসোভো সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। সাক্ষাতকালে তারা উভয়েই দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় ককাস গ্রুপ গঠন, ব্যবসা ও বিনিয়োগের প্রসার, যৌথ একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিনিময়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে কসোভোর দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্ন স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন রয়েছে: স্পিকার
বিএনপি সরকারের আমলেই শরীয়তপুর হয়ে কুয়াকাটা যাবে রেললাইন: হুইপ অপু
বিএনপি সরকারের আমলেই ঢাকা থেকে শরীয়তপুর হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেল সংযোগ স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
বিএনপি সরকারের আমলেই শরীয়তপুর হয়ে কুয়াকাটা যাবে রেললাইন: হুইপ অপু
২০২৭ সাল ঘিরে বড় সুখবর, দুই ঈদে থাকছে লম্বা ছুটি
গত ২ নভেম্বর মন্ত্রিসভা বৈঠকে ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। আগামী বছর সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ও নির্বাহী আদেশে ছুটি ১৪ দিন।
২০২৭ সাল ঘিরে বড় সুখবর, দুই ঈদে থাকছে লম্বা ছুটি