ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত

সংসদীয় বিষয়াবলি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ-রাশিয়া সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ।

প্রথাগত ও সরকারি কূটনীতির পাশাপাশি সংসদীয় কূটনীতি (পার্লামেন্টারি ডিপ্লোমেসি) এবং পেশাদার বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের আইনপ্রণেতাদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতেই গঠন করা হয়েছে এই কমিটি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিনের সঙ্গে বাংলাদেশ-রাশিয়া সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের একটি প্রতিনিধিদল এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়।

বৈঠকে কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বহুমুখী ক্ষেত্র ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধনের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই রাশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষিত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে রয়েছে। সময়ের পরিক্রমায় দ্বিপাক্ষিক এই ঐতিহাসিক সম্পর্ক আজ সুদৃঢ় ও বিশ্বস্ত অংশীদারিত্বে রূপ নিয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, পারমাণবিক বিজ্ঞান, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি খাত এবং সর্বোপরি দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বা ‘পিপল-টু-পিপল কানেকশন’ সুসংহত করতে যৌথ ও সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ বৈদেশিক নীতিতে গভীরভাবে বিশ্বাস করে। নতুন প্রজন্মের সমন্বয় এবং নতুন কাঠামোর অধীনে যৌথ উদ্যোগে আগামী দিনে ঢাকা-মস্কো দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব আরও গভীর ও গতিশীল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে সার্বিক আশ্বস্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়ন, উভয় দেশের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে রাশিয়ার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

তিনি বিশ্বাস করেন, দুই দেশের সংসদ সদস্যদের এই যৌথ অংশগ্রহণের ফলে বিদ্যমান বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশের সভাপতি মিয়া সাত্তার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করেন। তিনি মন্তব্য করেন, পারস্পরিক সুবিধা বা ‘মিউচুয়াল বেনিফিট’ হলো যেকোনো টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আসল ভিত। জনকূটনীতি (পাবলিক ডিপ্লোমেসি) এবং সামাজিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার তাগিদ দেন তিনি।

তিনি বলেন, যৌথ স্বার্থ ও সুবিধার ওপর ভিত্তি করে গঠিত বাংলাদেশ-রাশিয়া সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও নির্ভরতা বৃদ্ধি করতে সরাসরি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

উক্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মৈত্রী গ্রুপের সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির নেতৃত্বে সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাইরুল কবির খোকন, সাঈদ আল নোমান, সাইফুল আলম, আতিকুর রহমান মুজাহিদ এবং জেবা আমিন খান।

এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক ও কূটনৈতিক প্রটোকল সমন্বয়ের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ইউরোপ ও সিআইএস অনুবিভাগের মহাপরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার পাশাপাশি রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমাতেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের মানোন্নয়নে একজন মুসলিম সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে 'গ্রুপ অব ডেপুটিস' বা সংসদীয় মৈত্রী দল গড়ে তোলা হয়েছে।

সেখানে আন্তর্জাতিক ও জনকূটনৈতিক পর্যায়ে দুই দেশের সুসম্পর্ক সুসংহত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলছে। সংসদীয় কূটনীতির এই শক্তিশালী বিকাশ ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক নানা ফোরামে উভয় দেশের কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
একদিনে দেশের তিনটি বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের তিনটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানাবেন তিনি। এ সফর ঘিরে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।
একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যোগ দিতে দেশ ছাড়লেন ৫০ সেনা
হাইতিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ অনুমোদিত গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্সে (জিএসএফ) যোগ দিতে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অগ্রবর্তী দলের ৫০ সদস্য।
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যোগ দিতে দেশ ছাড়লেন ৫০ সেনা
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক এ কথা জানান। তিনি জানান, পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের মাঠ, বাগান ও বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিবেশ, অবকাঠামোগত অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। সহকারী প্রেস সচিব জানান, জাতীয় সংসদ প্লাজার সৌন্দর্য ও পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। মাঠ ও বাগান পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি বিদ্যমান গাছপালার সঠিক পরিচর্যা এবং সবুজায়ন কার্যক্রম জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও তিনি দেন। এছাড়া সংসদ প্লাজা ও এর আশপাশের এলাকায় যেসব স্থানে সংস্কার দরকার, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক আরও জানান, জাতীয় সংসদ ভবনের স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ও এর সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন তিনি। আরটিভি/টিআর
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল প্রকল্পের আওতায় আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতু নির্মাণ ও সংশ্লিষ্ট কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সেতুটির সর্বশেষ কংক্রিট ঢালাই সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে ডেক নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এর ফলে পায়রা বন্দরের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পথ আরও সুগম হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা সেতুটি চালু হলে রাবনাবাদ নদীর তীরবর্তী চরিপাড়ায় অবস্থিত পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে খালাস করা পণ্য সরাসরি সড়কপথে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিবহন করা সম্ভব হবে। এর ফলে পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীরাও সরাসরি সড়কপথে বন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে জানা যায় যে দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বন্দরের আওতাধীন শিল্পাঞ্চলে বিভিন্ন কলকারখানা স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এসব শিল্পকারখানায় বন্দরের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে  বিদ্যুৎ সরবারহ নিশ্চিত করা হবে।এর ফলে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের পাশাপাশি বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে। নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে টার্মিনাল এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনের মাত্র কয়েক দিন আগেই পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে আরেকটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিগত ৭ অক্টোবর সকালে চীনের পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ফান ঝৌ-৬ (Fan Zhou-6) সরাসরি প্রথম টার্মিনালে নোঙ্গর করেছে। জাহাজটিতে আধুনিক পণ্য ওঠানো-নামানোর পাঁচটি সরঞ্জাম আনা হয়েছে। দুই বছর পর এই প্রথম টার্মিনালে বড় ধরনের পরিচালন সরঞ্জাম পৌঁছাল।  নদীর উপযোগী বিশেষ নকশায় নির্মিত সেতু আন্ধারমানিক নদীর উপর নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ১৮০ মিটার। এক্সট্রাডোজড প্রযুক্তিতে নির্মিত সেতুটির টাওয়ারের উচ্চতা ৫৮ দশমিক ৫ মিটার। সেতুর মূল ডেকের প্রস্থ ২৩ দশমিক ২ মিটার এবং সংযোগ ডেকের প্রস্থ ২১ দশমিক ২ মিটার। সেতুতে প্রতিটি দিকে দুটি করে মোট চারটি লেন রয়েছে । আন্ধারমানিক নদীতে নৌযান চলাচল সব সময় সচল রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেতুটি মাত্র দুটি প্রধান পিলারের ওপর নির্মাণের নকশা করা হয়েছে। ফলে জাহাজ ও লঞ্চের নির্বিঘ্ন চলাচলের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহও ঠিক থাকবে। ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি প্রথম পাইল স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসিসি) এবং চায়না রেলওয়ে ব্রিজ কনস্ট্রাকশন গ্রুপ (সিআরবিজি) যৌথভাবে সেতুটি নির্মাণ করছে। নির্মাণকাজ তদারকি করছে একটি কোরিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। নতুন সম্ভাবনার প্রতীক  নির্মাণকাজ প্রায় শেষের দিকে পৌঁছানোয় সেতুটি স্থানীয় মানুষের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা নির্মাণস্থলের পাশের ছয় লেনের সড়কে জড়ো হচ্ছে নদীর ওপর সেতুটির নির্মাণ অগ্রগতি দেখতে। প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, রাতে সেতুটিতে এমনভাবে আলোকসজ্জা করা হবে, যাতে তা শাপলা ফুলের আকৃতি ফুটিয়ে তোলে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সেতুটি শুধু যান চলাচলের সুবিধা বাড়াবে না; পায়রা বন্দরের সড়ক যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্থানীয় পরিবহন নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ এবং বন্দরের কার্যক্রম ও সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, সেতুটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।  আরটিভি/টিআর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ২ হাজার ৩১৮টি কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে আগামী ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘অধ্যক্ষ সম্মেলন-২০২৬’। রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামের এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট
রাশিয়ায় নির্বাচন: পুতিনের দলের নিরঙ্কুশ জয়
রাশিয়ায় গ্যাস প্ল্যান্টে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ৬ চীনা নাগরিকসহ নিহত ৭
রাশিয়ার মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল ইউক্রেন