ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

অবসর ভাতা না পাওয়া এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য সুখবর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে যারা আবেদন করেও অবসর সুবিধার ভাতার টাকা পাননি, তাদের জন্য নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এসব শিক্ষক-কর্মচারীর আবেদনের রিসিট কপি, এনআইডির ফটোকপি, এনআইডি দ্বারা রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর ও হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট চাওয়া হয়েছে, যা ডাকযোগে অথবা কুরিয়ারে বা ই-মেইল করে পাঠাতে হবে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের এক নোটিশে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়েছে, গত ১৫ আগস্ট থেকে পাঠানো অবসর সুবিধা ভাতা যারা এখনো পাননি, তাদের আবেদনের রিসিট কপি, এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, এনআইডি দ্বারা রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর এবং হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের ঢাকার কার্যালয়ে ডাকযোগে বা কুরিয়ারে বা ই-মেইল করে পাঠাতে বলা হয়েছে।

ই-মেইলে কাগজপত্র ও তথ্য পাঠাতে স্কুল শাখার জন্য [email protected]; কলেজ ও কারিগরি শাখার জন্য [email protected] এবং মাদরাসার জন্য [email protected] ঠিকানা অনুসরণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি আরও বলা হয়েছে, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শিক্ষকদের সশরীরে আসার প্রয়োজন নেই। কারও সঙ্গে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকবেন। দালাল এবং প্রতারকের খপ্পর থেকে বিরত থাকুন।

নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আইবাস ডাবল প্লাস অথবা ইএফটির মাধ্যমে আপনার টাকা পৌঁছে যাবে। এ নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অর্থনীতির পুনরুত্থানে চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাংলাদেশের অগ্রাধিকার: জহির উদ্দিন স্বপন
দেশের অর্থনীতির পুনরুত্থান ও বিকাশের জন্য চীনের সঙ্গে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক বন্ধুত্ব জোরদার করা বাংলাদেশের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি।
অর্থনীতির পুনরুত্থানে চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাংলাদেশের অগ্রাধিকার: জহির উদ্দিন স্বপন
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সামরিক সহযোগিতা জোরদারের তাগিদ
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা আরও গতিশীল ও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সামরিক সহযোগিতা জোরদারের তাগিদ
‘ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নির্বাচন ভবনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের মনিটরিং সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
‘ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’
ভূমি অপরাধ আইনে ৩ মাসেই বেদখল জমি উদ্ধারে সুফল
অবৈধভাবে বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারে কঠোর বিধান রেখে কার্যকর করা হয়েছে বিদ্যমান ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন।
ভূমি অপরাধ আইনে ৩ মাসেই বেদখল জমি উদ্ধারে সুফল
নীতি থেকে বাস্তবায়নে নিরাপদ, সবুজ ও বিশ্বমানের সামুদ্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার
“নীতি থেকে বাস্তব প্রয়োগ: নৌ খাতে উৎকর্ষতা অর্জন” এ প্রতিপাদ্যকে উপজীব্য করে বাংলাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব নৌ দিবস ২০২৬ উদ্‌যাপিত হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নৌপরিবহন অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের সামুদ্রিক খাতকে নিরাপদ, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতাসক্ষম করে গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। তারা বাংলাদেশের সমুদ্র, নদী ও নৌসম্পদের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক বন্দর, কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, নৌনিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বিধিবিধানের বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। দিবসটি উপলক্ষে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের  মন্ত্রী  শেখ রবিউল আলম এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল খন্দকার মেসবাহ-উল-আজিম।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, নীতি, পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। শুধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুসমর্থন বা আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয় নিরাপদ জাহাজ, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক বন্দর, দক্ষ নাবিক, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং টেকসই নৌবাণিজ্যের মাধ্যমে এর বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বাংলাদেশের বন্দরগুলোর আধুনিকায়ন, অটোমেশন, সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং পণ্য খালাসের সময় কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ ও পরিদর্শন সক্ষমতা বৃদ্ধি, ফ্ল্যাগ স্টেট ও পোর্ট স্টেট কন্ট্রোল কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ এবং নিরাপত্তা ও পরিবেশগত মানের কার্যকর প্রতিপালন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, দেশের নাবিকরা বাংলাদেশের সবচেয়ে মূল্যবান সামুদ্রিক সম্পদ এবং বহির্বিশ্বে দেশের শক্তিশালী প্রতিনিধি। তাঁদের কল্যাণ, প্রশিক্ষণ, সনদায়ন ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিক বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা হবে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নৌপথ ও উপকূলীয় নৌপরিবহনের টেকসই উন্নয়ন, নদীদূষণ প্রতিরোধ এবং নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান তার বক্তব্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক সমৃদ্ধির অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বন্দর, নৌবাণিজ্য, মৎস্যসম্পদ, অফশোর সম্পদ এবং ব্লু ইকোনমির বিকাশ একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল সামুদ্রিক পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল। সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা, তথ্য বিনিময়, মেরিটাইম ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর সমন্বয় আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি। নৌবাহিনী প্রধান বাংলাদেশের সমৃদ্ধ নৌ-ঐতিহ্য, দেশীয় নৌযান নির্মাণের দক্ষতা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকদের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি মেরিটাইম শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি ও পেশাগত উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি নারী মেরিটাইম পেশাজীবীদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণকে সামুদ্রিক খাতের উৎকর্ষ অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দর বর্তমানে বছরে প্রায় ৩৪ লাখ টিইইউ কনটেইনার পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতে প্রায় ৪০ লাখ টিইইউ অতিরিক্ত সক্ষমতার চাহিদা মোকাবিলায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ২০২৯ সালে কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা এ বন্দর প্রায় ২৩০ মিটার দীর্ঘ এবং আট থেকে দশ হাজার টিইইউ ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মাদার ভেসেল সরাসরি গ্রহণ করতে পারবে। এর ফলে পরিবহন সময় ও লজিস্টিক ব্যয় কমবে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। বাংলাদেশের প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথকে দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সমুদ্রবন্দর, উপকূলীয় নৌপথ এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথের মধ্যে কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সমন্বিত মাল্টিমোডাল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়। জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে জানানো হয়, Hong Kong International Convention কার্যকর হওয়ার পর দেশের ২৪টি জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ইয়ার্ড ইতোমধ্যে কমপ্লায়েন্স অর্জন করেছে এবং আরও ২০টি ইয়ার্ড সনদায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। নিরাপত্তা, শ্রমিককল্যাণ ও পরিবেশগত মান নিশ্চিত করে এ শিল্পকে আধুনিক, দায়িত্বশীল এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, তেল ও বাংকার দূষণজনিত ক্ষতিপূরণ এবং জাহাজের ধ্বংসাবশেষ অপসারণসংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক কনভেনশনে বাংলাদেশের যোগদান আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা প্রতিপালনে দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। পাশাপাশি জাতীয় আইন, বিধিমালা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আধুনিকায়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থার GreenVoyage2050 কর্মসূচির সহায়তায় জাহাজ চলাচল থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসে বাংলাদেশ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কম-কার্বন জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা, বন্দর কার্যক্রমের বিদ্যুতায়ন এবং পরিবেশসম্মত জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে সবুজ নৌপরিবহনে উত্তরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। দেশের সামুদ্রিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের অগ্রগতি তুলে ধরে জানানো হয়, বর্তমানে ১৫টি মেরিটাইম একাডেমি ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং একটি মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষ নাবিক, মেরিন প্রকৌশলী ও বন্দর ব্যবস্থাপনা পেশাজীবী তৈরিতে কাজ করছে। ২০১৪ সাল থেকে ১৩৮ জনের বেশি নারী ক্যাডেট দেশের মেরিটাইম একাডেমিগুলো থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ৫০ জন নারী ক্যাডেট প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করছেন। সামুদ্রিক দুর্ঘটনায় দ্রুত সাড়া প্রদান, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম, জাহাজ শনাক্তকরণ এবং সমন্বিত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের Joint Rescue and Coordination Centre-JRCC-এর সক্ষমতা আরও সম্প্রসারণের কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌযানগুলোকে পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল নিবন্ধন ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, সরকার, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বন্দর কর্তৃপক্ষ, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, জাহাজমালিক, শিপিং কোম্পানি, জাহাজ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান, জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকারী, মেরিটাইম একাডেমি, নাবিক এবং অন্যান্য অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টাই বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে দৃশ্যমান অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে রূপান্তর করতে পারে। বিশ্ব নৌ দিবস ২০২৬-এর মূল আহ্বান হিসেবে বলা হয় নীতি হতে হবে কার্যক্রমে রূপান্তরিত, অঙ্গীকার হতে হবে পরিমাপযোগ্য অর্জন এবং সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে পরিণত করতে হবে দৃশ্যমান জাতীয় সুফলে। নিরাপদ, সবুজ, স্মার্ট, সুরক্ষিত এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতাসক্ষম সামুদ্রিক বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, জাহাজমালিক, শিপিং কোম্পানি, জাহাজ ব্যবস্থাপনা ও জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান, নাবিক, সামুদ্রিক পেশাজীবী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসকে
নীতি থেকে বাস্তবায়নে নিরাপদ, সবুজ ও বিশ্বমানের সামুদ্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার
আরও পড়ুন
সার নিয়ে সুখবর, দেশে চাহিদার চেয়েও মজুত ১৬ লাখ টন বেশি
কিডনি রোগীদের জন্য বড় সুখবর
কোম্পানি নিবন্ধন নিয়ে সুখবর দিল সরকার
পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর