ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ভোটারের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর নিতে পারবেন না প্রার্থীরা: ইসি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
প্রতীকী ছবি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটারকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ ব্যক্তিগত জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করতে পারবেন না। একইসঙ্গে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বা এমএফএসে লেনদেনের জন্য ভোটার কিংবা তার পরিবারের সদস্যদের মোবাইল নম্বরও সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নির্বাচনী আচরণবিধিতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ওপর স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) রাতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন-ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এর নির্বাচনী আচরণ বিধির গেজেটে এই বিধান জারি করে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই বিধান জারি করা হয়েছে।

এনআইডি ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা
নির্বাচনী আচরণবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় বলা হয়েছে, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কেউ কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ বা অর্থ ব্যয় করতে পারবেন না।

একইসঙ্গে ভোটার বা তার পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করা যাবে না। এমএফএসে লেনদেনের উদ্দেশ্যেও ভোটার কিংবা তার পরিবারের সদস্যদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
ফলে ভোটারকে প্রভাবিত করার জন্য অর্থের ব্যবহার কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে আর্থিক লেনদেনের ব্যবস্থা করার সুযোগ থাকছে না। বিধানটিতে ভোটারের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের তথ্য সংগ্রহের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ধর্মীয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা নয়
আচরণবিধিতে মসজিদ, মন্দির, ক্যায়াং, প্যাগোডা, গির্জা বা অন্য কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একইভাবে কোনো সরকারি অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না।

তবে শিক্ষা কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহার করা যাবে।

নাগরিকের সম্পত্তির ক্ষতি করা যাবে না
নির্বাচন উপলক্ষ্যে কোনো নাগরিকের জমি, ভবন বা অন্য কোনো স্থাবর কিংবা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করা যাবে না। অনভিপ্রেত গোলযোগ বা উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে কারও শান্তি বিনষ্ট করার ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

ভোটারকে প্রভাবিত করতে বলপ্রয়োগ ও অর্থ ব্যয় নিষিদ্ধ
কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগ কিংবা অর্থ ব্যয় করা যাবে না। অর্থাৎ ভোট আদায়ের জন্য সরাসরি অর্থের ব্যবহার যেমন নিষিদ্ধ, তেমনি ভয়ভীতি বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেও ভোটারকে প্রভাবিত করা যাবে না।

ভোটকেন্দ্রে অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিষিদ্ধ
কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে বিস্ফোরক, বিস্ফোরক দ্রব্য, অস্ত্র ও গোলাবারুদ বহন করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে প্রচলিত বিস্ফোরক ও অস্ত্রসংক্রান্ত আইনে সংজ্ঞায়িত সামগ্রী নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।

মাইক ব্যবহারে সময় ও শব্দসীমা
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি মাইক ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোনো সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয়নি। আর উপজেলা নির্বাচনের ক্ষেত্রে উপজেলার অধীন একটি ইউনিয়ন বা পৌরসভায় একই সময়ে পথসভা বা নির্বাচনী প্রচারণার কাজে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান একটির বেশি মাইক বা শব্দের মাত্রা বর্ধনকারী যন্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন না।

নির্বাচনী এলাকায় দুপুর ১২টার আগে এবং সূর্যাস্তের পর মাইক বা শব্দের মাত্রা বর্ধনকারী যন্ত্র ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো যাবে না। প্রচারে ব্যবহৃত মাইক বা শব্দ বর্ধনকারী যন্ত্রের শব্দের মাত্রাও ৬০ ডেসিবেলের বেশি হতে পারবে না।

সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
নির্বাচনপূর্ব সময়ে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। আচরণবিধিতে তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বরেরই ইউপি নির্বাচনের তফসিল দিয়ে নভেম্বরে ভোট করা লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে ইসি। এক্ষেত্রে অন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে পর্যায়ক্রমে ভোট করা হবে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না: মীর শাহে আলম
জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বেহেশতের লোভ দেখিয়ে জামায়াত ভোট নিয়েছে, কিন্তু ভোটের পর মানুষের পাশে নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি।
জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না: মীর শাহে আলম
কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের একক ও জোরালো অবস্থানের আহ্বান শামা ওবায়েদের
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, আসন্ন জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন ‘কপ৩১’-এ বাংলাদেশের অবস্থান যৌথ ও জোরালোভাবে উপস্থাপন করতে সুশীল সমাজ ও জলবায়ু বিষয়ক এনজিওগুলোকে সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের একক ও জোরালো অবস্থানের আহ্বান শামা ওবায়েদের
দক্ষিণ কোরিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর
দক্ষিণ কোরিয়ায় ৫দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
দক্ষিণ কোরিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর
টানা পাঁচ দিন ছুটি শেষ, রোববার খুলছে অফিস
টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে রোববার (২৫ অক্টোবর) খুলছে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস। একই সঙ্গে ব্যাংক ও আদালতের কার্যক্রমও শুরু হচ্ছে।
টানা পাঁচ দিন ছুটি শেষ, রোববার খুলছে অফিস
স্বাস্থ্যখাতে বড় উদ্যোগ, আসছে রোবটিক সার্জারি ব্যবস্থা
আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে দেশে পাঁচটি রোবটিক সার্জারি মেশিন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর করে সাধারণ মানুষের কাছে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা এক দিন বা এক মাসে দূর করা সম্ভব নয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি টেন্ডার আহ্বান করা হবে। দেশে পাঁচটি রোবটিক সার্জারি মেশিন আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যানসার চিকিৎসার জন্য রেডিওথেরাপি মেশিন সরবরাহ এবং হাসপাতালগুলোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ চলছে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর অতিরিক্ত চাপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা অনেক কম। একজন চিকিৎসকের যেখানে ৫০ জন রোগী দেখার সক্ষমতা রয়েছে, সেখানে তাকে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগী দেখতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘একটা মৃত্যুর জন্য আমাদের সবারই মন কাঁদে। কিন্তু আমাদের ১৮ কোটি মানুষের জন্য ডাক্তার আছে কয়জন? একটা ডাক্তার ৫০টা রোগী দেখতে পারে, সেখানে ২৫০-৩০০ রোগী দেখতে হয়। হাঁপিয়ে যায়, তখন মাথার মেধা কাজ করে না।’ তবে চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ থাকলেও দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিকিৎসাসেবায় গাফিলতি, দায়িত্ব পালনে অনিয়ম কিংবা কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় কয়েকজন চিকিৎসককে অনুপস্থিত পাওয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদের দায়িত্ব পালনের রোস্টার সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো ক্লিনিক স্থাপন করা যাবে না। পাশাপাশি বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকগুলো নির্ধারিত শর্ত মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। তিনি বলেন, কোনো ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় প্রসবকক্ষ না থাকলে, রোগীর চিকিৎসায় অব্যবস্থাপনা দেখা দিলে কিংবা যথাযথ সেবার অভাবে রোগীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করলে ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর আগে সকালে ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও কিছু অব্যবস্থাপনা দেখতে পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। মন্ত্রী জানান, ফুলপুর হাসপাতালের শৌচাগারগুলো আগামী দুই দিনের মধ্যে সংস্কার ও পরিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনো অন্তর্বিভাগে রোগী ভর্তি কার্যক্রম চালু হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে সেখানে অন্তর্বিভাগের সেবা চালু করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব হাসপাতালে ডায়ালাইসিস, ফিজিওথেরাপি, মাতৃসেবা ও শিশুদের জন্য পৃথক শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারিত হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপ কমবে। স্বাভাবিক প্রসবের হার বাড়াতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের পাশাপাশি নার্স নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাতৃস্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পুরোনো কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে ফ্যামিলি ওয়েলবিং সেন্টারে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হোসেন, উপপরিচালক (পরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) ডা. মো. জাকীউল ইসলাম, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
স্বাস্থ্যখাতে বড় উদ্যোগ, আসছে রোবটিক সার্জারি ব্যবস্থা
আরও পড়ুন
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার
ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ ঘোষণা, তবু ভোট দিচ্ছেন প্রতিবছর
কানাডা ছাড়তে নারাজ আলবার্টার ৭৭ শতাংশ ভোটার
আলীকদমে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ