ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

দুর্গাপূজার ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ এএম

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২৬ সালে সরকারি ছুটি থাকবে দুই দিন। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার(২০ অক্টোবর) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং বুধবার(২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে।

অর্থাৎ দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটির হিসাবে মোট দুই দিন ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সরকারি ছুটির বাইরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দুর্গাপূজা উপলক্ষে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। ১৮ অক্টোবর রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে তারা এই ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ছুটি থাকবে। তবে ছুটির সময়সীমা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে নিজস্ব একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পূজার ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে একেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির সময়সীমায় পার্থক্য থাকতে পারে।

সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শাখা বা কিছু জরুরি সেবা চালু থাকতে পারে।

এ ছাড়া এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে।

সরকারি ছুটি ঘোষণা হলেও জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত সব কর্মী ছুটি নাও পেতে পারেন। হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার কর্মীদের ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে।

গণমাধ্যমের কর্মীদের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। সংবাদ ও সম্প্রচার কার্যক্রম সচল রাখতে অনেক কর্মীকে সরকারি ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হয়।

এ ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ছুটি দেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। তাই সরকারি ছুটি থাকলেই সব প্রতিষ্ঠানের সব কর্মী একই সময়ে ছুটি পাবেন এমনটি নয়।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে কোথায় কতদিন ছুটি থাকবে, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ছুটির নোটিশ অনুসরণ করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। বিশেষ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও জরুরি সেবার ক্ষেত্রে ছুটির নিয়ম আলাদা হতে পারে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ নিয়ে বড় সুখবর
এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে বড় আইনি জটিলতা কেটেছে। অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষসহ ১৩ হাজার ৫৫৯ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।  ফলে ওই শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না। মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) শিক্ষা সচিবের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।  তবে হাইকোর্টে রিটকারী ৪৬ শিক্ষকের জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ফলে এসব পদ বাদে বাকি পদগুলোর নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার পথ খুলেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, চলতি বছরের ২৫ মার্চ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে প্রয়োজনীয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ১৮ বছর করা হয়। এর আগে ২০২১ সালের জনবল কাঠামোয় সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার বিধান ছিল। পাশাপাশি সরাসরি নিয়োগের ব্যবস্থাও ছিল। নতুন এই শর্তকে চ্যালেঞ্জ করে ৪৬ শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বিধান বাতিল করে রুল অ্যাবসোলিউট ঘোষণা করেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পক্ষ থেকে আপিল করা হলে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। এদিকে ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আদালতের স্থগিতাদেশের ফলে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়েই ভাইভায় অংশ নিতে পারবেন। অর্থাৎ দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটিলতায় ঝুলে থাকা নিয়োগপ্রক্রিয়া ফের গতি পাচ্ছে। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ভাইভা শুরুর কথা রয়েছে। ফলে রিটকারী ৪৬ শিক্ষকের জন্য সংরক্ষিত পদ বাদে অন্য পদগুলোতে নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সরকারের সামনে আপাতত কোনো আইনগত বাধা থাকছে না। আরটিভি/এসআর
সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ নিয়ে বড় সুখবর
‘নীতিনির্ধারকদের সাংবাদিক নিয়ে হাসপাতালে হুড়মুড় করে ঢোকা মেনে নেওয়া যায় না’
নীতিনির্ধারকরা হাসপাতালে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে হুড়মুড় করে ঢুকে পড়া পৃথিবীর কোথাও দেখেননি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। চিকিৎসক হিসেবে এ ধরনের কাজ মেনে নিতে পারেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। 
‘নীতিনির্ধারকদের সাংবাদিক নিয়ে হাসপাতালে হুড়মুড় করে ঢোকা মেনে নেওয়া যায় না’
দেশের সব হাসপাতালে জরুরি নির্দেশনা
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সব হাসপাতালকে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এ ক্ষেত্রে রাজধানী ঢাকার হাসপাতালগুলোকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্ত্বরে স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতালটি চালুর জন্য বিশেষ বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সেবা পেতে যাতে কোন ধরনের সমস্য না হয় সে জন্য ঢাকা মেডিকেল থেকে জাতীয় বার্ন ইউনিটে কিছু রোগীকে স্থানান্তরের চিন্তা করা হচ্ছে। গত রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। সভা শেষে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।  এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম জানান, সভায় হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য শয্যা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে বার্ন ইউনিটে কিছু রোগীকে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।  এ ছাড়াও ঢাকা মেডিকেল স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতালটি চালুর চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।  নুরুল ইসলাম আরও বলেন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ডেঙ্গু রোগীর জন্য শয্যা আরও বাড়াতে বলা হয়েছে। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিবর্তে কুর্মিটোলা মাল্টিডিসিপ্লিনারি হাসপাতালকে রাজধানীর বাইরে থেকে আসা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দিতে বলা হয়েছে। আসলে রোগীতো ঢাকাতেই বেশি তাই আমরা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকদের বেড বাড়াতে বলেছি। পরিচালক জানান, সংকটের সময়েও সরকারি হাসপাতাল রোগী ফিরিয়ে দেয় না। তবে রোগীর সংখ্যা শয্যা সক্ষমতা ছাড়িয়ে গেলে রোগীদের নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেই ভোগান্তি কমাতেই ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোকেও প্রস্তুত রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯০ হাজার ৩৫৬ জন এবং মারা গেছেন ২৮১ জন। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৩২ জন এবং নারী ১৪৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ৬২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং নারী ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ঢাকা বিভাগেই ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও বরিশাল বিভাগে ২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫ জন, খুলনা বিভাগে ৫৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯ জন, রংপুর বিভাগে ৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ২ জন ডেঙ্গুতে মারা গেছেন।  আরটিভি/এসআর
দেশের সব হাসপাতালে জরুরি নির্দেশনা
নোট অব ডিসেন্ট ও জুলাই সনদ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই বাস্তবায়ন করা হবে। একথা বলেছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
নোট অব ডিসেন্ট ও জুলাই সনদ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নিয়ম
বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভারতীয় ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক)।
ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নিয়ম
আরও পড়ুন
দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি, কোথাও টানা ১৬ দিন
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি
একদিনের ছুটি নিলেই মিলবে টানা ৫ দিনের ছুটি