ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় চা দিবস

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
ছবি: আরটিভি

সকাল হোক কিংবা বিকেল এক কাপ চা অনেকের কাছেই দিনের পরিচিত সঙ্গী। ব্যস্ততার মাঝে একটু বিরতি, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা একান্তে কিছুটা সময় কাটানো সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে চা। দুধ চা, লাল চা, আদা চা কিংবা মসলা চা পছন্দ অনুযায়ী বদলে যায় এর ধরন ও স্বাদ।

আজ ২১ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে ন্যাশনাল চাই ডে। প্রতি বছর এই দিনে চায়ের স্বাদ, বৈচিত্র্য এবং চা ঘিরে গড়ে ওঠা সংস্কৃতিকে উদযাপন করা হয়। National Day Calendar-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে SomruS এই দিবসটি চালু করে।

চায়ের সঙ্গে দীর্ঘ ইতিহাস

চা শুধু একটি পানীয় নয়; বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মসলা চা বা চায়ের সঙ্গে দুধ ও বিভিন্ন মসলা মেশানোর রীতি ভারতীয় উপমহাদেশে দীর্ঘদিনের।

মসলা চায়ে সাধারণত চা-পাতার সঙ্গে এলাচ, দারুচিনি, আদা, লবঙ্গ, গোলমরিচ কিংবা মৌরি ব্যবহার করা হয়। অঞ্চল ও ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী মসলার ধরনও ভিন্ন হয়ে থাকে।

সময়ের সঙ্গে চায়ের স্বাদ ও পরিবেশনেও এসেছে নানা পরিবর্তন। প্রচলিত দুধ চায়ের পাশাপাশি গ্রিন টি, মসলা চা, চা লাতে ও বিভিন্ন ধরনের হার্বাল চাও জনপ্রিয় হয়েছে।

কেন এত জনপ্রিয় চা?

চায়ের জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে এর স্বাদ, গন্ধ ও সহজলভ্যতা। অনেকের কাছে সকালে ঘুম কাটানোর জন্য এক কাপ চা প্রয়োজনীয়। আবার কর্মব্যস্ত দিনের মাঝখানে চা হয়ে ওঠে ছোট্ট বিরতির উপলক্ষ।

চায়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সামাজিক সম্পর্কও। বাড়িতে অতিথি এলে এক কাপ চা দেওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে চায়ের আড্ডা কিংবা বিকেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চা খাওয়া এসবই দৈনন্দিন জীবনের পরিচিত দৃশ্য।

মসলা চায়ের বিশেষত্ব

মসলা চায়ের মূল বৈশিষ্ট্য এর সুগন্ধ ও স্বাদ। এলাচ, দারুচিনি, আদা কিংবা লবঙ্গের মতো মসলা চায়ের স্বাদকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তোলে। বিশেষ করে শীত বা বৃষ্টির দিনে অনেকের কাছেই গরম মসলা চা হয়ে ওঠে পছন্দের পানীয়।

তবে চায়ে অতিরিক্ত চিনি বা বেশি দুধ যোগ করলে এর ক্যালরির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। তাই পরিমিত চিনি ও দুধ ব্যবহার করাই ভালো।

চা পানের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ

চা পছন্দ করলেও দিনে কত কাপ চা পান করা হচ্ছে, সেদিকেও নজর রাখা প্রয়োজন। অতিরিক্ত চা পান করলে ক্যাফেইনের কারণে কারও কারও ঘুমের সমস্যা, অস্থিরতা বা বুক ধড়ফড়ের মতো সমস্যা হতে পারে।

বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর কাছাকাছি সময়ে চা পান না করাই ভালো। যাদের ক্যাফেইনে সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

চায়ের আড্ডায় উদযাপন

ন্যাশনাল চাই ডে উপলক্ষে নিজের পছন্দের এক কাপ চা দিয়ে দিনটি শুরু করা যেতে পারে। চাইলে প্রচলিত দুধ চায়ের পরিবর্তে আদা, এলাচ বা দারুচিনি দিয়ে মসলা চাও বানিয়ে দেখা যায়। বন্ধু কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চায়ের আড্ডাও হতে পারে দিনটি উদযাপনের সহজ আয়োজন।

তবে চায়ের সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি বা বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।

এক কাপ চা হয়তো খুব সাধারণ একটি পানীয়। কিন্তু এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অভ্যাস, স্মৃতি, আড্ডা আর একটুখানি বিরতির গল্প। সেই পরিচিত পানীয়টিকে উদযাপন করতেই প্রতি বছর পালিত হয় ন্যাশনাল চাই ডে।

তবে উল্লেখ্য, National Chai Day একটি বেসরকারি খাদ্য ও পানীয়ভিত্তিক দিবস। এটি বাংলাদেশের সরকারি জাতীয় চা দিবস নয়। বাংলাদেশে জাতীয় চা দিবস পালিত হয় ২০ জুন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাড়ল মহানগর ও দূরপাল্লার বাস ভাড়া
জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে মহানগর ও দূরপাল্লার বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
বাড়ল মহানগর ও দূরপাল্লার বাস ভাড়া
বিপদে এক ফোন, পাশে ৯৯৯
কখনও কখনও একটি ফোনকলই আতঙ্কের মুহূর্তকে স্বস্তিতে পরিণত করতে পারে। সংকটে দিতে পারে নিশ্চিন্ত নির্ভরতা।
বিপদে এক ফোন, পাশে ৯৯৯
ফের জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ওয়াহাব
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার।
ফের জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ওয়াহাব
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর বাসভাড়া কত বাড়ানোর প্রস্তাব করল বিআরটিএ
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর বাসের ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। প্রস্তাব অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং রাজধানীসহ মহানগর ও শহর এলাকায় ১৮ পয়সা বাড়তে পারে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর বাসভাড়া কত বাড়ানোর প্রস্তাব করল বিআরটিএ
দুর্গাপূজায় কারা কতদিন ছুটি পাবেন
২০২৬ সালের দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সরকারি ছুটি থাকছে দুই দিন। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে। অর্থাৎ দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি মূলত দুই দিন। তবে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পূজা উপলক্ষে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটির সুযোগ রয়েছে। ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে ১৮ অক্টোবর রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে ছুটি নেওয়া যাবে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ছুটি থাকবে। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির সময়সূচিতে ভিন্নতা থাকতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজের ছুটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে পূজার ছুটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ছুটির নোটিশ অনুসরণ করতে হবে। সরকারি ছুটির দিনগুলোতে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় কিছু নির্দিষ্ট শাখা বা সেবা চালু রাখা হতে পারে। এদিকে এটিএম, কার্ডভিত্তিক লেনদেন ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে। এসব সেবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিজস্ব নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে। সরকারি ছুটি হলেও তা সব কর্মীর জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত অনেক কর্মীকেই ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার কর্মীদের প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্বে থাকতে হতে পারে। ফলে দুর্গাপূজায় সাধারণ সরকারি ছুটি দুই দিন হলেও সবার ছুটির হিসাব এক নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, ব্যাংক কর্মকর্তা এবং জরুরি সেবার কর্মীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পৃথক নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি কার্যকর হবে। আরটিভি/এসকে
দুর্গাপূজায় কারা কতদিন ছুটি পাবেন