ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

কফিতে দুধ মিশিয়ে খেলে শরীরে যে পরিবর্তন ঘটে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
কফিতে দুধ মেশালে বাড়তে পারে পুষ্টিগুণ, তবে অতিরিক্ত চিনি ও ক্রিম যোগ করলে বাড়তে পারে ক্যালরি। ছবি : সংগৃহীত

সকালে এক কাপ গরম কফি ছাড়া অনেকেরই যেন দিন শুরু হয় না। কেউ কড়া কফি পছন্দ করেন, আবার কেউ কফিতে দুধ-চিনি মিশিয়ে পান করেন। তবে কফিতে দুধ মেশানো নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন—এটি শরীরের জন্য উপকারী, নাকি ক্ষতিকর?

অনেকে মনে করেন, দুধ দিয়ে কফি খেলে ওজন বাড়ে বা হজমের সমস্যা হয়। আবার কারও কাছে দুধ মেশানো কফি তুলনামূলক আরামদায়ক। বিশেষজ্ঞদের মত ও বিভিন্ন গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, কফির সঙ্গে কী পরিমাণ দুধ, চিনি ও অন্যান্য উপাদান যোগ করা হচ্ছে, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে পানীয়টির প্রভাব।

দুধ মেশালে যে উপকার হতে পারে—

পেটের অস্বস্তি কমাতে পারে

কফিতে থাকা ক্যাফেইন ও অম্লীয় উপাদান অনেকের ক্ষেত্রে খালি পেটে অস্বস্তি বা অ্যাসিডিটি তৈরি করতে পারে। কফিতে দুধ মেশালে এর তীব্রতা কিছুটা কম অনুভূত হতে পারে। তাই যাদের কফি খেলে পেটে অস্বস্তি হয়, তাদের কাছে দুধ মেশানো কফি তুলনামূলক আরামদায়ক হতে পারে।

প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে

ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় কফিতে থাকা পলিফেনল এবং দুধের প্রোটিনের পারস্পরিক প্রভাব নিয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষণায় দেখা যায়, পলিফেনল ও প্রোটিনের অ্যামিনো অ্যাসিড একসঙ্গে কাজ করলে শরীরের প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে।

তবে এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন এবং এটিকে কোনো রোগের চিকিৎসা হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

বাড়ে পুষ্টিগুণ

শুধু কফির তুলনায় দুধ যোগ করলে পানীয়টিতে অতিরিক্ত পুষ্টি যুক্ত হয়। দুধ থেকে পাওয়া যায় ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২। ফলে পরিমিত দুধ মিশিয়ে কফি খেলে শরীর কিছু অতিরিক্ত পুষ্টি পেতে পারে।

কখন দুধ কফি সমস্যা তৈরি করতে পারে?

দুধ কফি স্বাস্থ্যকর হবে কি না, তা অনেকটাই নির্ভর করে কীভাবে কফিটি তৈরি করছেন তার ওপর।

কফিতে বেশি চিনি, মিষ্টি সিরাপ, ক্রিম বা অন্য মিষ্টি উপাদান যোগ করলে এর ক্যালরি দ্রুত বেড়ে যায়। নিয়মিত এমন কফি পান করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে।

আবার যাদের দুধের শর্করা হজমে সমস্যা হয়, তারা দুধ কফি পান করলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা পেটের অস্বস্তিতে ভুগতে পারেন। এমন ক্ষেত্রে দুধের বিকল্প ব্যবহার করা যেতে পারে।

অন্যদিকে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ করলে ঘুমের সমস্যা, অস্থিরতা, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। তাই দুধ মেশানো হয়েছে বলে ইচ্ছেমতো কফি পান করা নিরাপদ নয়।

ওজন বাড়তে পারে কখন?

কফিতে ফুল-ফ্যাট দুধ ও অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার করলে পানীয়টির ক্যালরি অনেক বেড়ে যেতে পারে। যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য নিয়মিত এমন কফি পান করা সমস্যার কারণ হতে পারে।

তাই কফি খেলে চিনির পরিমাণ কম রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কম চর্বিযুক্ত দুধ ব্যবহার করা ভালো।

দুধ কফি নাকি কালো কফি?

সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পরিমিত কফি সাধারণত খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। দুধ যোগ করলে কফিতে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম বাড়ে। তবে বেশি চিনি ও ক্রিম যোগ করলে ক্যালরিও বাড়ে।

আবার কালো কফিই যে সবার জন্য বেশি উপকারী, এমনটাও বলা যায় না। কফির সঙ্গে দুধ মেশালে কফির কিছু উদ্ভিজ্জ উপাদানের কার্যকারিতায় কী ধরনের প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণার ফল এখনো একেবারে একমত নয়।

তাই কফি খাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিমাণ এবং কফি তৈরির পদ্ধতি।

কার জন্য কোনটি?

যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, চিনি কমাতে চান বা কফির স্বাভাবিক স্বাদ পছন্দ করেন, তারা কালো কফি বেছে নিতে পারেন।

অন্যদিকে যারা কফির সঙ্গে কিছুটা প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম পেতে চান কিংবা দুধ মেশানো কফি বেশি পছন্দ করেন, তারা পরিমিত দুধ দিয়ে কফি পান করতে পারেন।

সব মিলিয়ে, দুধ দিয়ে কফি খাওয়া নিজে থেকেই ক্ষতিকর কোনো অভ্যাস নয়। তবে কফিতে কতটা দুধ, চিনি ও অন্যান্য উপাদান যোগ করছেন, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। পরিমিত দুধ ও কম চিনি দিয়ে কফি খেলে অধিকাংশ সুস্থ মানুষের জন্য এটি দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

অ্যাসিডিটি, দুধ হজমে সমস্যা বা ক্যাফেইনে সংবেদনশীলতা থাকলে নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝে কফির পরিমাণ কমানো ভালো। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নকল’ বা ‘প্লাস্টিকের ডিম’ নিয়ে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দেখে বোঝার উপায় নেই, অনেকেই এই ডিম বাজার থেকে কিনে এনে ঠকছেন। শরীরেরও বারোটা বাজছে। তবে ডিমের মান যাচাইয়ে প্রচলিত কিছু ঘরোয়া পরীক্ষার বদলে খোসার অবস্থা, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও ডিম ভাঙার পর এর গন্ধ-চেহারা পরীক্ষা করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নকল ডিম তৈরি হয় রাসায়নিক দিয়ে। সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে দেশের অনেক বাজারে। তবে আসল ডিমের সঙ্গে এই ডিমের তফাত বোঝা খুব একটা কঠিন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) তথ্য অনুযায়ী, ডিম কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে কিনা। খুচরা বিক্রির জন্য ডিম কেনার ক্ষেত্রে ঠান্ডা বা উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষিত ডিম বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেভাবে বুঝবেন ‘আসল ডিম’ নাকি ‘প্লাস্টিকের’ ১. প্রথমেই নজর রাখতে হবে ডিমের খোলসের দিকে। আসল ডিমের খোলস হয় একটু এবড়ো-খেবড়ো। কিন্তু প্লাস্টিক ডিমের খোলস হবে একদম মসৃণ। তবে কেবল উপরিভাগ দেখে ডিমকে নকল বলে নির্ধারণ করা যায় না। ২. ডিম পরীক্ষা করার জন্য একে কানের কাছে ধরে আলতো করে ঝাঁকান। তাজা ডিমে সাধারণত শব্দ হয় না বা ভেতরে নড়াচড়া অনুভূত হয় না। পুরোনো ডিমে ভেতরের পরিবর্তনের কারণে হালকা শব্দ হতে পারে বা তরল পদার্থ নড়তে পারে। ৩. আসল ডিম আর নকলের মধ্যে ওজনের তফাত হবে। আসল ডিম হবে তার আকারের থেকে একটু ভারী। কিন্তু প্লাস্টিক ডিম ওজনে হালকা। ৪. আসল আর নকল ডিমের মধ্যে সব থেকে সহজ তফাত বুঝিয়ে দেয় আরেকটি পরীক্ষা। একটি গ্লাসে পানি নিয়ে ডিম তাতে ফেলে দিন। আসল নকল হলে তা ডুবে যাবে। ৫. গন্ধ দ্বারা শনাক্ত করুন। একটি নষ্ট ডিমে অপ্রীতিকর বা তীব্র গন্ধ থাকতে পারে। কখনো কখনো, ডিম ভাঙার আগেও এর খারাপ হওয়ার লক্ষণ বোঝা যায়। যদি কোনও ডিমে অস্বাভাবিক গন্ধ থাকে, তবে সেটি না খাওয়াই ভালো। বিশেষজ্ঞ নির্দেশনা অনুযায়ী, ডিম ভালোভাবে রান্না করাও নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইউএসডিএ-এর পরামর্শ হলো ডিম এমনভাবে রান্না করা, যাতে কুসুম ও সাদা অংশ ভালোভাবে জমে যায়। ডিমযুক্ত খাবারের ক্ষেত্রেও নিরাপদ অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই বাজার থেকে ডিম কেনার সময় শুধু ‘আসল না নকল’ নিয়ে গুজবে কান না দিয়ে খোসা অক্ষত কি না, ডিম সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে কি না এবং ব্যবহারের আগে এর গন্ধ ও চেহারা স্বাভাবিক কি না- এসব বিষয়ই আগে দেখুন। আরটিভি/টিআর
বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে
খাবারেই কমাতে পারেন কোলেস্টেরল
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে খাবারের ধরন ও অভ্যাসে পরিবর্তন এনে কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব।
খাবারেই কমাতে পারেন কোলেস্টেরল