ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বাসের পর এবার লঞ্চভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি তেলের দাম লিটার প্রতি ২০ টাকা করে বৃদ্ধি পাওয়ায় লঞ্চভাড়া কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা (১০০ কিলোমিটারের মধ্যে) বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থা।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দেওয়া এক চিঠিতে সংগঠনটির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর এ প্রস্তাব দেন।

আর ১০০ কিলোমিটারের বাইরে ২ টাকা ৫২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ২ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থাটি। এতে যাত্রীপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানো হলে বর্তমান ভাড়ার তুলনায় ৫১ শতাংশ বাড়বে। একই হারে ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ভাড়া বাড়ালে তা ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, গত রবিবার রাতে সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করেছে। এতে জ্বালানি ব্যয় প্রায় ১৮ শতাংশ বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত লঞ্চগুলো ডিজেল ও মবিলচালিত হওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পরিচালন ব্যয়ে পড়বে বলে দাবি করেছে তারা।

চিঠিতে আরও বলা হয়, এরই মধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বিভিন্ন ফি ও চার্জ বেড়েছে। এর মধ্যে কনজারভেন্সি চার্জ ৩০ শতাংশ, রুট পারমিট ফি ৫০ শতাংশ এবং বার্থিং চার্জ ১১৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নৌযানের রুট পারমিটের আবেদন ফিও ৬০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া নৌযানের বিশেষ অনুমতি, স্থগিত রুট পারমিট পুনর্বহাল এবং মালিকানা ও নাম বা রেজিস্ট্রেশন পরিবর্তনের জন্য নতুন করে বিভিন্ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। শ্রমিকদের মজুরি, নৌযানের সার্ভে ও রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন ফি এবং আয়কর ও ভ্যাটের ব্যয়ও বেড়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে।

লঞ্চের প্লেট, অ্যাঙ্গেল, প্রপেলার, ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, ওয়েল্ডিং রড, গ্যাস, রং ও স্পেয়ার পার্টসের দাম এবং ডকিংসহ পরিচালন ব্যয় কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলেও দাবি করেছে লঞ্চমালিকদের সংগঠনটি।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির কারণে বর্তমানে অনেক যাত্রী সড়কপথে যাতায়াত করছেন। ফলে লঞ্চগুলো ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী না পাওয়ায় মালিকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে লঞ্চ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে প্রস্তাবিত হারে যাত্রীর ভাড়া বাড়ানোর অনুমোদন অথবা ডিজেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থা।

আরটিভি/এসআর


আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
চলতি অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা প্রভিডেন্ট ফান্ডে (জিপিএফ) ১১-১৩ শতাংশ হারে মুনাফা দেবে সরকার। তহবিলে জমা অর্থের পরিমাণ অনুযায়ী তিন স্তরে এ মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরেও একই হারে মুনাফা দেওয়া হয়েছিল। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ বিভাগ। এতে বলা হয়, প্রভিডেন্ট ফান্ডের প্রারম্ভিক স্থিতি বা চলতি অর্থবছরে জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ টাকার বেশি থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার হবে ১১ শতাংশ। জিপিএফের আদলে পরিচালিত প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিলের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের বিধি অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের সর্বনিম্ন ৫-২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিলে জমা রাখতে পারেন। অন্যদিকে, সিপিএফভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মূল বেতনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদা দিতে পারেন।  জিপিএফ ও সিপিএফ উভয় ক্ষেত্রেই কর্মীর জমার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত অংশ অর্থ দেয়। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত মূল বেতনের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ অর্থ এ তহবিলে দেয়। জমা করা অর্থের ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা পান অংশগ্রহণকারীরা। আরটিভি/এসআর  
প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
১৮০ দিনের বিনিয়োগ পরিকল্পনার অগ্রগতি প্রকাশ করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ
চলতি বছরের ১৬ মার্চ ঘোষিত ১৮০ দিনের বিনিয়োগ পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে অগ্রগতি নিয়ে জনসাধারণের জন্য সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। এ পরিকল্পনার তিনটি স্তম্ভ-উন্নত অবকাঠামো, বিনিয়োগ সহায়তা এবং বিনিয়োগ উন্নয়নের আওতায় গত মার্চে ঘোষিত ১৬টি কর্মধারার মধ্যে ১৪টির অধীনে নেওয়া ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, সরকারের বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে উন্নত অবকাঠামো, দ্রুত ও কার্যকর সেবা এবং বিনিয়োগযোগ্য সুযোগের একটি শক্তিশালী পাইপলাইনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কিছু পরিবর্তন ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। তবে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরো সময় লাগবে। ১৮০ দিন পর অগ্রগতি জানানোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এ হালনাগাদ প্রকাশ করা হয়েছে। পরিকল্পনার প্রথম স্তম্ভের আওতায় বন্দর আধুনিকায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন, বিকল্প জ্বালানি সরবরাহ এবং সরকারি সম্পদের উৎপাদনশীল ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েছে। প্রকল্পটি চালু হলে ৭০০টির বেশি সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বন্দরের সক্ষমতা ৪৪ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালের ১৫ বছরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ইজারার জন্য একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা চলছে। চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন (সিআরবিসি) ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে। এ অঞ্চলের প্রত্যাশিত বিনিয়োগ পাইপলাইন ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের সক্রিয় পাইপলাইন রয়েছে। প্রকল্পটি ১ লাখের বেশি সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মোংলা বন্দরের পাশে ১১০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশনের (সিসিইসিসি) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। প্রস্তাবিত ৬৫০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে কৃষিভিত্তিক শিল্প ও হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে ২৪ ঘণ্টা বন্দর কার্যক্রম, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও ব্যাংকিং সেবা চালু করা হয়েছে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ চালুর লক্ষ্য রয়েছে। পরিকল্পিত কার্গো সুবিধার মাধ্যমে বার্ষিক পণ্য পরিবহন সক্ষমতা ২ লাখ টন থেকে ৫ লাখ টনে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। চট্টগ্রামে ৬০০ একরের বেশি জমিতে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের নীতিগত কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজও এগিয়ে চলছে। ফেনীর সোনাগাজীতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ৪১২ একর জমিতে প্রথম সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প প্রস্তুতির কাজ চলছে। সরকারি জমিতে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশিকা অনুমোদন করা হয়েছে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পন্ন হয়েছে। মহেশখালীর কুতুবজোমে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) ২০২৮ সালে সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে। এর দৈনিক ভিত্তি সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং সর্বোচ্চ সক্ষমতা ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার একরের বেশি শিল্পজমি ঘিরে বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য ৪৪টি সুযোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পদে বেসরকারি অংশগ্রহণ পরিচালনায় জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। দ্বিতীয় স্তম্ভের আওতায় বিনিয়োগসেবা একীভূত করা, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সংযোগ শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিডা, বেজা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব কর্তৃপক্ষকে একীভূত করে বিনিয়োগ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও পিপিপি কার্যক্রমকে একটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে আনা হয়েছে। নতুন কাঠামোর মাধ্যমে বিনিয়োগ সহায়তা, জমি ও পিপিপি সেবা আরো সমন্বিতভাবে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) সম্পন্ন করেছে। এর আওতায় বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাবে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে বলে ইনভেস্ট বাংলাদেশ জানিয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে উৎপাদন, অবকাঠামো, ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন উচ্চমূল্যের খাতে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। প্রধানমন্ত্রী ও ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনার জন্য নিয়মিত সংলাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রথম দফায় উত্থাপিত ২৮টি বিষয়ের মধ্যে ২১টিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চার মাসে দু’টি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া বাংলাবিজে তিন দিনের বিজনেস স্টার্টার প্যাকেজ চালু হয়েছে। ১৪ দিনের বিজনেস রেডিনেস প্যাকেজ তৈরি এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অগ্রাধিকার সেবা একীভূত করার কাজ চলছে। দক্ষিণ চীনের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে গুয়াংজুতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কার্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য পরামর্শক সেবা ক্রয় সম্পন্ন হয়েছে এবং চীনা পরামর্শকরা কাজে যুক্ত হয়েছেন। কার্যালয়টির কার্যক্রম ২০২৬ সালের অক্টোবরে শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। তৃতীয় স্তম্ভের আওতায় বিনিয়োগ পাইপলাইন তৈরি, বিনিয়োগযোগ্য সুযোগ প্রস্তুত এবং খাত ও অঞ্চলভিত্তিক সম্ভাবনা চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে বিদেশি ইকুইটি আনতে ভূমিকা রাখা যোগ্য ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট ইকুইটির ১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার নির্দেশিকা অনুমোদিত হয়েছে। এজন্য পৃথক পোর্টাল প্রস্তুত করা হয়েছে। দেশের এ ধরনের প্রথম প্রণোদনা উদ্যোগটি ১৫ অক্টোবর ২০২৬ কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, মোট বিনিয়োগ পাইপলাইনের পরিমাণ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সম্ভাব্য বিনিয়োগের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে চীন থেকে ৬০০ মিলিয়ন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০০ মিলিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার রয়েছে। খাতভিত্তিকভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার করে এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বস্ত্র খাতে ২০০ মিলিয়ন ডলার করে সম্ভাব্য বিনিয়োগ বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। সরকারি পর্যটন স্থাপনায় বেসরকারি বিনিয়োগের প্রথম পাইলট পিপিপি প্রকল্প হিসেবে হোটেল শৈবালকে নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৩২ একরের এ প্রকল্পের ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজার নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। পাইলট প্রকল্প সফল হলে ৫০টির বেশি পর্যটন স্থাপনা পিপিপি পাইপলাইনে যুক্ত হবে। এছাড়া গভীর সমুদ্রে তিন মাস পর্যন্ত মাছ ধরার অভিযানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা সাতটির বেশি গভীর সমুদ্রগামী জাহাজ কেনার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন। মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে একটি অ্যাকুয়াকালচার জোনের প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইও শুরু হয়েছে। দেশের প্রথম সমন্বিত বিনিয়োগ মানচিত্রায়ন কার্যক্রমও পরিচালনা করছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও সানেমের (এসএএনইএম) অংশীদারিত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রমে দেশের আটটি বিভাগ ও প্রধান খাতকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে অঞ্চলভিত্তিক বিনিয়োগের সুযোগ, প্রতিবন্ধকতা এবং প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো চিহ্নিত করা হবে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ জানিয়েছে, বিনিয়োগ পরিবেশ ও সামগ্রিক বিনিয়োগ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে এমন উদ্যোগগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিতভাবে জনসাধারণকে অবহিত করা হবে। নতুন কর্তৃপক্ষের অধীন পৃথক উইংগুলোর কার্যক্রম সরকারের লক্ষ্য ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থাগুলোর উত্তম চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসম্পাদন সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। আরটিভি/এসআর  
১৮০ দিনের বিনিয়োগ পরিকল্পনার অগ্রগতি প্রকাশ করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বড় সুযোগ দিল যুক্তরাষ্ট্র, আবেদন শেষ ২৩ সেপ্টেম্বর
বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কেনেডি-লুগার ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড স্টাডি (ইয়েস) প্রোগ্রামে স্প্রিং ২০২৭ সেমিস্টারের জন্য সম্পূর্ণ অর্থায়ন করবে দেশটি। চলমান আবেদন শেষ হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বড় সুযোগ দিল যুক্তরাষ্ট্র, আবেদন শেষ ২৩ সেপ্টেম্বর
বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা দানে বিশেষ জোর দিতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
দেশ ও বিদেশের কর্মসংস্থান উপযোগী প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষা দানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা দানে বিশেষ জোর দিতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ‘নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জ’-এ সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।  গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। অধিবেশনস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। বিশ্বনেতাদের সঙ্গে মর্যাদাপূর্ণ এই বৈশ্বিক ফোরামের উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেন তিনি। এবারের অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া তিনি সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে (জেনারেল ডিবেট) বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন। বক্তব্যে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
বাসের পর এবার বাড়ল লঞ্চের ভাড়া
চলমান প্রকল্পসমূহ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ নৌপরিবহন মন্ত্রীর