ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বেসামরিক স্থাপনা, বিশেষ করে বিমানবন্দরে হুথি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং নিরীহ মানুষের জীবন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। বাংলাদেশ সৌদি আরব সরকার ও জনগণের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে এবং এসব হামলা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে।

বাংলাদেশ শান্তি, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সৌদির আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে পরপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুতিরা। এতে এক পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন দেশি-বিদেশি নাগরিক।

হামলার পর বিমানবন্দরে পার্ক করে রাখা সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়া'র একটি বিমানে আগুন ধরে। এতে নিরাপত্তার স্বার্থে ৩৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করে কর্তৃপক্ষ।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ
বিরোধী দল যদি বিরোধী দলের মতো ভূমিকা পালন না করে এবং সেই সুযোগে ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, তবে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার দায় জামায়াতকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপি আয়োজিত দেশজুড়ে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। শামা ওবায়েদ বলেন, ১৭ বছর নির্যাতন দেখেছি, হামলা-মামলা দেখেছি, গুম দেখেছি। ছাত্র-জনতা যখন স্বৈরাচারকে পরাজিত করেছে এবং দেশ যখন স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে, তখন আবারও ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বিদ্যুৎ খাতে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি করেছে। ইউনূস সরকারের সময়ও এ খাতে কোনো কাজ হয়নি। বর্তমান সরকার সুচারুভাবে এ খাতকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, দলের মধ্যে যেন স্বৈরাচারী শক্তি প্রবেশ করে কোনো ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যারা আড়াল করতে চায় এবং অপমান করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধেও বিএনপির অবস্থান রয়েছে। বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলটি নগরকান্দা সদর পেট্রোল পাম্প থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে নগরকান্দা এমএন একাডেমি মাঠে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কাউকে তার মানসিক সমস্যার জন্য অবহেলা বা বিচ্ছিন্ন না করে তার কথা শুনতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার পথ সহজ করতে হবে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল ১০ অক্টোবর দিবসটি পালিত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দৃশ্যত স্বাস্থ্যবান অথবা নীরোগ থাকাটাই স্বাস্থ্য নয়; বরং শারীরিক, মানসিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকার নামই স্বাস্থ্য। সুতরাং, কোনোভাবেই মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’-এ মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের নিজস্ব অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হবে। তারেক রহমান বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য কেবল চিকিৎসার বিষয় নয়, এটি মানুষের মর্যাদা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক কল্যাণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কাউকে তার মানসিক সমস্যার জন্য অবহেলা বা বিচ্ছিন্ন না করে তার কথা শুনতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার পথ সহজ করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবনযাপনকারীদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে শোনা এবং সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করা প্রকৃত পরিবর্তনের পূর্বশর্ত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানুষের মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনমানের উন্নয়নও সমান গুরুত্ব পাবে। এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ধারণ করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে সেবার পরিধি বাড়ানো, দক্ষ জনবল তৈরি, কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কাউন্সেলিং সেবা সম্প্রসারণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগলেও সামাজিক সংকোচ, সচেতনতার অভাব, সেবার সীমিত সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতির কারণে অনেকে যথাযথ চিকিৎসা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হন। এ কারণে সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা, গুণগত মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রান্তিক মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থা এবং টেলি-কাউন্সেলিং সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় প্রশিক্ষণ, সরকারি হাসপাতালগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মীকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্য, শিশু-কিশোরদের মানসিক সুস্থতা এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকেও সরকার যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে মনোযোগ দিয়ে মানুষের কথা শুনতে হবে, সহমর্মিতার সঙ্গে পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকতে হবে। একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। তিনি বলেন, সরকার, স্বাস্থ্য পেশাজীবী, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব, যেখানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে কেউ সংকোচ বোধ করবে না, সহায়তা চাইতে কেউ লজ্জিত হবে না কিংবা নিজেকে একা বা অবহেলিত মনে করবে না। সরকার এমন একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে প্রতিটি মানুষ মর্যাদা, আশা ও সম্ভাবনা নিয়ে সুস্থ ও অর্থবহ জীবনযাপনের সুযোগ পাবে। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের ও বিশ্বের সব মানুষের সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন এবং দিবসটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন। আরটিভি/এসআর
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: প্রধানমন্ত্রী
৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
আগামী ৭ নভেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে গ্রাম পুলিশ সমাবেশ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে আগামী মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রস্তুতিমূলক সভা ডেকেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এদিন বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক নোটিশে এ তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। নোটিশ অনুযায়ী, প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দেবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সভায় সভাপতিত্ব করবেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান। গ্রাম পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দফাদার ও মহল্লাদার পদে দায়িত্ব পালনকারী এ বাহিনীর সদস্যরা গ্রামীণ এলাকায় পাহারা ও টহল দেওয়া, অপরাধ দমনে থানা পুলিশকে সহায়তা করা, অপরাধসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি কাজে সহযোগিতা করেন। তবে দায়িত্বের তুলনায় বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা কম থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সংগঠন জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তি, বেতন গ্রেড পুনর্নির্ধারণ, রেশন, চিকিৎসা ও ঝুঁকি ভাতা এবং অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছে।  এ ছাড়া বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং চাকরির সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবিও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। আরটিভি/এসআর ‎  
৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা বনানীতে, দাফন মিরপুরে
শনিবার (৯ অক্টোবর) সকালে লন্ডন থেকে তার মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা বনানীতে, দাফন মিরপুরে
ঢাকায় প্রতি রুটে চলবে নির্দিষ্ট এক কোম্পানির বাস: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকার গণপরিবহণে শৃঙ্খলা ফেরানোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্রুত ঢাকার বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশন (সুনির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় আনা) বাস্তবায়নেরও নির্দেশ নিয়েছেন তিনি। এ পদ্ধতিতে একটি রুটে একাধিক নয়; মাত্র একটি কোম্পানির ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বাস চলবে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সংশ্লিষ্টদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  এ নির্দেশ দেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাস রুট রেশনালাইজেশনের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও বাস মালিক সমিতিকে। নতুন এই ব্যবস্থায় প্রত্যেক রুটে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির বাস চলবে। গাড়ির ফিটনেস, শৃঙ্খলা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি তারাই নিশ্চিত করবে। এ ছাড়া কাউন্টারভিত্তিক যাত্রীসেবা, ই-টিকিটিং ও জিপিএস ট্র্যাকিংয়েরও পরিকল্পনা রয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) সমীক্ষায় বর্তমানে সচল ৯৮টি রুট ও ৬৬টি কোম্পানিকে পুনর্গঠন করে ৩২টি ক্লাস্টার রুটে একীভূত করা হবে। বিআরটিএ এবং মালিক সমিতির সমন্বয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রথম দুটি অগ্রাধিকার রুট চূড়ান্ত করা হবে। একই দিনে পৃথক আরেকটি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো জোরদারে প্রতিটি ইউনিয়নে মিনি স্টেডিয়াম ও খেলার মাঠ গড়ে তোলার কঠোর নির্দেশ দেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশে অন্তত এক হাজার খেলার মাঠ প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতি ২-৩টি ওয়ার্ডের বিপরীতে ন্যূনতম একটি খেলার মাঠ নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় একযোগে ক্রীড়া কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বুয়েটের নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পিতা বরকত উল্লাহসহ তার পরিবারের সদস্যরা। সাক্ষাতকালে আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হলে তিনি বলেন, উচ্চ আদালতে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সরকারের পক্ষ থেকে আবরারের পরিবারকে সব ধরনের আইনগত ও নৈতিক সহায়তা দেওয়া অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
ঢাকায় প্রতি রুটে চলবে নির্দিষ্ট এক কোম্পানির বাস: প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় হতাহত ৩৯
যেভাবে সৌদি আরবে স্ত্রী-সন্তান নিতে পারবেন প্রবাসীরা
সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর
দূতাবাসের হেফাজতে গোপনে ভিডিও পাঠানো সেই রেহেনা