ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী: হুমায়ুন কবির

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের গৌরবোজ্জ্বল ও পেশাদার অভিজ্ঞতা রয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, সৌদি আরবের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালনে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘শ্রমশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারিত্ব: বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের নতুন বিন্যাস’ বিষয়ক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

ইসলামের পুণ্যভূমি মক্কা ও মদিনা শরিফের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সরকারের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশের কোনো ধরনের আপস নেই। পবিত্র এই ভূমি যদি কখনো আক্রান্ত বা হুমকির মুখে পড়ে, তবে প্রয়োজনীয় যে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ও সার্বিক সহায়তা দিতে ঢাকা সর্বাত্মক প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের গৌরবোজ্জ্বল ও পেশাদার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সৌদি আরবের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালনে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত বিনিয়োগ। বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা হয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অগ্রাধিকার শ্রমবাজার। দেশটিতে দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে আগ্রহী বাংলাদেশ।

হুমায়ুন কবির বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি হবে বিশ্বাস ও আস্থা। বাংলাদেশ অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীল হতে চায় না, বরং বিনিয়োগের অংশীদার হতে চায়। দেশে বিনিয়োগের জন্য স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সৌদি আরবের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে ঢাকা।

শান্তি রক্ষায় ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকলে মক্কায় যোগ দেয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, আগামী ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সফরে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
মানববর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী প্রকল্পের প্রদর্শনী দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীতে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামান মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রযুক্তি এবং গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটির কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা পর্যবেক্ষণ করেন। এর সম্ভাবনা বিবেচনায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। গবেষকরা জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে পরিচালিত গবেষণায় ‘হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন’ (এইচটিএল) প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্জ্য থেকে জৈব অপরিশোধিত তেল বা বায়োক্রুড উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গবেষণাগারের পরীক্ষায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বায়োক্রুড উৎপাদনের ফল পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ডিজেলসমৃদ্ধ বায়োক্রুড উৎপাদনেও সাফল্য এসেছে। গবেষণার পরবর্তী ধাপে প্রতিদিন ১ থেকে ৩ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতাসম্পন্ন একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, উৎপাদন ব্যয় ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা যাচাই করা হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। গবেষকদের দাবি, প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করা গেলে ভবিষ্যতে আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশের বিকল্প তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। এতে বছরে আনুমানিক ৬ হাজার ৫০০ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে বৃহৎ পরিসরে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই করতে হবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সরকারি সহায়তায় প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিক পর্যায়ে নেওয়া সম্ভব হলে দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানো, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, পরিবেশদূষণ হ্রাস এবং দেশীয় জ্বালানি শিল্পের বিকাশে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকু, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পাবলিক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সদস্য অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাছুদ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। আরটিভি/টিআর
বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ সরকারের
কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানী নিশ্চিতে সারাদেশে ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ নারী ও ৪০ শতাংশ পুরুষ রাখা হয়েছে। সম্ভাবনাময় কৃষি খাত এগিয়ে নিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতেই এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ‘প্রোগ্র্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরেমশন ফর নিউট্রিশন, এন্ট্রিপ্রিনিউরশিপ এন্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’- (ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং বা ডিএএম) প্রকেল্পর মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলার ২০৮টি উপজেলায় ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পের আওতায় কৃষি, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বীজ, নার্সারি, মাশররুম, ভার্মিকম্পোস্ট, পাটজাত ও দুগ্ধজাত পণ্যসহ বিভিন্ন উপখাতে উদ্যোক্তা তৈরির পাশাপাশি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্যের জন্য ভ্যালুচেইনভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলার উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রকেল্পর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ পাওয়া উদ্যোক্তাদের অন দ্যা জব প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ইনকিউবেশন সাপোর্টের মাধ্যমে পাঁচটি কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি নিশ্চিতে কাজ করেছ। প্রকল্প থেকে পাঁচটি কৃষিপণ্য যেমন— আলু, আম, কাঁঠাল, টমেটো ও সুগন্ধি চালের ভ্যালু চেইন প্রমোশনাল বডি গঠন করা হবে। ইতোমধ্যেই ভ্যালুচেইন প্রমোশনাল বডির নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদিত হয়েছে বলে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। প্রশিক্ষিত উদ্যোক্তাদের ম্যাচিং প্রান্ট সহায়তা করা হবে। ম্যাচিং প্রান্ট হিসেবে গৃহ পর্যায়ে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রপাতি দেয়া হবে। এসব যন্ত্রপাতি ক্রয়ে প্রকল্প হতে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি দেয়া হবে। বাকি ৩০ শতাংশ উদ্যোক্তারা নিজে বহন করেব। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পার্টনার-ডিএএম অঙ্গের এজেন্সি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, মাশরুম, নার্সারি, ভার্মিকম্পোস্ট, পাটজাত পণ্য ও দুগ্ধজাত পণ্যসহ বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক খাতে উদ্যোক্তা তৈরির কাজ চলেছ। তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৭৫ জনেক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে প্রায় ৭ হাজার উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেয়ার লক্ষ্য রয়েছে। ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, সারাদেশের ৬৪ জেলা ও ২০৮টি উপজেলায় এ কার্যক্রম চলেছ। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শুধু উদ্যোক্তা তৈরি নয়, তাদের ব্যবসায়িক দক্ষতা, ব্যবস্থাপনা জ্ঞান ও বাজারের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর প্রশিক্ষিত উদ্যোক্তাদের ইনকিউবেশন সাপোর্ট প্রদান করা হচ্ছে। তাদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য যে সকল বাধা রয়েছে, তা দূর করার প্রক্রিয়া নিয়ে ইনকিউবেশন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। ডিএএমের আওতায় ইতোমধ্যেই বিভিন্ন কৃষিপ্রধান এলাকায় এ ধরেনর ৭৬৭টি স্কুল গঠন করা হয়েছে। এ প্রসেঙ্গ ড. আবদুল্লাহ আল ফারুক বলেন, ‘যে এলাকায় যে পণ্যের উৎপাদন বেশি, সেখানে সেই পণ্যকে কেন্দ্র করে মার্কেট অ্যাক্টরস বিজনেস স্কুল গড়ে তোলা হচ্ছে। আলুর ক্ষেত্রে ২২৭টি স্কুল করা হয়েছে। এ বছর আরও ৩৩৫টি স্কুল করার পরিকল্পনা রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, এসব স্কুলের মাধ্যমে কৃষক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, হিমাগার মালিক, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও অন্যান্য বাজার-অংশীজনকে একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা হচ্ছে। এর ফলে নির্দিষ্ট কৃষিপণ্যের পুরো বাজারব্যবস্থার সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করা সহজ হবে। উদ্যোক্তাদের দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অগ্রগতির কান্ডারি উল্লেখ পার্টনার প্রকেল্পর কো-অর্ডিনেটর আবুল কালাম আজাদ বলেন, উদ্যোক্তারা শুধু নিজে স্বাবলম্বী হয় না, তারা সমাজের আরও দশজনকে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়। বিশ্ব অর্থনীতিতে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হতে হলে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদেরও বিভিন্ন নতুন নতুন ধ্যান-ধারণা নিয়ে কাজ করে সেগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কৃষিকে আধুনিক ও সম্মানজনক পেশায় পরিণত করা সম্ভব হবে। প্রশিক্ষণ নেয়া উদ্যোক্তারা তাদের পপ্রাণচাঞ্চল্য, কর্মস্পৃহা ও জীবনী শক্তি দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেবন। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ১২ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক দক্ষতা অর্জন করেছেন গাজীপুরের তামিমা আক্তার ন্যান্সি। জেলার সদর থানার পিরুজালী ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের ন্যান্সী পড়ালেখার পাশাপাশি নিজের উদ্যোগে কিছু করার তাগিদ অনুভব করেতন। অল্প সময়ের মধ্যেই শুররু করেন কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, এতে সফলতা ও পপ্রশংসা পেয়ে জ্যাম, জেলি, আচার, কাঁঠাল ও মাছের চিপস তৈরি করে স্থানীয় বাজারে স্বল্প পরিসরে বিক্রি শুরু করেন। শুরুতে ন্যান্সির সঠিকভাবে পণ্য উৎপাদন, নির্বাচন ও সংরক্ষণে কিছু সমস্যা হলেও, পরে প্রশিক্ষণ নিয়ে তার উৎসাহ আরও বেড়ে যায়। গাজীপুর কৃষি বিপণন কর্মকর্তার সহযোগিতায় ট্রেড লাইসেন্স ও স্বাস্থ্য সনদসহ প্রয়োজনীয় সব লাইসেন্স সংগ্রহ করেন ন্যান্সী। তার প্রতিষ্ঠিত ‘ন্যান্সি অ্যাগ্রো অ্যান্ড ফুড’—এ বর্তমানে চারজন কাজ করেছন।   শুধু ন্যান্সিই নন, উদ্যমী ও তরুণদের আয়বর্ধন কাজে নিয়োজিত করতে দেশব্যাপী উদ্যোক্তা তৈরি করার এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কৃষিখাতের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করেন, কৃষি খাত দেশের সম্ভাবনাময় খাত। কিন্তু এ খাতে বাস্তবধর্মী ও ব্যাপকভিত্তিক পরিকল্পনার অভাব, কাঙ্ক্ষিত আধুনিকায়ন না হওয়া এবং নতুন উদ্যোক্তা গড়ে না ওঠায় পিছিয়ে পড়ে কৃষি খাত। অথচ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি বাড়াতেও ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে কৃষি খাত। আর এরই অংশ হিসেবে বর্তমান সরকার উদ্যোক্তা তৈরীর এমন উদ্যোগ নিয়েছে। আরটিভি/টিআর
২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ সরকারের
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ, তিনজন আটক
ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়েছে এবং অপরটি উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ, তিনজন আটক
শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেন ড. ইউনূস
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ আফ্রিকান আইনবিদ নাভানেথেম ‘নাভি’  পিল্লাইকে ২০২৬ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক অভিনন্দন বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও জবাবদিহিতার প্রতি পিল্লাইয়ের আজীবন অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করায় আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। তার দীর্ঘ ও গৌরবময় কর্মজীবনের প্রশংসা করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বিচারপতি পিল্লাই তার জীবন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে উৎসর্গ করেছেন। তিনি বলেন, বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে, জাতিসংঘে এবং আন্তর্জাতিক বিচারাঙ্গনে তার কাজ প্রমাণ করেছে যে আইনের শাসন ছাড়া শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। তিনি ক্ষমতাবানদের জবাবদিহির আওতায় এনেছেন এবং যাঁদের কোনো কণ্ঠস্বর নেই, তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার বিচারপতি পিল্লাইয়ের অসাধারণ সাহস ও অবিচল সততার স্বীকৃতি। তিনি আরও বলেন, এটি একই সঙ্গে আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে ন্যায়বিচার ও শান্তি একে অপরের পরিপূরক। আমি তার প্রতি আমার আন্তরিক শুভকামনা জানাই। শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আন্তর্জাতিক আইন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে। আরটিভি/টিআর
শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেন ড. ইউনূস
দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু ১২ অক্টোবর
কেউ টাকার বিনিময়ে ফ্যামিলি কার্ডের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিলে তাকে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতারণার বিষয়ে প্রয়োজনে ১০৯৮ নম্বরে জানাতে বলা হয়েছে।
দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু ১২ অক্টোবর
আরও পড়ুন
সৌদিতে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫ বাংলাদেশি
বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ
সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা
ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে কোনো ছাড় নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী