ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

‘দেশের সব উপজেলায় সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
বক্তব্য রাখছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। পুরোনো ছবি

দল-মত ও অঞ্চল বিবেচনায় নয়, দেশের সব উপজেলার মানুষের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

তিনি বলেন, দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। কোনো একটি উপজেলার জন্য এমন সুবিধা দেওয়া উচিত হবে না, যা পাশের অন্য উপজেলাগুলোর মানুষ পাবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে সব এলাকার মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে ‘সমবায় সমিতির মাধ্যমে নগর ও পল্লী অঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে কর্মকৌশল নির্ধারণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা কেবল চাকরিজীবী নন, তারা দেশের ১৮ কোটি মানুষের সেবায় নিয়োজিত। তাদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন-ভাতা সমন্বয়ের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করেছে। সীমিত সম্পদের কারণে একবারে সবকিছু বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিবছর সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন সমন্বয়ের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করেছেন বলে জানান তিনি।

তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সরকারের সব কর্মকাণ্ডের সুফল যেন সাধারণ মানুষ পায়, সেটিই হতে হবে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তৃণমূলকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা তুলে ধরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রচলিত জ্বালানির উৎস সীমিত হয়ে আসায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। সৌরশক্তির যথাযথ ব্যবহার দেশের মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে, ব্যয় সাশ্রয় করবে এবং জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। এ জন্য সরকারের নির্ধারিত পরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে সৌরবিদ্যুতের সুফল দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় খাতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে ড. মঈন খান বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক কাঠামো, কার্যপরিধি ও সুযোগ-সুবিধা আরও কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পল্লী উন্নয়ন বোর্ডকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের প্রস্তাবসহ কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।

সমবায় সমিতির কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, শুধু নিবন্ধিত সমিতির সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, সেগুলোকে কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী করে গড়ে তুলতে হবে। দেশে বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ নিবন্ধিত সমবায় সমিতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি এসব সমিতির প্রকৃত কার্যকারিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকায় সমিতিগুলোর কার্যক্রম যাচাই করে সেগুলোকে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, সমবায় সমিতির নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে, যাতে গ্রামের সাধারণ মানুষ সহজেই সমিতি গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। সমবায়ের মাধ্যমে মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান ও হাটবাজারের ছাদে সৌরপ্যানেল স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন সমিতিগুলোর মাধ্যমেও সৌরপ্যানেল স্থাপন করা গেলে দেশের সাময়িক বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

তিনি গ্রামের মানুষকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসাহিত করতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। এ ছাড়া সৌরপ্যানেল স্থাপন ও সহায়ক সেবা ক্রয়ের জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে ইতোমধ্যে ৩৯০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় যুব দিবস আজ
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগানোর প্রত্যয় নিয়ে আজ ১ নভেম্বর পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস। দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহ এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়। এবারের আয়োজনে চাকরি মেলা, যুব পুরস্কার প্রদানসহ নানা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। যুব দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য- ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবসমাজ একটি জাতির প্রাণশক্তি এবং উন্নয়নের প্রধান নির্ধারক। দেশের সব বড় গণতান্ত্রিক অর্জনে তরুণরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বলেন, যুবসমাজকে দক্ষ ও উৎপাদনশীল মানবসম্পদে পরিণত করা গেলে স্বনির্ভর, উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তরুণদের মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বে যুবসমাজের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তরুণদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে। এবারের জাতীয় যুব দিবসের অন্যতম আকর্ষণ চাকরি মেলা। এতে ৫৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। মেলার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার কর্মপ্রত্যাশী তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সারা দেশে ১২ হাজার পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি পালন করছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, র‌্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম, খাল খনন, রক্তদান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যুবঋণ বিতরণ। এ ছাড়া সফল তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্মাননা এবং প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণের আয়োজনও রয়েছে। বর্তমানে বেকারত্ব, দক্ষতার ঘাটতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা যুবসমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এসব মোকাবিলায় কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ, শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা অর্জন এবং উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা বাড়ানো জরুরি। তরুণদের শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। তাদের মেধা, উদ্ভাবনী শক্তি ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে পারলে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। জাতীয় যুব দিবস সেই সম্ভাবনা ও দায়িত্বের কথাই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। আরটিভি/টিআর
জাতীয় যুব দিবস আজ
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী
স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দেশের যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী
দেশের তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা
জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে এ ঘোষণার কথা জানান তিনি। আগামীকাল ১ নভেম্বর দিবসটি উদ্‌যাপিত হবে।
দেশের তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা
ইলিশ শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে আজ (শনিবার) মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে শুরু হচ্ছে জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা। আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে এই ৮ মাস মেয়াদি নিষেধাজ্ঞা। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট ইলিশ (জাটকা) আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এর আগে ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে প্রজননক্ষম ইলিশ রক্ষায় ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়ন করা হয়। এসময় ডিমওয়ালা ইলিশ থেকে নিঃসৃত ডিমের পরিস্ফুটনের মাধ্যমে উৎপাদিত ইলিশের পোনা তার বয়সের একটি নির্দিষ্ট সময় (৫-৮ মাস) পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় নদ-নদী ও মোহনাসমূহে বিচরণ করছে।  আর এসময় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই নিষিক্ত ইলিশের পোনা রক্ষা করা অত্যাবশ্যকীয়। এসব পোনা নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারলেই ভবিষ্যতে দেশের ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। এ উদ্দেশ্যে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী, উল্লিখিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে অনধিক দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় কঠোরভাবে এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে। আরটিভি/এসআর
ইলিশ শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, চাকরি গেল সেই এএসপির
কনস্টেবলের স্ত্রী সঙ্গে পরকীয়া ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দিনাজপুর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কাজী মিজানুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে তাকে অবসরে পাঠানোর বিষয়টি জানা যায়। বিভাগীয় মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরে ওই নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণেও তাদের স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে বলে বিভাগীয় নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ রয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সম্পর্কের সূত্র ধরে কাজী মিজানুর রহমান ওই নারীকে এক বান্ধবীর বাসায় নিয়ে যান এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাদের পরকীয়া সম্পর্কে জড়ানো ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ও ছবি ওই কনস্টেবল পাওয়ার পর তাদের পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট হয়। একজন পুলিশ কর্মকর্তার এমন কর্মকাণ্ডে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে বিভাগীয় তদন্তে উল্লেখ করা হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়।  বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ ও রাষ্ট্রপতির ২৫ অক্টোবরের অনুমোদনের পর এ আদেশ জারি করা হয়। আরটিভি/এসআর
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, চাকরি গেল সেই এএসপির
আরও পড়ুন
মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক
এলজিআরডিমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে রিজভী
জাতি-ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী
দুর্গাপূজায় ধর্মীয় সম্প্রীতি অব্যাহত রাখা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর